01232022রবি
মঙ্গলবার, 20 অক্টোবার 2020 16:36

রোহিঙ্গারা তাদের জন্য বিলিয়ন ডলারের সাহায্যের সামান্য ভাগই পায়

নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: রোহিঙ্গাদের জন্য বিলিয়ন ডলারের সাহায্যের সামান্য ভাগই তাদের কাছে পৌঁছেছে। এদের জন্য অর্থ সহায়তার স্বচ্ছতার অভাবে জনমনে বিভ্রান্তি রয়েছে। আর এজন্য রোহিঙ্গা সংকট ব্যবস্থাপনায় যৌথ নেতৃত্বাধীন একক কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয়দের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। এছাড়া প্রাপ্ত অর্থ সহায়তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতে সরকার এবং জাতিসংঘের যৌথ নেতৃত্বাধীন একটি একক কর্তৃপক্ষ থাকতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় কর্মরত ৫০ টিরও বেশি সিএসও এনজিওর নেটওয়ার্ক কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ)’র এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য উঠে আসে। আগামী ২২ অক্টোবর যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং জাপানের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য দাতা সম্মেলনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সিসিএনএফ নেতৃবৃন্দ দাতা ও উন্নত দেশগুলির বর্তমান ভূমিকার সমালোচনা করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনতিবিলম্বে মায়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার ধনী দেশ ও জাতিসংঘের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টাকে দ্বিগুণ জোরদার করার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন সিসিএনএফ’র কো চেয়ার এবং কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী। এতে বক্তৃতা করেন-টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী, সিসিএনএফ’র কো চেয়ার, পালস’র নির্বাহী পরিচালক এবং কক্সবাজার চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী এবং মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল দে সরকার, আইডিএফ নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলম (চট্টগ্রাম), হেল্প কক্সবাজারের নির্বাহী পরিচালক আবুল কাশেম (উখিয়া) অগ্রযাত্রা’র সভাপতি নীলিমা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার) এবং সিসিএনএফ সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম। রাশেদ মোহম্মদ আলী বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ রয়েছে, কিš‘ নাফ নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্ভাহ করা জেলে সম্প্রদায় এখনো সেখানে মাছ ধরতে না পেরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।’ তিনি স্থানীয়দের জন্য আসা সহায়তার পূর্ণ স্বচ্ছতার আহ্বান জানান। আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে সিসিএনএফ স্থানীয় সিএসও / এনজিওগুলির বিকাশের জন্য পুল ফান্ড এবং গ্র্যান্ড বার্গেইনের আলোকে প্রত্যক্ষ অর্থায়নের অনুরোধ করে আসছে, জাতিসংঘ এজেন্সিগুলির নেতৃত্বে প্রণীত স্থানীয়করণ টাস্ক রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়েছিলো, কিন্তু এর বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে। জহিরুল আলম বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যও বাংলাদেশ দায়ি না হয়েও এই সমষ্যাগুলোতে দেশটিকে ভুগতে হচ্ছে।’ তিনি দাতা দেশসমূহকে রোহিঙ্গা মানবিকসসংকটের পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যান্য সমস্যা সমাধানেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিমল দে সরকার বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য এখন পর্যন্ত ২.৬৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা এসেছে, এই পরিমাণটিকে হিসাব করলে প্রতি মাসে প্রতিটি রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য বরাদ্দ এসেছে প্রায় ৪২৩ ডলার, সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, মোট সহায়তার মাত্র এক তৃতীয়াংশ প্রত্যক্ষ সেবা হিসেবে রোহিঙ্গাদের কাছে পৌঁছেছে।’ তিনি জাতিসংঘ এবং আইএনজিও ভাল কাজগুলোর প্রশংসা করেন, কিন্তু অর্থ সহায়তার স্ব”ছতার অভাবে জনমনে বিভ্রান্তি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।
পড়া হয়েছে 130 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: মঙ্গলবার, 20 অক্টোবার 2020 16:40

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা