11192018সোম
বৃহস্পতিবার, 13 সেপ্টেম্বর 2018 17:00

জাতীয় পার্টি মহাসচিব রুহুল হাওলাদারকে দুদকের তলব

নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক বেআইনি উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। বৃহস্পতিবার দুদক থেকে পাঠানো এক নোটিশে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। একইদিন বিএনপি নেতা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান ও তার স্ত্রী নাছরিন খানকেও তলব করা হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রুহুল আমিন হাওলাদারকে তলব করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ আহমদ স্বাক্ষরিত নোটিশে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর দুদক কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। উপপরিচালক শামসুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে মোরশেদ খান ও তার স্ত্রীকে তলব করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ২৮ জুন এবি ব্যাংকের ৩৮৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি নেতা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। উপ-পরিচালক শেখ আবদুস ছালাম বাদী হয়ে বনানী থানায় এই মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন, পিবিটিএল এর চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, একই কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান আসগর করিম, পরিচালক নাছরিন খান, প্রধান নির্বাহী মেহবুব চৌধুরী। আসামিদের তালিকায় এবি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন কাইজার আহমেদ চৌধুরী, এম ফজলুর রহমান, শামীম আহম্মেদ চৌধুরী, মসিউর রহমান চৌধুরী, এবি ব্যাংকের ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা সালমা আক্তার, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মহাদেব সরকার সুমন, এবি ব্যাংকের এসভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার সৈয়দ ফরহাদ আলম, আরশাদ মাহমুদ খান, মো. জাহাঙ্গীর আলম, একই ব্যাংকের সিনিয়র অ্যাসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশন বিভাগ) শাহানুর পারভীন চৌধুরী, ব্যাংকের এভিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক জার ই এলাহী খান ও রিলেশনশিপ অফিসার মো. কামারুজ্জামান। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, এম মোরশেদ খানের প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড (পিবিটিএল) কোনও নিয়ম কানুন ছাড়াই এবং অসৎ উদ্দেশ্যে এবি ব্যাংকের চারটি বোর্ড সভায় জামানত ছাড়াই ব্যাংক গ্যারান্টি পায়। এর সঙ্গে এবি ব্যাংকের কর্মকর্তারাও জড়িত ছিল। এই গ্যারান্টি ব্যবহার করে পিবিটিএল আটটি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহায়ক জামানত দেখিয়ে ঋণ নিয়েছে। উল্লিখিত ঘটনার সার্বিক বিশ্লেষণে এটাই প্রমাণিত হয় যে, এম মোরশেদ খান অন্যায়ভাবে আর্থিক লাভের জন্য প্রতারণা, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যাংক গ্যারান্টির আবেদন করলেও, তা কোনও প্রকার যাচাই-বাছাই করা হয়নি।
পড়া হয়েছে 22 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, 13 সেপ্টেম্বর 2018 17:33

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা