02272020বৃহঃ
রবিবার, 09 ফেব্রুয়ারী 2020 18:10

শিরোপা জিততে ১৭৮ দরকার বাংলাদেশের

নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক : ফাইনালের লড়াইয়ে শুরুতে বল করতে নেমে ভারতীয় যুবাদের কাঁপিয়ে দেয় বাংলাদেশ। পেস-বাউন্সে পরাস্ত করে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে চোখের আগুন বিনিময় করেন শরিফুল-সাকিবরা। শুরুতে উইকেট তুলে নিয়ে রেকর্ড তিনবারের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ীদের চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ যুবারা। মধ্যে ওপেনার জয়সাওয়ালে বড় রানের আশা করছিল ভারত। কিন্তু শেষ দিকে ১৬ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ধসিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। অলআউট করে দিয়েছে ১৭৭ রানে। ব্যাট করতে নামা ভারত শুরুর ৭ ওভারে তুলতে পারে মাত্র ৯ রান। হারায় ১ উইকেট। ওপেনার দিপায়ন সাক্সোনা ১৭ বলে ২ রান করে আউট হন। পরে ওপেনার জয়সাওয়াল ও তিনে নামা তিলক ভার্মা ৯৪ রান যোগ করেন। ভার্মা ফেরেন ৩৮ রান করে। এরপরই ফিরে যান অধিনায়ক প্রায়াম গার্গ। জয়সাওয়াল আবার উইকেটরক্ষক জুরেলকে নিয়ে নতুন শুরু করেন।কিন্তু ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা জয়সাওয়াল ফিরতেই হুমমুড় করে ধসে যায় ভারতীয় যুবাদের ব্যাটিং লাইনআপ। বিশ্বকাপে আগের পাঁচ ম্যাচে তিন ফিফটি এবং এক সেঞ্চুরি করা এই বাঁ-হাতি ওপেনার ফাইনালে খেলেন ৮৮ রানের ইনিংস। আটটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মারেন তিনি। জয়সাওয়াল দলের ১৫৬ রানে চতুর্থ উইকেট হিসেবে ফিরে যান। ভারত তার সঙ্গে ২১ রান যোগ করেই ৪৭.২ ওভারে অলআউট হয়ে যায়। শেষ ওই ২১ রানে তারা হারায় ৭ উইকেট। বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ভারতীয় শিবিরে জোড়া আঘাত দিয়ে ম্যাচে ফেরান দলকে। এরপর রান আউটে পরপর কাটা পড়ে তাদের আরও দুই ব্যাটসম্যান। দলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান করেন ধ্রুব জুরেল। এছাড়া অন্য কোন ব্যাটনম্যান দশের ঘরে রান নিয়ে যেতে পারেননি। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পেসাররা এ ম্যাচে বাজিমাত করেছেন। তিন পেসার মিলে তুলে নেন প্রতিপক্ষের সাত উইকেট। স্পিনার রাকিবুল নিয়েছেন মাত্র একটি উইকেট। বাংলাদেশ এ ম্যাচে উইকেট বিবেচনায় স্পিনার হাসান মুরাদকে বসিয়ে পেসার অভিষেক দাসকে দলে নেয়। তিনি ৯ ওভারে ৪০ রান দিলেও তুলে নেন ভারতের তিন উইকেট। এছাড়া অন্য দুই পেসার শরিফুল ইসলাম এবং সাকিব দুটি করে উইকেট নেন।
পড়া হয়েছে 17 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: রবিবার, 09 ফেব্রুয়ারী 2020 18:50