11212019বৃহঃ
বৃহস্পতিবার, 21 আগস্ট 2014 23:55

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত আলোচনা শুরু

সীমান্তে হত্যা বন্ধ নিয়েও আলোচনা হচ্ছে সীমান্তে হত্যা বন্ধ নিয়েও আলোচনা হচ্ছে

বিবিসি
ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রধানদের মধ্যে পাঁচ দিনের নির্ধারিত বৈঠক আজ থেকে দিল্লিতে শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা বা মাদক চোরাচালান রোধ করার মতো বিষয় যেমন তোলা হচ্ছে, তেমনি ভারতও এই আলোচনায় জাল নোট পাচার নিয়ে তাদের উদ্বেগ ব্যক্ত করছে।
তবে দুই বাহিনীর পক্ষ থেকেই বলা হচ্ছে, তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এখন অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক ভাল এবং সীমান্তে ও তার সুফল মিলছে।

বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালকদের মধ্যে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল গত মার্চ মাসেই, কিন্তু ভারতে সাধারণ নির্বাচনের জন্য তা পিছিয়ে যায়।

দেবেন্দ্র কুমার পাঠক, বিএসএফ

এখন আগস্ট মাসে এসে এই যে বৈঠক হচ্ছে তার নামকরণ করা হয়েছে ‘সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন।’

বৈঠকের প্রাক্কালে বিএসএফের প্রধান দেবেন্দ্র কুমার পাঠক বলেন, ‘দুটো প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মধ্যে কেমন সম্পর্ক থাকা উচিত, আমরা আর বাংলাদেশ তার চমৎকার একটা দৃষ্টান্ত। আমরা তো সব সময়ই চাই অন্য প্রতিবেশীদের সঙ্গেও আমাদের তেমনই সম্পর্ক গড়ে উঠুক।’

দিল্লিতে বিএসএফ ও বিজিবির প্রধান

বৈঠকের আগে দুই বাহিনীর প্রীতি বাস্কেটবল ম্যাচ অবশ্যই আলোচনার সুরটা বেঁধে দিয়েছে, তবে তাই বলে আলোচনায় কোনও অপ্রীতিকর বিষয় যে উঠছে না তাও নয়।

মোট কুড়িজন সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে দিল্লিতে এসেছেন বিজিবি-র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা কেন শূন্যে নামিয়ে আনা যাচ্ছে না বিএসএফের কাছে সেই প্রশ্ন তিনি তুলেছেন।

ভারত থেকে ফেনসিডিল বা মাদক পাচার রুখতে বিএসএফকে আরও তৎপর হওয়ারও অনুরোধ করছেন তারা।

মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিজিবি

পাশাপাশি ভারতের উদ্বেগ বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে আসা জাল ভারতীয় নোটের তাড়া তাড়া বান্ডিল নিয়ে – সেটা রোখার জন্য দুই বাহিনী একযোগে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে আলোচনা হচ্ছে তা নিয়েও।

এখনও ভারতের যে কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠী বাংলাদেশের ভূখন্ডে সক্রিয় বলে বিএসএফ মনে করে, তাদের ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করার দাবিও জানানো হয়েছে।

অর্থাৎ আলোচনা হচ্ছে দু’দেশের স্বার্থসংক্রান্ত প্রায় সব বিষয়েই - তবে বিজিবি-র প্রধানও বলছেন, দুই বাহিনীই তাদের বন্ধুত্বকে একটা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পেরেছে।


মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদের কথায়, ‘যেভাবে আমরা একসঙ্গে খেলাধুলো করছি, সেটা আমাদের বন্ধুত্বকে আরও নিবিড় করার প্রয়াসেরই প্রতিফলন। এই ধরনের আরও নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে।’


পড়া হয়েছে 625 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 22 আগস্ট 2014 00:10

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা