11272020শুক্র
শিরোনাম:
শনিবার, 21 নভেম্বর 2020 22:42

মহামারী জয়ের জন্য সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান মোমেনের

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আজ কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায় সম্মিলিত বৈশ্বিক প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্ব এই মারাত্মক ভাইরাসের দ্বিতীয় প্রবাহের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি বলেন, এই লড়াইয়ে জিততে বিশ্বের সম্মিলিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, ঐক্যই আমাদের শক্তি এবং আমাদের শক্তি আমাদের চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে নিয়ে যাবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এফবিসিসিআই আয়োজিত প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মবার্ষিকী ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ভার্চুয়াল ‘স্কলারলি কনক্লেভ’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন । ড. মোমেন কোভিড মহামারীকালে ও পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাড়াদান ও পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ সম্পৃক্ততা জোরদার করার জন্য ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই একাত্মতাবোধ, সহানুভূতি এবং দয়ালু হৃদয়ের অনুভূতিকে আলোকিত করতে হবে, যা আমাদের নবী করে গেছেন। তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী আমাদের এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে টেনে এনেছে। মুসলমান হিসেবে আমরা যেনো সকল মানুষের প্রতি যতœবান হই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সক্ষম নেতৃত্বে বাংলাদেশ এই মহামারীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে মোমেন বলেন, তবে আমরা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রচেষ্টা চালিয়েই ক্ষান্ত নই। বরং মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। মহানবী ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে নৈতিকতার বিষয়ে বিরাট শিক্ষা দিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য আমাদের সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আমরা যে ব্যবসা-বাণিজ্য করি না কেন আমাদের অবশ্যই নীতিবান, সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। তিনি গ্রাহক, জনগোষ্ঠী এবং সর্বোপরি মানবজাতির জন্য মানসম্পন্ন সেবা প্রদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বোত্তম মূল্য এবং সুবিধা প্রদান করার জন্য ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। বিশ্বব্যাপী ইসলাম ফোবিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এবং মুসলিম ও ইসলামের বিরুদ্ধে বৈরী, মানহানিকর, বৈষম্যমূলক ও বর্ণবাদী বক্তব্য ও কর্মকান্ডের ঘটনাবলী বিশ্বব্যাপী ঘটছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু:খ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি সহিষ্ণুতা ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে নবী ছিলেন আশ্রয়দাতা এবং তারা নিজ নিজ ধর্ম পালনে স্বাধীন ছিল। তিনি বলেন, আসুন আমরা সমস্ত মানবজাতির মধ্যে সংহতি, ভালোবাসা, শান্তি এবং সহিষ্ণুতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে পৃথিবী থেকে বিদ্বেষ ও সংঘাত দূর করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে দ্বিগুণ করি।
পড়া হয়েছে 14 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শনিবার, 21 নভেম্বর 2020 22:46

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা