10152019মঙ্গল
< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক বিমানের ইঞ্জিনে ঢুকে গিয়ে কর্মীর মৃত্যু সমন্বয়ের অভাবেই হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে এয়ার ইন্ডিয়া। বুধবার রাতে মুম্বই বিমানবন্দরে হায়দরাবাদগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ৬১৯-এর চলন্ত ইঞ্জিনে ঢুকে গিয়ে মৃত্যু হয় রবি সুব্রহ্মণ্যম নামে সংস্থার এক প্রবীণ কর্মীর। ঘটনাস্থলে রবির সঙ্গে ছিলেন সহকর্মী ই টি শিন্দে-ও। একটি জলজ্যান্ত মানুষকে মুহূর্তে ছিন্নভিন্ন হতে দেখে মাটিতে বসে পড়েছিলেন তিনি। তাতেই প্রাণ বেঁচে যায় তাঁর। বিমানটি ওড়ার আগে ট্যাক্সি বে ধরে রানওয়েতে যেতে গিয়েই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। ১৯৯৫ সালে হায়দরাবাদে অনেকটা এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল। অবতরণের সময় রানওয়ের অত্যন্ত কাছে চলে আসায় বিমানের ইঞ্জিনে ঢুকে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল এক নিরাপত্তাকর্মীর। তবে বিমান ওড়ার আগে এমন ঘটনা ভারতে আগে কখনও ঘটেছে বলে মনে করতে পারেননি অনেকেই। এই ঘটনায় বুধবারই বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ তদন্ত শুরু করেছে। অভ্যন্তরীণ তদন্ত করছে এয়ার ইন্ডিয়াও। এ দিন বিমান সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, ‘‘আপাতত বসিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই বিমানের পাইলট ও কো-পাইলটকে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিমান ওড়াবেন না।’’ গাফিলতি কার, তা জানতে ককপিটের ব্ল্যাকবক্স খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিমান ওড়ার আগে যে সব নিয়মকানুন মানার কথা, ওই দিন তা অক্ষরে অক্ষরে মানা হয়নি বলেই সূত্রের খবর। কী ধরনের নিয়মকানুন মেনে চলার কথা? একটি বেসরকারি বিমান সংস্থার পাইলট, ক্যাপ্টেন অরিন্দম দত্ত জানাচ্ছেন, যাত্রীরা উঠে পড়ার পর পার্কিং বে-তে দাঁড়িয়ে থাকা বিমানটিকে এগিয়ে পিছিয়ে ট্যাক্সি বে-র মুখোমুখি করিয়ে দেয় একটি ছোট গাড়ি। তাকে ‘টো-কার্ট’ বলে। বিমানের চাকায় লাগিয়ে দেওয়া হয় ধাতু বা রবারের তৈরি ত্রিভুজ আকারের ‘চোক’, যাতে বিমান গড়িয়ে না-যায়। এর পর বিমানের সামনের দিকে একটি প্লাগে হেডফোন লাগিয়ে মাইকের মাধ্যমে ককপিটে থাকা পাইলট ও কো-পাইলটের সঙ্গে কথা বলেন রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী। তিনিই পাইলটকে জানান সব ঠিক আছে কি না। তার পরে পাইলট এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এর কাছ থেকে ইঞ্জিন চালু করার অনুমতি নিয়ে থাকেন। এটিসি ‘হ্যাঁ’ বললে ফের আর এক প্রস্ত অনুমতি নিতে হয় রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের কাছে। সেই অনুমতি মেলার পরই একে একে চালু করা হয় ইঞ্জিন। এ বার এটিসি বিমানকে রানওয়েতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার পর আবার কর্মীর চূড়ান্ত সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষা করেন পাইলট। স্বাভাবিক নিয়মে তখন বিমানের আশপাশে কিছু বা কেউ আছে কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নেন কর্মীরা। তার পর প্লাগ থেকে হেডফোন খুলে বিমানের ডানা থেকে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ ফুট দূরে (ককপিটের সামনে থেকে ৪৫ ডিগ্রি ডান দিকে অথবা বাঁ দিকে) গিয়ে দাঁড়ান তাঁরা। নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে পাইলটকে বুড়ো আঙুল তুলে ‘রজার’ দেখানোর পরেই ট্যাক্সি বে ধরে এগোনো শুরু করার কথা বিমানের। সূত্রের খবর, বুধবার এই পর্বেই কয়েকটি ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব ঘটেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ই টি শিন্দের সঙ্গে দুর্ঘটনাটি নিয়ে কথা বলেছিলেন একটি বেসরকারি বিমান সংস্থার রক্ষণাবেক্ষণ ম্যানেজার প্রদীপ সিংহ রাওয়াত। প্রদীপ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনার সময় রবির পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন শিন্দে। প্রদীপের দাবি, শিন্দে তাঁকে বলেছেন— রবি ছিলেন বিমানের ডান দিকে, ইঞ্জিনের দিকে পিছন ঘুরে। চাকায় লাগানো ছিল না কোনও ‘চোক’। এটিসি থেকে রানওয়েতে যাওয়ার অনুমতি পেতেই ট্যাক্সি বে-র দিকে ঘুরতে শুরু করে বিমান। রবির হেডফোন তখনও জুড়ে বিমানের প্লাগের সঙ্গে। ইঞ্জিন ঘুরতে শুরু করে পুরোদমে। হাওয়ার সঙ্গে কানে হেডফোন সমেত রবিকে টেনে নেয় ডান দিকের ইঞ্জিনটি। পূর্ণ সম্ভাবনা ছিল, শিন্দে ঢুকে যেতে পারতেন বাঁ দিকের ইঞ্জিনে। কিন্তু রবিকে দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে মাটিতে বসে পড়ায় বেঁচে যান। প্রদীপের কাছে শিন্দের অভিযোগ, এটিসি-র অনুমতি পাওয়ার পর তাঁদের অনুমতি নেননি পাইলট, কো-পাইলটের কেউই। ট্যাক্সি বে দিয়ে যাওয়ার সময় ইঞ্জিনের যে ক্ষমতা থাকার কথা, বুধবার তার চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় ইঞ্জিন চালু করা হয়েছিল বলেও তাঁর দাবি। কর্মীদের সঙ্গে পাইলটদের সমন্বয়ের অভাবকে দায়ী করেছেন এয়ারলাইন্স অপারেটিং কমিটির চেয়ারম্যান সরবেশ গুপ্তও। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, ককপিট থেকে বিমানের সামনের চাকা অর্থাৎ নোজ হুইলের কাছাকাছি কিছু দেখা যায় না। ফলে ককপিটে উঠে যাওয়ার পর এটিসি এবং রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের অনুমতির ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে হয় পাইলট আর কো-পাইলটকে। তখন নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রাখাটা খুব জরুরি। তিনি বলেন, ‘‘কয়েকটি বিষয় নিয়ে ধন্দ রয়েই যাচ্ছে। যেমন, বিমানের চাকায় চোক লাগানো ছিল কি না। বিমান পার্কিং ব্রেকে দাঁড় করানো ছিল কি না। এটিসি-র অনুমতির পর দূরত্বে দাঁড়ানো কর্মীর ‘থাম্বস আপ’ না দেখেই পাইলট বিমান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না। সব দিক খতিয়ে দেখছে ডিজিসিএ।’’ এই ঘটনায় আগেই দুঃখপ্রকাশ করেছেন এয়ার ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান অশ্বিনী লোহিয়া। এ দিন মৃত কর্মীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ওই বিমান সংস্থায় একটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ দিন তিনি বলেন, ‘‘কার গাফিলতিতে এমন হল, তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তা স্পষ্ট বলা যাবে না। এত ভয়াবহ মৃত্যু যে ময়নাতদন্তের জন্য দেহাংশও পাঠানো যায়নি। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, নিয়মকানুন না মানার ফলেই এমন ঘটেছে।’’ < >
