<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মতামত | Newsflash24bd.com</title>
	<atom:link href="https://newsflash24bd.com/category/opinion/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://newsflash24bd.com/category/opinion/</link>
	<description>National News portal of Bangladesh</description>
	<lastBuildDate>Fri, 02 Jan 2026 13:51:21 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://newsflash24bd.com/wp-content/uploads/2024/01/cropped-newsflash24bd-fav-icon-32x32.png</url>
	<title>মতামত | Newsflash24bd.com</title>
	<link>https://newsflash24bd.com/category/opinion/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>তারেক রহমানের নেতৃত্ব, কূটনীতি ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%95%e0%a7%82/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%95%e0%a7%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মোঃ হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 Jan 2026 13:51:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[কূটনীতি ও রাজনৈতিক]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমানের]]></category>
		<category><![CDATA[নেতৃত্বে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=74095</guid>

					<description><![CDATA[<p>৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ভোরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ৩১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা এত বিশাল ছিল যে এটি ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই জনসমাগম শুধু শোক প্রকাশ নয়, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%95%e0%a7%82/">তারেক রহমানের নেতৃত্ব, কূটনীতি ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ভোরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ৩১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা এত বিশাল ছিল যে এটি ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই জনসমাগম শুধু শোক প্রকাশ নয়, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।</p>



<p>খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি বিএনপির অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের জন্য এক নতুন শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন দলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা তাঁর নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছিল। এখন এই দায়িত্ব তারেক রহমানের ওপর এসেছে। তিনি দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সংযোগও বজায় রেখেছেন।</p>



<p>বহু দেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক প্রতিনিধি ঢাকায় এসে শোক প্রকাশ করেছেন। ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শোকবার্তা তারেক রহমান ও পরিবারের কাছে পৌঁছেছে। পাকিস্তান, মালদ্বীপ, ভুটান, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত হয়েছেন। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের শোকবার্তা বাংলাদেশে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করেছে।</p>



<p>সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুহূর্তটি ছিল জামায়াতে ইসলামের উচ্চপর্যায়ের অংশের সঙ্গে তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত সংলাপ। এটি কোনো জোট বা আনুষ্ঠানিক সমঝোতা নয়। বরং রাজনৈতিক বোঝাপড়ার সূক্ষ্ম বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপি এই সাক্ষাৎকে কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও দায়িত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করেছে এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত ও সমীকরণের দিকে নজর রেখে “দাবার ছক” সাজিয়েছে। এই ধরনের সংলাপ দলীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সহনশীলতা, কৌশল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার দিক নির্দেশ করছে।</p>



<p>সার্বিকভাবে খালেদা জিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটি শুধু এক নেত্রীর প্রয়াণ নয়, বরং দলের পুনর্গঠন, নেতৃত্বের সংহতি ও কূটনৈতিক প্রজ্ঞার প্রয়োগের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।</p>



<p>জাতীয় রাজনীতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ, রাজনৈতিক সমঝোতা এবং কূটনৈতিক সংযোগ আগামী দিনের রাজনীতির রূপরেখা নির্ধারণ করবে।</p>



<p>লেখক: মোঃ হাফিজ আল আসাদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%95%e0%a7%82/">তারেক রহমানের নেতৃত্ব, কূটনীতি ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%95%e0%a7%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রুমিন ফারহানা ও সমসাময়িক রাজনীতি</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 04:41:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতিতে]]></category>
		<category><![CDATA[রুমিন ফারহানা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73929</guid>

					<description><![CDATA[<p>রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ শেষ—এমন ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং বিএনপির রাজনীতির ধারাবাহিকতায় তিনি আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছেন, যেখানে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি বা মনোনয়নের প্রশ্নের চেয়েও দলের বৃহত্তর স্বার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রুমিন ফারহানা বিএনপির কোনো সাধারণ মুখ নন; তিনি দলের একজন বড় মাপের নেত্রী, যিনি সংসদে, রাজপথের বাইরে থেকেও, যুক্তিনির্ভর বক্তব্য ও [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf/">রুমিন ফারহানা ও সমসাময়িক রাজনীতি</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ শেষ—এমন ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং বিএনপির রাজনীতির ধারাবাহিকতায় তিনি আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছেন, যেখানে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি বা মনোনয়নের প্রশ্নের চেয়েও দলের বৃহত্তর স্বার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রুমিন ফারহানা বিএনপির কোনো সাধারণ মুখ নন; তিনি দলের একজন বড় মাপের নেত্রী, যিনি সংসদে, রাজপথের বাইরে থেকেও, যুক্তিনির্ভর বক্তব্য ও সাংবিধানিক প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থানের মাধ্যমে দলকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।<br>বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল, যার রাজনীতি কেবল ব্যক্তি নয়—কৌশল, জোট এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। সেই বাস্তবতায় কোনো একটি আসনে রুমিন ফারহানাকে মনোনয়ন না দেওয়া যদি জোটগত বা কৌশলগত সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে, তবে সেটিকে ব্যক্তিগত অবমূল্যায়ন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং দলের স্বার্থে একজন পরীক্ষিত নেত্রীকে ছাড় দেওয়া কখনো কখনো বিএনপির জন্য কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। ইতিহাস বলছে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোতে অনেক সময় সবচেয়ে সক্ষম নেতাদেরই সাময়িকভাবে পেছনে থাকতে হয় বৃহত্তর সমীকরণের জন্য।<br>এ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার আলোচনা এলেও বিষয়টি একরৈখিক নয়। স্বতন্ত্র প্রার্থিতা রাজনৈতিক অবস্থান জানান দেওয়ার একটি সম্ভাব্য পথ হতে পারে, কিন্তু সেটিই একমাত্র পথ নয়। নির্বাচনে অংশ না নিয়েও যে রাজনীতিতে প্রভাব রাখা যায়, রুমিন ফারহানা তার উদাহরণ। সংসদে থাকাকালে যেমন তিনি আলোচিত ছিলেন, সংসদের বাইরে থেকেও তিনি বিএনপির পক্ষে যুক্তি, বক্তব্য ও রাজনৈতিক বয়ানকে শক্তিশালী করেছেন। গণমাধ্যম ও জনপরিসরে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে একটি “তারকা রাজনীতিক” হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা কেবল নির্বাচনের মাধ্যমে অর্জিত হয়নি।<br>এই প্রেক্ষাপটে রুমিন ফারহানার কাছ থেকে হতাশা বা অভিমানী সুর প্রত্যাশা করা বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গেও যায় না। বরং দলের প্রতি আনুগত্য, সিদ্ধান্তকে সম্মান করা এবং সময়ের জন্য অপেক্ষা করাই একজন পরিণত রাজনীতিকের আচরণ। বিএনপির স্বার্থেই আজ হয়তো তাকে একধাপ পেছনে থাকতে হচ্ছে, কিন্তু তাতেই তার রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে যায় না।<br>রুমিন ফারহানাকে আমরা দেখতে চাই একজন পরিচ্ছন্ন, আদর্শভিত্তিক ও আধুনিক রাজনৈতিক চর্চার প্রতিনিধি হিসেবে—যিনি ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দল ও দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন। অনাগত সময়ে বিএনপির রাজনীতিতে তার ভূমিকা আরও বিস্তৃত ও তাৎপর্যপূর্ণ হবে—এই প্রত্যাশাই বাস্তবসম্মত।</p>



<p>লেখক : মো: হাফিজ আল আসাদ , রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf/">রুমিন ফারহানা ও সমসাময়িক রাজনীতি</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিশ্লেষণ : তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন, দল, নেতৃত্ব ও নির্বাচন কৌশল (দ্বিতীয়)</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 09:04:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমানের]]></category>
		<category><![CDATA[দল]]></category>
		<category><![CDATA[প্রত্যাবর্তন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73693</guid>

					<description><![CDATA[<p>তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্ব পায়, তা হলো বিএনপি এই প্রত্যাবর্তনকে কীভাবে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারবে। দীর্ঘ সময় ধরে দলটি নেতৃত্ব সংকট, মাঠপর্যায়ের দুর্বলতা এবং আন্দোলননির্ভর রাজনীতির সীমাবদ্ধতায় আটকে আছে—এমন অভিযোগ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন নয়। এই বাস্তবতায় তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতি বিএনপির জন্য একটি সুযোগ সৃষ্টি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/">বিশ্লেষণ : তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন, দল, নেতৃত্ব ও নির্বাচন কৌশল (দ্বিতীয়)</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্ব পায়, তা হলো বিএনপি এই প্রত্যাবর্তনকে কীভাবে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারবে। দীর্ঘ সময় ধরে দলটি নেতৃত্ব সংকট, মাঠপর্যায়ের দুর্বলতা এবং আন্দোলননির্ভর রাজনীতির সীমাবদ্ধতায় আটকে আছে—এমন অভিযোগ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন নয়। এই বাস্তবতায় তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতি বিএনপির জন্য একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে, তবে সেই সুযোগ কাজে লাগানো না গেলে প্রত্যাবর্তনটি প্রতীকী ঘটনাতেই সীমাবদ্ধ থেকে যেতে পারে।</p>



<p>বিএনপির সাংগঠনিক বাস্তবতা এখন বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জে ভরা। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে দলীয় কাঠামোর বিভিন্ন স্তরে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় নেতৃত্বের শূন্যতা, কোথাও আবার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দলকে দুর্বল করেছে। তারেক রহমানের একটি ইতিবাচক দিক হলো, তিনি দল পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন এবং অতীতে দলীয় কাঠামো ঢেলে সাজানোর কথা বলেছেন। দেশে ফিরে তিনি যদি জেলা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক মূল্যায়ন শুরু করেন এবং দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাস করেন, তাহলে তা বিএনপিকে একটি কার্যকর রাজনৈতিক সংগঠনে রূপ দিতে পারে।</p>



<p>নেতৃত্বের প্রশ্নে তারেক রহমানের সামনে আরেকটি বড় সুযোগ রয়েছে প্রজন্মগত রূপান্তরের ক্ষেত্রে। বিএনপির রাজনীতিতে এখনও প্রবীণ নেতৃত্বের প্রভাব প্রবল, যদিও ভোটার কাঠামোতে তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই বৈপরীত্য দলটির ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি বড় দুর্বলতা। তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরেই তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার কথা বলে আসছেন। তাঁর প্রত্যাবর্তন যদি বাস্তব অর্থে তরুণ, শিক্ষিত ও পেশাজীবী শ্রেণিকে দলীয় নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে বিএনপি শুধু সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে না, বরং সামাজিক প্রতিনিধিত্বের দিক থেকেও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে।</p>



<p>নির্বাচন কৌশল এই পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচন মানেই শুধু ভোটের দিন নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। অতীতে বিএনপি কখনো নির্বাচন বর্জন করেছে, কখনো আন্দোলনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, যার ফলাফল সবসময় প্রত্যাশিত হয়নি। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পর বিএনপির জন্য বড় প্রশ্ন হলো, তারা কি একই পথ অনুসরণ করবে, নাকি একটি নতুন, বাস্তবসম্মত নির্বাচন কৌশল গ্রহণ করবে। তারেক রহমানের ইতিবাচক দিক হলো, তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক সংস্কারের একটি অংশ হিসেবে দেখার কথা বলেছেন, কেবল ক্ষমতা দখলের মাধ্যম হিসেবে নয়।</p>



<p>নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কমিশনের স্বাধীনতা ও সক্ষমতা নিয়ে যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। তারেক রহমান যদি কমিশনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে নীতিগত চাপ, জনমত গঠন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকে সংস্কারের দাবি তোলেন, তাহলে সেটি একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিএনপির অবস্থানও তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হবে।</p>



<p>বিএনপির রাজনৈতিক বার্তার ভাষা ও বিষয়বস্তুতেও পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দলটি প্রধানত সরকারবিরোধী বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। যদিও বিরোধী রাজনীতিতে সরকারের সমালোচনা স্বাভাবিক, তবে কেবল সমালোচনার রাজনীতি জনগণের দীর্ঘমেয়াদি আস্থা অর্জনে যথেষ্ট নয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি যদি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে সুস্পষ্ট বিকল্প নীতি তুলে ধরতে পারে, তাহলে তা দলটির রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবে।</p>



<p>এখানে ৩১ দফা কর্মসূচির গুরুত্ব আবার সামনে আসে। এই কর্মসূচি বিএনপির নীতিগত অবস্থানের একটি কাঠামো প্রদান করে, তবে বাস্তব রাজনীতিতে এর প্রয়োগ এখনো পরীক্ষিত নয়। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পর যদি এই ৩১ দফাকে কেন্দ্র করে দলীয় প্রশিক্ষণ, জনসংযোগ এবং নীতিনির্ভর আলোচনার সূচনা হয়, তাহলে তা বিএনপিকে স্লোগাননির্ভর রাজনীতি থেকে নীতিনির্ভর রাজনীতির দিকে এগিয়ে নিতে পারে। এতে নির্বাচন কৌশলও আরও পরিপক্ব ও বাস্তবসম্মত হবে।</p>



<p>আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজনৈতিক সহনশীলতা ও জোট রাজনীতি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে একক দলীয় আধিপত্যের ধারণা দীর্ঘদিন ধরে প্রাধান্য পেয়েছে, তবে বাস্তবতা হলো টেকসই গণতন্ত্রের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। তারেক রহমান যদি দেশে ফিরে জোট রাজনীতিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেন এবং বিরোধী শক্তিগুলোর সঙ্গে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা করেন, তাহলে তা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে।</p>



<p>এই দ্বিতীয় পর্বের বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বিএনপির জন্য কেবল আবেগঘন মুহূর্ত নয়, বরং একটি কঠিন রাজনৈতিক পরীক্ষা। দল পুনর্গঠন, নেতৃত্বের রূপান্তর এবং নির্বাচন কৌশল—এই তিনটি ক্ষেত্রে তিনি কতটা বাস্তববাদী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তার ওপর নির্ভর করবে বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান।</p>



<p>ধারাবাহিক এই বিশ্লেষণের তৃতীয় পর্বে আলোচনা করা হবে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষাপটে ৩১ দফা কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নীতি এবং সামাজিক পুনর্গঠন কীভাবে বাস্তব রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ নিতে পারে।</p>



<p>লেখক: মো: হাফিজ আল আসাদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/">বিশ্লেষণ : তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন, দল, নেতৃত্ব ও নির্বাচন কৌশল (দ্বিতীয়)</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড, দায় অস্বীকারের রাজনীতি ও ‘নতুন স্বাধীনতা’র প্রশ্ন</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 04:54:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[দায় অস্বীকারের]]></category>
		<category><![CDATA[বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73502</guid>

					<description><![CDATA[<p>১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১-বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোর একটি। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, প্রকৌশলীসহ শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ড ছিল হঠাৎ কোনো প্রতিশোধমূলক ঘটনা নয়; ছিল সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের দেশীয় সহযোগী আল-বদর, আল-শামস ও রাজাকার বাহিনী মিলে এই হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত করে-যার উদ্দেশ্য ছিল [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6/">বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড, দায় অস্বীকারের রাজনীতি ও ‘নতুন স্বাধীনতা’র প্রশ্ন</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১-বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনগুলোর একটি। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, প্রকৌশলীসহ শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ড ছিল হঠাৎ কোনো প্রতিশোধমূলক ঘটনা নয়; ছিল সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের দেশীয় সহযোগী আল-বদর, আল-শামস ও রাজাকার বাহিনী মিলে এই হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত করে-যার উদ্দেশ্য ছিল সদ্য জন্ম নিতে যাওয়া রাষ্ট্রটিকে মেধাশূন্য করা, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করা।</p>



<p>এই সত্যটি মুক্তিযুদ্ধ-গবেষণা, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের প্রতিবেদন এবং বহু ঐতিহাসিক গ্রন্থে বারবার প্রমাণিত হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনী সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছে, তালিকা তৈরি করেছে, অপহরণ ও নির্যাতনের অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। দেশীয় ঘাতকরা ছিল মূলত দোসর,পাকিস্তানি সামরিক শাসনের আদর্শিক ও সাংগঠনিক সহযোগী।</p>



<p>এই প্রেক্ষাপটে আজ যখন একটি মহল বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় ভারতের উপর চাপানোর চেষ্টা করে, তখন তা শুধু ইতিহাস বিকৃতি নয়, বরং শহীদদের স্মৃতির প্রতি চরম অবমাননা। ভারতের ভূমিকা ছিল মুক্তিযুদ্ধের মিত্র শক্তি হিসেবে-ডিসেম্বরের শুরুতে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ তারই ধারাবাহিকতা। ভারতীয় বাহিনীর কোনো নথি, গবেষণা, আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন কিংবা নিরপেক্ষ ইতিহাসবিদের বিশ্লেষণে বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে ভারতের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই। বরং হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় ১৪ ডিসেম্বর, যখন পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় এখনো পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং আল-বদর বাহিনী সক্রিয়ভাবে অপহরণ চালাচ্ছে। সুতরাং ভারতের উপর দায় চাপানো একটি রাজনৈতিক সুবিধাবাদী প্রচারণা ( narrative) যার উদ্দেশ্য একাত্তরের ঘাতকদের দায় হালকা করা এবং পাকিস্তানি রাষ্ট্রের অপরাধকে ধুয়ে-মুছে সাফ করা।</p>



<p>এবারের বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবসটি সত্যিই কি অন্যরকম গেল? রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি পর্যায়ে আগের মতো আড়ম্বর, দৃঢ়তা ও নৈতিক স্পষ্টতা কি দেখা গেছে? প্রশ্নটি অস্বস্তিকর হলেও জরুরি। যখন একই সময়ে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য শোনা যায় যেখানে জামায়াত নেতারা নির্দ্বিধায় পাকিস্তানি বাহিনীকে দায়মুক্তি দেন, নিজেদের ভূমিকা নিয়ে কোনো অনুতাপ তো দূরের কথা, বরং ইতিহাস পুনর্লিখনের স্পর্ধা দেখান-তখন রাষ্ট্রের নীরবতা অনেক কিছু বলে দেয়। দায় স্বীকার না করা শুধু রাজনৈতিক কৌশল নয়; এটি এক ধরনের আদর্শিক অবস্থান, যেখানে ঘাতক নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতেই শহীদের রক্ত অস্বীকার করে।</p>



<p>আরও উদ্বেগজনক হলো-দেশের শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু কর্তা ব্যক্তির ভূমিকা। ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাজাকারদের ছবি মুছে দেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রকাশ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে দায়মুক্তি দেন। এরা কেবল প্রশাসক নন, জাতির বিবেক গঠনের দায়িত্বে থাকা মানুষ। যখন শিক্ষার সর্বোচ্চ মঞ্চ থেকে ইতিহাস বিকৃতি ছড়ানো হয়, তখন সেটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চেতনার উপর সরাসরি আঘাত।</p>



<p>এই বাস্তবতার মধ্যেই বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবসে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ডিবি কর্তৃক জিম থেকে তুলে নেওয়ার ঘটনা একটি ভয়ানক প্রতীক হয়ে ওঠে। বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবস মানে তো কেবল ফুল দেওয়া নয়; মানে চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নকে নতুন করে স্মরণ করা। অথচ সেই দিনই একজন সাংবাদিককে তুলে নেওয়া হয়। আজ জিম থেকে, কাল স্ত্রীর শয্যা থেকে, পরশু অসুস্থ মায়ের পাশে থেকে কিংবা সন্তানের স্কুল বা খেলার মাঠ থেকে—এই ধারাবাহিকতা কি ইতিহাসে আমরা দেখিনি? ১৯৭১-এর ডিসেম্বরেও তো এমনভাবেই মানুষ তুলে নেওয়া হয়েছিল।</p>



<p>তাহলে আমরা যে ‘নতুন স্বাধীনতা’র কথা শুনেছিলাম, সেটি কি কেবল স্লোগান? বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মরণ যদি রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকে, অথচ একই সাথে মতপ্রকাশ দমন, ইতিহাস বিকৃতি ও ঘাতকদের পুনর্বাসন চলতে থাকে-তবে সেই স্মরণ অর্থহীন হয়ে পড়ে।</p>



<p>আবেগহীন ইতিহাসের নিরিখে সত্য একটাই: বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল পাকিস্তানি রাষ্ট্রের পরিকল্পিত অপরাধ, যার বাস্তবায়নে দেশীয় সহযোগীরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল। এই দায় থেকে পাকিস্তান বা তাদের আদর্শিক উত্তরসূরিদের মুক্ত করার কোনো ঐতিহাসিক বা নৈতিক ভিত্তি নেই। ভারতের উপর দায় চাপানো একটি রাজনৈতিক মিথ, যা প্রমাণ দিয়ে নয়, প্রচারণা দিয়ে টিকে থাকতে চায়।</p>



<p>ইতিহাস প্রতিশোধ চায় না, চায় স্বীকৃতি। দায় স্বীকার ছাড়া কোনো জাতি সত্যিকারের সামনে এগোতে পারে না। ১৪ ডিসেম্বর আমাদের সেই কঠিন সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়-আমরা কি ইতিহাসের পক্ষে দাঁড়াব, নাকি সুবিধার পক্ষে?</p>



<p>বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড বিষয়ে গ্রন্থসূত্র (রেফারেন্স):</p>



<p>১. মুনতাসীর মামুন -বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ১৯৭১<br>২. রফিকুল ইসলাম &#8211; একাত্তরের বুদ্ধিজীবী হত্যা<br>৩. আহমদ শরীফ &#8211; একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা<br>৪. হাসান হাফিজুর রহমান (সম্পা.) &#8211; বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র (বিশেষত ১০ম-১৪তম খণ্ড)<br>৫. সেলিনা হোসেন &#8211; হাঙর নদী গ্রেনেড (প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট)<br>৬. অ্যান্থনি মাসকারেনহাস &#8211; The Rape of Bangladesh<br>৭. সুমিত সরকার &#8211; 1971: Documents and Essays<br>৮. রিচার্ড সিসন ও লিও রোজ -War and Secession: Pakistan, India, and the Creation of Bangladesh<br>৯. বদরুদ্দীন উমর &#8211; বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বুদ্ধিজীবী হত্যা<br>১০. মঈদুল হাসান -মূলধারা ’৭১</p>



<p>এই গ্রন্থগুলো একত্রে একটি সুস্পষ্ট সত্য প্রতিষ্ঠা করে-বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের, অন্য কারও নয়।<br>হাফিজ আল আসাদ<br>রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক। গবেষক ও প্রচার সম্পাদক ইতিহাস এলামনাই এসোসিয়েশন (CUHDA)</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6/">বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড, দায় অস্বীকারের রাজনীতি ও ‘নতুন স্বাধীনতা’র প্রশ্ন</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মির্জা আব্বাসকে ঘিরে অপপ্রচার, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সত্য-অসত্যের স্রোত</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%aa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 04:07:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ঘিরে অপপ্রচার]]></category>
		<category><![CDATA[মির্জা আব্বাসকে]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73422</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের রাজনীতিতে মির্জা আব্বাস এমন একটি নাম, যিনি দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে নেতৃত্ব, আন্দোলন, সংঘাত ও বিতর্ক-সব কিছুর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনকে প্রভাবিত করে আসছেন। তাঁর সমালোচক যেমন আছেন, তেমনি আছেন একনিষ্ঠ সমর্থকও। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার পরে আবারও তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন-এবারও তাকে ঘিরে ওঠে নানা অভিযোগ, গুজব ও নেতিবাচক প্রচার। মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%aa/">মির্জা আব্বাসকে ঘিরে অপপ্রচার, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সত্য-অসত্যের স্রোত</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলাদেশের রাজনীতিতে মির্জা আব্বাস এমন একটি নাম, যিনি দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে নেতৃত্ব, আন্দোলন, সংঘাত ও বিতর্ক-সব কিছুর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনকে প্রভাবিত করে আসছেন। তাঁর সমালোচক যেমন আছেন, তেমনি আছেন একনিষ্ঠ সমর্থকও। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার পরে আবারও তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন-এবারও তাকে ঘিরে ওঠে নানা অভিযোগ, গুজব ও নেতিবাচক প্রচার।</p>



<p>মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক অতীত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়-৮০ দশক থেকেই তিনি ছাত্র ও নগর রাজনীতিতে সক্রিয়, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শীর্ষ নেতাদের একজন এবং ১৯৯১ সালে ঢাকা-৬ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনেও জয়ী হন। একই বছর তিনি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র হিসেবে কাজ করেন। তাঁর ক্যারিয়ারের এই অংশটি ঢাকার রাজনীতিতে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছে।</p>



<p>এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় সমালোচনা যেমন হয়েছে, তেমনি তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের ইতিহাসও কম নয়। একাধিকবার গ্রেপ্তার, দীর্ঘ রিমান্ড, অসংখ্য মামলা-এসবই তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই একটি নতুন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে-যেকোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনার পর দ্রুততার সঙ্গে প্রমাণের আগেই মির্জা আব্বাসকে দায়ী করার চেষ্টা। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সামাজিক মাধ্যমে প্রস্তুত ফটোকার্ড, প্রচার ও নেতিবাচক ম্যাসেজ এই প্রবণতাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।</p>



<p>রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা-বিশেষ করে ভোটের মাঠে-এক ধরনের কৌশল দাবি করে। কিন্তু যখন সেই কৌশল নেমে আসে অপপ্রচারে, তখন তা গণতান্ত্রিক রাজনীতির কাঠামোকেই দুর্বল করে। প্রশ্ন উঠছে-যে ব্যক্তি সাবের হোসেন চৌধুরীর মতো প্রতিষ্ঠিত নেতার বিরুদ্ধেও সুদীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক সংগ্রাম করে টিকে থাকতে পেরেছেন, তিনি কি সত্যিই নবীন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীকে ধ্বংস করার মতো রাজনীতির পথ বেছে নেবেন? এবং যে নবীন কর্মীর ভক্তদের কেউ কেউ বলছেন, তিনি মির্জা আব্বাসের ভোটের সামান্য অংশেও প্রভাব ফেলতে পারবেন না-তাহলে এই দ্রুত দায়ারোপের নেপথ্য উদ্দেশ্য কী?</p>



<p>এক্ষেত্রে একটি বিষয় স্পষ্ট-রাজনীতির ময়দানে যাঁরা সত্যিকার প্রতিদ্বন্দ্বী নন, তাঁদের কেউ কেউ মির্জা আব্বাসকে টার্গেট করে নিজেদের রাজনৈতিক সুফল আদায়ের চেষ্টা করছেন। এতে তাঁরা যেমন বিএনপির অভ্যন্তরে বিভাজন তৈরি করতে চান, তেমনি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করাকেও কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছেন। অপপ্রচার, চরিত্রহনন, নেতিবাচক লেবেলিং-এসবই সেই কৌশলের অংশ, যা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতিতে অদৃশ্যভাবে কাজ করে এসেছে।</p>



<p>অবশ্যই মির্জা আব্বাসের ভুল থাকতে পারে, তাঁর কর্মপদ্ধতি বা বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায়-এটাই রাজনৈতিক স্বাভাবিকতা। কিন্তু তথ্য-যাচাই ছাড়াই অভিযোগ ছড়ানো, প্রোপাগান্ডার ছলে একজন দীর্ঘমেয়াদি নেতার রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করার চেষ্টা-এই সংস্কৃতি রাজনৈতিক সহনশীলতার জন্য ক্ষতিকর।</p>



<p>মির্জা আব্বাসের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকা-দুটোই মানুষের মতামতের স্বাধীনতা। কিন্তু কোনও ঘটনার পরপরই নির্দিষ্ট কিছু মহল যে গতিতে প্রোপাগান্ডা ছড়ায়, তা দেখলে বোঝা যায় রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আজ অনেকটাই কৌশল ও প্রচারের যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। আর সেই যুদ্ধেই বারবার ওঠে আসে একটি পুরোনো প্রশ্ন-বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কি সত্যিই পরিণত হচ্ছে, নাকি আগের মতোই দোষারোপ, বিভাজন ও অপপ্রচারই হয়ে উঠছে প্রধান হাতিয়ার?</p>



<p>যে প্রেক্ষাপটেই হোক, একটি বিষয় পরিষ্কার-রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার এই ধারাটি যদি না বদলায়, তাহলে আগামী দিনে আরও বেশি নেতাই অপপ্রচারের শিকার হবেন। আর এর সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর, যেখানে ভিন্নমত, সহনশীলতা আর যুক্তির জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়ছে।</p>



<p>লেখক : মো:হাফিজ আল আসাদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলম লেখক ।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%aa/">মির্জা আব্বাসকে ঘিরে অপপ্রচার, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সত্য-অসত্যের স্রোত</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকা-৮ প্রার্থী ওসমান হাদির ওপর হামলা: নির্বাচন-নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিবেশ</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a7%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%93%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a7%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%93%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 12 Dec 2025 11:50:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[ওসমান হাদির]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা-৮ প্রার্থী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73394</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার নৈতিক কাঠামো নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। তফসিল ঘোষণার পরপরই কোনো প্রার্থীর ওপর সশস্ত্র হামলা হওয়া শুধু একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ সীমিত করে দেয়, কারণ এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং আস্থাহীনতার ক্ষেত্র তৈরি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a7%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%93%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/">ঢাকা-৮ প্রার্থী ওসমান হাদির ওপর হামলা: নির্বাচন-নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিবেশ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার নৈতিক কাঠামো নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। তফসিল ঘোষণার পরপরই কোনো প্রার্থীর ওপর সশস্ত্র হামলা হওয়া শুধু একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ সীমিত করে দেয়, কারণ এ ধরনের ঘটনা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং আস্থাহীনতার ক্ষেত্র তৈরি করে। যদিও হামলার পেছনে কারা বা কোন উদ্দেশ্যে এটি সংগঠিত হয়েছে সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই, তবে ঘটনাটি রাজনৈতিক যোগাযোগ, প্রচারণা-নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা প্রকাশ করে।</p>



<p>হাদি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছিলেন, এবং তার বিরুদ্ধে সামাজিক অবমূল্যায়নমূলক মন্তব্য বা পূর্বের হুমকির অভিযোগ প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতির কিছু অংশে অনলাইন ও অফলাইন—দু’মুখী—হয়রানি একটি সাধারণ কৌশলে পরিণত হয়েছে। এ ধরনের মনস্তাত্ত্বিক বা সামাজিক চাপের সঙ্গে সহিংসতার সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণ করা সম্ভব না হলেও, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে একটি প্রার্থীকে অবমাননা বা হুমকির মাধ্যমে দুর্বল করার প্রবণতা গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে হাদির বিরুদ্ধে পূর্বের হুমকিগুলো উপেক্ষিত থাকা কিংবা তা প্রতিহত করার ব্যবস্থা গৃহীত না হওয়া পরিস্থিতির ভঙ্গুরতাকে স্পষ্ট করে।</p>



<p>এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা হলো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা হওয়া। রাজনৈতিক প্রচারণার সময় একজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে লক্ষ্য করে চলমান সড়কে মোটরসাইকেল থেকে হামলা করা মানে হামলাকারীরা পরিবেশ সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী ছিল অথবা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে ফাঁক ছিল। যে পর্যায়েই হোক, এটি নির্বাচনী নিরাপত্তা-ব্যবস্থার দুর্বলতার একটি ইঙ্গিত দেয়। তদন্ত এখনো চলমান থাকায় দায়সিদ্ধের কোনো অবতারণা করা যায় না, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তকে কেবল দ্রুত নয়, দৃশ্যমান ও পেশাদার করতে হবে—যাতে গুজব, বিভ্রান্তি বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যাখ্যা ছড়িয়ে না পড়ে।</p>



<p>ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার চরিত্র সম্পর্কেও সমালোচনার সুযোগ তৈরি করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া যে কোনো প্রার্থীর প্রতি সহনশীলতা ও নিরাপত্তার অভাব প্রমাণ করে গণতন্ত্রের বহুমুখী অংশগ্রহণ এখনো কাঠামোগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। ছোট দল, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা কম পরিচিত রাজনৈতিক ধারার ওপর হামলার ঝুঁকি বেশি থাকলে সেটি মূলধারার রাজনৈতিক শক্তিগুলোর প্রতি অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তারের সুযোগ সৃষ্টি করে। এ ধরনের অসমতা দীর্ঘমেয়াদে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করতে পারে।</p>



<p>সরকারের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত নির্দিষ্ট: হামলাটিকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে বিবেচনা না করে আইনগত অপরাধ হিসেবে দেখা, তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দল ও কর্মীদের জন্য আচরণবিধি কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা জরুরি, কারণ ব্যক্তিগত বিদ্বেষ, কটূক্তি কিংবা সামাজিক বঞ্চনার মতো মনস্তাত্ত্বিক চাপ প্রায়শই বাস্তব সহিংসতার পটভূমি তৈরি করে।</p>



<p>সর্বোপরি, এ ঘটনা প্রতিকূল রাজনৈতিক শক্তির জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে যদি তদন্ত দুর্বল হয় বা হামলার উদ্দেশ্য অস্পষ্ট থাকে। তাই এই মুহূর্তে প্রধান প্রয়োজন বাস্তব তথ্য উন্মোচন, প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ববোধ এবং নিরাপদ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সক্ষমতা প্রদর্শন। কারণ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট জবাবদিহিই রাজনৈতিক পরিবেশে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।</p>



<p>মো: হাফিজ আল আসাদ। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a7%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%93%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/">ঢাকা-৮ প্রার্থী ওসমান হাদির ওপর হামলা: নির্বাচন-নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিবেশ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a7%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%80-%e0%a6%93%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নারী জাগরণের পথ দীর্ঘ, আচরণগত পরিপক্বতার যাত্রা আরো দীর্ঘ</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%98-%e0%a6%86%e0%a6%9a%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%98-%e0%a6%86%e0%a6%9a%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ-আল-আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 16:11:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[আচরণগত]]></category>
		<category><![CDATA[নারী জাগরণের]]></category>
		<category><![CDATA[পথ দীর্ঘ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73353</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে নারীর উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিতে গত তিন দশকে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে-এ কথা অস্বীকার করা যায় না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভোটাধিকার, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ-সব ক্ষেত্রেই নারীর দৃশ্যমান উপস্থিতি আজ একটি নতুন সামাজিক বাস্তবতা। ১৯৯০-এর পর থেকে ২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়গুলোতে নারী নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা এই পরিবর্তনকে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%98-%e0%a6%86%e0%a6%9a%e0%a6%b0/">নারী জাগরণের পথ দীর্ঘ, আচরণগত পরিপক্বতার যাত্রা আরো দীর্ঘ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে নারীর উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিতে গত তিন দশকে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করেছে-এ কথা অস্বীকার করা যায় না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভোটাধিকার, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ-সব ক্ষেত্রেই নারীর দৃশ্যমান উপস্থিতি আজ একটি নতুন সামাজিক বাস্তবতা। ১৯৯০-এর পর থেকে ২০২৫ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ পর্যায়গুলোতে নারী নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা এই পরিবর্তনকে কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করেছে। অথচ একই সমাজে বেগম রোকেয়ার মতো নারী জাগরণের পথিকৃৎকে “কাফির” বা “মুরতাদ” আখ্যা দেওয়ার মতো উগ্র সাম্প্রদায়িক মানসিকতা এখনো উচ্চশিক্ষার শিক্ষকসমাজের ভেতরও প্রকাশ পায়-এ এক ভয়াবহ সামাজিক বৈপরীত্য। এই দুই বাস্তবতার সংঘাতই আজকের বাংলাদেশের নারী অধিকার, নাগরিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক আচরণকে নতুনভাবে পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।</p>



<p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহযোগী অধ্যাপকের মন্তব্য কেবল অশালীন নয়; এটি বাংলাদেশের নারীমুক্তি আন্দোলনের ইতিহাসের ওপর সরাসরি আঘাত। বেগম রোকেয়া যে সময় বেঁচে ছিলেন, তখন নারীশিক্ষা ছিল নিষিদ্ধপ্রায়। সামাজিক কুসংস্কার, ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা এবং সামন্তীয় দৃষ্টিভঙ্গি নারীর স্বাধীনতাকে সম্পূর্ণভাবে স্তব্ধ করে রেখেছিল। সেই অন্ধকারের মধ্যে দাঁড়িয়েই রোকেয়া তাঁর শিক্ষা আন্দোলন, ‘সুলতানার স্বপ্ন’–এর মতো প্রগতিশীল সাহিত্য এবং প্রতিষ্ঠান গঠনের মাধ্যমে নারীকে মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু করেন। তাঁর মৃত্যুর পর কবরস্থান পর্যন্ত তাকে না দেওয়ার ঘটনাটি দেখায়—কুসংস্কারের শিকড় কত গভীরে প্রোথিত ছিল। বিস্ময়কর হলো, শত বছর পরও সেই মানসিকতার প্রতিধ্বনি আজও উচ্চশিক্ষার অভয়ারণ্যে প্রতিভাত হয়। এটি প্রমাণ করে আমাদের সমাজ এখনো সামগ্রিকভাবে আধুনিক মূল্যবোধে রূপান্তরিত হতে পারেনি; নারীকে মানুষ হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি এখনো অনেকখানি দুর্বল।</p>



<p>অন্যদিকে, একই দিনে দেশের আরেক প্রান্তে ঘটে সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের একটি রাজনৈতিক আচরণ—তারেক রহমানের প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা। ২০ বছর আগের একটি ঘটনার জন্য একজন সামরিক কর্মকর্তার কাছে এমন সম্মানজনক, ভদ্রোচিত ক্ষমা প্রার্থনা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরল। ক্ষমা প্রার্থনা স্বীকারোক্তি নয়; বরং পরিপক্বতা, দায়িত্ববোধ এবং অহং পরিহারের পরিচায়ক। দীর্ঘদিনের সংঘর্ষময় রাজনৈতিক পরিবেশে এমন আচরণ নেতৃত্বের নতুন ধারার ইঙ্গিত দেয়—যেখানে প্রতিপক্ষকে শত্রু নয়, মানুষ হিসেবে স্বীকার করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। ক্ষমা-সংস্কৃতি একটি সমাজকে শান্তি, সমঝোতা ও পরিণত গণতন্ত্রের দিকে নিয়ে যায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন আচরণ যদি নিয়মে পরিণত হয়, তাহলে প্রজন্মভিত্তিক বিভাজন, ঘৃণা–রাজনীতি ও সহিংস দ্বন্দ্ব অনেকটাই কমে আসবে।</p>



<p>এই দুই ঘটনার তুলনামূলক চিত্র আমাদের সামনে একটি কঠিন প্রশ্ন তোলে: নারীকে অবমাননা করা একজন শিক্ষকের উগ্রতা এবং জাতীয় নেতার ভদ্রতা—এ দুই বিপরীত মানসিকতা একই সমাজে একসাথে টিকে থাকে কীভাবে? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে আমাদের সাংস্কৃতিক রূপান্তরের অসম ও অসমাপ্ত চরিত্রে। সামাজিক পরিবর্তন যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে দ্রুত আসে, সাংস্কৃতিক পরিবর্তন সে তুলনায় অনেক ধীরগতি সম্পন্ন। নারীকে মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি, ভিন্নমতকে সম্মান, যুক্তি-আলোচনায় বিশ্বাস—এসব মূল্যবোধ ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ মনস্তত্ত্বে ধীরে জন্ম নেয়। তাই রাষ্ট্রে নারী নেতৃত্ব থাকলেও সমাজের রক্ষণশীল অংশ দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তিত হয়নি; বরং রাজনৈতিক-ধর্মীয় উগ্রবাদ তাদেরকে নতুন খোলসে পুরনো মানসিকতা প্রচারের সুযোগ দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রগতির কেন্দ্রেও সেই মানসিকতা জন্ম দেয় সংকীর্ণতা, ঘৃণা ও নারীবিদ্বেষের চরম রূপ।</p>



<p>বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সামাজিক যাত্রাপথ তাই নির্ভর করবে কোন মানসিকতা সামনে এগিয়ে যায়—উগ্র ঘৃণা, নাকি পরিশীলিত আলোচনার সংস্কৃতি। ক্ষমা–সংস্কৃতি, পারস্পরিক সম্মান ও যুক্তিনির্ভর আলোচনার ধারাটি যদি রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে শক্তিশালী হয়, তাহলে ব্যক্তি–সমাজ–রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও মানবিক হবে। নারীর অগ্রগতি শুধুমাত্র আইন বা নীতি নির্ধারকদের সিদ্ধান্তে নয়; বরং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনেই স্থায়িত্ব পায়। তাই শিক্ষকের কটূক্তি কেবল একজন নারী নেত্রীকে অপমান নয়, এটি সমগ্র জাতির মূল্যবোধের প্রতি চ্যালেঞ্জ। আর তারেক রহমানের আচরণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে—যদি তা বৃহত্তর সমাজে অনুকরণীয় হয়ে উঠতে পারে।</p>



<p>বাংলাদেশ আজ সেই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে অগ্রগতির আলো ও অতীতের অন্ধকার—দুটি শক্তি সমান্তরালে চলমান। নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া আমাদের শিখিয়েছেন অন্ধকারের বিরুদ্ধে জ্ঞানের সাহস। আর তারেক রহমানের ভদ্রতা, অনুশোচনা ও দায়িত্ববোধ আমাদের শিখিয়েছে সভ্য সমাজ গঠন কীভাবে সম্ভব। এই দুই শিক্ষাই আমাদের ভবিষ্যতের পথনির্দেশ। প্রশ্ন শুধু একটি-আমরা কোন পথ বেছে নেব?</p>



<p>মো: হাফিজ আল-আসাদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%98-%e0%a6%86%e0%a6%9a%e0%a6%b0/">নারী জাগরণের পথ দীর্ঘ, আচরণগত পরিপক্বতার যাত্রা আরো দীর্ঘ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a5-%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%98-%e0%a6%86%e0%a6%9a%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দল, মার্কা ও গণতন্ত্রের পাঠ</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 01:49:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[গণতন্ত্রের পাঠ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73295</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের ভোটসংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। বিশেষ করে তার সেই মন্তব্য, “মার্কা দেখে ভোট দিতে দিতে আমরা নাকি স্বৈরাচারী নেতার পথ তৈরিই করে দিচ্ছি।” এই আক্ষেপে এক ধরনের সত্য যেমন আছে, তেমনি আছে মৌলিক রাজনৈতিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করার ঝুঁকিও। কারণ রাজনৈতিক দল, প্রতীক এবং গণতন্ত্র-এই তিনটিকে আলাদা করে দেখা যায় না; [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be/">দল, মার্কা ও গণতন্ত্রের পাঠ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলাদেশের ভোটসংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। বিশেষ করে তার সেই মন্তব্য, “মার্কা দেখে ভোট দিতে দিতে আমরা নাকি স্বৈরাচারী নেতার পথ তৈরিই করে দিচ্ছি।” এই আক্ষেপে এক ধরনের সত্য যেমন আছে, তেমনি আছে মৌলিক রাজনৈতিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করার ঝুঁকিও। কারণ রাজনৈতিক দল, প্রতীক এবং গণতন্ত্র-এই তিনটিকে আলাদা করে দেখা যায় না; কোনো একটিকে সরিয়ে ফেললেই বাকি দু’টির অস্তিত্ব সংকুচিত হয়ে পড়ে।</p>



<p>গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দল হলো সংগঠিত রাজনৈতিক চেতনার বাহন। একজন প্রার্থী যখন ভোটে দাঁড়ান, তিনি কেবল নিজের প্রতিনিধিত্ব করেন না; তিনি একটি মতাদর্শ, নীতি, দৃষ্টিভঙ্গি এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বহন করেন। বিশ্বের কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নেই যেখানে দলকে অস্বীকার করে কেবল ব্যক্তিকেন্দ্রিক নির্বাচনের ওপর নির্ভর করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেউ ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান হিসেবে নিজেকে চিহ্নিত না করলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় দাঁড়ানোর জায়গাটাই থাকে না। ভারত, যুক্তরাজ্য, জাপান-সব দেশেই ভোট মূলত দলকেই দেওয়া হয়, ব্যক্তিকে নয়। তাহলে বাংলাদেশে সেই একই বাস্তবতাকে হঠাৎ করে নেতিবাচক বলে চিহ্নিত করার মধ্যেই কি সত্যিকারের সমস্যা লুকিয়ে নেই?</p>



<p>অভিযোগ থাকে-“মার্কা দেখে ভোট দিলে মানুষ ভাবনার স্বাধীনতা হারায়।” কিন্তু আসল প্রশ্নটা অন্যখানে। মার্কা কি স্বাধীনতা কেড়ে নেয়, নাকি দলীয় কাঠামোর ভেতরে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব মানুষকে সীমাবদ্ধ করে? যেখানে নমিনেশনের তালিকা ‘ওহি নাজিল’ হয়ে আসে, যেখানে দলীয় পরামর্শ, নেতৃত্ব বাছাই, প্রার্থী নির্ধারণ-সবকিছু হয় অল্প কয়েকজনের ইচ্ছায়, সেখানে ভোটার যত সচেতনই হোন, প্রতীকটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা ঠেলে দেয়। তাই সমস্যার মূল মার্কায় নয়-বরং সেই দলীয় গণতন্ত্রের অভাবে, যে অভাব প্রতীককে একসময় প্রায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষমতার প্রতীক বানিয়ে ফেলে।</p>



<p>দলের ভেতরে গণতন্ত্র না থাকলে প্রতীক গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে না; বরং ব্যক্তিকে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। কিন্তু এ কারণে প্রতীক বহনকারী দলকে বা প্রতীক ব্যবস্থাকেই বাতিল করা গণতন্ত্রের মৌলিক ধারণার পরিপন্থী। গণতন্ত্রের পাঠ বরং বলে-ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর দলের চেয়ে দেশ। ব্যক্তি ভুল করতে পারে, ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারে; কিন্তু দলের কাঠামো, নীতি আর সংগঠনের জবাবদিহি তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতীক সেই নীতি ও কাঠামোর পরিচয়। একজন প্রার্থীকে ভোট দিতে গেলে জনগণ তাঁর অতীত, তাঁর মূল্যবোধ, তাঁর যোগ্যতা সবসময় জানেন না; কিন্তু তাঁর দলকে, তার রাজনৈতিক ধরনকে, তার ইস্তেহারকে জানেন। তাই প্রতীক অস্বীকার করা মানে সেই জ্ঞানকেই অস্বীকার করা।</p>



<p>সমালোচকেরা প্রায়ই বলেন-“যে এত সমালোচনা করে, সে নিজে দাঁড়াক, দেখা যাক কয় ভোট পায়!” ইঙ্গিতটা কৌতুকপূর্ণ হলেও সত্য বড়ই কঠিন। কারণ রাজনৈতিক সংগঠনের বাইরে দাঁড়িয়ে একজন ব্যক্তির পক্ষে জনগণের আস্থা অর্জন করা বিশ্বের যে কোনো গণতন্ত্রেই প্রায় অসম্ভব। গণতন্ত্র দলনির্ভর; ব্যক্তিনির্ভর নয়। রাজনীতি মাঠে তৈরি হয়, সংগঠনে টিকে থাকে, দলের আদর্শে গড়ে ওঠে—কাগজের সমালোচনায় নয়।</p>



<p>এটাও ভুলে গেলে চলবে না যে প্রতিটি নির্বাচনে দলগুলো যে ইস্তেহার ঘোষণা করে, তার বাস্তবায়নও সম্ভব হয় কেবল দলের মাধ্যমে। প্রতীক না থাকলে ইস্তেহারের মালিক কে? নীতি বাস্তবায়নে দায় নেবে কে? মার্কা বাদ দিলে ভোটারের সামনে যে অবস্থা দাঁড়াবে তা হলো-ব্যক্তিবাদী রাজনীতি, দায়িত্বহীন প্রতিশ্রুতি, আর জবাবদিহি-শূন্য নেতৃত্ব। গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার সবচেয়ে বড় বিপদ এখানেই।</p>



<p>অতএব, আলোচনার কেন্দ্রে প্রতীক নয়, থাকা উচিত দলীয় কাঠামোর ভিতরের গণতন্ত্র—প্রার্থী বাছাইয়ে স্বচ্ছতা, নেতৃত্বে জবাবদিহি, ভিন্নমতের স্থান, এবং রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার স্বাধীনতা। মার্কা গণতন্ত্রের শত্রু নয়; বরং গণতন্ত্রকে তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেয়। এটা বাদ দিলে গণতন্ত্র আরও দুর্বলই হবে।</p>



<p>স্বাধীনতার চাবিকাঠি প্রতীক নয়, বরং প্রতীকের সঠিক ব্যবহার; ক্ষমতার উৎস দল নয়, বরং দলীয় গণতন্ত্র। দেশকে সামনে নিতে হলে দলকে শক্তিশালী করতে হবে, দলকে নয়–ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে রাজনীতি গড়ার ধারা ভাঙতে হবে। গণতন্ত্রের প্রকৃত পাঠ সেখানেই।</p>



<p>লেখক : মো: হাফিজ আল আসাদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be/">দল, মার্কা ও গণতন্ত্রের পাঠ</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%a6%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>স্বাধীনতা অস্বীকার, রাষ্ট্রসত্ত্বা ও আইনগত দায়</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Siddiqur Rahman]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 13:50:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বিশেষ]]></category>
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73255</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়া দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিশেষ অধ্যায়, যেখানে গণতান্ত্রিক অধিকার, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং জাতিগত পরিচয়ের প্রশ্ন একত্রে মিলিত হয়ে একটি স্বাধীন জাতির সূচনা ঘটায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এই রাষ্ট্রের অস্তিত্বের কেন্দ্রীয় ভিত্তি, যার ওপর বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো নির্মিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্ন তাই কেবল ঐতিহাসিক আলোচনা নয়; এটি রাষ্ট্রের বৈধতা, সার্বভৌমত্ব এবং আইনগত স্বীকৃতির [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d/">স্বাধীনতা অস্বীকার, রাষ্ট্রসত্ত্বা ও আইনগত দায়</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়া দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিশেষ অধ্যায়, যেখানে গণতান্ত্রিক অধিকার, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং জাতিগত পরিচয়ের প্রশ্ন একত্রে মিলিত হয়ে একটি স্বাধীন জাতির সূচনা ঘটায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এই রাষ্ট্রের অস্তিত্বের কেন্দ্রীয় ভিত্তি, যার ওপর বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো নির্মিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্ন তাই কেবল ঐতিহাসিক আলোচনা নয়; এটি রাষ্ট্রের বৈধতা, সার্বভৌমত্ব এবং আইনগত স্বীকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ কারণে স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার করা রাজনৈতিক মতের স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং সংবিধানবিরোধী কার্যকলাপের আওতাভুক্ত একটি গুরুতর আইনি প্রশ্ন।</p>



<p>সংবিধান নিজেই রাষ্ট্রের জন্মসূত্রে মুক্তিযুদ্ধকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। প্রস্তাবনায় বর্ণিত জনগণের মুক্তিকামী সংগ্রাম, রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণের অধিকার এবং সামরিক শাসনের প্রত্যাখ্যান—এসব উপাদান ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সংবিধানের ৭(২) ধারা রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস জনগণের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সার্বভৌমত্বকে স্পষ্টভাবে স্বীকৃতি দেয়। ফলে স্বাধীনতা অস্বীকার করা মানে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে অস্বীকার করা। একইভাবে ৩৮ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রবিরোধী উদ্দেশ্যপ্রসূত সংগঠন, প্রচার বা কার্যক্রমকে অবৈধ ঘোষণা করে, যা ইতিহাস অস্বীকার বা রাষ্ট্রের অস্তিত্ববিরোধী বক্তব্যের ক্ষেত্রে আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। এই কাঠামোর ভেতরে স্বাধীনতা অস্বীকার কোনোভাবেই ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ হিসেবে সুরক্ষিত নয়, কারণ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কখনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সাংবিধানিক ভিত্তিকে বিনষ্ট করার অধিকার দেয় না।</p>



<p>বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২৪এ রাষ্ট্রদ্রোহ, ১৫৩এ সাম্প্রদায়িক বা বৈরিতামূলক উসকানি, এবং ৫০৫ জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো অপরাধগুলোকেও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়। স্বাধীনতা অস্বীকার, সামরিক স্থাপনা ভাঙার হুমকি বা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোর বিরুদ্ধে উন্মুক্ত হুমকি এই ধারাগুলোর পরিসরে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ১৯৭১ সালের গণহত্যা বা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিকৃত তথ্য প্রচার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেও অপরাধ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। ফলে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য, বিশেষত সামরিক স্থাপনা ও সার্বভৌম ক্ষমতার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হুমকি, আইনগতভাবে কেবল প্রতীকী অপরাধ নয়—এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো ও সাংবিধানিক অস্তিত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত।</p>



<p>আন্তর্জাতিক আইনও এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর অন্যতম মৌলিক উপাদান, যা ICCPR এবং ICESCR চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ১৯৭১ সালের পরপরই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি লাভ করে, এবং ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্তি আন্তর্জাতিক আইনে রাষ্ট্রসত্তার বৈধতা নিশ্চিত করে। গণহত্যার নথিভুক্ত ইতিহাস আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহ এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নথির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। সেই কারণে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধ বা মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার করা শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইনের বিরোধিতা নয়; এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নথি ও চুক্তির বিরোধিতা হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। গণহত্যা-অস্বীকার বহু দেশে শাস্তিযোগ্য; যদিও বাংলাদেশে নির্দিষ্টভাবে “জেনোসাইড ডিনায়াল ল” নেই, তারপরও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের অস্বীকার মানবতাবিরোধী অপরাধকে আড়াল করার প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।</p>



<p>রাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা বা ক্যান্টনমেন্ট–জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর প্রতীক—এগুলোর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হুমকি রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ নয়, বরং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হয়। অধিকাংশ দেশে এটি রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এই ধরনের হুমকি জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, কারণ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কাঠামো এবং প্রশাসনিক সংগঠন জন্ম নিয়েছে স্বাধীনতার অর্জনের ফলেই। ফলে এসব হুমকি রাষ্ট্রকে আক্রমণ করার পাশাপাশি জনগণের আত্মপরিচয়কেও আঘাত করে।</p>



<p>গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতবিরোধ স্বাভাবিক; রাজনৈতিক দল, সমর্থক বা নেতৃত্বের সমালোচনা গণতন্ত্রেরই অংশ। তবে স্বাধীনতার প্রশ্নে মতবিরোধ গণতান্ত্রিক মতভিন্নতা নয়, বরং রাষ্ট্রের জন্মসূত্রকে প্রত্যাখ্যান। রাষ্ট্রের ইতিহাস অস্বীকার করা বা ভিত্তিকে অকার্যকর করে দেখানো দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কোনো রাষ্ট্রের মৌলিক পরিচয় বা স্বাধীনতা অস্বীকার গণতান্ত্রিক পরিসরকে ছিঁড়ে ফেলে, কারণ গণতন্ত্রের অস্তিত্বই নির্ভর করে একটি স্বীকৃত রাষ্ট্রসত্তার ওপর।</p>



