শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচ দিয়ে মঙ্গলবার লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষেক হলো হামজা চৌধুরীর। জয়ে অভিষেক রাঙাতে না পারলেও গোলশূন্য ড্র ম্যাচে ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ডের এই তারকা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের পারফরম্যান্সে অভিভূত বাংলাদেশের সাবেকরা। তাদের বিশ্বাস জাতীয় দলে হামজার মতো আরও কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলার যোগ হলে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বাংলাদেশ ফুটবলে-
দেশের ফুটবল যেন মরুভূমি। তাতে পানির সঞ্চার করেছে হামজা চৌধুরী। এই ম্যাচের আগে দেশের ফুটবল সমর্থকরা হামজা-নির্ভর হয়ে পড়েছিলেন। পৃথিবীর অন্যতম সেরা লিগে খেলা ফুটবলারকে পেলে এমনটা হয়। কিন্তু একজন হামজা তো আর দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবে না। হামজা দুর্দান্ত খেলেছে। অসম্ভব ভালো খেলেছে। আমাদের ডিফেন্স সে জমাট করে রেখেছিল। কিন্তু তাকে সাপোর্ট দেওয়ার মতো খেলোয়াড় প্রয়োজন। আমি আশা করেছিলাম সহজ গ্রুপে পড়ায় দ্বিতীয় পর্বে যেতে পারবে বাংলাদেশ। সেই সুযোগ এখনো রয়েছে। দেখা যাক কী হয়।
হাসানুজ্জামান খান বাবলু, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও কোচ
এক হামজা চৌধুরী এসে পুরো দলকে বদলে দিয়েছে। তার উপস্থিতি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করেছে। আস্থা ও সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচের প্রথমদিকে যে সুযোগ আমরা পেয়েছিলাম, তা কাজে লাগাতে পারলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারতাম। হামজা যে বিশ্বমানের ফুটবলার, তার খেলা দেখেই বোঝা গেছে। তার ট্যাকলিং, ডিফেন্ডিং, বল ডিস্ট্রিবিউশন ও গতি সব কিছুই যেন স্বপ্নের মতো। সে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছে দেশের জন্য। আমরা এমন ফুটবলাদেরকেই চাই, যারা দেশের জন্য জানবাজি রেখে খেলবে।