,

পরীমনির অভিযোগ

আদালত চত্বরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পরীমনির তোলা ব্যাডটাচের অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এছাড়া যে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, সেই সাংবাদিকের ডানহাতে জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধকতা আছে। আর ঘটনার সময় তার আরেক হাতে ছিল মোবাইল ফোন।

রবিউল ইসলাম রাজু নামের ওই সাংবাদিক বৃহস্পতিবার কালবেলা অনলাইনকে বলেন, ‘পরীমনি সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছেন। তার ক্ষোভের শুরু আদালতের লিফটে ওঠার সময় থেকে। আমি ফুটেজ নিচ্ছিলাম। সেই সময় তিনি ফোন কেড়ে নেন। ট্রাইপড ভেঙে ফেলেন।’

নিজের হাতের প্রতিবন্ধকতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ডান হাতে প্রতিবন্ধকতা আছে। এই হাত খুবই কম ব্যবহার করি। আমার আরেক হাতে ছিল ফোন।’

রাজু দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশায় আছেন। সহকর্মীদের কাছে তিনি সজ্জন হিসেবে পরিচিত।


এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে যান চিত্রনায়িকা পরীমনি। পরে জামিন পেয়ে আদালত থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, তার বডিগার্ডদের চড়াও হতে দেখা যায়। ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরীমনির নিরাপত্তাকর্মী ও সহকারীরা তাকে ঘিরে আদালত থেকে বের করে গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরে জামিনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চান। কেউ কেউ দূর থেকে প্রশ্ন করেন, ‘জামিনের পরে আপনার প্রতিক্রিয়া কী, আমাদের মন্তব্যটা বলেন।’

প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে চলা এ ঘটনার একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পরীমনি। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কত বড় সাহস, গায়ের মধ্যে হাত দেয়, সাহস দেখায়।’

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উপস্থিত কয়েকজন ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে দেন। এরপর ক্ষোভ প্রকাশ করতে করতে দ্রুত গাড়িতে ওঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পরীমনি।

এর আগে, বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে রাখা একটি সাদা ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নামেন পরীমনি। বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষঃ