09282020সোম
শিরোনাম:
রবিবার, 13 সেপ্টেম্বর 2020 16:50

শিক্ষক ও তার স্ত্রী হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদন্ড

নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলে শিক্ষক ও তার স্ত্রী হত্যার দায়ে ঢাকার একটি আদালত আজ ছয়জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে। সম্পত্তির জন্য টাঙ্গাইলে অবসরপ্রাপ্ত প্রাইমারি শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদ-প্রাপ্তরা হলেন, স্বপন কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ, মনিরুজ্জামান ভুইয়া, মঞ্জুরুল ইসলাম ও শয়ান মিয়া। এছাড়া হত্যার পর তাদের লাশ ঘুম করায় আসামিদের সাত বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদ-ের আদেশ দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ৬ জনের মধ্যে ৫ জন কারাগারে আটক ছিলেন। রায় ঘোষনার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবু আবদুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবার ন্যায় বিচার পেয়েছেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান ও চান মিয়া বলেন, রায়ে আসামিরা ন্যায় বিচার পায়নি। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভিকটিম অনিল কুমারের সৎ ভাই স্বপন কুমার দাস অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য কৌশল অবলম্বন করতে থাকেন। স্বপন কুমার দাসের সঙ্গি মাদকসেবী মনিরুজ্জামান, ফরহাদ, মঞ্জুরুল, জাহিদ ও শয়ান মিয়া ভিকটিম অনিল কুমারের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য তিনটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার পরিকল্পনা করেন। আসামিরা ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই টাঙ্গাইলের রসুলপুরের বাসায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিম অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে হত্যা করে। হত্যার পর তাদের লাশ বস্তায় ভরে বাসার বাথরুমের সেফটি ট্যাঙ্কের ভেতর ফেলে রাখে। এরপর পুলিশ এসে তাদের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ভিকটিম অনিল কুমারের ছেলে নির্মল কুমার দাস বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম অনিল কুমারের সৎ ভাই স্বপন কুমারসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ৩৫ জনের মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।
পড়া হয়েছে 13 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: রবিবার, 13 সেপ্টেম্বর 2020 16:56

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা