05172022মঙ্গল
শিরোনাম:
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, সান্দাকফু, লাভা, লোলেগাঁও-সহ নানা এলাকা ভিড়ে ভিড়াক্কার। হোটেল ছাড়া ছোট-বড় হোমস্টেগুলির চাহিদা তুঙ্গে। গরমের ছুটি পড়তেই পর্যটকদের থিকথিকে ভিড়ে জমজমাট পাহাড়। তবে তাঁদের জন্য বুকিংয়ের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছেন উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ হোটেল মালিক। তাঁদের দাবি, গ্রীষ্মের দাবদাহ এড়াতে দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ছুটি কাটাতে চাইছেন দক্ষিণবঙ্গ-সহ গোটা দেশের পর্যটকেরা। প্রতি দিনই বুকিংয়ের জন্য ফোন করছেন তাঁরা। তবে তাঁদের হোটেলে জায়গা দিতে নাভিশ্বাস উঠছে। গ্রীষ্মের দাবদাহে দক্ষিণবঙ্গ নাজেহাল হলেও উত্তরে মনোরম আবহাওয়া। তার টানেই প্রতি দিন দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, সান্দাকফু, লাভা, লোলেগাঁও-সহ বিস্তীর্ণ পার্বত্য এলাকায় ভিড় জমছে বলে মত হোটেল মালিকদের। পাশাপাশি, গরমের ছুটি এগিয়ে আনার জন্য রাজ্য সরকারের ঘোষণার ফলাফলও পাওয়া যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের প্রবল গরমে নাজেহাল মানুষজন উত্তরের দিকে পা বাড়িয়েছেন বলে মনে করছেন তাঁরা। দার্জিলিং বা কালিম্পংয়ের মতো এলাকায় বড় বড় হোটেলগুলি ছাড়াও বহু ছোট-বড় হোমস্টে-রও চাহিদা তুঙ্গে। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘‘হোটেলগুলিতে জায়গার জন্য হাহাকার পড়ে গিয়েছে। গরমের ছুটি এগিয়ে আনার জন্য হঠাৎই ভিড় বেড়েছে। ফলে বুকিং দিতে হিমশিম অবস্থা হচ্ছে। খুব খুঁজে হয়তো একটা-দুটো রুম বার করতে হচ্ছে। অনেক গ্রামের দিকেও থাকার জায়গা খুঁজছেন। উত্তরের মনোরম পরিবেশের টানেই পর্যটন ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।’’ একই সুর শোনা গিয়েছে পাহাড়ের এক হোটেল মালিক জন পাল লেপচার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘‘হঠাৎ করেই এখানে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বুকিং নিতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনলাইন বুকিং বন্ধ করতে হয়েছে। তবে অফলাইন বুকিং নিতে হচ্ছে। পর্যটকেরা হোমস্টেও খুঁজছেন। কিন্তু রুমের জন্য অনুরোধ করলেও তাঁদের জায়গা দিতে পারছি না।’’ প্রায় দু’তিন বছর পরে রেকর্ড পর্যটক পাহাড়ে। তবে ব্যবসা জমে ওঠায় খুশি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সকলেই। অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজম-এর আহ্বায়ক রাজ বসু বলেন, ‘‘দু’তিন বছর পর স্বমহিমায় পাহাড়। উত্তরের পর্যটন ব্যবস্থা অর্থনৈতিক ভাবে যে রকম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তাতে বদল আসছে। প্রায় দু’তিন বছর পর রেকর্ড পর্যটক জড়ো হয়েছেন পাহাড়ে!’’
