জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বাকী দুই দিন। বরগুনা-১ (বরগুনা-আমতলী-তালতলী) ধানের শীষ প্রতিক প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা আমতলী পৌর ঈদগাহ মাঠে এবং তালতলী শহরের ছালেহিয়া মাদ্রাসা মাঠে হাত পাখা প্রতিক প্রার্থী অলিউল্লাহ জনসভার মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমতলী ও তালতলীর প্রচারনা শেষ করেছেন।
রোববার রাতের এ দুই জনসভায় হাজার হাজার কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত হয়েছেন। এখন চলছে সাধারণ ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা। দুই প্রার্থীর পুরুষ সমর্থক ছিল সমানে সমানে। তবে ভোট কেন্দ্রে নারী প্রার্থীদের উপস্থিতি পাল্টে দিতে পারে বরগুনা-১ আসনের সমীকরণ।
জানাগেছে, বরগুনা-১ (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে চারজন প্রার্থী বিএনপি’র মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, ১০ দলীয় জোট অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গির হোসাইন ও জাতীয় পার্টি-জেপি থেকে জামাল হোসাইন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। তিনটি উপজেলায় ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৯ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে আমতলী ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪৮, তালতলী ৮৭ হাজার ২০ এবং বরগুনা সদরে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯১ জন ভোটার। রবিবার আমতলী উপজেলার ঈদগাহ মাঠে ধানের শীষ প্রতিক প্রার্থী নজরুল ইসলা মোল্লা ও তালতলী ছলেহিয়া মাদ্রাসা মাঠে হাত পাখা প্রতিক প্রার্থী মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলীউল্লাহ হাজার হাজার কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েই আমতলী-তালতলী নির্বাচনী জনসভা শেষ করেছেন। দুই জনসভায়ই প্রমাণ করছে দুই প্রার্থী লড়েছেন সমানে সমান। তবে সাধারণ ভোটারদের ধারনা নারী ভোটার উপস্থিতি বেশী হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী জয়লাভ করার সম্ভবনা বেশী রয়েছে। এ আসনে চার প্রার্থীই বরগুনা সদর উপজেলার হওয়ায় পায়রা নদীর পূর্বপাড়ের আমতলী ও তালতলী উপজেলার ২ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৮ ভোটারদের মন জয় করতে মরিয়া তারা। এ ভোটারের মধ্যে আমতলী উপজেলায় ৯১ হাজার ৮৭২ এবং তালতলী উপজেলায় ৪৩ হাজার ২৭৫ জন নারী ভোটার রয়েছে। এ দুই উপজেলার নারী ভোটার উপস্থিতিই পাল্টে যেতে পারে বরগুনা-১ আসনের সমীকরণ এমনটাই ধারনা করছেন সাধারণ মানুষ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দলের প্রার্থী মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ বলেন, বিজয়ী হতে পারলে অবহেলিত বরগুনাকে মডেল জেলায় উন্নীত করা হবে।
বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আগামী প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। বিজয়ী হতে পারলে আমতলী-তালতলী ও বরগুনা উন্নয়নের ছোয়ায় পাল্টে দেব।









