09162019সোম
শিরোনাম:
শুক্রবার, 13 নভেম্বর 2015 22:01

উলফার সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত

< > নিজস্ব প্রতিবেদক উলফার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়া ভারতের ফিরে যাওয়ার পরে এখন আসামের স্বাধীনতা পন্থী সংগঠনটির সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। উলফার আলোচনা করতে আগ্রহী অংশের সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, এই মাসের শেষে দিল্লিতে তাদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার উলফার সঙ্গে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে চায়। বাংলাদেশ থেকে উলফার প্রতিষ্ঠাতা অনুপ চেটিয়াকে ফিরিয়ে নেওয়ার পরে উলফার অরবিন্দ রাজখোয়া নেতৃত্বাধীন অংশের প্রধান দাবি ছিল সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনা। উলফার এই অংশটি এরই মধ্যে নিজেদের দাবি নামা সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। ভারতের ইউনিয়ন মিনিস্টার কিরেণ রিজ্জু দিল্লিতে বলেছেন, দীপাবলির পরে আমরা উলফার সঙ্গে আলোচনায় বসবো। উলফার একটি সূত্র জানিয়েছে, আমরা অনেক আনন্দিত যে সাধারণ সম্পাদক ভারতে ফিরে এসেছে এবং এটা ছিল আমাদের প্রধান দাবি। কিন্তু আমরা জেনেছি চেটিয়ার বিচার শুরু হবে। এর অর্থ হচ্ছে তিনি শান্তি আলোচনায় বসতে পারবেন না। তার জন্য অপেক্ষা করতে গেলে পুরো বিষয়টাতে দেরি হয়ে যাবে। আসাম পুলিশের কাছে অনুপ চেটিয়ার বিরুদ্ধে খুন, চাঁদাবাজি সহ আটটি মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইনেও মামলা রয়েছে যার কার্যক্রম গুয়াহাটির বিশেষ আদালতে চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে চেটিয়ার ভারতে ফিরে আসা নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়ে গেছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার দাবি করছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর উদ্যোগ ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কারণে চেটিয়াকে ভারতে ফিরিয়ে আনা গেছে। কিন্তু আসামের কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার দাবি করছে তারা চেটিয়াকে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে আসছে। ১৯৯৭ সালের ২১ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের একটি বাসা থেকে অনুপ চেটিয়াকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। ওই সময় তার কাছ থেকে বাংলাদেশী পাসপোর্ট, স্যাটেলাইট টেলিফোন ও কিছু বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ফরেন কারেন্সি অ্যাক্টে একটি মামলা দায়ের করে। পরে পাসপোর্ট অ্যাক্ট ও স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টে আরো তিনটি মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। এসব মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে জরিমানাসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। অনুপ চেটিয়ার প্রথম পর্যায়ের কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হয় ২০০৩ সালের ২৫ আগস্ট। চারটি মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা পরিশোধ না করায় আরো দেড় বছর কারাদণ্ড ভোগ করেন তিনি। সে হিসাবে তার কারাদণ্ডের মেয়াদ ছিল ২০০৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন কিন্তু তাকে ডিটেনশনে রাখা হয়। < >
পড়া হয়েছে 366 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 13 নভেম্বর 2015 22:07