সান ফ্রান্সিসকো: এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমান মাঝআকাশে রহস্যজনকভাবে গতিপথ পালটে উড়ছে বলে জানিয়েছে মেল অনলাইন। বিমানটির সান ফ্রান্সিসকো উড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুক্রবার মধ্যরাতে আচমকাই ইংলিশ চ্যানেলের উপর বেশ কয়েকবার ঘুরপাক খেয়ে বিমানটি ফের প্যারিসের দিকে ফিরে যায়। বোয়িং ৭৭৭-২২৮ইআর বিমানটি প্যারিস থেকে সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার কথা ছিল। প্রথমত বিমানটি উড়তে দেরি করে প্রায় আধ ঘণ্টা। কেন এই বিলম্ব, তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি। তার উপর ইংলিশ চ্যানেলের উপর বিমানটি ইংরেজি হরফে '৮' -এর মতো আকৃতিবিশিষ্ট পথে ঘুরছিল। রেডারে বিষয়টি নজরে এসেছে। কেন বিমানটির চালক আচমকাই কোনওরকম ঘোষণা ছাড়াই ফ্রান্সের দিকে ফিরে গেল সে কথা স্পষ্ট করে জানা যায়নি। সম্ভবত মালির হোটেলে জেহাদি বন্দুকবাজের হানার খবর সম্প্রচারের পর বিমানটি গতিপথ বদলেছে। শুক্রবার থেকে এয়ার ফ্রান্সের সমস্ত বামাকোগামী বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। Kolkata.24x7
< > ডেস্ক ফ্রান্সের প্যারিসগামী দুটি যাত্রীবাহী বিমান হামলার হুমকি পাওয়ার পর স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় জরুরি অবতরণ করেছে। বিমান দুটি দেশগুলোর দুটি বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। খবর আলজাজিরা ও রয়টার্সের। ইতালি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে চলাচলকারী এয়ার ফ্রান্সের বিমান দুটি মঙ্গলবার উড্ডয়নের পরই জরুরি অবতরণ করে। এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ-৩৮০ ফ্লাইট নং ৬৫ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলস বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। হুমকি পাওয়ার পর বিমানটি সল্ট লেক সিটিতে জরুরি অবতরণ করে। ওই বিমানটিতে যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে ৪৯৭ জন আরোহী ছিল। একই দিন অন্য আরেকটি বিমান কানাডা থেকে উড্ডয়নের পর হুমকির মুখে কানাডার হ্যালিফ্যাক্সে অবতরণ করতে বাধ্য হয়। এয়ার ফ্রান্সের ০৫৫ বিমানটিতে ক্রুসহ ২৯৮ জন যাত্রী ছিল। ওই দুই বিমানের সব যাত্রী ও ক্রুকে নিরাপদে বিমানবন্দরে নামানো হয়েছে। তবে বিমান দুটিতে হামলার হওয়ার মতো কোনো আলামত পাওয়া গেছে কিনা, তাত্ক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে এয়ার ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—টেলিফোনে হামলার হুমকি পাওয়ার পর বিমান দুটিকে জরুরি-ভিত্তিতে অবতরণ করানো হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিমানের সব যাত্রী এবং তাদের লাগেজ তল্লাশি করেছে। তারা ওই ফোনকলের উত্স খুঁজে বের করারও চেষ্টা চালাচ্ছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার প্যারিস হামলায় ১৩২ জন নিহত হন। ওই হামলায় দায়িত্ব স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে ইরাক ও সিরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক স্টেট (আইএস)। < >
< > নিজস্ব প্রতিবেদক শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের সমাগমে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজধানীতে চলমান এডুমেকার ল্যাপটপ মেলা। শিক্ষার্থী, কর্মজীবিসহ সব শ্রেণীপেশার মানুষ হাজির হয়েছেন মেলায়। অভিভাবকের হাত ধরে এসেছে শিশুরাও। মূল্যছাড়, উপহারের ছড়াছড়িতে কেনাবেচাও জমে উঠেছে। শুক্রবার সকাল থেকেই ক্রেতা-দর্শনার্থীরা ভিড় করতে থাকেন মেলার স্থল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। টিকিট বুথের সামনে দীর্ঘ সারিতে দাড়িয়ে তারা টিকিট কিনছেন। এরপর সারিবদ্ধভাবে মেলায় ঢুকছেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সমাগম আরও বাড়তে থাকে। এতে স্টলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লেগে আছে। পাশাপাশি ল্যাপটপ, নেটবুক, ট্যাবসহ অন্যান্য পণ্যের বেচা-বিক্রিও ভালো হচ্ছে। বিক্রেতারাও তাদের পণ্য বিক্রি করতে পেরে খুশি বলে জানান। ল্যাপটপ মেলার প্রবেশ পথে টিকেট বুথের পাশেই এক ঝাঁক গেইমার কমিপউটার মনিটরের দিকে তাকিয়ে গেইম খেলছেন। সবার চোখে-মুখে উত্তেজনার ছাপ। বাছাই পর্ব চলছে, কে শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হবেন। চিত্রটি গেইমিং জোনের। প্রতিযোগিতায় ফিফা ১৫, কল অব ডিউটি ৪ -এই দুইটি গেইম খেলতে ‘গিগাবাইট গেইমিং প্রতিযোগিতা ২০১৫’তে অংশ নিয়েছেন দুই শতাধিক প্রতিযোগি। এতে ফিফা ১৫ গেইম চ্যামিপয়ন পাবেন ৮ হাজার টাকা এবং রানার-আপ পাবেন ৫ হাজার টাকা। কল অব ডিউটি ৪ চ্যামিপয়ন পাবেন ১২ হাজার টাকা এবং রানার আপ পাবেন ৮ হাজার টাকা। < >
< > নিজস্ব প্রতিবেদক বাংলাদেশ বিমান লোকসানের গণ্ডি পেরিয়ে লাভের মুখ দেখছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি জানান, গত ৯ মাসে ২৭৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা লাভ করেছে বিমান। বুধবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা জানান। অপর সংসদ সদস্য মো. সোহরাব উদ্দিনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটির যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা ও সেবার মান বাড়াতে নতুন প্রজন্মের চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজ ক্রয় করা হয়েছে। বোয়িং থেকে চলতি বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে দু’টি ৭৩৭-৮০০ এবং ২০১৯ ও ২০২০ সালে চারটি ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ সংগ্রহ করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান। < >
মিশরের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোর একটি শার্ম আল শেখ < > লোহিত সাগরের পাড়ে চমৎকার সমুদ্র তট, পেছনে রুক্ষ পাহাড়ের সারি—সব মিলিয়ে এক মোহনীয় সুন্দর জায়গা মিশরের অবকাশ কেন্দ্র শার্ম আল শেখ । চারিদিকে ক্যাফে, বীচ ক্লাব, হোটেল—দেখে বোঝা যায় এটা পর্যটকদের জন্যই গড়ে তোলা জায়গা। তবে এই জায়গায় এখন পর্যটকদের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মিশরের সিনাইতে রুশ পর্যটকবাহী এক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২২৪ জন আরোহী নিহত হওয়ার পর দেশটির পর্যটন শিল্প এখন বড় সংকটে। কারিগরি ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল নাকি মধ্য আকাশে বোমা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে —তদন্তকারীরা সেই প্রশ্নের মীমাংসা এখনো করতে পারেনি। কিন্তু এটি একটি সন্ত্রাসবাদী হামলা ছিল, এমন সন্দেহের