
শূন্যতার রাজনীতি: বাংলাদেশ কি নিজের ভবিষ্যৎ হারাতে বসেছে?
বাংলাদেশ এখন এক বাস্তব রাজনৈতিক অস্থিরতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নিষিদ্ধ করার ফলে রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় শূন্যতা তৈরি

বাংলাদেশ এখন এক বাস্তব রাজনৈতিক অস্থিরতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নিষিদ্ধ করার ফলে রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় শূন্যতা তৈরি

বাংলাদেশ আবার একটি রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্ভাব্য দেশে ফেরা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার “মাইনাস টু” তত্ত্বের পুনরুত্থান, এবং সামনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয়

মা মৃত্যুশয্যায়। ছেলে বহু দূর লন্ডনে। সাধারণ পরিবারের নিয়মে এমন অবস্থায় সবাই ছুটে আসে, এসে মায়ের হাত ধরে। কিন্তু আমরা ভুলে গেলে চলবে না—এটি সাধারণ

বাংলাদেশে শান্তি নেই সবকিছু ভারী হয়ে আছে এক অজানা অনিশ্চয়তায়। দেশের মানুষের চোখে ক্লান্তি ও দীর্ঘশ্বাস আর মনে প্রশ্ন আর কত? দেশের অর্থনীতি, সমাজ, রাজনীতি

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। এটি ছিল বহুস্তরীয় জটিলতা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, শাসনব্যবস্থার ঘাটতি

বিগত প্রায় দুই দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপি এক অদ্ভুত সংকটচক্রের ভেতর দিয়ে অতিক্রম করছে। নির্বাচনী হিসাব–নিকাশ, প্রশাসনিক বাস্তবতা, তৃণমূলের ত্যাগ এবং কেন্দ্রের দ্বিধার মাঝে দলটি

ভূমিকা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্পর্ক তখনই সুস্থ থাকে, যখন রাজনৈতিক ক্ষমতা জনগণের অংশগ্রহণ ও বৈধতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত থাকে এবং অর্থনৈতিক সুযোগ

আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের ঘোষিত ‘লকডাউন কর্মসূচি’ ছিল কেবল একটি প্রশাসনিক অনুশীলন নয়, বরং সরকারের সক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার একটি বাস্তব পরীক্ষা। এই

বাংলা একাডেমির সংগ্রহে থাকা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ব্যক্তিগত বই কেজি দরে বিক্রি-এই খবর প্রকাশের পরই একটি প্রশ্ন : আমরা আসলে কোন ইতিহাসের সন্তান, আর

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের সময় নির্ধারণ নিয়ে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা এখন পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকেই অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো