10262021মঙ্গল
শিরোনাম:
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিএনএস-এটিএম সিস্টেমসহ অত্যাধুনিক রাডার স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও ফ্রান্সের রাডার প্রস্তুতকারী কোম্পানি থ্যালাস এলএএস এর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ ম্যাঁরি এঁর উপস্থিতিতে চুক্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান এবং থ্যালাসের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান মি. নিকোলাস। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি বলেন, নতুন এ অত্যাধুনিক রাডার স্থাপনের ফলে দেশের সমগ্র আকাশসীমা নজরদারির আওতায় আসবে। এর ফলে বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক রুটে যাতায়াত করা সকল বিদেশী উড়োজাহাজ সনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং এদের থেকে ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায় করা যাবে। নতুন ও অত্যাধুনিক এই রাডার ও এটিসি টাওয়ার স্থাপনের ফলে দেশের আকাশসীমা হবে আরো সুরক্ষিত, বিমান চলাচল হবে আরো নিরাপদ এবং এভিয়েশন খাত হতে বাড়বে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ। তিনি আরো বলেন, আজ আমরা এভিয়েশন খাতের উন্নয়নের একটি বড় পদক্ষেপের সাক্ষী হয়ে থাকছি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাডার, এটিসি টাওয়ার স্থাপন ছাড়াও কমিনিউকেশন, নেভিগেশন, সারভেইল্যান্স ও এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট আরো যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশে এয়ার নেভিগেশনে বর্তমানে যে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে তা দূর হবে এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থার বাধ্যবাধকতাও পূরণ করা সম্ভব হবে। দেশের এয়ার নেভিগেশন হবে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে গুরুত্ব দিয়ে এর উন্নয়নে কাজ করছে বর্তমান সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় দেশের এভিয়েশন খাত বিকশিত হয়ে উন্নীত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানে। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বাড়ছে দেশের আকাশ পথে সংযোগের পরিধি। সারাদেশে বিমান পরিবহণ অবকাঠামোর যুগোপযোগী উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি, কারিগরি ও জন দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও সুষ্ঠু বিমান চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের সকল বিমানবন্দরে উন্নয়নের নানাবিধ প্রকল্প ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ সহ আরো কিছু যুগান্তকারী উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কমিনিউকেশন, নেভিগেশন,সারভেইল্যান্স ও এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট আধুনিকায়নে গৃহীত এই প্রকল্পটি গত ৮ জুন সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
রবিবার, 26 সেপ্টেম্বর 2021 17:33

আগামীকাল বিশ্ব পর্যটন দিবস

নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদার সাথে “বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২১” পালিত হতে যাচ্ছে। এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে “অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে পর্যটন”। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পৃথকভাবে বাণী প্রদান করেছেন। বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২১ উদযাপন সম্পর্কে জানাতে আজ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি জানান, জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা কর্তৃক ১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হচ্ছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্ববাসীকে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও জাতীয় অর্থনীতিতে পর্যটনের অবদান সম্পর্কে অবহিত করা। তিনি আরো বলেন, সারা বিশ্বের পর্যটন শিল্প কোভিড-১৯ মহামারীর এই সময়ে একটি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ এর কারণে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলোর একটি পর্যটন শিল্প। বাংলাদেশও বৈশ্বিক এই পরিস্থিতির বাইরে নয়। এই মহামারীর কারনে দীর্ঘদিন আমাদের পর্যটন স্পট ও এই শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ করে রাখতে হয়েছিল। এমনকি গতবছর এই সময়ে সংক্রমণের হার বেশী থাকায় বিশ্ব পর্যটন দিবসের সকল কর্মসূচি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আয়োজন করতে হয়েছিল। বর্তমানে দেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ কমার কারনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পর্যটন স্পট গুলো খুলে দেয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ পর্যটকেরা আগ্রহের সাথে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ভ্রমণ করার কারনে আস্তে আস্তে দেশের পর্যটন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, গতি ফিরছে দেশের পর্যটন শিল্পে। তাই এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন পর্যটনকে দেশী-বিদেশী পর্যটকের সামনে তুলে ধরা ও তাদের এ সম্পর্কে জানানোর একটি বিশেষ সুযোগ। প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২১ উপলক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আগামীকাল ২৭.০৯.২০২১ খ্রিঃ তারিখে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে আলোচনা অনুষ্ঠান ও বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের আয়োজনে কুকিং শো অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে একটি ঘোড়ার গাড়ির র‍্যালি পর্যটন ভবনের সামনে থেকে যাত্রা শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন স্পট পরিভ্রমণ করে পর্যটন বিষয়ক প্রচারণা পরিচালনার পাশাপাশি মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করতে তাদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করবে। এছাড়া, বাদ্যযন্ত্রসহ ২০ টি সুসজ্জিত রিকশার একটি র‍্যালি রাজধানীর গুলশান-বারিধারা কূটনৈতিক এলাকায় বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে প্রচারণা চালাবে। দেশের প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পর্যটন অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। এছাড়াও দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আরো নানা আয়োজনের পাশাপাশি আগামী ২ অক্টোবর নড়াইল জেলায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, করোনার পর পর্যটন আকর্ষণে দেশে অন-অ্যারাইলভাল ভিসা চালুসহ ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার আগে আমরা পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটা আন্তর্জাতিক সংস্থাকে কার্যাদেশ দিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছা- পর্যটনকে নিয়ে একটা প্ল্যানড ওয়েতে অগ্রসর হওয়া। মাস্টার প্ল্যান শেষ হওয়ার পরই আমরা আমাদের কাজে হাত দেব। কিন্তু করোনার কারণে মাঝখানে কাজ বন্ধ ছিল, বর্তমানে কাজ আবার শুরু হয়েছে এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মাস্টার প্ল্যানের কাজ শেষ হবে বলে আশা করি। করোনায় পর্যটন খাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণ পেতে জটিলতা হচ্ছে- এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যটন শিল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। সেই অনুযায়ী আমরা বিভিন্ন খাত, উপখাতে ভাগ করেছি। আমরা তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়ে ছিলাম। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাঠাতে বলেছিল। পরবর্তী সময়ে আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক পজিটিভলি এটা দ্রুত দেয়ার জন্য চেষ্টা করছে। আমরাও এটা নিয়ে সমন্বয় করছি। আশা করছি খুব সহসাই এটা প্রদান করা হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আঃ হান্নান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আঃ কাইয়ুম ও হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ আমিনুর রহমান প্রমুখ।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন আশা প্রকাশ করেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে ফ্লাইট চলাচল কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবে। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি ভবিষ্যতে বিমান ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে আবার কার্যক্রম শুরু করবে।” জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের সাইডলাইন ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রীর সামগ্রিক কর্মকা- সম্পর্কে এখানে লোট নিউইয়র্ক প্যালেসে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “সুখবর হচ্ছে যে, তারা বিমানকে (রবিবার নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানের ফ্লাইট) অবতরণের অনুমতি দিয়েছে। সুতরাং আমি আশা করি বিমান ভবিষ্যতে ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে তার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।” তিনি আরো বলেন, এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেশন এভিয়েশন অথরিটির সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। “এটি আশাবাদী হওয়ার কারণ।” তিনি বলেন, ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান চলাচল বেশ কয়েক বছর ধরে স্থগিত রয়েছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিমান বহরে অনেকগুলো আধুনিক ও সর্বশেষ মডেলের উন্নত বিমান যুক্ত করা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী দলের সদস্যরা কোন ধরণের ঝামেলার সম্মুখীন না হয়েই এবং যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে সরাসরি গাড়িতে বিমান বন্দর ত্যাগ করেন। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার কারণে আমাদের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হয়েছে। মোমেন বলেন, “বিমানের এই রুটটি চালু হলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশীরা খুব খুশি হবেন।”