ভিত্তিতে পর্যটকদের মিশরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে অনেক দেশ। আর তার প্রভাব পড়ছে এই শার্ম আল শেখেও। আহমেদ দাউইশ শার্ম আল শেখের একটি বীচ ক্লাব চালান। কিন্তু তিনি এখন শঙ্কায় আছেন। সন্ত্রাসবাদী হামলাতেই রুশ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, এমন সন্দেহের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে তার ব্যবসায়। পর্যটক আসায় ভাটা পড়েছে, অনেকেই ভয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এর মধ্যেই মিশর থেকে হাজার হাজার নাগরিককে ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে ব্রিটেন আর রাশিয়া। আহমেদ দাউইশ বলছেন, যদি এ অবস্থা আরও দুমাসের বেশি চলে, আমাদের কিন্তু অনেক লোক কমাতে হবে। অন্তত ৫০ ভাগ কর্মী ছাঁটাই করতে হবে। কারণ পর্যটকের সংখ্যা আশিভাগ কমে গেছে। এ অবস্থায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হলে এছাড়া আমাদের উপায় নেই। উইন্ড বীচে পর্যটকদের জন্য চলছে উদ্দাম পার্টি। কিন্তু সাগর তীরে রোদ পোহানোর জন্য সাজিয়ে রাখা খাটগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। সংকটটা কত বড়, এ থেকেই বোঝা যায়। বছরের এ সময়টাই এখানে পর্যটকে গিজ গিজ করার কথা, কিন্তু সাগরতীরের শূন্যতা ভরাচ্ছে কেবল সঙ্গীত। তবে অনেকে আশাবাদী, একসময় তারা এই সংকট আবার কাটিয়ে উঠতে পারবেন। একটি বীচ ক্লাবের মালিক আদলি আসমাতাকাউই মনে করেন, তারা এবারও এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবেন। তিনি বলছেন, আমি মোটেই চিন্তিত নই। এর আগেও এরকম সংকটের ভেতর দিয়ে আমরা গেছি। উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়, ২০০৫ সালের সন্ত্রাসবাদী হামলার সময়, এবং আরব বসন্তের বিপ্লবের সময়। তখন তো রাস্তায় পুলিশ পর্যন্ত ছিল না। তার মধ্যেও তো আমরা বেঁচে আছি। আকাশে উড়ে যাওয়া প্রতিটি বিমানে করে এখন পর্যটকরা দলে দলে মিশর ছাড়ছে। নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না দেয়া পর্যন্ত এদের যে ফিরিয়ে আনা যাবে না, সেটা এখন মিশরের সরকারও বুঝতে পারছে।bbc < >
< /> নিজস্ব প্রতিবেদক ল্যাপটপ প্রদর্শনী ও বিকিকিনি নিয়ে দেশে এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় আয়োজন 'এডুমেকার ল্যাপটপ মেলা-২০১৫' শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিন দিনব্যাপী এ মেলায় অংশ নিচ্ছে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। মেলা আয়োজক প্রতিষ্ঠান এক্সপো মেকারের ১৬তম এই ল্যাপটপ মেলায় ৭টি প্যাভিলিয়ন, ১৩টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ৪৯ স্টলে সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করতে হাজির হবে এসব বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান। মেলা উপলক্ষ্যে পণ্যে মূল্যছাড় ও উপহার থাকবে। অনুষ্ঠিত হবে ৪টি সেমিনার ও কর্মশালা। আছে গেইমিং প্রতিযোগিতা। সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মেলার আয়োজন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, এবারের মেলায় এসার, আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো, তোশিবা, সনি, টুইনমস, গিগাবাইট, ডিলাক্স, এক্সট্রিম, লজিটেক, ডিলিংক, আইনল, শাওমি, এইচটিএস, মাইক্রোল্যাব, প্রেস্টিজিও, ইসেট অ্যান্টিভাইরাস, সিস ইনফ্লেক্সিয়ন পয়েন্ট ব্র্যান্ডের পণ্য পাওয়া যাবে। মেলায় অংশ নিচ্ছে স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেড, গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা:) লিমিটেড, কম্পিউটার সোর্স, ফ্লোরা লিমিটেড, লেনোভো, এইচটিএস, গ্যাজেট গ্যাং সেভেন, ডিএক্স জেনারেশন, মাইক্রোল্যাব, কম্পিউটার ভিলেজ, এজিডি আইটি সল্যুউশনস, বিট্রাক টেকনোলজিস লিমিটেডসহ আরো কিছু প্রতিষ্ঠান। প্রদর্শনীতে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ইন্টারনেট সিকিউরিটি পণ্য ও ল্যাপটপের আনুসঙ্গিক গ্যাজেটও পাওয়া যাবে। মোড়ক উম্মোচিত হবে বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপের। এক্সপো মেকারের পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসনাইন সিদ্দিকী জানান, ২০০৮ সাল থেকে প্রতিবছর এই মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। পূর্বের মেলাগুলোতে শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্মসহ সকলের অংশগ্রহণ ছিলো প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। কলেবর বৃদ্ধির পাশাপাশি এবারের মেলাকে বরাবরের মতোই আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ব্র্যান্ডের চেয়ারম্যান আবদুল ফাত্তাহ, এইচপির রিটেইল অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার সালাউদ্দিন মোহাম্মদ আদেল, আসুসের কান্ট্রি প্রোডাক্ট ম্যানেজার মো. আল ফুয়াদ, এক্সিকিউটিভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ডিজিএম বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এম.কে.পাশা খান ও ডেলের বিপণন প্রধান প্রতাপ সাহাসহ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এক্সপো মেকার জানায়, মেলা নিয়ে ইতোমধ্যে ফেইসবুকের অফিসিয়াল ইভেন্ট পেইজে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আগ্রাহীরা এই ঠিকানায় গিয়ে এই কুইজে অংশ নিয়ে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, স্মার্টফোনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নিতে পারবেন। এবারের মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ‘এডুমেকার’। সহ-পৃষ্ঠপোষক ল্যাপটপ ব্র্যান্ড এসার, আসুস, ডেল, এইচপি ও লেনোভো। মেলার টিকিট বুথ পার্টনার ই-স্ক্যান অ্যান্টিভাইরাস, রেডিও পার্টনার পিপলস রেডিও এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেক ও টেলিকমবিষয়ক নিউজ পোর্টাল টেকশহরডটকম। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। তবে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কিংবা পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবে। প্রতিবন্ধীরাও বিনামূল্যে প্রবেশের এই সুযোগ পাবেন। এক্সপো মেকারের কৌশলগত পরিকল্পনাকারী মুহাম্মদ খান জানান, মেলায় বিক্রিত টিকিটের টাকা দৈনিক কালের কন্ঠের সাব-এডিটর লতিফুল হকের চিকিৎসায় প্রদান করা হবে। তিনি দূরারোগ্য লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাঁর এই রোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁর চিকিৎসা কাজে প্রায় ৪০ লাখ টাকা প্রয়োজন। এডুমেকার ল্যাপটপ মেলার সব আপডেট ও খবর ল্যাপটপ মেলার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ : facebook.com/laptopfair.bd এবং techshohor.com এ পাওয়া যাবে। < />
