07132020সোম
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: প্যারিস, করোনা মহামারীর জেরে যেভাবে বিমান পরিবহন ধাক্কা খেয়েছে তার ফলে এখন চরম সংকটে এয়ারবাস। এই পরিস্থিতিতে বাঁচতে বছর খানেকের মধ্যে সংস্থাটি ১৫০০০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যে জার্মানিতে ৯০০ জন চিহ্নিত হয়ে আছেন। এয়ারবাস তার ব্যবসায়িক ক্ষতি নিয়ে চিন্তিত। এর ৫৫ বিলিয়ন ইউরো (৬১.৮ বিলিয়ন ডলার) জেট ব্যবসার ৪০ শতাংশ ধাক্কা খেয়েছে মহামারীতে। এখন আপাতত ইউরোপের সরকারগুলির কাছ থেকে পাওয়া ত্রাণ এবং ভবিষ্যতে কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তার মধ্যে একটা ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। যখন একপ্রকার লড়তে হচ্ছে বাধ্যতামূলক অতিরিক্তের কথা ভেবে তখনই কিন্তু আবার ভাবতে হচ্ছে এই ব্যাপারে সরকার এবং ইউনিয়নের কঠিন কথা মুখোমুখি হতে পারে। ২০০৮ সালে একটা পুনর্গঠন ব্যবস্থা নিতে গেলে ধর্মঘট প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। সিএফই-সিজিসি ইউনিয়নের নেতা ফ্রাঙ্কোসি ভ্যালিনের বক্তব্য, যা পরিস্থিতি চাকরি রক্ষা করাটা একটা কঠিন লড়াই। ইউরোপের সর্ববৃহৎ এয়ারোস্পেস গ্রুপ জানিয়েছে, ফ্রান্সে ৫০০০টি পদ, জার্মানিতে ৫১০০, স্পেনের ৯০০, ইউকে তে ১৭০০ এবং অন্যান্য জায়গায় ১৩০০ পদ বিলুপ্ত হতে পারে ২০২১ সালের মাঝামাঝি। এখানেই সংখ্যাটা ১৪০০০। এই সংকটের আগেই অবশ্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল জার্মানিতে আরও ৯০০ জন কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা। গত ৩ জুন রয়টার্স প্রতিবেদনে জানিয়েছিল ১৪,০০০ ছাঁটাইয়ের কথা তবে ইউনিয়ন আশঙ্কা করছে এই সংখ্যাটা ‌১৫০০০ হতে পারে। ব্রিটেনের ইউনাইট ইউনিয়নের মতে, এটা শিল্প ক্ষেত্রে নৈরাজ্য। ফ্রান্সের কট্টর বাম ইউনিয়ন এবং অন্যান্যরা জানিয়েছে, এই বাধ্যতামূলক ছাঁটাইয়ের বিরোধিতা করা হবে। তাছাড়া এক্ষেত্রে ফ্রান্সের রাজনৈতিক দিক থেকেও সহায়তা চেষ্টা চলছে যেখানে প্রেসিডেন্ট এমানিউল ম্যাক্রন সরকার ঘোষণা করেছে বিমান পরিবহন ক্ষেত্রের জন্য ১৫ মিলিয়ন ইউরোর প্যাকেজ। এয়ারবাস একেবারে বরখাস্ত করার বদলে, স্বেচ্ছা অবসর, সময়ের আগে অবসর ইত্যাদি ব্যবস্থা নিচ্ছে। চিফ এক্সিকিউটিভ গুইলম ফৌরি দাবি করেছেন, শিল্পক্ষেত্রের এই সংকটকালে তাদের কাছে বিকল্প আর কোনও রাস্তা নেই।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: ভয়াল ভাইরাস ধীরে ধীরে গিলতে শুরু করেছে আফ্রিকাকেও। করোনার সর্বশেষ হানা এই মহাদেশে। ইতিমধ্যেই সেখানে ৪ লক্ষ ছাড়িয়েছে সংক্রমণ। মৃত্যু ১০ হাজারেরও বেশি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, অতিমারি ক্রমশ তার মারণরূপ নিতে শুরু করেছে। কিন্তু তার থেকেও বেশি আশঙ্কা জাগিয়ে তুলছে, সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র বলা একটি কথা। তারা বলেছিল, দীর্ঘদিন মানুষ ‘গৃহবন্দি’ থাকতে থাকতে মানসিক ও অর্থনৈতিক ভাবে হতাশ। এ বার তাঁরা ঘর ছেড়ে বেরোতে চান। অথচ নোভেল করোনাভাইরাস এখন সংক্রমণের শীর্ষে। আফ্রিকার ক্ষেত্রেও একই ছবি। তিন মাস পরে খুলে দেওয়া হল মিশরের বিমানবন্দরগুলি। দ্বার খুলেছে ইতিহাস সমৃদ্ধ দেশটির সমস্ত মিউজ়িয়াম। গোটা বিশ্বের পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে গিজ়ার পিরামিড। দেশের জাতীয় উড়ান সংস্থা ইজিপ্টএয়ার জানিয়েছে, ১৪টি আন্তর্জাতিক উড়ানে কমপক্ষে ২ হাজার যাত্রী আজ কায়রো বিমানবন্দর থেকে সফর করেছেন। সাড়ে তিনশোরও বেশি ইউক্রেনীয় পর্যটককে নিয়ে দু’টি বিমান নেমেছে রেড সি-র হারগাদায়। লোহিত সাগরের উপকূলে মিশরের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র এটি। মিশরের পুরাতত্ত্ব বিষয়ক সুপ্রিম কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল মুস্তাফা ওয়াজিরি জানান, অন্তত ১২টি মিউজ়িয়াম ও পর্যটনস্থলে ইতিমধ্যেই পর্যটকেরা আসতে শুরু করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে গিজ়ার পিরামিড, কায়রোর ‘দ্য সিটাডেল অব সালাডিন’, কারনাকের প্রাচীন মন্দির, লাক্সরের ‘মরচুয়ারি টেম্পল অব হ্যাটশেপসুট’। মুস্তাফা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে যাবতীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকার চায় পর্যটনের হাত ধরেই দেশের ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে ফের চাঙ্গা করতে। এ দিকে, আফ্রিকার পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞেরা। ‘দ্য আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজ়িস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ জানিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশের ৫৪টি দেশে ৪ লাখ ৪০ হাজারের বেশি আক্রান্ত। যদিও করোনা-পরীক্ষা হচ্ছে খুব কম। পরীক্ষার সংখ্যা বাড়লে সংক্রমিতের সংখ্যাও বাড়বে। সব চেয়ে খারাপ অবস্থা দক্ষিণ আফ্রিকার। দেড় লাখের বেশি সংক্রমিত এ দেশেই। তার মধ্যে ২৮ শতাংশ সংক্রমণ জোহানেসবার্গে। ইউরোপের অধিকাংশ দেশে লকডাউন শিথিল হলেও পর্যটন পুরনো চেহারায় ফেরেনি। কিছু দেশ আন্তর্জাতিক সফর নিষিদ্ধ করছে। কিছু দেশ অনুমতি দিলেও পরামর্শ দিচ্ছে, খুব প্রয়োজন না-থাকলে বিদেশ সফর না-করতে। ফলে পর্যটনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা হোটেল-রেস্তরাঁগুলির হাল খারাপ। ব্রিটেনের একটি কফি শপ চেন জানিয়েছে, গ্রাহক না-আসায় তাদের অন্তত ৫ হাজার কর্মী কাজ হারাবেন। কিন্তু অর্থনীতির রাশ ধরতে গিয়ে করোনা-পরিস্থিতির কথা ভুলে গেলে বিপদ আরও বাড়বে— আজ ফের এ কথা মনে করিয়ে দিয়েছে হু। সংস্থার ওয়েস্টার্ন প্যাসিফিক অঞ্চলের ডিরেক্টর তাকেশি কাসাই বলেন, ‘‘কোনও দেশ এখন নিরাপদ নয়।’’ বিপদ-তালিকার শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। তাদের করোনা প্রতিরোধ দলের প্রধান অ্যান্টনি ফাউচি আজ বলেন, ‘‘এখন দিনে ৪০ হাজার জন নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন। আমি খুব অবাক হব না, এর পরে যদি দিনে ১ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হন। অবশ্যই এখনও যদি আমরা সাবধান না-হই তবে...।’’
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসে দেশে আটকা পড়া ২৬৯ জন বাংলাদেশি ইতালি ফিরে গেছেন। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা রোমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, যাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই প্রবাসী বাংলাদেশি হলেও কয়েকজন ইতালির নাগরিকও রয়েছেন। এর আগে গত ১৭ জুন বিমানের আরেকটি বিশেষ ফ্লাইটে ২৮৭ জন রোমের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। জানা গেছে, ফ্লাইটের যাত্রীরা সবাই দীর্ঘদিন যাবত ইতালিতে বসবাস করছেন। সেখানে মহামারি দেখা দিলে দেশে ফিরে আসেন তারা। এখন পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ইতালিতে ফিরে যাওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। সেই প্রেক্ষিতে তাদের জন্য বিশেষ এই ফ্লাইটটি পরিচালনা করা হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাব রোধে প্রায় ৩ মাস বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রুটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট। রোববার বেলা ১২টায় ১৮৭ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে গেছে বিমানের প্রথম ফ্লাইট। বিমানের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিমান কর্মকর্তারা বলেন, করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় গত ২৯ এপ্রিলের পর থেকে বিমানের যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও ম্যানচেস্টার রুটের যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিষেধাজ্ঞার কারণে চীন ছাড়া সব আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়। তবে ১৬ জুন থেকে কাতার ও যুক্তরাজ্যে এবং ২১ জুন থেকে আরব আমিরাতে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেয় বেবিচক। আগামী ১ জুলাই থেকে তুরস্কেও ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে পারে। এ ব্যপারে বাংলাদেশ বিমানের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার সমকালকে বলেন, রোববার বিমানের লন্ডন ফ্লাইটটি ২৭১ আসন ধারণ ক্ষমতার বোয়িং ৭৮৭-৮ মডেলের ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে পরিচালনা করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধির কারণে ১৮৭ জন যাত্রী নেওয়া হয়। এদিকে, বেবিচক ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, রোববার ঢাকা থেকে এমিরেটসের ফ্লাইট চালু হওয়ার কথা থাকলেও তা চালু হয়নি। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু কারণে তারা আগামী ২৪, ২৬ ও ২৮ জুন ঢাকা থেকে দুবাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এরপর বাংলাশে থেকে চলতি জুন মাসে এমিরেটসের কোনো ফ্লাইট চলবে না। পরে জুলাইয়ে আবার তাদের ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকেপড়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে আসলো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট। আজ সোমবার দুবাই থেকে স্থানীয় সময় ভোর ৪টায় ১ জন শিশুসহ মোট ১৬০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে এবং সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। দুবাই-এ আটকেপড়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার সুবিধার্থে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিশেষ ফ্লাইটটি পরিচালনা করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। দুবাই-ঢাকা রুটে ইউএস-বাংলার বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে বিশেষ ফ্লাইটটি পরিচালনা করা হয়। দুবাই থেকে প্রত্যেক যাত্রী করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে ভ্রমণ করে। এছাড়া স্বাস্থবিধির নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক যাত্রীর সঙ্গে ২ জোড়া ডিসপোসিবল গ্লভস এবং মাস্ক রাখার বাধ্যবাধকতাও ছিলো। কভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের কারনে গত তিনমাসের অধিক সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আটকে ছিলো বহু সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি। আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে কোনোভাবেই দেশে ফিরে আসতে পারছিলো না, এমতাবস্থায় বাংলাদেশ ও ইউএই সরকারের মধ্যস্থতায় দুবাই থেকে বাংলাদেশি যাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: আগামী ১৬ জুন থেকে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ফ্লাইট চলবে কাতার ও যুক্তরাজ্যে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আপাতত যুক্তরাজ্যের লন্ডন ও কাতারে যাবে ফ্লাইট। যদিও কাতারে কোনো যাত্রী প্রবেশ করতে পারবেন না। অন্যদেশে যাওয়ার ট্রানজিট হিসেবে সেখানকার বিমানবন্দর ব্যবহার করবে কাতার এয়ারওয়েজ। তবে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়া হলেও ফ্লাইট পরিচালনা করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবে এয়ারলাইন্সগুলো। এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মার্চের শেষ দিকে চীন ছাড়া সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয় সিভিল এভিয়েশন। প্রায় আড়াই মাস বন্ধ রাখার পর ১ জুন থেকে স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতের ৩৫টি নির্দেশনা জারি করে ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। প্রাথমিকভাবে শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট চালু করা হয়েছিল।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ বিমান ফাইল ছবি করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীদের জন্য বিশেষ অফার দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। কিছু শর্ত সাপেক্ষে মাত্র ৩ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকায় চার্টার্ড বিমানে পারিবারিক ভ্রমণের এ সুবিধা দিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তাদের নতুন এই ডোমেস্টিক চার্টার্ড অফারের বিষয়টি জানিয়েছে। বিমান জানায়, পারিবারিক ভ্রমণের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্লেন ভাড়া দিচ্ছে। এজন্য ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ হবে (দূরত্বের ওপর নির্ভরশীল)। এই খরচে কেবলমাত্র ৫ ঘণ্টা প্লেনটি ভাড়া পাওয়া যাবে। অতিরিক্ত ঘণ্টা ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য শর্তও রয়েছে। সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই বিমানে ফ্লাইট পরিচালনা করলে সর্বোচ্চ ৩৬ জন যাত্রী বসতে পারবে। চার্টার্ড অফার ভাড়া কিংবা বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগের নম্বর- ০১৭৭৭৭১৫৫০৪ এবং ০১৭৭৭৭১৫৫১৩। টিকিট ও ফ্লাইট সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন ০১৭৭৭৭১৫৬১৩-১৬ । এই অফারে কোন মডেলের প্লেন দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ড্যাশ-৮ দিয়ে ফ্লাইট চালানো হবে। বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ রুটে বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে ফ্লাইট চলাচল করছে। অর্থাৎ যে কেউ ফ্লাইট ভাড়া নিয়ে এই রুটে আসা যাওয়া করতে পারবে। করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর অভ্যন্তরীণ তিন রুটে সোমবার (১ জুন) ফ্লাইট চলাচল শুরু করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তবে যাত্রী সঙ্কটের কারণে দ্বিতীয় দিন ২ জুন মঙ্গলবার ও ৩ জুন বুধবারও সব ফ্লাইট বাতিল করে তারা। ২ জুন তিন রুটে বিমানের ৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়। পরবর্তীতে তারা ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে ৪-এ নামিয়ে আনে। সব মিলিয়ে ২ থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বিমানের। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা ২৪৭ জন বাংলাদেশিকে নিয়ে একটি বিশেষ বিমান রোববার ভোরে দেশে পৌঁছাবে। যাত্রীদের মধ্যে বেশিরভাগ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটন ও ব্যবসায় ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিক এবং কিছু সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। খবর ইউএনবির ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ডুলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (আইএডি) থেকে শুক্রবার বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোববার ভোর ৪টায় (স্থানীয় সময়) অবতরণ করবে। গত ৪ মে যুক্তরাষ্ট্রে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কাতারের বিমান সংস্থার বিমানটি চার্টার্ড করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে ৩০ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেসের দুই কনস্যুলেটে তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের কাছ থেকে তথ্য চেয়ে একটি নোটিশ প্রচার করে। পরে বিপুল সংখ্যক আটকে থাকা বাংলাদেশি নাগরিক তাদের নিজস্ব ব্যয়ে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করে। ৩০ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে ইমেইলের মাধ্যমে তাদের তথ্য সরবরাহ করেন। তারা বাংলাদেশ মিশনগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে একটি বিশেষ বিমানের মাধ্যমে তাদেরকে ফিরতে সহায়তা করার অনুরোধ জানায়। কাতার এয়ারলাইন্সের বিশেষ চার্টার্ড এ ৩৫০-৯০০ এয়ারবাসটি ১৬ মে সন্ধ্যা ৭টায় দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। দোহা বিমানবন্দরে এক ঘণ্টা প্রযুক্তিগত বিরতির পর বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে দোহা ত্যাগ করবে। বিরতির সময় সকল যাত্রীকে বিমানেই অবস্থান করতে হবে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস। ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পরে যাত্রীদেরকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ছাড়পত্র বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে জমা দিতে হবে। সকল যাত্রীকে করোনাভাইরাস উপসর্গমুক্ত মেডিকেল ছাড়পত্র বহন করতে হবে।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের (সিডিউল পেসেঞ্জার ফ্লাইট) ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা ৭ মে পর্যন্ত বাড়ানো করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা পূর্বের ন্যায় বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্য এর সাথে বিদ্যমান বিমান চলাচল রুটের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আজ এক আদেশে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করে। একই সাথে অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা ৭ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে কার্গো, ত্রাণ-সাহায্য, এয়ার এম্বুলেন্স, জরুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনার কার্যক্রম চালু থাকবে। এদিকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত থেকে দেশে ফেরত আনার জন্য বিমান বাংলাদেশ আগামি ১ মে কলকাতা-ঢাকা, ২ মে দিল্লী-ঢাকা এবং ৩ মে মুম্বাই-ঢাকা রুটে চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এই ফ্লাইটগুলোর বিস্তরিত তথ্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতে সৌদি আরবে ওমরাহ পালন করতে যাওয়া ১৩২ বাংলাদেশি ও দেশটির বিভিন্ন কারাগারে থাকা ২৩৪ প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৩৮০৬ ফ্লাইটটিতে তারা ঢাকায় আসেন। সৌদির স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে বিশেষ এই ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, ফ্লাইট থেকে নামার পর তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং করা হবে। স্ক্রিনিংয়ে কারও শরীরের তাপমাত্রা বেশি পাওয়া গেলে তাদের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আশকোনা হজ ক্যাম্পের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে। এছাড়াও ফ্লাইটের অন্যদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হবে।