07102020শুক্র
শিরোনাম:
< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক বালির পর বালি ছড়িয়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। আর মধ্য মুখ ঢেকে রয়েছে সুপ্রাচীন একটি সৌধ। তা আবার আড়াই হাজার বছর আগেকার। দক্ষিণ জর্ডনের পেট্রায় মাটির তলায় লুকিয়ে থাকা ওই সৌধের হদিশ মিলেছে সম্প্রতি। পেট্রার ওই এলাকাটি রাষ্ট্রপুঞ্জের ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’-এর মধ্যেই পড়ে। একেবারে হালে জার্নাল ‘আমেরিকান স্কুল্‌স অফ ওরিয়েন্টাল রিসার্চ’-এ প্রকাশিত ওই গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম উপগ্রহ ও ড্রোন থেকে তোলা ছবি ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমেই খ্রিস্টের জন্মের আগে চতুর্থ শতকে নির্মিত ওই সৌধটির হদিশ মিলেছে। তখনকার জর্ডনে সেটা নেবাতিয়ান রাজত্বের সময়। সেই সময় নেবাতিয়ান সভ্যতার বিস্তার ছিল জর্ডন, ইরাক থেকে শুরু করে লেবানন ও সিরিয়া পর্যন্ত। প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানিয়েছেন, পেট্রায় যে এলাকায় ওই সুপ্রাচীন সৌধের হদিশ মিলেছে, সেটি লম্বায় একটা অলিম্পিকের সুইমিং পুলের মতো। আর চওড়ায় সোটা তার প্রায় দ্বিগুণ। বেলেপাথর দিয়ে বানানো ওই সৌধটি নেবাতিয়ান রাজত্বে একটি রাজকোষ ছিল বলেই মনে করছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। যে গবেষকদল ওই সুপ্রাচীন সৌধটি আবিষ্কার করেছেন, তাদের নেতৃত্বে রয়েছেন বার্মিংহামের আলাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক সারা পার্কাক ও ‘কাউন্সিল অফ আমেরিকান ওভারসিজ রিসার্চ সেন্টার’-এর কার্যনির্বাহী অধিকর্তা ক্রিস্টোফার টাট্‌ল। < >
< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক ভারতের পর্যটক পরিসংখ্যানে বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশটিতে পর্যটনে শীর্ষস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। তারপরই বাংলাদেশের অবস্থান। সম্প্রতি ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যে ২০১৫ সালে দেশটিতে ভ্রমণ করা বাংলাদেশির সংখ্যা ১১ লাখ ৩০ হাজার, যা মোট বিদেশি পর্যটকের ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। গত বছর ভারতে বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা, ১৫ দশমিক ১ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা, ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০০৬ সালে ভারত ভ্রমণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল ব্রিটিশরা ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। সে সময় দ্বিতীয় শীর্ষ ছিল মার্কিনীরা ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এই দুই দেশের পর্যটকদের সংখ্যায় কিছুটা হেরফের হয়ে অবস্থান বদলালেও অনেকটা চমক হয়ে দেখা দিয়েছে বাংলাদেশি পর্যটকদের উপস্থিতি। ২০০৬ সালে ভারত ভ্রমণ করেন চার লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশি, যা সে বছর দেশটিতে বিদেশি পর্যটকদের ২ শতাংশেরও কম ছিল। সেখানে ২০১৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশে। নয় বছরে ভারত ভ্রমণকারী বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়েছে ২ দশমিক ৩ গুণ। এর কারণ ব্যাখ্যায় টাইমস অফ ইন্ডিয়া বলছে, ঢাকায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের কনস্যুলেট না থাকায় সেসব দেশের ভিসা পেতে ভারতে ছুটছেন বাংলাদেশিরা। তবে বিবিসি বাংলা বলছে, চিকিৎসা, ব্যবসা ও শপিংয়ের জন্যই বাংলাদেশিদের ভারত ভ্রমণ বেশি হয়ে থাকে। ভারতে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যায় যুক্তরাজ্যের পরে আছে শ্রীলঙ্কা, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও জাপানিরা। গত নয় বছরে বাংলাদেশ ছাড়াও প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও চীন থেকে ভারতে পর্যটন বেড়েছে। ২০০৬ সালে মাত্র ৬০ হাজার চীনা ভারতে গিয়েছিলেন, সেখানে ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ৩ দশমিক ৩ গুণ বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ১০ হাজার। বেড়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যাও। এই সময়ে পাকিস্তানি পর্যটকের সংখ্যা দেড়গুণ বেড়ে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ ২০ হাজার হয়েছে। আফগান পর্যটকের সংখ্যা ৬ দশমিক ১ গুণ বেড়ে ২০ হাজার থেকে হয়েছে এক লাখ ১০ হাজার। আর শ্রীলঙ্কার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দেড় লাখ থেকে তিন লাখে পৌঁছেছে। < >
< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক কলকাতা: ইউরোপ যেতে গেলে এতদিন কলকাতা থেকে প্রথমে দিল্লি কিংবা মুম্বই পৌঁছতে হত৷সেখান থেকেই মিলত ইউরোপের বিমান৷ কিন্তু সেই দিন সম্ভবত শেষ হতে চলেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই ফের শুরু হতে চলেছে কলকাতা- লন্ডন সরাসরি উড়ান। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল জয়৷ জানা গিয়েছে, শুক্রবার রোড রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণের সময় হাজির ছিলেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী অশোক গজপতি রাজু।সেইসময় তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেন, কলকাতা থেকে লন্ডনের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি নিয়মিত সরাসরি উড়ান চালু করতে। জবাবে রাজু তখনই জানান, এ ব্যাপারে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেবেন তিনি। ওয়াকিবহাল মহলে ধারণা, ২৯৪টি আসনের মধ্যে একা তৃণমূলই ২১১টি আসন জিতে নেওয়ায় দিল্লিতে তৃণমূলের প্রভাব যে আগের থেকে অনেকটাই বেড়েছে, রাজুর জবাবে সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। অবশ্য এই প্রথম যে মমতা দেশি বিদেশি বিমান সংস্থাগুলিকে কলকাতা থেকে উড়ান চালুর অনুরোধ করলেন, তা নয়। প্রথম দফায় মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়েও এ ব্যাপারে তিনি অনুরোধ করেন কয়েকটি বিমান সংস্থাকে। কিন্তু সমীক্ষা চালিয়ে বিমান সংস্থাগুলি জানিয়ে দেয়, এই রুট বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক তখন লক্ষ্যপূরণ না হলেও দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে আর এ নিয়ে দেরি করতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতা- ইউরোপ উড়ান চালুর ক্ষেত্রে এয়ার টার্বাইন ফুয়েল ট্যাক্স সম্পূর্ণ মকুব করারও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কলকাতাই দেশের একমাত্র মেট্রো শহর যার সঙ্গে আমেরিকা বা ইউরোপীয় কোনও শহরের সরাসরি উড়ান যোগ নেই। আগে লন্ডন, ফ্রাঙ্কফুর্টের মত ইউরোপীয় শহর থেকে এ রাজ্যে বিমান যাতায়াত করলেও বাণিজ্যিকভাবে এই রুট লাভজনক না হওয়ায় ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় সবকটি রুট। কয়েক বছর আগেও কলকাতা থেকে ইউরোপে যেত এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়ান। অলাভজনক হওয়ায় ২০০৭-এ বন্ধ হয়ে যায় সেটিও। তার চার বছর পর বন্ধ হয় লুফথহানসার কলকাতা- ফ্রাঙ্কফুর্ট উড়ান, সেটিই ইউরোপ থেকে কলকাতার মধ্যে শেষতম উড়ান ছিল। ২০০৮-এই কলকাতা- লন্ডন উড়ান বন্ধ করে দেয় ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। এখন এ শহর থেকে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের মত দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বিমান চলাচল করে। কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও দাবি করেছে, দিল্লি হয়ে কলকাতার বহু যাত্রী প্রতি বছর ইউরোপ যাচ্ছেন। কলকাতা থেকে উড়ান চালু হলে সরাসরি এখান থেকেই বিমান ধরবেন তাঁরা। ফলে লোকসানে নয় বরং লাভেই চলবে বিমান সংস্থাগুলি। < >
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক থাইল্যান্ড: পর্যটকদের জন্যে অবশ্যই সুখবর নয়! থাইল্যান্ডের অত্যাধুনিক এলাকা ফুকেটের তিনটি দ্বীপ পর্যটকদের জন্য পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ওই সমস্ত দ্বীপে প্রচুর পরিমাণে প্রবাল রয়েছে। তা রক্ষার জন্যেই ফুকেটের এই দ্বীপগুলি পর্যটকদের জন্যে নিষিদ্ধ করেছে। ফুকেটের পূর্ব উপকূলে খো খাই নাই, খাই নক এবং খাই নুই নামের তিনটি ক্ষুদ্র দ্বীপে পর্যটকদের জন্য নির্মিত সব ধরনের সুবিধাদি এবং পরিকাঠামো ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, পর্যটকদের কারণে ওই অঞ্চলের ৮০ ভাগ প্রবাল প্রাচীর ধ্বংস হয়ে গেছে। পাশাপাশি দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় সম্পদ বিভাগ (ডিএমসিআর) জানিয়েছে, দ্বীপগুলোতে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৬০টি স্পিডবোট ব্যবহৃত হতো। পর্যটকের সংখ্যা অব্যাহত হারে বাড়তে থাকায় সেখানে রেস্টুরেন্ট ও দোকানের সংখ্যাও বেড়ে যায়। সেখানে পর্যটকেরা সচরাচর মাছ খাওয়া এবং সমুদ্রের তলদেশে সাঁতার কাটার জন্য অন্ততপক্ষে তিনঘণ্টা সময় কাটাতেন। আর এই ফলে কার্যত বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রবাল প্রাচীরকে।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক টোকিও: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল কোরিয়ান এয়ারের একটি বিমান। জাপানের রাজধানী টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর থেকে উড়ার সময়ে কোরিয়ান এয়ারের একটি বিমানের এক পাশের ইঞ্জিনে হঠাত করে আগুন ধরে যায়। যদিও বিমানে থাকা ৩০০ জন বিমান যাত্রী এবং ক্র সদস্য সুরক্ষিত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ফ্লাইট ২৭০৮ হানেদা বিমানবন্দর থেকে সিউলের পথে রওনা দেওয়ার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছল। সেই সময়েই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। যদিও রানওয়েতে থাকা বোয়িংয়ের ৭৭৭ উড়োজাহাজটির ওই ইঞ্জিনটিতে ফোম স্প্রে করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বিমানবন্দরের দমকল কর্মীরা। ঘটনার জেরে জাপানের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক প্যারিস: জাহাজ, ভ্রমণতরণী যাই বলা হোক না কেন, সকলেরই সবার আগে মনে পড়বে একটাই নাম ‘টাইটানিক’৷ খুব চেষ্টা করলে হয়ত আরও দু,একটা নাম আপনার ঝুলি থেকে বেড়িয়ে আসরেও পাড়ে৷ কিন্তু সেটাও অনেক কষ্টে! কিন্তু এবার সেই ঝুলিতে আরও একটা নতুন নাম যুক্ত হতে চলেছে৷ রবিবার প্রায় দশ হাজার মানুষ জড়ো হলেন ফ্রান্সের সেন্ট-নাজারে অঞ্চলে৷ তাদের প্রত্যেকেরই উদ্দেশ্যে পৃথিবীর দীর্ঘতম ক্রুজ বা ভ্রমণ তরী ‘হারমোনি অফ দি সি’তে একবার প্রত্যক্ষ করা৷ জানা গিয়েছে যে, এই ভ্রমণ তরী দৈর্ঘে পিছনে ফেলেছে আইফেল টাওয়ারকে৷ ৬৬ মিটার(২১৭ ফুট) চওড়া ও ৩৬২ মিটার দীর্ঘ হারমোনি অফ দি সি, আইফেল টাওয়ারের তুলনায় ৫০ মিটার বেশী দীর্ঘ৷ এক লক্ষ কুড়ি হাজার টনের এই ভাসমান শহরে রয়েছে ষোলটি ডেক এবং থাকছে ৬৩৬০ জন যাত্রী ও ২১০০ জন কর্মচারীর থাকার ব্যবস্থা৷ আমেরিকান নির্মানকারী সংস্থা রয়্যাল ক্যারিবিয়ান ক্রুজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিলাশবহুল এই ভ্রমণ তরী বানাতে খরচ পড়েছে প্রায় এক লক্ষ ইউরো৷ জানা গিয়েছে, আগামী ২২ মে বার্সেলোনা থেকে দক্ষিণ ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে এই কুমারী জলযান শুরু করবে তার প্রথম জলযাত্রা৷ ‘হারমোনি অফ দি সি’-র জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা, ‘যাত্রা শুভ হোক’ < >
< > ডেস্ক ফেসবুকের জাল প্রোফাইলের অন্তরালে দেহ ব্যবসার জাল ছড়িয়েছে মহানগরে৷ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে ‘আন-সোশ্যাল’ কর্মকাণ্ড ছড়িয়েছে শহরতলিতেও৷ আর এর হাত ধরেই আক্ষরিক অর্থে কলকাতা হয়ে উঠেছে ‘তিলোত্তমা’ আধুনিকতায় এবং লাগামছাড়া জীবনযাপনে৷ কিন্তু, সাদা চোখের এই অপরাধ রোধে অপরাগ পুলিশ-প্রশাসন৷ কারণ, অভিযোগ না পেলে পুলিশের কিছুই করার নেই৷ এমনটাই অপরাগতার কথা জানালেন কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম সেলের এক আধিকারিক৷ তাঁর কথায়, কোনও ইউজার অভিযোগ করলেই পুলিশ জাল প্রোফাইলকে ডি-অ্যাক্টিভ করার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করতে পারে৷ পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাজ্য-রাজধানীর বুকে কীভাবে চলছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কলগার্লের ব্যবসা? ফেসবুক ফ্রেন্ডস ফাইন্ডারে মুনমুন নাম তালাশ করলেই, সাদা পাতিয়ালা পরনে, টালিগঞ্জেক এক মহিলাকে পাওয়া যাবে৷ গৃহবধূ বলে পরিচয় দেওয়া এই ফেসবুক ইউজার নিজের ওয়ালেই স্বীকার করেছেন, তিনি দেহ ব্যবসা করেন৷ এই জাল ইউজার আদতে একজন যুবক৷ ফেসবুকের মাধ্যমে কলগার্ল সরবরাহ করেন সুদূর হায়দরাবাদ থেকে এই শহর কলকাতাতেও৷ ফেসবুকের ‘দেওয়াল’ এবং ইনবক্স চ্যাটের মাধ্যমেই তিন মহিলা সংগ্রহ করেন, ক্লাইন্ট ধরেন৷ নিশ্চিন্ত এবং নিরাপদে৷ মুনমুনের মতো পুনের নাতাশাও ফেসবুকের মাধ্যমেই কলকাতায় কলগার্লের ব্যবসা জাঁকিয়ে বসেছেন৷ তবে, তার ক্লাইন্ট ধরার পদ্ধতিটা একটু অন্য ধরনের৷ এই জাল প্রোফাইলের সঙ্গে বন্ধুত্বস্থাপনের পর অনলাইন চ্যাটের মাধ্যমে সে পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেয়৷ধীরে ধীরে সেই আলাপ পৌঁছয় যৌনতা প্রসঙ্গে৷ এরপরেই কলগার্ল সরবরাহ করার হাতছানি মেলে৷ ১৬ থেকে ৪০-এর কলেজ পড়ুয়া কিংবা গৃহবধূ, সব ধরনের কলগার্লই তিনি সরবরাহ করতে পারেন৷ স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকের কল্যাণে মিলে যায় ‘মালদার’ ক্লাইন্টও৷ শুধু মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই নয়, সরাসরি ক্লাইট ধরতেও কলগার্লের একাংশ ফেসবুকের নিরাপদ ব্যবস্থাকেই বেছে নিয়েছে৷ অত্যাধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির হাত ধরেই কলতাতায় জাঁকিয়ে চলছে এই আধুনিক যৌন ব্যবসা৷ কলকাতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শহরতলির মেয়েরাও ফেসবুকের মাধ্যমে এইপথে রোজগার করছে৷ দীপান্বিতা নিজেকে হুগলির মেয়ে বলে পরিচয় নিয়ে ফেসবুকের বন্ধুদের আহ্বান জানাচ্ছে৷ তবে, তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন, ফেসবুকের এই প্রোফাইলটি জাল৷ সঙ্গের স্বল্পবাসের যৌনতা ভরা ছবিগুলি তাঁরই৷ এই ছবিই তাঁর ক্লাইন্ট ধরতে সুবিধা করে বলেই স্বীকার করেন৷ তিনি জানালেন, তাঁর মতো অনেক মেয়েই জাল প্রোফাইলের মাধ্যমে রোজগার করছেন৷ এতে সুবিধা হচ্ছে সরাসরি ক্লাইন্ট ধরতে পারায় ‘দালালি’ বা মধ্যস্থতাকারীকে কোনও কমিশন দিতে হয় না৷ মুনমুন-নাতাশা-দীপান্বিতাদের মতো ফেসবুকের হাজারো জাল প্রোফাইল ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলছে দেহ ব্যবসা৷ এর জন্য তাদের গিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে না হাড়কাটা গলির মোড়ে৷ অথবা শিয়ালদহ স্টেশনের সামনে৷ রীতিমতো ঘরে বসে, স্মার্টফোন হাতে পথ চলতে চলতেই মিলে যাচ্ছে ‘মালদার’ ক্লাইন্ট৷ আর রাতের কলকাতাকে করে তুলছেন আরও রঙিন৷ সত্যিকারের সাবালক হয়ে হচ্ছে ‘‘তিলোত্তমা’! < >
< > ডেস্ক এটি হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের দ্বিতীয় বৃহত্ দ্বীপ। ভৌগোলিক চরিত্রে বৈচিত্রময়। সৌন্দর্যে ভরপুর এই দ্বীপেই রয়েছে হালিয়াকালা পাহাড় এবং ওহিও গুলচ ঝর্না। নরম সাদা বালি, হিরের মতো স্বচ্ছ জল আর সামুদ্রিক হাওয়ায় দোল খাচ্ছে সবুজ পাম বা ঝাউ গাছ— এটাই আমাদের কাছে নিখুঁত একটি দ্বীপের ছবি। আপনার হনিমুনের ঠিকানা হতে পারে এমনই কোনও দ্বীপ। আপনারা যাঁরা ঘুরতে ভালবাসেন তাঁরাও চোখ বুলিয়ে নিন এই গ্যালারির পাতায়। আর ঠিক করে ফেলুন আপনার পরবর্তী ছুটির ঠিকানা। < >
বৃহস্পতিবার, 25 ফেব্রুয়ারী 2016 08:24

নেপালে বিমানের ২৩ আরোহীর ‘সবাই নিহত’

< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক নেপালে ২৩ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ পেয়েছে উদ্ধারকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানের সব আরোহী মারা গেছেন। দেশটির বেসামরিক বিমানমন্ত্রী বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন। সংসৃ্কতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমানমন্ত্রী আনন্দ প্রসাদ পোখারেল বলেছেন, টুইন ওটার নামের বিমানটির ধ্বংসাবশেষ মিয়াগদি জেলায় পাওয়া গেছে। মৃতদেহগুলো বিমানটির ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল। তাদের কাউকে এই মুহূর্তে চিহ্নিত যাচ্ছে না। তিনি বলেছেন, দুর্ঘটনাস্থলে আরো নিরাপত্তাবাহিনীকে পাঠানো হচ্ছে। আমরা আরো বেশি তথ্য জানতে চেষ্টা করছি। স্থানীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পার্বত্য জেলা মিয়াগদিতে সেনা হেলিকপ্টার ও পদাতিক বাহিনী উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। বিমানটিতে তিনজন বিমান ক্রু ও ২০ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে একজন চীন ও একজন কুয়েতের নাগরিক ছিলেন। বাকিরা নেপালের নাগরিক। এদের মধ্যে দুইটি শিশুও রয়েছে। বুধবার সকালে পোখারা থেকে উড্ডয়নের আট মিনিট পর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। তারা এয়ারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জমসনের উদ্দেশে বিমানটি উড্ডয়নের সময় আবহাওয়া ভাল ছিল। < >
বুধবার, 17 ফেব্রুয়ারী 2016 00:09

ডাকছে মায়ানমার, ঘুরে আসুন

< > ডেস্ক বাঙালি নেপাল-ভূটান যায়। অথচ মায়ানমার নিয়ে তাদের অতটা উৎসাহ নেই। দেশটা সম্পর্কে আমাদের ধারণাটাও অনেকটা ভাসা ভাসা। কিন্তু সাম্প্রতিক মায়ানমার সফরে আমাদের চোখ খুলে গেল। অনুপম স্থাপত্য আর মনমোহিনী নিসর্গ। মনে হল, সামরিক শাসনের কলঙ্ক ঘোচানোর পর পর্যটন সম্ভারে যেন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে চলেছে মায়ানমার। মৃত্যুর আড়াই হাজার বছর পরেও ভগবান বুদ্ধ নাকি থাকেন এই মায়ানমারে, এটাই এখানকার মানুষের বিশ্বাস। তাই যে দিকে চোখ যাচ্ছে সে দিকেই দেখছি বৌদ্ধমন্দির। এ বার ফ্ল্যাশব্যাক। মায়ানমার কনস্যুলেট অফিস থেকে ভিসা পেতে আমাদের এক-এক জনের খরচ হয়েছিল ১৪০০ টাকা। কলকাতা থেকে ইয়াঙ্গন সরাসরি বিমান চলাচল করে মাত্র দু-দিন। বিমানের পেটে সেঁধিয়ে যাওয়ার দু’ঘণ্টার মধ্যেই আমরা এসে পৌঁছলাম ইয়াঙ্গনে। সোনার পাতে মোড়া সোয়েডাগন প্যাগোডা, সুলে প্যাগোডা, যে বৌদ্ধমন্দিরে বুদ্ধের দাঁত সংরক্ষিত রয়েছে তার নাম সুয়ে-তা-মায়াত-পায়া, এগুলি ছাড়াও ঘুরে আসতে পারেন ইনয়া হ্রদ থেকে। স্ট্রিটফুড তো রয়েছেই, রুই-কাতলাও পাবেন, আর মিলবে মায়ানমারের বিখ্যাত সোনালি চিংড়ির দুর্দান্ত পদ। বলে রাখা ভাল, ইয়াঙ্গন-সহ মায়ানমারের যে কোনও শহরে বাড়ি, হোটেলের ঘরভাড়া ভারতীয় মুদ্রায় আঠারোশো থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে। রয়েছে দামি, বিলাসবহুল একাধিক স্টার হোটেলও। ইয়াঙ্গন থেকে প্রায় ৬২৫ কিলোমিটার দূরে ম্যান্ডেল যেতে বাসে লাগে ১০ ঘণ্টা, ট্রেনে ১২ ঘণ্টা আর বিমানে ৪৫ মিনিট। এখানে যে ম্যান্ডেলে হিলস, সেখানে বসে নাকি নির্জনে সাধনা করেছিলেন গৌতম বুদ্ধ। এখানকার বৌদ্ধমন্দিরগুলোয় যেমন স্থাপত্যশৈলী, সে রকমই বৈভব। বিশেষ করে মহামুনির মন্দির, এখানে মূর্তি সোনার তৈরি, তবে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। ম্যান্ডেলের অন্যতম প্রধান দ্রষ্টব্যগুলির মধ্যে রয়েছে সাগাইং হিলস। এখানে বৌদ্ধমন্দিরের সংখ্যা ৮৮৭। এখন আমরা বাগান শহরে, ম্যান্ডেল থেকে বাসে আসতে সময় লাগে চার ঘণ্টা আর বিমানে কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিট। বাগান মানেই ঐতিহ্য। নির্জন শান্ত নিসর্গ আর কাঠের তৈরি সুপ্রাচীন বৌদ্ধমন্দির। প্রবল ভূমিকম্পে এর অনেকগুলিই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, কিন্তু যে ক’টি রয়েছে সেখানে যেন কথা বলে ইতিহাস। শরৎ সাহিত্যের মধ্য দিয়ে তৎকালীন বর্মাকে বাঙালি জেনেছিল প্লেগের দেশ হিসেবে। এর পর নাম বদলায় সে দেশের। পরে সামরিক সরকারের হাতে পড়ে তা হয়ে ওঠে নিষিদ্ধ দেশ। কিন্তু এখন ফিরেছে গণতন্ত্র। দিন সাতেক মায়ানমারে কাটিয়ে শরীর আর মন জুড়ে এক অদ্ভুত মুগ্ধতা! নতুন নির্বাচিত সরকার যদি সামান্য উদ্যোগীও হয়, তবে নেপাল-ভুটানের পাশাপাশি এই দেশেও পর্যটকের ঢল নামবে। < >