11142019বৃহঃ
শুক্রবার, 21 জুলাই 2017 20:29

কর্নেল তাহের হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক: ইনু

নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, 'জিয়া তার পাকিস্তানপন্থী রাজনীতির পথ পরিষ্কার করতেই ঠাণ্ডা মাথায় কর্নেল তাহেরকে হত্যা করে। কর্নেল তাহের হত্যাকাণ্ড একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।' তাহের দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাসদ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ইনু বলেন, 'জিয়া আর কর্নেল তাহের এর মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল। জিয়া বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ঠেলে দিতে চেয়েছিল। তাহের বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ঠেলে দেয়ার বিপরীতে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের ধারায় পরিচালিত করার জন্য ৭৫ এর ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিলেন।' জিয়া ও তাহেরের যে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল সেই বিরোধ এখনো অবসান হয়নি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'বেগম জিয়া ও বিএনপি জিয়ার পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি বহন করছে। আর আমরা জাসদ, ১৪ দল তাহেরের মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি বহন করছি।' পাকিস্তানপন্থী রাজনীতির চির অবসানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'রাজনীতির মাঠ থেকে রাজাকারদের বিদায় করতে হবে। রাজাকাররা বাংলাদেশে আর কোনোদিনই ক্ষমতায় আসবে না। রাজাকার মুক্তিযোদ্ধার মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা আর হবে না। সরকারেও মুক্তিযোদ্ধা থাকবে, বিরোধী দলেও মুক্তিযোদ্ধা থাকবে।' ইনু কর্নেল তাহেরের চেতনায় মুক্তিযুদ্ধের পথে, সমাজতন্ত্রের পথে, লড়াই এগিয়ে নেয়ার জন্য জাসদের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। সভায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, গণ আজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, ন্যাপ এর সহ-সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ রেজাউর রশিদ। দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল আলম, শহীদ কর্নেল তাহের এর অনুজ ও জাসদ স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ কর্নেল তাহেরের সহযোগী ফ্লাইট সার্জেন্ট রফিকুল হক বীর প্রতীক, জাসদ স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান শওকত, নাদের চৌধুরী প্রমুখ।
পড়া হয়েছে 348 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 21 জুলাই 2017 20:36