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : মিশরীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান ইজিপ্টএয়ার দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পাশাপাশি উভয় দেশের পর্যটন খাতকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ১ লা নভেম্বর থেকে কায়রো-ঢাকা-কায়রো রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশরীয় রাষ্ট্রদূত হায়থাম ঘোবাশি আজ স্থানীয় একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে বলেন, এটি অবশ্যই ব্যবসা বিনিময়, কার্গো, মিশরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এবং বহুমুখী মিশরীয় পর্যটন অন্বেষণ করতে আসা পর্যটকদের উপর প্রভাব ফেলবে। মিশরীয় দূতাবাস এখানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ-মিশর বিমান যোগাযোগের ঘোষণা উদযাপনের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং মিশরের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও কায়রোর মধ্যে দুটি সাপ্তাহিক বিমান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘোবাশি বলেন, বাংলাদেশে মিশর এয়ারের উদ্বোধন আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। রাষ্ট্রদূত তার দেশকে আধুনিক সভ্যতার আঁতুড়ঘর হিসেবে অভিহিত করে মিশরীয় আতিথেয়তা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উপভোগ করার জন্য বাংলাদেশের পর্যটক ও যাত্রীদের স্বাগত জানান। দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সরকারী ও বেসরকারী উভয় খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টাকে দূত ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশে ইজিপ্টএয়ারের জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসএ) এএলও ঢাকা, সিইও সৈয়দ আলী সামি এবং নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ হোসেনও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। স্টার অ্যালায়েন্স সদস্য ইজিপ্টএয়ার মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রর ৮০টিরও বেশি গন্তব্যে ৬৯টি বিমান নিয়ে গঠিত একটি বহরে নির্ধারিত যাত্রী ও মালবাহী পরিষেবা পরিচালনা করে। ঢাকা ও কায়রোর মধ্যে প্রতি সপ্তাহে দুটি সময়সূচি বিমান পরিচালনার লক্ষ্যে চলতি বছরের ১৮ আগস্ট কায়রোতে ইজিপ্টএয়ার ও এএলও ঢাকা এভিয়েশন লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিমানটি দুবাই এবং ইস্তানবুলের বিকল্প হিসাবে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার জন্য নির্ধারিত বাংলাদেশী যাত্রী এবং কার্গোগুলোর একটি সাশ্রয়ি বিকল্প প্রদান করবে। এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিশরের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগের মাধ্যমে প্রবাসী ও ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
শুক্রবার, 10 সেপ্টেম্বর 2021 17:39

কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের ভীড়

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: কুয়াকাটা। দেশের একটা আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র। এই পর্যটন কেন্দ্রে আসা পর্যটকরা নেচে গেয়ে হৈ হুল্লোড়ে মেতে আছেন। কুয়াকাটার দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত যেন আগের অবস্থায় ফিরেছে। লেম্বুর চর, ঝাউবন, গঙ্গামতির লেক, কাউয়ার চর, শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির, কুয়াকাটার কুয়া, রাখাইনদের তাঁত পল্লীসহ পর্যটন স্পটগুলোতে হাজারো পর্যটকদের পদভারে এখন মুখরিত। তবে এখানে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না কেউই। পরছেন না কেউ মাক্স। সরজমিনে দেখা যায়, পাখির কলতানে মুখরিত সবুজ প্রকৃতি সাথে বালুকাবেলায় লাল কাকড়ার ঝাঁক। তাদের অবাধ বিচরণে সৈকতে ফুটে উঠেছে আল্পনা। ঝিনুকের সারি ও প্রকৃতির নিজস্ব খেয়ালে সৃষ্টি বিভিন্ন গুল্মলতা নতুন রূপ দিয়েছে সাগর কন্যা কুয়াকাটাকে। কেউ ঘোড়ায় চড়ছে, কেউ সৈকতে সাগরের ঢেউয়ে সাথে গোসল করছে। কেউ কেউ প্রিয়জনের হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউ বা আবার গা এলিয়ে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এমন দৃশ্য আবার নিজ নিজ হাতে থাকা স্মার্ট ফোন দিয়ে সেলফি তুলে ধারন করছেন অনেকে। এর ফলে পর্যটকের এমন ভিড়ে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ফিরে পেয়েছেন প্রাণ চাঞ্চল্য। পর্যটন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা জানান, প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা। এ প্রকৃতিকে কাজে লাগিয়ে দেশী বিদেশী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে গড়ে তোলা হয়েছে ছোট বড় পর্যটন স্পট। কিন্তু ঊর্ধ্বগামী পর্যটন শিল্পের বিকাশে থাবা বসিয়েছে মহামারী করোনা ভাইরাস। এতে বিনিয়োগকারীদের মাথায় হাত উঠেছে। সেই সাথে পর্যটনমুখী সংশ্লিষ্টদের জীবন জীবিকা পড়ে হুমকির মুখে। এদিকে হোটেল-মোটেল রিসোর্টসহ সকল বিনোদন কেন্দ্র খুলে দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িরা ফিরে এসেছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। এখন তারা আবার নতুন করে দেখছে আশার আলো। খুলনা থেকে আগত পর্যটক দম্পতি নুরু আলম ও জিনিয়া আক্তার সাথী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি ছিলাম। শুক্রবার সকালে কুয়াকাটায় এসে পৌঁছেছি। আরো একদিন থাকবো এখানে। এখানকার নির্মল বাতাস, সাগরের ছোট ছোট ঢেউ, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোলোভা দৃশ্য যেন যে কেউকে বিমোহিত করে। ট্যুরিস্ট ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন, ভাবতেও পারেনি দেশের এরকম পরিস্থিতিতে এত পর্যটকের আগমন ঘটবে। এসব পর্যটকদের সমুদ্র ঘুরে দেখার জন্য এখানে বেশ কয়েটি ট্যুরিস্ট বোট রয়েছে। তাই বোট মালিকরা ডিসকাউন্ট দিয়ে খুব কম খরচে ফাতরার বন ও চর বিজয় নিয়ে যাচ্ছে। আর পর্যটকরা অপরুপ দৃশ্য অবলোকন করছেন। হোটেল সমুদ্র বাড়ির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, তার হোটেলে ১৭টি রুম রয়েছে। পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাশনের নির্দেশনা অনুযায়ী রুম বুকিং দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে পর্যটকদের ব্যাপক চাপ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী মো. মোতালেব শরীফ বলেন, স্বাস্থবিধি মেনেই সকল হোটেল মোটেলে পর্যটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার পর্যটকরা আসতে শুরু করেছে। আশা করছি শীতের মৌসুমে পর্যটকের বেড়ে যাবে। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারি পুলিশ সুপার মো.আব্দুল খালেক বলেন, শুক্রবার কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা সব সময়ই বেশি থাকে।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: হোটেল থেকে কেনা খাবারে পুরুষাঙ্গ খুঁজে পেলেন এক মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে ঘানায়। আকাউজা নামের ওই মহিলা এই ঘটনায় প্রথমে হতভম্ব হয়ে যান। তার পরে তিনি নেটমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে বিষয়টি জানান। দোকান থেকে কেনা খাবার খাওয়ার আগে সবাইকে ভাল করে সেই খাবার পরীক্ষা করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নেটমাধ্যমে যে ভিডিয়ো প্রকাশ পেয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে পুরুষাঙ্গটি দেখাচ্ছেন আকাউজা। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমি একটি রেস্তরাঁ থেকে টুয়ো জাফি কিনে এনেছিলাম। বাড়ি এসে আমি খেতে বসি। খাবারের মধ্যে থাকা বেশির ভাগ মাংসের টুকরো খেয়ে ফেলার পরে সব থেকে বড় টুকরো তুলতেই আমার সন্দেহ হয়। ভাল করে পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখতে পাই সেটি পুরুষাঙ্গ।’’ কী ভাবে খাবারের মধ্যে পুরুষাঙ্গ এল সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। এই ঘটনার পরে রেস্তরাঁর বিরুদ্ধে আকাউজা কোনও পদক্ষেপ করেছেন কি না সে বিষয়েও কিছু জানাননি তিনি। তবে কেনা খাবার খাওয়ার সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আকাউজার প্রকাশ করা ভিডিয়ো ভাইরাল নেটমাধ্যমে। সবাই এই ঘটনায় খুব অবাক হয়েছেন। অনেকে আকাউজাকে সংশ্লিষ্ট রেস্তরাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর দক্ষ ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম গত ৩০ আগস্ট সোমবার ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় সকাল ১১:০০ ঘটিকার সময় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। হাসপাতাল সুত্রে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। ক্যাপ্টেন নওশাদের মৃত্যু বাংলাদেশ এয়ারলাইন পাইলটস এসোসিয়েশনের জন্য একটি গভীর শোক বয়ে এনেছে। ক্যাপ্টেন নওশাদ শুধু একজন সহকর্মিই ছিলেন না, তিনি বাপার নির্বাহি কমিটির একজন নির্বাচিত সদস্যও ছিলেন। বৈমানিকদের কাছে তো বটেই, বিমানের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারির কাছে তার সদা হাস্যময় এবং আন্তরিক ব্যবহারের জন্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। কর্মজীবনে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিকুল মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার বিরল প্রতিভা ছিল তার। ক্যাপ্টেন নওশাদ এর অকাল মৃত্যুতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলটস এসোসিয়েশন এর সকল সদস্য গভীরভাবে শোকাহত। সকলেই মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছেন। তার মরদেহ দেশে আনার কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম ১৯৭৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর ক্যাডেট পাইলট হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে কাজে যোগদান করেন এবং প্রশিক্ষন শেষে ২০০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এফ-২৮ এর ফার্স্ট অফিসার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০০৬ সালের ১৪ মে এয়ারবাস-এ-৩১০ উড়োজাহাজের ফার্স্ট অফিসার এবং ২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বোয়িং ৭৭৭ এর ফার্স্ট অফিসার হন। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি বোয়িং ৭৩৭ এর ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন এবং মৃত্যুর পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত তিনি এ পদেই কর্মরত ছিলেন। ক্যাপ্টেন নওশাদ একজন দক্ষ বৈমানিক হিসেবে কর্মজীবনে বহু প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর বিজি ১২২ ফ্লাইটটি অতি দক্ষতার সাথে ঢাকায় অবতরণ করানোর মাধ্যমে ১৪৯ জন যাত্রীর জীবন রক্ষা করতে অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন পাইলট এসোসিয়েশন থেকে প্রশংসাপত্র লাভ করেন। বাংলাদেশ এয়ারলাইন পাইলটস এসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান এক বিবৃতিতে গভীর শোক জানিয়েছেন।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত পূর্ণ টিকা গ্রহণকারী পর্যটকদের ভিসা দেওয়া শুরু করছে। সোমবার (৩০ আগস্ট) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। দুবাইতে বিলম্বিত এক্সপো ২০২০ শীর্ষক বাণিজ্য মেলা সামনে রেখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য এই মেলা উপলক্ষে লাখ লাখ লোক আমিরাতে আসবে যা দেশটির অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে। এদিকে দেশটিতে করোনা সংক্রমণও কমে যাচ্ছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে প্রথমবার গত সপ্তাহে দৈনিক সংক্রমণ এক হাজারের নিচে নেমে এসেছে। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএম এক খবরে জানিয়েছে, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সকল দেশের পর্যটকের জন্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দরজা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পর্যটকদেরকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত টিকা গ্রহণ করতে হবে। বার্তা সংস্থার খবরে আরো বলা হয়েছে, পূর্বে নিষিদ্ধ করা দেশগুলোসহ বিশ্বের সকল দেশের নাগরিকের জন্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচেছ। তবে টুরিস্ট ভিসায় যারা আসবেন তাদেরকে অবশ্যই বিমানবন্দরে পিসিআর টেস্ট করাতে হবে।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ফ্লাইট পুনরায় শুরু হবে। এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় ফ্লাইট পরিচালিত হবে। শনিবার ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে টুরিস্ট ভিসাধারী যাত্রীদের ওই তারিখ থেকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ভারতের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ চালু রয়েছে। করোনাভাইরাসের দুই ডোজ টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওই দেশগুলোতে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (বিমান) পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে তিনি ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি কোমায় রয়েছেন। রোববার বিমানের উপ-মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার জানান, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমাদের পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থার সর্বশেষ জানানো হবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহবুব জানিয়েছেন, উনি এখনো বেঁচে আছেন। বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। আজ দুপুরে ওনার পরবর্তী চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সেই মেডিকেল বোর্ড এখনো কিছু জানায়নি। তিনি আরও জানান, ক্যাপ্টেন নওশাদের দুই বোন যারা আমেরিকায় ছিলেন, তিনি সেখানে পৌঁছেছেন। সেই সঙ্গে বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজারকে নাগপুরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কিংসওয়ে হাসপাতালে যোগাযোগ করা হলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাসপাতালে ভর্তি ক্যাপ্টেন নওশাদের বিষয়ে কিছু জানানোর এখতিয়ার তাদের নেই। বিমান বাংলাদেশ এ বিষয়ের সর্বশেষ সম্পর্কে ব্রিফ করবে। গত শুক্রবার (২৬ আগস্ট) মধ্য আকাশে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুম। ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণের পর তাকে সেখানকার কিংসওয়ে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সর্বশেষ হাসপাতালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রোশান ফুলবান্ধে জানিয়েছিলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদের অবস্থা গুরুতর... তিনি সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনের সহায়তায় বেঁচে আছেন... তার মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে... তিনি কোমায় আছেন। শুক্রবার সকালে ওমানের মাস্কাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি নিয়ে ঢাকা আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন কাইউম অসুস্থ বোধ করেন। অসুস্থ হয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যাপ্টেন কাইউম কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে জরুরি অবতরণের অনুরোধ জানান। একই সময় তিনি কো-পাইলটের কাছে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন। কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে তার নিকটস্থ মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার নির্দেশ দিলে কো-পাইলটই বিমানটিকে অবতরণ করান। বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিল। তারা সবাইই নিরাপদে ছিলেন। এদিকে শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে করে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুরে যায়। মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসহ ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়।