বুধবার, ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে রাতের আধারে বালু লুট

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে রাতের আধারে বালু লুট করে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। এতে পর্যটকদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাসহ সৌন্দর্য হারাচ্ছে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের লীলাভূমি কুয়াকাটা। তবে প্রশাসন বলছে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার (২ জানুয়ারি) কুয়াকাটা সৈকতে হঠাৎ এ গর্ত দেখে হতভম্ব হয় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১ জানুয়ারি রাত থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ড্রেজার মেশিন (বোমা ড্রেজার) লাগিয়ে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এতে সৈকতে বড় পুকুরের সৃষ্টি হয়েছে।

ফরিদপুর থেকে আগত কয়েকজন পর্যটক বলেন, আমরা এখানে একটু বসতে চেয়েছিলাম কিন্তু এত বড় গর্ত থাকায় ছোট বাচ্চাদের নিয়ে ভয় হয় তাই চলে যাচ্ছি। তবে এখানের প্রশাসনকে সুনজর দেয়া দরকার। না হয় পর্যটকরা এত সুন্দর কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

বালু কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা বলেন, শাহজালাল ও সাজিদুল ইসলাম হিরু বালু কেটে হিরুর মার্কেটের নিচে দিতে বলেছে। আমাদের যা বলবে আমরাতো তাই করবো।

অভিযুক্ত শাহজালাল মিয়া বলেন, যে জায়গা থেকে বালু কাটা হয়েছে ওই জায়গাটা আমার রেকর্ডীয় সম্পত্তি ছিল। এখন না হয় সৈকত এরিয়ায় পড়েছে। আমি তো আর বালু নেইনি যে কাটতে বলবো।

অপর অভিযুক্ত সাজিদুল ইসলাম হিরু বলেন, আমার নুর মোহাম্মদের সাথে চুক্তি হয়েছে ৩৫ হাজার টাকায় সে আমার মার্কেটের নিচে দূর থেকে এনে বালু দিয়ে ভরাট করে দিবে। কিন্তু সে তা না করে সৈকতের বালু কেটেছে এটার জন্য আমি তাঁকে বলেছি ওই গর্ত ভরে দিতে।

সোমবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পেয়েছি। পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছি। আমার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষঃ