05092021রবি
শিরোনাম:
শনিবার, 27 মার্চ 2021 17:27

ওয়াশিংটনে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন, শুভেচ্ছা জানিয়ে বাইডেনের বার্তা

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। শুভেচ্ছা বার্তায় বাইডেন বলেন, "১০ লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে মানবতা ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে"। তিনি আরও বলেন, এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে থাকবে"। এদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং ৫০তম জাতীয় দিবসে শুভেচছা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রেস বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে দেশটির সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যান্থনি ব্লিংকেন বলেন “একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একসাথে কাজ করছে"। তিনি বলেন, "বৈশ্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে তা অনস্বীকার্য।” এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। দিবসের অনুষ্ঠানের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মুখ্য উপ-সহকারী সচিব আরভিন মাসিংগাকে সংগে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর রাষ্ট্রদূত এবং প্রধান অতিথি দূতাবাসে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রর জাতীয় সংগীত বাজানোর পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শিত হয়। এরপরে রাষ্ট্রদূত এবং প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন। রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রশংসা করেন। তিনি সমগ্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হওয়ার আগে প্রলম্বিত রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান। যুক্তরাষ্ট্রের মুখ্য উপ-সহকারী সচিব আরভিন ম্যাসিঙ্গা বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসাবে বাংলাদেশকে দেখছে। তিনি আরও বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশ একটি শীর্ষস্থানীয় কণ্ঠস্বর হিসাবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছে"। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অংশে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলমের দেয়া বাণী পড়ে শোনানো হয়। এরপর দূতাবাস পরিবারের সদস্যদের পরিবেশনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।
পড়া হয়েছে 34 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শনিবার, 27 মার্চ 2021 17:35