<p>১৯৭১ মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম, আর সেই সংগ্রামের ইতিহাস সাংবিধানিক নথিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি আর শুধু ইতিহাস নয়—রাষ্ট্রের আইনি পরিচয়। এই পরিচয় অস্বীকার কোনো রাষ্ট্রই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহ্য করতে পারে না। ফলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা অস্বীকার বা সামরিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হুমকি শুধু রাজনীতির বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামো, সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার নামান্তর।</p>



<p>মো: হাফিজ আল আসাদ ,রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক।</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d/">স্বাধীনতা অস্বীকার, রাষ্ট্রসত্ত্বা ও আইনগত দায়</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শূন্যতার রাজনীতি: বাংলাদেশ কি নিজের ভবিষ্যৎ হারাতে বসেছে?</title>
		<link>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মো: হাফিজ আল আসাদ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 16:30:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[শীর্ষ সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[শূন্যতার রাজনীতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://newsflash24bd.com/?p=73232</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ এখন এক বাস্তব রাজনৈতিক অস্থিরতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নিষিদ্ধ করার ফলে রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে সরকার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে ব্যাখ্যা করছে, কিন্তু এই অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো স্বচ্ছ তদন্ত প্রতিবেদন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে এই নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিকভাবে গুরুতর বিতর্ক [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/">শূন্যতার রাজনীতি: বাংলাদেশ কি নিজের ভবিষ্যৎ হারাতে বসেছে?</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলাদেশ এখন এক বাস্তব রাজনৈতিক অস্থিরতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে নিষিদ্ধ করার ফলে রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে সরকার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে ব্যাখ্যা করছে, কিন্তু এই অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো স্বচ্ছ তদন্ত প্রতিবেদন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে এই নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিকভাবে গুরুতর বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও বিষয়টিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের সংকেত হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।</p>



<p>এই শূন্যতার জায়গায় বিএনপি প্রত্যাশিত বিকল্প হতে পারছে না। জনমত থাকলেও সাংগঠনিক দুর্বলতা, মনোনয়ন নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, নেতৃত্বের বিভক্তি, এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে ব্যর্থতা—সব মিলিয়ে দলটি কার্যকর বিরোধী শক্তি হিসেবে মাঠে দাঁড়াতে পারছে না। আন্দোলন-পরবর্তী অস্থির সময়েও বিএনপির সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছিল অসংগঠিত এবং পরস্পরবিরোধী। তৃণমূল কার্যত নিষ্ক্রিয়, কেন্দ্রীয় কমান্ড দুর্বল—ফলে রাজনৈতিক সুযোগ থাকলেও দলটি তা কাজে লাগাতে পারছে না।</p>



<p>এর ফলে মাঠে জায়গা দখল করছে তৃতীয় এক শক্তি, যাদের পরিচয়, কাঠামো বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এখনো পরিষ্কার নয়। এদের মধ্যে অনেকেই নতুন প্রজন্মের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় উঠে এলেও তাদের সংগঠন এখনো স্থায়ী রাজনৈতিক বলয়ে রূপ নেয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা এটিকে এক ধরনের অস্থায়ী রাজনৈতিক উত্থান হিসেবে দেখছেন।</p>



<p>তৃতীয় শক্তির উত্থানের সঙ্গে ধর্মীয় শাসন বা মতাদর্শিক প্রবণতাও আংশিকভাবে উঠে এসেছে, কিন্তু এরা কারা, কীভাবে সংগঠিত হচ্ছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা কতটুকু—এগুলো এখনো অনিশ্চিত। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে, যদিও বাস্তবে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ক্ষমতাকাঠামো পরিবর্তনের ঘটনা এখনো দেখা যায়নি। কিন্তু রাজনৈতিক শূন্যতা যত বাড়বে, ততই অগোছালো শক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তারের পরিবেশ সৃষ্টি হবে—এটি অস্বীকার করা যায় না।</p>



<p>আঞ্চলিকভাবে রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি স্বার্থ এশিয়ার ছোট দেশগুলোকে চাপের মধ্যে ফেলে—এর নজির বহু আছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। ভারতের নিরাপত্তাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, পশ্চিমা বিশ্বের ক্ষমতার কৌশল, এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ সবসময়ই সংবেদনশীল অবস্থানে থাকে। আন্তর্জাতিক শক্তির সক্রিয় হস্তক্ষেপের সরাসরি প্রমাণ এখনো নেই, তবে ইতিহাস বলছে—রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থাকলে বিদেশি প্রভাব বাড়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক।</p>



<p>মিশরের ঘটনাটি একটি স্পষ্ট উদাহরণ। মুরসির নেতৃত্বাধীন সরকার গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ক্ষমতায় এলেও রাষ্ট্রীয় কাঠামো দুর্বল ছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ অদৃশ্য প্রতিযোগিতা অল্প সময়েই ক্ষমতার সংকট তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিভক্ত ছিল, বিরোধী দল সংগঠিত ছিল না, এবং বিদেশি শক্তিগুলো সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলেছিল। শেষ পর্যন্ত সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে। এই ঘটনা দেখায়—যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব অকার্যকর হয় এবং রাষ্ট্র কাঠামো দুর্বল থাকে, তখন গণতান্ত্রিক সরকারের টিকে থাকার সক্ষমতা খুব সীমিত হয়ে যায়।</p>



<p>বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায়ও একই সংকটের উপাদান পাওয়া যায়—বৃহৎ একটি দল নিষ্ক্রিয়, প্রধান বিরোধী দল দুর্বল, নতুন শক্তি সংগঠিত নয়, প্রশাসনিক ভেতরে বিভক্তি বিদ্যমান, আর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আস্থা সংকট গভীর হচ্ছে। এসবই রাজনৈতিক অস্থিরতার পূর্বশর্ত।</p>



<p>পরিস্থিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচন যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য না হয়, তাহলে রাজনৈতিক শূন্যতা আরও বাড়বে। এতে বিদেশি স্বার্থ এবং ভেতরের দালালচক্র রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাবে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনায় অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।</p>



<p>অন্যদিকে নির্বাচন যদি ন্যূনতমভাবে হলেও অংশগ্রহণমূলক হয়, যেখানে সরকারি দল, বিরোধী দল এবং নতুন শক্তিগুলো প্রতিযোগিতার সুযোগ পায়, তবে রাজনৈতিক পুনর্গঠনের ভিত্তি তৈরি হবে। গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনরুদ্ধার হবে এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য স্থায়িত্ব পাবে। রাষ্ট্রে আস্থা ফিরবে। অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে। সার্বভৌমত্বের ওপর চাপ হ্রাস পাবে।</p>



<p>বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখন দুই দিকের যেকোনো একটিতে যেতে পারে—<br>একদিকে রাজনৈতিক শূন্যতার বিস্তার, দুর্বল দলীয় কাঠামো এবং বিদেশি প্রভাবের ঝুঁকি;<br>অন্যদিকে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর নূন্যতম ঐকমত্য এবং দায়িত্বশীল ক্ষমতার কাঠামো।</p>



<p>এই পর্যায়ে এসে পরিষ্কার যে, কোনো একক দল বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করতে পারবে না। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকুক বা না থাকুক, বিএনপি দুর্বল থাকুক বা না থাকুক—রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ববোধ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধারের ওপর।</p>



<p>বাংলাদেশ কি নিজের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে রাখবে, নাকি রাজনৈতিক শূন্যতার কারণে নিয়ন্ত্রণ অন্য শক্তির হাতে চলে যাবে—এটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।</p>



<p>মো: হাফিজ আল আসাদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক</p>
<p>The post <a href="https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/">শূন্যতার রাজনীতি: বাংলাদেশ কি নিজের ভবিষ্যৎ হারাতে বসেছে?</a> appeared first on <a href="https://newsflash24bd.com">Newsflash24bd.com</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://newsflash24bd.com/%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
