01232022রবি
বুধবার, 29 ডিসেম্বর 2021 08:54

চীনের সঙ্গে সামরিক হটলাইনে রাজি জাপান

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেঙ্গের (ডানে) ভিডিওকলে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোবুও কিশি (বাঁয়ে)। ছবি: সংগৃহীতচীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেঙ্গের (ডানে) ভিডিওকলে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোবুও কিশি (বাঁয়ে)। ছবি: সংগৃহীত চীনের সঙ্গে আগামী বছর সামরিক হটলাইন স্থাপনে সম্মত হয়েছেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোবুও কিশি। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে আগামী বছরের কখন থেকে এটি কার্যকর হবে, সে ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। খবর প্রকাশ করেছে সিএনএন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) জাপান সরকারের মুখপাত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মুখপাত্র জানান, সম্প্রতি জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোবুও কিশি এবং চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেঙ্গের টেলিফোন আলাপে এই সম্মতি এসেছে। আগেরদিন সোমবার চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েং ফেঙ্গের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ওই আলাপে নোবুও কিশি তাইওয়ান উপত্যকায় স্থিতিশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন বলে জানিয়েছেন জাপানের মন্ত্রিসভার মুখ্য সচিব হিরোকাজু মাতসুনো। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই আলোচনায় উভয় দেশ এ ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছায়। এ সময় তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। আলোচনায় ওঠে এসেছে তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যু। বৈঠকে মন্ত্রীরা এ নিয়ে তাদের মধ্যে যে মতপার্থক্য রয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা করেন। তারা নিজ নিজ দেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। এর মধ্যে ওঠে এসেছে জাপান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পূর্ব চীন সাগরে একটি জনবসতিহীন পাথুরে দ্বীপের কথা। কিন্তু চীন এটিকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। জাপানের কাছে এটি সেনকাকু দ্বীপ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, চীনের কাছে এটি দিয়াওউ এবং তাইওয়ানের কাছে তিয়াওউতাই নামে পরিচিত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দ্বীপ একেক সময় একেক নামে পরিচিত। তবে সেনকাকু নামেই এটি সর্বাধিক পরিচিত। টোকিরও ১ হাজার ২০০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকা নিয়ে এই উত্তেজনা বিরাজমান। যা বছরের পর বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে চলছে। চীন এখানকার উপকূলে বিভিন্ন সময়ে জাহাজ পাঠালে খুব স্বাভাবিকভাবেই জাপান তা বাঁকা চোখে দেখে। আর এতে করে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। কেননা, জাপান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই দ্বীপগুলোয় কোনো হস্তক্ষেপকে তাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি বলে মনে করে। অন্যদিকে চীনও বলে আসছে, তারা দৃঢ়ভাবে তাদের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার রক্ষায় বদ্ধপরিকর। সেই সঙ্গে তারা পূর্ব চীন সাগরে স্থিতিশীলতা রক্ষায় তাদের পক্ষে করণীয় সবকিছু তারা করে যাবে।
পড়া হয়েছে 29 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: বুধবার, 29 ডিসেম্বর 2021 09:16