08142020শুক্র
শিরোনাম:
শনিবার, 25 জুলাই 2020 08:46

গর্ভধারণে আইভিএফ কতটা কার্যকর?

আইভিএফ নিয়ে সংশয় ও বিভ্রান্তির শেষ নেই। অথচ সন্তানলাভের পথে এই চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। রইল গাইডলাইন ধরুন, আপনাকে একটি বাড়ির পাঁচতলায় পৌঁছতে হবে। যদি নিজে সিঁড়ি দিয়ে তরতর করে পাঁচতলায় উঠে যেতে পারেন, তবে তো খুবই ভাল। কিন্তু যদি কোনও কারণে আপনি সিঁড়ি দিয়ে উঠতে না পারেন? তখন উপায় থাকলে আপনি লিফ্ট কিংবা এসক্যালেটরের সাহায্য নেবেন। পাঁচতলায় পৌঁছনোই তো আপনার লক্ষ্য। আপনি যে ভাবেই সেখানে যান— সিঁড়ি দিয়ে, লিফ্টে বা এসক্যালেটরে, তাতে কি পাঁচতলাটা বদলে যাবে? সে তো যেমন ছিল তেমনই থাকবে। তাই না? অ্যাসিস্টেড কনসেপশন বা সহায়ক গর্ভাধান পদ্ধতির ক্ষেত্রেও ঠিক এই কথাটাই খাটে। প্রাকৃতিক বা জৈবিক উপায়ে যাঁরা সন্তান লাভ করতে পারছেন না, আধুনিক চিকিৎসা-বিজ্ঞান তাঁদের জন্য বিকল্প বন্দোবস্ত করেছে। পদ্ধতিটাই শুধু আলাদা। নলজাত সন্তান কিন্তু আর পাঁচটা স্বাভাবিক শিশুর মতোই হবে। এর পরেও এই পদ্ধতি বা আইভিএফ নিয়ে সংশয়, গোপনীয়তা, প্রশ্ন কম নয়। ভিট্রো কথাটির অর্থ শরীরের বাইরে। এই পদ্ধতিতে শরীরের বাইরে জীবন সৃষ্টি করা হয় বলে পদ্ধতিটিকে ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজ়েশন বলে। চলতি কথায়, টেস্ট টিউব বেবি। চিকিৎসাটি শুরুর পর চার দশকেরও বেশি পেরিয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বে প্রায় ৮০ লক্ষ শিশু আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেছে। ভারতেও অসংখ্য দম্পতি এই চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন। ল্যাবরেটরি থেকে মানবশরীরে কী ভাবে নতুন প্রাণ সৃষ্টি হয়, বিশদে বুঝিয়ে বললেন ইনফার্টিলিটি স্পেশ্যালিস্ট এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনিকলজিস্ট ডা. গৌতম খাস্তগীর এবং অ্যাডভান্সড ল্যাপরোস্কোপিক সার্জন অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি স্পেশ্যালিস্ট ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায়। কেন আইভিএফ জনবিস্ফোরণের দেশ ভারতেও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বাড়ছে। কারণ, এখন পড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে বিয়ে করতে করতে অনেকেরই বয়স ৩০-এর কাছাকাছি হয়ে যায়। তার পর দাম্পত্য উপভোগ করতে গিয়ে, কেরিয়ার গুছিয়ে নিয়ে যখন একজন নারী মা হওয়ার কথা ভাবেন, দেখা যায় তাঁর বয়স ৩৫-এর আশপাশে। তখন জননতন্ত্রে নানা সমস্যা দেখা দেয়। আধুনিক জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের কারণেও সন্তানধারণে সমস্যা হয়। ডা. খাস্তগীর জানালেন, সাধারণত প্রতি চোদ্দো জনে একজন মহিলার সন্তানলাভে সমস্যা হচ্ছে। যে মহিলারা ফাইব্রয়েড, এন্ডোমেট্রিয়োসিস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে ভুগছেন তাঁদের মধ্যে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বেশি। শুক্রাণুর অস্বাভাবিকতা, ডিম্বাশয়, ডিম্বনালী বা জরায়ুর সমস্যা, ডিম্বাণু নিঃসরণে অসুবিধে, এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির ক্ষেত্রেও গর্ভধারণে সমস্যা হয়। প্রথমে ট্যাবলেট বা ইঞ্জেকশন দিয়ে স্ত্রীর ডিম তৈরির চেষ্টা করা হয়। স্বামীর সমস্যা থাকলে তাঁকে ওষুধ দিয়েও ফল হয়েছে। ওভারিতে সিস্ট, ফ্যালোপিয়ান টিউবে ব্লক, এন্ডোমেট্রিয়োসিস বা পলিসিস্টিক ওভারি থাকলে অনেক সময়ে ল্যাপরোস্কোপি-হিস্টিরিয়োস্কোপি করা হয়। এই পদ্ধতিগুলিতে সন্তান আসার সম্ভাবনা বাড়ে। এগুলিতে কাজ না হলে আইইউআই বা (ইন্ট্রাইউটেরাইন ইনসেমিনেশন, ডিম্বাণু ও শুক্রাণুকে কাছাকাছি আনা হয়) অথবা আইভিএ-এর পরামর্শ দেওয়া হয়। ডা. চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ফ্যালোপিয়ান নালির সমস্যায় আইভিএফ ছাড়া উপায় নেই। এন্ডোমেট্রিয়োসিস-ও ফ্যালোপিয়ান নালির কাজে বাধা দেয়। তাই এই রোগেও পদ্ধতিটি কার্যকর। এন্ডোমেট্রিয়োসিেস রোগীর ঋতুস্রাবের সময়ে রক্ত ডিম্বাণুর মধ্যে দিয়ে গিয়ে ডিম্বাশয়ের উপরে পড়ে। সেখানে জমে ফোস্কার মতো সিস্ট তৈরি করে। এতে ফ্যালোপিয়ান নালিটি বেঁকে যায়, কাজ ব্যাহত হয়। শরীর-মনের প্রস্তুতি • সেরা ফল পেতে, চিকিৎসা শুরুর আগে নিজের শরীর-স্বাস্থ্যকে আইভিএফ-এর প্রস্তুত করুন। নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন, হাঁটুন। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, শরীরে রক্ত চলাচল হবে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খান। মদ্যপান ও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন • এই চিকিৎসা করাতে চাইলে স্ট্রেস কমাতেই হবে। ধারাবাহিক স্ট্রেসে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, প্রজননক্ষমতায় তার কুফল দেখা যায়। আইভিএফ প্রক্রিয়ায় মানসিক উৎকণ্ঠা সামাল দিতে, মনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় বার করতে হবে আইভিএফ এখন সহজ ও সরল হয়ে গিয়েছে। রোগীকে ঘন ঘন ডাক্তারের কাছে আসতে হয় না, সময় কম লাগে। বেশি ছুটিছাটারও দরকার নেই। রোগী যদি ডিম্বাণু সংগ্রহের দিনটি ও ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের পর তিন দিন ছুটি নেন, তা হলেই যথেষ্ট। পদ্ধতিটি এতটাই জনপ্রিয় যে, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়ামে প্রায় বিনামূল্যে এই পরিষেবা মিলছে। এত জনপ্রিয়তার কারণ, এই পদ্ধতিতে সাফল্যের হার বেশি। স্বামী-স্ত্রীর কোনও সমস্যা না থাকলেও, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে প্রতি মাসে ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৩০ জন দম্পতি সফল হবেন। এক বছরে ৮৫ জন দম্পতির সন্তান লাভ সম্ভব হবে। ওষুধ খেলে সাফল্যের হার ১০-১৫%। আইইউআই-এর ক্ষেত্রে ১৫-২০%। আইভিএফ-এর ক্ষেত্রে এই হার ৪০-৬০%। তাই কম সময়ে সাফল্য চাইলে, অনেকেই আইভিএফকে পাখির চোখ মনে করছেন। কয়েকটি সহজ পর্যায় • পরীক্ষা ও ভ্যাকসিন: প্রথমে স্বামী ও স্ত্রীকে কয়েকটি শারীরিক পরীক্ষা করতে হয়। তার ফল দেখে, যদি কোনও বিশেষ সমস্যা ধরা পড়ে তবে তার চিকিৎসা করা হয়। হরমোনের ভারসাম্যে হেরফের থাকলে (যেমন অনেকেরই প্রোল্যাকটিন বেশি থাকে), সেটি ওষুধ দিয়ে ঠিক করা হয়। শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিঃসরণ যাতে স্বাভাবিক হয়, তার ব্যবস্থা করা হয়। স্ত্রীকে রুবেলা টিকা দেওয়া হয়। এই টিকা দেওয়ার পর এক মাস গর্ভধারণের চেষ্টা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। • ভাল ডিম্বাণু তৈরি: ঋতুচক্রের দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিন থেকে রোগীকে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ (ফলিকিউলার স্টাডি) করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ইঞ্জেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে কিছু ভাল ডিম্বাণু তৈরি করান। ডা. খাস্তগীর বললেন, লক্ষ্য থাকে দুটো। প্রথমত, এমন ভাবে ওষুধ দিতে হবে যাতে বেশি সংখ্যায় ডিম্বাণু তৈরি হয়। দ্বিতীয়ত, ডিম্বাণুর ক্রমিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ঠিক করা হয়, কবে ডিম্বাণুগুলি শরীরের বাইরে বার করে আনা হবে। • ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সংগ্রহ: ফলিকিউলার স্টাডির মাধ্যমে ডিম্বাণুর প্রস্তুতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। সেটি ডিম্বাণুর ঘর ফাটিয়ে দেয়। ফলে ডিম্বাণু বাইরে বেরিয়ে আসে। এই ইঞ্জেকশন প্রয়োগের ৩২-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আলট্রাসোনোগ্রাফির সাহায্যে ডিম্বাণুগুলিকে বাইরে বার করা হয়। একই দিনে তাঁর স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। • ভ্রূণ প্রস্তুতি ও স্থাপন: এর পর পরীক্ষাগারে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের তলায় পেট্রিডিশে ডিম্বাণুগুলিকে শুক্রাণুর সঙ্গে রেখে দেওয়া হয়। সেগুলি নিষিক্ত করে ভ্রূণ তৈরি করে। অথবা একটা শুক্রাণু দিয়ে ডিম্বাণুগুলিকে ইঞ্জেক্ট করে দেওয়া হয়। ভ্রূণ তৈরি করে ইকিউবেটরে রাখা হয়। আট কোষ, ষোলো কোষ বা ব্লাস্টোসিস্ট (৩২-৪০টি কোষ থাকে) অবস্থায়, ডিম্বাণু সংগ্রহের পাঁচ-ছ’দিনের মাথায় সেটি মায়ের জরায়ুতে স্থাপিত করা হয় বলে জানালেন ডা. চট্টোপাধ্যায়। অনেক সময়েই নিষিক্ত হওয়া দু’টি বা তিনটি ভ্রূণ প্রতিস্থাপিত করা হয়। এতে গর্ভধারণের হার বাড়ে, যমজ বা তিনটি সন্তান প্রসবের সম্ভাবনাও থাকে। দু’সপ্তাহের অপেক্ষা প্রতিস্থাপনের পর জরায়ু যাতে ভ্রূণটিকে ধরে রাখতে পারে, তার জন্য কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। এর পর দু’সপ্তাহ রোগীর জীবনযাত্রা একেবারেই স্বাভাবিক থাকবে। কয়েকটি সাবধানতা মানতে হবে মাত্র। যেমন দৌড়াদৌড়ি, সিঁড়ি ভাঙা ও ঝাঁকুনি এড়িয়ে চলা ইত্যাদি। দু’সপ্তাহ পরে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক বলে দেন, প্রেগন্যান্সি এসেছে কি না। ‘পজ়িটিভ’ এলে গর্ভবতী নারীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু হবে। আর ‘নেগেটিভ’ এলেও কিন্তু অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ার কিছু নেই। আরও কয়েক বার চেষ্টা করতে হবে। ডা. খাস্তগীরের কথায়, ডিম্বাণু সংগ্রহের সময়ে যদি বেশ কয়েকটি ডিম্বাণু পাওয়া যায়, তবে সেগুলি ‘ফ্রিজ়’ করে রাখা যায়। সে ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে খরচও অনেক কমে যাবে। আসলে এই প্রক্রিয়াটির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সময়, অনুভূতি ও খরচ জড়িয়ে আছে। আর রয়েছে বেশ কিছুটা অনিশ্চয়তাও। নারীর বয়স, ডিম্বাণুর মান স্বাভাবিক গর্ভধারণের মতোই, আইভিএফ পদ্ধতিতে মহিলাটির বয়স ৩৫-এর উপর হলে সাফল্যের হার কমে। গর্ভপাতের নজিরও বাড়ে। আসলে, নারী নির্দিষ্ট সংখ্যক ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। যত বয়স বাড়ে, ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণমান হ্রাস পায়। এখন অ্যান্টি মুলেরিয়ান হরমোন বা এএমএইচ পরীক্ষা ও অ্যান্ট্রাল ফলিকিউল কাউন্টের মাধ্যমে চিকিৎসকেরা ওই মহিলার ডিম্বাশয় কী রকম ডিম্বাণু তৈরি করবে, তা বলে দিতে পারেন। যদি ওষুধ দিয়েও পর্যাপ্ত সংখ্যক ডিম্বাণু তৈরি করা না যায়, তবে অনেক সময়ে দাতার ডিম্বাণু গ্রহণ করে আইভিএফ করা হয়। পুরুষদের স্পার্ম কাউন্ট কম হলেও দাতার শুক্রাণু ব্যবহার করে চিকিৎসা করা হয়। এ ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা, একে অপরের পরিচয় জানতে পারেন না। ডা. চট্টোপাধ্যায় বললেন, ওষুধ দিয়ে ডিম্বাণুর মান বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। স্টেম সেল থেরাপির মাধ্যমেও ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে খুব ভাল ফল মিলেছে। ডা. খাস্তগীরের মতে, কম বয়সেই নিজেদের শুক্রাণু বা ডিম্বাণু ‘ফ্রিজ়’ করিয়ে রাখাও খুব দূরদর্শিতার পরিচয়। ধরুন ৩০ বছর বয়সে আপনি নিজের ডিম্বাণু হিমায়িত করে রাখার ব্যবস্থা করলেন। তার পর কেরিয়ার গুছিয়ে নিয়ে, ওই ডিম্বাণুর সহায়তায় ৩৪ বছর বয়সেও মা হতে পারবেন। তখন আপনার বয়স ৩৪ হলেও ডিম্বাণুর বয়স ৩০-ই থাকবে। বিদেশের বহু সংস্থা তরুণ কর্মীদের এই বিষয়ে উৎসাহ দেয়। ভয় নেই আইভিএফ পদ্ধতিটিতে একটু অস্বস্তি বোধ হতে পারে। তবে এতে যন্ত্রণার কোনও ভয় নেই। ওষুধ দেওয়ার কারণে ডিম্বাশয় বড় হয়ে যায়, হরমোনের পরিবর্তনে শরীরে জল জমে। তাতে একটু ভারী লাগে নিজেকে, খিঁচুনি লাগতে পারে। এগুলো কয়েক দিনেই ঠিক হয়ে যায়। সাম্প্রতিক একটি হিন্দি ছবি দেখে অনেকের মনে আশঙ্কা জন্মেছে যে, ক্লিনিকগুলিতে শুক্রাণু বা ডিম্বাণু পাল্টাপাল্টি হয়ে যেতে পারে। ডা. খাস্তগীর আশ্বস্ত করছেন, এ রকম হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে খুবই সচেতন। এ রকম ঘটনা ঘটলে ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। তাই তাঁরা অত্যন্ত সতর্কও। ডা. চট্টোপাধ্যায় বললেন, সমীক্ষায় প্রমাণিত যে, নলজাতক ও স্বাভাবিক উপায়ে জন্ম নেওয়া শিশুর মধ্যে মেধাগত ও শারীরিক কোনও তফাত নেই। বরং আইভিএফ-এর সুবিধে হল, ভ্রূণের ছোট্ট পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় শিশুর জটিল রোগ বা জিনগত ত্রুটি আছে কি না। করোনার সময়ে সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লিনিকগুলি চিকিৎসা করছে। ইঞ্জেকশন বাড়িতে নিতে চাইলে, নার্স পাঠানোরও বন্দোবস্ত আছে। তবে চাইলে ইঞ্জেকশন নিজে নিজেই নিতে পারবেন। কাজেই গর্ভধারণে সমস্যা থাকলে মন খারাপ করবেন না। কখনওই কিন্তু হাল ছেড়ে দেবেন না। কুণ্ঠা ঝেড়ে ফেলে বিজ্ঞানের সাহায্য নিন। সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলুন, ফুটফুটে সন্তানের হাত ধরে।
পড়া হয়েছে 17 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শনিবার, 25 জুলাই 2020 08:54