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: রানওয়েতে জরুরি অবতরণের সময় হঠাৎই পিছনের চাকা পিছলে গিয়ে ভারসাম্য হারায় বিমানটি। এর পরে মাটিতে ধাক্কা খেয়ে দু’টুকরো হয়ে যায়। আপৎকালীন অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে দু’টুকরো হয়ে গেল বিমান। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ আমেরিকার কোস্টারিকার রাজধানী সান হোসের হুয়ান সান্তা মারিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত পণ্যবাহী বিমানটি জার্মানির একটি পরিবহণ সংস্থার। রানওয়েতে জরুরি অবতরণের সময় হঠাৎই পিছনের চাকা পিছলে গিয়ে ভারসাম্য হারায় বিমানটি। এর পরে মাটিতে ধাক্কা খেয়ে দু’টুকরো হয়ে যায়। ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। ভেঙে পড়ার পরে বিমানের একাংশ থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গেলেও কোনও বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। বিমানের চালক এবং তাঁর সহকারী দু’জনই অক্ষত রয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০২০-র অগস্টে কেরলের কোঝিকোড়ের কারুপুর বিমানবন্দরে অবতরণের সময় চাকা পিছলে খাদে পড়ে ভেঙে দু’টুকরো হয়ে গিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমান। দুই চালক-সহ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল ওই ঘটনায়।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন ইরাব বাংলাদেশ এর সদস্যরা নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত খ্যাতনামা ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছে। বুধবার (৩০মার্চ) দুপুরে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এসময় তারা উপাচার্য কার্যালয়, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। পরে ইরাব সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে সিনিয়র অধ্যাপকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় শিক্ষকবৃন্দ নেপালের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা, ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং, পড়াশুনার মান, ছাত্ররাজনীতি, ছাত্র ভর্তি প্রক্রিয়া, শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা কার্যক্রমসহ নানা বিষয় ইরাব সদস্যদের অবহিত করেন। অন্যদিকে ইরাব সদস্যরা বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার নানা ইতিবাচক দিকগুলো ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সামনে তুলে ধরেন। ইরাবের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি নিজামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুল আলম সুমন। ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. রামনাথ ওঝা, ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. গোপাল পান্ডে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. বেদরোজ আচারী, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. শোভাকর।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করলো ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ফ্লাইট। শনিবার (২৬ মার্চ) রাত ১০টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে বিমানের ফ্লাইট বিজি৩০৫ কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রোববার সকাল সোয়া ৭টায় টরন্টোতে অবতরণের কথা রয়েছে। অত্যাধুনিক মডেলের বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে টরন্টো ফ্লাইট। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বহুল প্রতীক্ষিত এ ফ্লাইটের মাধ্যমে বিমানের ইতিহাসে নবদিগন্তের সূচনা হলো। বিমানের ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা ফ্লাইটের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের বন্ধুপ্রতীম দেশ কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ সহজ হবে। দুই অঞ্চলের মধ্যে শিক্ষার প্রসার, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেও ভূমিকা রাখবে বিমানের এ রুট। এদিন বিশেষ মোনাজাত শেষে ফিতা কেটে ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বিমান পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ও বিজিএমইএ-এর সভাপতি ফারুক হাসান, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশে অবস্থিত কানাডিয়ান হাইকমিশনের ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন এবং বিমানের পরিচালকরাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : দেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-চেন্নাই-ঢাকা এবং ঢাকা-মালে-ঢাকা রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৩ মার্চ থেকে সংস্থাটি প্রতিবেশী ভারতের চেন্নাইয়ে বর্তমানে সপ্তাহে পাঁচটি ফ্লাইটের পরিবর্তে দৈনিক ফ্লাইট চালু করবে। সাম্প্রতিক সময়ে বিমান ভ্রমণকারীদের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি ১৬ মার্চ থেকে দ্বীপ দেশ মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে প্রতি সপ্তাহে বিদ্যমান তিনটির পরিবর্তে চারটি ফ্লাইট পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ এয়ারলাইনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি একথা জানানো হয়। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এসব রুটে ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান পরিচালনা করবে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত দুবাই, মাস্কাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, চেন্নাই এবং চীনের গুয়াংজুতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া ইউএস-বাংলা শিগগিরই কলম্বো, দিল্লী, আবুধাবি, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম এবং মদিনায় ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: জীবনসঙ্গীর সঙ্গে একাকিত্বে রোম্যান্স করতে চান? যত খুশি ঘনিষ্ঠ হতে চান? অভিনব এই সুযোগ এনে দিয়েছে এক বিমান সংস্থা। সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে মাঝ আকাশে বিমানেই ঘনিষ্ঠ হতে পারবেন যুগলরা। ৪৫ মিনিটের একটি প্যাকেজ এটি। এর জন্য খরচ করতে হবে ৯৯৫ ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। এই অভিনব সুযোগ এনে দিচ্ছে আমেরিকার লাস ভেগাসের এক বিমান সংস্থা। রোবট কুকুর থেকে ৫০০ ফুটের ঘড়ি, আর যা যা আছে অ্যামাজন ‘মালিকে’র মালিকানায় বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, বিমানের ভিতরে যেখানে যুগল ঘনিষ্ঠ হবেন, সেই জায়গা পুরো পর্দা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হবে। বিমানে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে। শুধু তাই নয়, পাইলটের জন্য থাকছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। ককপিট ছেড়ে বেরোতে পারবেন না পাইলট। যুগলের আশপাশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না তাঁকে। তবে বিমানটি লাস ভেগাস থেকে উড়ে খুব বেশি দূর যাবে না। এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য ৪১৪টি বিমান নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ডি জনসন। শুধুমাত্র যুগলের জন্যই এই পরিষেবা দেওয়া হবে। ওই সংস্থার সদস্যপদও গ্রহণ করা যাবে। বিমানের ভিতরে রোম্যান্সের উপযুক্ত পরিবেশ এবং সাজসজ্জা থাকবে। শুধু রোম্যান্স বা ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য নয়, বিয়ের জন্যও এই বিমান ভাড়া নেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে তার জন্য খরচ করতে হবে ১ হাজার ১৯৫ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯০ হাজার টাকা)। আরও ১০০ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে সাত হাজার টাকা) খরচ করলে রোম্যান্টিক খাবারও দেবে বিমান সংস্থাটি। এবং একই সঙ্গে রোম্যান্স করতে হলে মোট প্যাকেজের দাম দিতে হবে ১ হাজার ৫৯৫ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা)।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি বলেছেন, সুনীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড যে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে তাতে দেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্র পর্যটনের উন্নয়নে বিশদ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পর্যটন মহাপরিকল্পনা সম্পন্ন হলে সুনীল অর্থনীতিতে পর্যটন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক "বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতিতে পর্যটনের ভূমিকা" শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশের সামনে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। উন্নত দেশের মর্যাদায় উন্নীত হতে দেশকে এগিয়ে নেবে সমুদ্রভিত্তিক এই অর্থনীতি।বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্র পর্যটনের সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা -২০৪১ এবং ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ তে পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। বাংলাদেশের সমুদ্র ভিত্তিক পর্যটনে সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পাশাপাশি বৃদ্ধি পাবে কর্মসংস্থান, অর্জিত হবে এসডিজি, শক্তিশালী হবে জাতীয় অর্থনীতি এবং পর্যটন শিল্প অংশীদার হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০৪১ অর্জনে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেখানে বিশ্ব জিডিপির ৫ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানের ৬ থেকে ৭ শতাংশ উপকূলীয় ও সমুদ্র পর্যটন থেকে আসে সেখানে আমাদের আর পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উপকূলীয় ও সমুদ্র পর্যটন উন্নয়নে নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের নাফ ট্যুরিজম পার্ক, সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক এবং সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের কাজ চলছে। এই তিনটি পর্যটন পার্ক স্থাপনের ফলে ২ লাখ লোকের কর্মসংস্থান ও বছরের ২ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়াও কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা, ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ, কক্সবাজারে খুরুশকুলে শেখ হাসিনা টাওয়ার, এথনিক ভিলেজ ও নিবিড় পর্যটন অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজমের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক ক্রুজ পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার এডমিরাল (অবঃ) মোঃ খুরশেদ আলম। এছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যটন অংশীজন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
ভোলা সংবাদদাতা : জেলায় বিনোদনের নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘ভোলা কায়াকিং পয়েন্টে’। উপজেলা সদরের ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বান্দেরপাড় এলাকায় ব্যক্তি উদোগে গড়ে উঠেছে এ বিনোদন কেন্দ্রটি। এখানে চাইলে যে কেউ একদিনের জন্য মাঝি হতে পারবে। প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সুবিশাল জলরাশির মধ্যে নৌকায় প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে ভ্রমণের অপূর্ব সুযোগ রয়েছে। টিকেট সংগ্রহ করলে ফাইবারের তৈরি বোট ও প্লাস্টিক ও স্টিলের তৈরি বৈঠা নিয়ে বেড়িয়ে পড়া যায় জলাশয়ে। আর নৌকা চালানোর অভিজ্ঞতা না থাকলে প্রশিক্ষক রয়েছে পরিচালানোর জন্য। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছে এ পয়েন্ট। এছাড়া দেশের অন্যান্য জেলা থেকেও ভ্রমণ পিপাসুরা আসছেন এখানে। অন্য সময়ের চেয়ে শীতের সময়টাতে বেশি আসেন পর্যটকরা। বর্তমানে দৈনিক শতাধিক দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত কায়াকিং পয়েন্টেটি। উপরে নীল আকাশের ছায়া স্বচ্ছ জলে মায়ার খেলা তৈরি করে এখানে। নৌকা নিয়ে স্বচ্ছ লেকটিতে প্রবেশ করলে চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মুগ্ধ করে যে কাউকে। যতই জলাশয়ের গহীণে যাবে নৌকা, ততই ভালোলাগার আবেশ ছড়াবে। চারপাশের সবুজের ঘেরা প্রান্তর, বিভিন্ন জলজ প্রাণি ও পাখিদের কলকাকলী ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে নৌ ভ্রমণে। ভাগ্য ভালো হলে দেখা মেলবে অতিথি পাখিরও । এছাড়াও রয়েছে পানিতে ভাসমান ব্লকের উপর তৈরি লাভ পয়েন্ট। গাড়ির আদলে তৈরি প্যাডেল বোট। শিশুদের জন্য রয়েছে ডরমিন রাইড। আরো রয়েছে মন ভোলানো মিউজিক সিস্টেম। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে এ বিনোদন কেন্দ্রটি। কায়াকিং পয়েন্টে’র উদ্যেক্তা এম শরিফ আহমেদ বাসস’কে বলেন, কায়ক শব্দটি এদেশে অতটা প্রচলিত নয়। ফাইবার, কাঠ ও পাটের তন্তু দিয়ে তৈরি লম্বা সরু নৌকাকে কায়াক বোট বলা হয়ে থাকে। যা চালাতে হয় বৈঠা দিয়ে। কানাডায় প্রথম শুরু হয়েছিলো এ কায়াক চালানো। বিদেশে সমুদ্র বা নদীতে কায়াক চালানোর প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। বরিশাল বিভাগের মধ্যে এটিই প্রথম কায়াকিং চালু করা হয়েছে। প্রথম দিকে করোনার কারণে বন্ধ থাকলেও এখন বেশ সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। এখানে বেড়াতে আসা লিপি আক্তার, রাফিয়া মৌ ও জাহানা রিয়া বলেন, নিজেরা নিজেদের নৌকা চালিয়ে জলে ভ্রমণ সম্পূর্ণ একটি নতুন অভিজ্ঞতা। প্রথম একটু কঠিন মনে হলেও বোট চালাতে গিয়ে সহজ হয়েছে। পরিবার তথা বন্ধুদের সাথে নিয়ে বিনোদনের এটি একটি আদর্শ স্থান। সময় পেলেই তারা এখানে ছুটে আসেন বলে জানান। ব্যবসায়ী শিমুল হাসান পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছেন এখানে। তিনি বলেন, মাঝ জলাশয়ে গলা ছেড়ে গান গাইলে নিজেকেই সত্যিই মাঝি বলে মনে হয়। যা শহরের জীবনে ভিন্ন এক প্রসন্নতা এনে দেয়। উদ্যোক্তা শরিফ আহমেদ আরো বলেন, এখানকার নৌযানগুলো অত্যাধুনিক মানের হওয়ায় সহজে ডুবে যাওয়ার ভয় নেই। তারপরেও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বোটে রয়েছে লাইফ জ্যাকেট। এখানে ভ্রমণ করতে জেলা জজ, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আসছেন। অন্য জেলা থেকেও দর্শনার্থীরাও আসছেন। আগামী দিনে এ কেন্দ্রটি আরো আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি। ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. হাবিবুর রহমান জানান, সম্প্রতি ভোলা কায়াকিং পয়েন্টে বিনোদনের জন্য এক অনন্য স্থান হিসাবে রুপ লাভ করেছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে এখানে প্রশান্তির জন্য। কয়জন বেকার শিক্ষিত যুবকের এমন কার্যক্রম অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: নতুন বছরের শুভাগমন ও বিমানের আসন্ন সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধিকল্পে এবং সম্মানিত যাত্রীগণের সুবিধার্থে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের কাউন্টার আধুনিকায়ন ও সজ্জিতকরণের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ২০২১ সালের শেষদিনে অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখ বিমানের অভ্যন্তরীণ কাউন্টারকে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নবরূপে সজ্জিতকরণ করা হয়। বোর্ডিং ডেস্ক আধুনিকীকরণসহ অত্যাধুনিক ডিসপ্লে সিস্টেম সংযুক্ত করা হয়েছে। যাত্রীগণ খুব সহজেই ডিসপ্লেতে ফ্লাইট ইনফরমেশন দেখতে পারবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান, বিমানের পরিচালকবৃন্দ, অন্যান্য এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাগণসহ বিমানের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল বলেন, “যাত্রীসেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধির জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নতুন বছরে যাত্রীসেবায় নতুনত্ব আসবে। এরই অংশ হিসেবে বছরের শেষ দিনে অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের কাউন্টারকে নবরূপে সজ্জিত করা হয়েছে। যাত্রীরা পূর্বের চেয়ে অধিকতর মানসম্মত সেবা লাভ করবেন।”
