বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ সদর আসনের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা বলছেন— বিএনপির ঘাঁটি বগুড়া, সামনে ভোটের মাধ্যমে দেখিয়ে দেন বগুড়া সত্যিকারে বিএনপির ঘাঁটি। এই ঘাঁটি রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের।
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি শহরের ছিলিমপুর এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আরও বলেন, বগুড়ার সাতটি আসনে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ী করতে আপনার পরিশ্রম করতে হবে। মানুষের কাছে যেতে হবে। আমি কেন থাকতে হবে— আপনারই বিএনপির ধানের শীষের পক্ষে ভোট করবেন; এটা আপনাদের দায়িত্ব। ছোট ছোট গ্রুপ করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাবেন। মানুষকে বোঝাবেন— বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আবার আগের মতো বগুড়ার উন্নয়ন হবে, সারা দেশের উন্নয়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের ম্যাডামের জন্য যেভাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছিলেন, এই নির্বাচনেও ৭টি আসনে সেভাবে বিজয়ী করবেন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করবো। এক সাথে দেশের ও দেশের মানুষের উন্নয়ন করবো।
জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চান, জেলা বিএনপি নেতা আলী আজগর তালুকদার হেনা, কে এম খায়রুল বাসার, সহিদুন নবী সালাম, হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, জিয়া অলি ছিলেন
, মাফতুন আহমেদ রুবেল প্রমুখ।
হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিশ্বের মুসলমানরা আল্লাহ পাকের অলি মনে করতেন। তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ, সৎ এবং সত্যবাদী।
এর পর সিরাজগঞ্জ যাওয়ার পথে তারেক রহমান বগুড়া-৭ আসনের শাহজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়ায় পথ সভায় বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি আসনের বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টনের জন্য ভোট চেয়ে বলেন, মিল্টনের মাধ্যমে আপনাদের এলাকার উন্নয়ন করা হবে। আপনাদের সামনে বেশি কথা বলতে পারছি না। আপনারা ঘরের মানুষ হয়ে যদি বেশি সময় নেন; তাহলে অন্য জেলার মানুষের জন্য কেমনে সময় পাবো।






