12132017বুধ
শনিবার, 02 ডিসেম্বর 2017 11:47

পরীক্ষায় মিলেছে একাধিক ক্ষতচিহ্ন

জি ডি বিড়লা স্কুলের চার বছরের ছাত্রীটির যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত ছিল। রক্ত জমাট বেঁধে ছিল একাংশে। শুক্রবার এস এস কে এম হাসপাতাল সূত্রে তেমনই জানা গিয়েছে। এক চিকিত্সক জানান, শিশুটির যৌনাঙ্গে চারটিরও বেশি ক্ষত ছিল। ক্ষত ছিল ‘হাইমেনে’ও। ‘ট্রমা’র মাত্রা শারীরিক আঘাতের থেকেও বেশি। মা’কে আঁকড়ে ধরেই স্ত্রীরোগ বিভাগের বেডে প্রায় ১৩ ঘণ্টা কাটিয়েছে শিশুকন্যাটি। মাঝেমধ্যেই ফুঁপিয়ে কেঁদেছে। অসুবিধা হচ্ছিল মূত্রত্যাগে। এদিন দুপুর পৌনে ৩টে নাগাদ হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত সওয়া ১টা নাগাদ হাসপাতালে আনার সময় রক্তক্ষরণ হচ্ছিল শিশুটির। হাসপাতাল সূত্রের খবর, রাতেই ‘অনকল’ রেসিডেনশিয়াল মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) এবং শিশু বিভাগের আরএমও দেখেন। প্রয়োজনীয় চিকিত্সা শুরু হয়। রাতেই জানানো হয়, সকাল ৯টায় শারীরিক পরীক্ষা হবে ওই শিশুর। শিশুটির বাবা এদিন সকাল ১১টা নাগাদ অভিযোগ করেন, ‘‘আমার সন্তানের কোনও পরীক্ষা হচ্ছে না। ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলে তো কোনও প্রমাণ মিলবে না।’’ দুপুর ১২টা নাগাদ চিকিত্সক সুভাষ বিশ্বাস, ফরেন্সিক মেডিসিনের ইন্দ্রাণী দত্ত এবং একজন শিশু বিশেষজ্ঞ শিশুটিকে পরীক্ষা করেন। যাদবপুর থানার পুলিশ শিশুটির বয়ানের ভিডিও রেকর্ড করে। ফের চারজনের ছবি দেখানো হলে দু’জনকে চিহ্নিত করে ওই শিশু। তবে পরিবারের অভিযোগ উড়িয়ে এস এস কে এমের অধিকর্তা অজয় রায় বলেন, ‘‘গাফিলতির অভিযোগ ঠিক নয়। শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল। নিয়ম অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি সোয়াব, জামাকাপড়-সহ যাবতীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশকে রিপোর্ট দেওয়া হবে।’’
পড়া হয়েছে 6 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শনিবার, 02 ডিসেম্বর 2017 11:52