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: ৫০ বছরে পদার্পণ করলো বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের ৫০ বছরে পদার্পণ "পথ চলার ৫০" শিরোনামে উদযাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে সংবাদ সম্মেলন, আলোচনা অনুষ্ঠান, লোগো উন্মোচন, কেক কাটা, র‍্যালি সহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি বলেন, স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই দূরদর্শী রাস্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে যে ক্ষেত্রগুলির উপর বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেছিলেন, তার মধ্যে পর্যটন ছিল অন্যতম। জাতির পিতার হাত ধরেই বাংলাদেশে পর্যটনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। প্রকৃতি ও মনুষ্যসৃষ্ট সকল নান্দনিক সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সামনে তুলে ধরতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন’- যা এদেশের পর্যটন শিল্প বিকাশের পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান। তিনি আরো বলেন, পেরিয়ে আসা দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন দেশের আকর্ষণীয় পর্যটন এলাকাসমূহে হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, ডিউটি ফ্রি অপারেশন্স, রিসোর্ট, প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ইত্যাদি নির্মাণ করে পর্যটকদের মানসম্মত খাবার, আবাসন এবং নানাবিধ পর্যটন-সেবা প্রদান করে আসছে। দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারসহ দেশের অন্যান্য পর্যটন আকর্ষণীয় এলাকাসমূহকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতেও বিগত বছরগুলোতে যথেষ্ট অবদান রেখেছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যটনশিল্প সংশ্লিষ্টদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত দেশের প্রথম পর্যটন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ন্যাশনাল হোটেল ও ট্যুরিজম ট্রেনিং ইন্সটিটিউটটিও পরিচালনা করে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিবছর প্রায় ১৬০০ জন দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত প্রায় ৬০,০০০ এর অধিক দক্ষ মানবসম্পদ তৈরী করেছে, যারা দেশে বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করে চলেছে। দেশে পর্যটন শিল্পের প্রসারের কারণে এ খাতে দক্ষ জনশক্তির ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনার সদয় নির্দেশনায় ২০১৭ সালে ন্যাশনাল হোটেল এন্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইন্সিটিউট-কে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে হাতে নেয়া কাজ সমাপ্তির পথে। এতে এই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দক্ষ জনশক্তির অধিকতর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। মাহবুব আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে যাত্রা শুরু হয়েছিল যে পর্যটন শিল্পের, সময়ের পরিক্রমায় তা তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনার বহুমাত্রিক নেতৃত্বে ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে বিকশিত হয়ে উন্নীত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পর্যটনবান্ধব নীতিমালা ও কার্যক্রমের ফলে দেশের পর্যটনশিল্প এখন বিকাশের নতুন অধ্যায়ে উপনীত। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দেশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিপুলভাবে বিকশিত হচ্ছে এ খাতের বেসরকারি উদ্যোগ, যা এ শিল্পের জন্য খুবই ইতিবাচক। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে সময়ের সাথে সাথে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালন ও সেবা প্রদানের আঙ্গিকে নানা পরিবর্তন এসেছে। যুগের চাহিদার প্রেক্ষিতে এর সেবা আধুনিকায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত ১২ বছরে প্রায় ২৮৪ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০ টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে পর্যটন কর্পোরেশন। এছাড়াও দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ৩৩৫ কোটি টাকার ১২টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে যার বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত সচিব এ.এইচ.এম গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সরকারি-বেসরকারি পর্যটন পর্যটন অংশীজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুক-এ আমরা