শনিবার, ২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ঈদের আগেই দুই সেতু ও ৮টি ওভারপাস উন্মুক্ত করলেন সেতুমন্ত্রী

মেঘনা টোল প্লাজায় ১২টি বুথে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে এলেঙ্গা-হাটিকমরুল-রংপুর মহাসড়কে নির্মিত একটি রেল ওভারপাস, ৭টি ওভারপাস ও দুটি সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এগুলো উন্মুক্ত করেন তিনি।

পরে সেতুমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ঘরমুখো যাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জনগণের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে এসব উন্মুক্ত করা হলো।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাস্তায় গাড়ির চাপ রয়েছে, তবে যানজট নেই। রাজধানীতেও যানজট নেই।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা সেতু ও মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজায় ২০১৬ সাল থেকে সীমিত পরিসরে একটি করে লেনে ইটিসি কার্যক্রম চালু আছে। মেঘনা সেতুর টোল প্লাজায় বিদ্যমান কম সংখ্যক টোল বুথগুলোর মাধ্যমে যানবাহন থেকে টোল কালেকশন বিশেষ করে ঈদের সময় যানজটের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষমাণ থেকে টোল পরিশোধ করার কারণে জনভোগান্তি বেড়ে যায়। সে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় টোল কালেকশনকে অধিকতর প্রযুক্তি নির্ভর করা এবং জনভোগান্তি লাঘবে বিদ্যমান মেঘনা সেতু টোল প্লাজার পাশে নতুন আরেকটি টোল প্লাজা নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়।

এতে জানানো হয়, ঢাকা জোনের আওতায় আনুষঙ্গিক অন্যান্য সুবিধাসহ প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন এই টোল প্লাজায় ৬টি নতুন টোল কালেকশন বুথের সংস্থান রয়েছে। ফলে বিদ্যমান পুরাতন টোল প্লাজা ৬টি এবং নবনির্মিত মেঘনা টোল প্লাজা-২ এর নতুন ৬টিসহ সর্বমোট ১২টি টোল বুথের মাধ্যমে টোল কালেকশন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য, এই ১২টি টোল বুথের সবকটিতেই ক্যাশ ও ক্যাশলেস (ইটিসি) ট্রানজেকশনের মাধ্যমে টোল দেয়া যাবে। ফলে যে সব যানবাহন ইটিসি পদ্ধতিতে টোল দেবে তারা বিরতিহীনভাবে অর্থাৎ টোল প্লাজায় না থেমেই দ্রুততম সময়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এতে টোল প্লাজায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টোল দেয়ার চিরাচরিত ভোগান্তি আর থাকবে না।

এ সময় বান্দরবানে চলমান সমস্যা নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বান্দরবানে এখন যৌথ অভিযান চলছে। শিগগিরই এসব নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

‘পাহাড়ের সর্বত্র অনেক রাস্তা ও সেতু নির্মাণ হলেও এখনো অনেক বিচ্ছিন্ন এলাকা রয়েছে। শিগগিরই এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছি’, যোগ করেন কাদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ

ফেসবুকে যুক্ত থাকুন

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সর্বশেষঃ