08262019সোম
সোমবার, 16 অক্টোবার 2017 10:41

দল নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচন নয়

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে রোববার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে দলটির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে রোববার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে দলটির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক ইসির তফসিল ঘোষণার আগে সংসদ ভেঙে দিয়ে ‘সহায়ক সরকার’-এর অধীন নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি। দল নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না দলিট। একই সঙ্গে ইসির সংলাপে নির্বাচনের সময় ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন, ২০০৮ সালের আগের নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ ছাড়া ইভিএম-ডিভিএম পদ্ধতি চালু না করা, ১/১১ থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের সময় দলের চেয়ারপারসনসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মামলা প্রত্যাহার, সব দলের জন্য এখন থেকে সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) তৈরিসহ মোট ২০ দফা সুপারিশ করেছে দলটি। আড়াই ঘণ্টার সংলাপ শেষে আগামী নির্বাচন ও আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট সমাধানে কিছুটা আশাবাদী হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনের খুব বেশি কিছু করার নেই। বর্তমান সরকারের যে অগণতান্ত্রিক আচরণ, সেখানে খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার কারণ আছে বলে আমরা মনে করি না। তারপরও সংলাপের পর আমরা কিছুটা আশাবাদী তো বটেই।’ তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করতে চায়- নির্বাচন কমিশনের এ সংলাপ বা রোডম্যাপ বা পথ-নকশা নিছক কালক্ষেপণ বা লোক দেখানো কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এ সংলাপ যেন প্রহসনে পরিণত না হয়, তা কমিশনকেই নিশ্চিত করতে হবে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে বিএনপি ইসিকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে চায়। এ জন্য ইসিকে ‘সময় সময় গঠনমূলক সুপারিশ ও পরামর্শ দেয়ার’ কথা জানান ফখরুল। ফখরুল বলেন, ‘সংলাপে আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনও তাদের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেছে। তবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ আয়োজন ও সহায়ক সরকারের যে দাবির কথা তাদের বলেছি, সেই ব্যাপারে কমিশন তাদের ক্ষমতার মধ্য থেকে কিছু করার চেষ্টা করবে বলে আমাদের জানিয়েছেন।’ রোববার বেলা সোয়া ১১টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সভাকক্ষে বিএনপির সঙ্গে সংলাপে বসে ইসি। বিএনপির ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাকক্ষে পৌঁছামাত্র প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বিএনপিকে স্বাগত জানান। এরপর মির্জা ফখরুল বিএনপির প্রতিনিধিদের পরিচয় করিয়ে দেন। সংলাপে বিএনপির মহাসচিব দলের ২০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন। ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে সাতজন বক্তব্য দেন। এদিকে বিএনপির নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে- সিইসির এমন বক্তব্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন দলটির নেতারা। বৈঠক শেষে এক নেতা বলেন, শুধু তার বক্তব্য নয়, সবকিছুই ইতিবাচক মনে হয়েছে। তবে অন্য এক নেতা জানান, বিএনপিকে আস্থায় আনার কৌশল হিসেবেও সিইসি এমন মন্তব্য করতে পারেন। দলের স্থায়ী কমিটির অপর এক সদস্য যুগান্তরকে জানান, বর্তমান সরকারের অধীনে বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে নেয়ার ফাঁদ হিসেবেও তিনি এমন কথা বলতে পারেন। তবে তার বক্তব্য এবং কাজের মাধ্যমেই সবকিছু স্পষ্ট হবে। বিএনপির দেয়া প্রস্তাব সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রস্তাবগুলো দিয়েছি। তারা (ইসি) অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে শুনেছেন। তারা বলেছেন, তারা চেষ্টা করবেন ভবিষ্যতে যাতে একটা সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারেন, তার জন্য তাদের ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন। তারা (ইসি) এ-ও বলেছেন, আপনাদের (বিএনপি) সুচিন্তিত প্রস্তাবগুলো আমাদের কাছে অত্যন্ত উপযোগী বলে মনে হয়েছে, আমরা উপকৃত হব। তারা মনে করেছেন যে, প্রস্তাবগুলো তাদের ভবিষ্যতের কাজের জন্য সুবিধা হবে।’ আড়াই ঘণ্টা সংলাপের উপলব্ধি কী জানতে চাইলে মহাসচিব বলেন, ‘ইসি বলেছে, তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। তবে এ কথা তারা স্বীকার করেছেন যে, দেশে বর্তমানে সেই অবস্থা নেই যে পুরো দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এটাও বলেছেন যে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, গণতন্ত্রের যে আসল রূপ সেই রূপ বাংলাদেশে নেই।’ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের উদ্যোগ নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইসি বলেছে তারা চেষ্টা করে দেখবে কী করা যায়। আগে ইসি বলেছিল, রাজনৈতিক দলের সংলাপে মধ্যস্থতার ভূমিকায় যাব না- প্রশ্ন করা হলে মহাসচিব বলেন, ‘না আজ তারা এ কথা বলেননি। তারা বলেছেন, নিজেরা বসবেন, আলাপ করে দেখবেন। তাদের কী কী সুযোগ আছে সেই সুযোগ ব্যবহারের চেষ্টা করবেন।’ বিএনপির প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এএসএম আবদুল হালিম, ইসমাইল জবিউল্লাহ, আবদুর রশীদ সরকার ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। সিইসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে নির্বাচন কমিশনার মো. মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান, পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির প্রস্তাবে যা আছে- নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকার গঠন : এ প্রস্তাবের পক্ষে দলটির যুক্তি হচ্ছে- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। দলীয় সরকারের এমন ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন প্রশাসন দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন একেবারেই অসম্ভব। তার প্রমাণ দেশবাসী গত বেশ কয়েক বছরে দেখেছে। এতে বলা হয়, শিগগির বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। এ রূপরেখা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনেও হস্তান্তর করা হবে। সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা : নির্বাচনে সব দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করতে চারটি উপ-দফা দিয়েছে দলটি। সেগুলো হচ্ছে- সংসদ ভেঙে নির্বাচন করা, সরকারকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে। ইসিকে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। এখন থেকেই সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশসহ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনবিষয়ক : প্রশাসনে রাজনীতিকরণের অভিযোগ এনে ভারসাম্য রক্ষায় বেশকিছু প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে হবে। দলবাজ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব দেয়া যাবে না। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান এবং দূতাবাসগুলোতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করতে হবে। ভোটের ৯০ দিন আগ থেকে নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় (স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, অর্থ ইত্যাদি) ইসির চাহিদা অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবে। নির্বাচনকালীন সময়ে সব সিদ্ধান্ত ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কিংবা কোনো নির্বাচন কমিশনার একক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। নির্বাচনের ৬ মাস আগে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল করে স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। ইভিএম বা ডিভিএমে ভোট গ্রহণ না করা : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম বা ডিভিএম ব্যবহার করে ভোট গ্রহণ না করার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি। এর সপক্ষে চার পৃষ্ঠার একটি পৃথক চিঠিও দিয়েছে দলটি। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ : ২০০৮ সালের আগের নির্বাচনী আসনগুলোর যে সীমানা ছিল সেই সীমানা পুনর্বহাল করতে হবে। এর কোনো ব্যতিক্রম হলে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সব রাজনৈতিক দল ও জোটের মত নিতে হবে। আরপিও সংশোধন : জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আরপিওতে ১৬ দফা সংস্কারের প্রস্তাব করেছে দলটি। এর মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং ম্যাজিস্টেরিয়াল ক্ষমতা দেয়ার বিষয় অন্তর্ভুক্ত। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তাদেরও ম্যাজিস্টেরিয়াল ক্ষমতা দিতে হবে। ব্যালট পেপারে দৃশ্যমান জলছাপ থাকতে হবে। রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাই, প্রত্যাহার ও নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় কমপক্ষে ৫০ দিন সময় দিতে হবে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার জন্য ন্যূনতম ২১ দিন সময় দিতে হবে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার বিধান যুক্ত করতে হবে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে এবং কারাগারে থাকলে তার মনোনীত প্রতিনিধির উপস্থিতিতে লিখিত আকারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রত্যাহার করতে হবে। প্রতিটি সংসদীয় আসনের প্রতি উপজেলা, মেট্রোপলিটন থানা এবং এর ভগ্নাংশের জন্য প্রতি প্রার্থীর একজন করে ইলেকশন এজেন্ট নিয়োগের বিধান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এ সংযোজন করতে হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনী আসনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দৃশ্যমানভাবে নাম ও র‌্যাঙ্ক ব্যাজসহ ইউনিফর্ম পরে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধন : নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় ১৮টি সংশোধনী ও সংযোজনের প্রস্তাব করেছে দলটি। এর মধ্যে অন্যতম সুপারিশ হল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জন্য নির্ধারিত ও সংরক্ষিত প্রতীকের সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে কিংবা কোনোক্রমে মিল এমন কোনো মার্কা/প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে না। আচরণ বিধিমালা সংশোধন : নির্বাচনের আগের সময়সীমা ৯০ দিন নির্ধারণ করা। ওই সময়ে অস্ত্র জমা দেয়াসহ তিনটি প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি। ‘সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ শব্দগুলো নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধকতা উল্লেখ করে তা আচরণ বিধিমালা থেকে বাদ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি : বন্ধ ঘোষিত সব গণমাধ্যম চালু করতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে গণমাধ্যমে সব দল ও প্রার্থীর প্রচারণায় সমতাভিত্তিক সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ আইসিটি অ্যাক্ট-এর বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করতে হবে। এ ছাড়া দলটির অন্যান্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা সংশোধনী এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা/গাইডলাইন সংশোধন করা। বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদান, প্রবাসীদের ভোটার করা এবং মৃতদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া। ভোটার হওয়ার যোগ্য কারাবন্দি নাগরিকদের তালিকাভুক্তকরণ, নির্বাচনী আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান, ভোটার সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের নেটওয়ার্ক চালু রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা। অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা, নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া এবং রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সুপারিশ ও পরামর্শ বাস্তবায়ন করা।
পড়া হয়েছে 313 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: সোমবার, 16 অক্টোবার 2017 10:52