07142020মঙ্গল
শিরোনাম:
সোমবার, 25 মে 2020 18:46

এমপি ও মেয়র সর্মকদের মধ্যে বিরোধ যুবলীগ কর্মী খুনের প্রতিবাদে বাউফলে মিছিল সমাবেশ

লিখেছেন 
আইটেম রেট করুন
(0 ভোটসমূহ)
বরিশাল ব্যুরো: পটুয়াখালীর বাউফলে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা তাপস কুমার দাসের (৩৪) মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের সমার্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে উপজেলা সদরে ঈদের দিনও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তারা এ ঘটনার জন্য পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল সমর্থকদের দায়ী করলেও তা অস্বীকার করেছেন মেয়র জুয়েল। সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় জনতা ভবন থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বাউফল পৌরসভার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইলিশ চত্বরে সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সূর্যমনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফয়সাল আহম্মেদ ওরফে মনির হোসেন মোল্লা প্রমুখ। বক্তারা যুবলীগ নেতা তাপসের মৃত্যুর জন্য পৌর মেয়র মো: জিয়াউল হক জুয়েলকে দায়ী করে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এ প্রসঙ্গে মেয়র জুয়েল বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাউফল থানার মধ্যে অবস্থান করছিলেন। কে বা কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ সদস্যরাই ভালো বলতে পারবে। এর আগে গত রোববার সন্ধ্যার দিকে ওই সংঘর্ষের ঘটনার জেরে মেয়র সমর্থিত কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ (২৩) ও তাঁর মা মোসা. ফজিনুর বেগমকে (৪৭) পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। ওই সময় ফজিনুরের ডান হাত ভেঙে যায়। পুলিশ মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। সোমবার কালাইয়া গ্রামে তাঁর লাশের অন্তোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। এব্যপারে বাউফল থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যুবলীগ কর্মী তাপস মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার বিকেল পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে মামলা করার জন্য তার পরিবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের সঙ্গে বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হকের বিরোধ চলে আসছে। রোববার ডাকবাংলোর সামনের সড়কে করোনা ইস্যুতে সচেতনতামুলক তোরণ নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে এমপি ও মেয়র সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। রাতে শেবাচিম হাসপাতালে এমপি সমর্থিত যুবলীগ কর্মী তাপসের মৃত্যু ঘটে।
পড়া হয়েছে 28 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: সোমবার, 25 মে 2020 18:51

ফেসবুক-এ আমরা