সোমবার, 26 অক্টোবার 2015 09:23

সুন্দরবন ভ্রমণ মৌসুম শুরু

সংবাদদাতা সুন্দরবনে বেড়াতে যাওয়ার মৌওসুম শুরু হয়েছে, চলবে যা এপ্রিল পর্যন্ত জমজমাট আমেজে, যদিও সারাবছরই সেখানে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সুন্দরবনে ভ্রমণ অন্যকোনো পর্যটনের চেয়ে ভিন্ন ও অনন্য। বনবিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে এখানে ভ্রমণে যেতে হয় তাদের আদেশ-নিষেধ মেনে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সুন্দরবন একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সুন্দরবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য। অভয়ারণ্যের বাইরেও বন্যপ্রাণীদের অবাধ বিচরণ রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান এবং বিকাশমান পর্যটন শিল্পের অতিরিক্ত চাপে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের যাতে ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিত করতে সুন্দরবন ভ্রমণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে বনবিভাগ। গত বছর ডিসেম্বর মাসে প্রণীত এ ভ্রমণ নীতিমালার উদ্দেশ্য, মূখ্য বিষয় এবং পর্যটক, ট্যুর অপারেটর ও বনবিভাগের দায়িত্ব এখানে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। নীতিমালায় সুন্দরবন ভ্রমণের নির্ধারিত ও আটটি রুট হচ্ছেঃ খুলনা ও বাগেরহাট জেলার মংলা-করমজল-হারবাড়ীয়া-মংলা- (১ দিনের জন্য), মংলা-হারবাড়ীয়া-হিরণপয়েন্ট-দুবলা-মংলা (১-২ দিনের জন্য), মংলা-ঢাংমারী-সুপতি-কচিখালী-কটকা-মংলা (২-৩ দিনের জন্য) ও মংলা-ঢাংমারী-সুপতি-কচিখালী-কটকা-দুবলা-হিরণ পয়েন্ট (নীলকমল)-হারবাড়ীয়া-মংলা (৩-৪ দিনের জন্য), পিরোজপুর জেলার সুপতি-কচিখালী-কটকা-সুপতি (২-৩ দিন) ও সুপতি-কচিখালী-কটকা-দুবলা-হিরণপয়েন্ট (নীলকমল)-সুপতি এবং সাতক্ষীরা জেলার মুন্সীগঞ্জ-দোবেকী-কলাগাছিয়া- বুড়িগোয়ালিনী/মুন্সীগঞ্জ (১ দিন) ও বুড়িগোয়ালিনী-দোবেকী-কাগাদোবেকী-হিরণপয়েন্ট-বুড়িগোয়ালিনী/মুন্সীগঞ্জ (১-২ দিন)। অভয়ারণ্য ব্যতীত সুন্দরবনে পর্যটকদের ভ্রমণ ফি ও অন্যান্য ফি হচ্ছেঃ প্রতিজন প্রতিদিন দেশি-৭০/-, বিদেশি-১০০০/- ১২ বছরের নিচে শিশু-১৫/-, করমজল/ সমমান (কলাগাছিয়া)– দেশি-২০/-, বিদেশি-৩০০/- ১২ বছরের নিচের শিশু (দেশি) - ১০/-, ছাত্র/ছাত্রী-দেশি-২০/-, গবেষক-দেশি-২০/-বিদেশি-৫০০/-, লঞ্চ ক্রু-৭০/-,গাইড-৫০০/-, নিরাপত্তা গার্ড-৩০০/- ভিডিও ক্যামেরা দেশি পর্যটক-২০০/-, বিদেশি-৩০০/-ও তথ্য কেন্দ্রে প্রবেশ ফি-১০/-। অভয়ারণ্য এলাকা-প্রতিজন-প্রতিদিন দেশি-১৫০/-, দেশি ছাত্র/ছাত্রী-৩০/- বিদেশি -১৫০০/- ও ১২ বছরের নিচের শিশু ১০/-। সুন্দরবন ভ্রমণে খুলনা ও বাগেরহাটে সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম দুটি বিভগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কমপক্ষে তিনদিন আগে অনুমতি নিতে হয়। যাদের টেলিফোন নং খুলনা-০৪১-৭২০৬৬৫ ও মোবাইল-০১৭১১৫৮১৪২৯ এবং বাগেরহাট-০৪৬৮-৬৩১৯৭ ও মোবাইল -০১৭১০৯৩৪৩৬৩। ভ্রমণ কর দিয়ে যে সব স্টেশন পশ্চিম বিভাগের খুলনা রেঞ্জের তালিমপুর, কাশিয়াবাদ, বানিয়াখালী, নলিয়ান, কালাবগী ও সুতারখালী এবং সাতক্ষীরা রেঞ্জের কৈখালী, কদমতলা বুড়িগোয়ালিনী ও কোবাদক। পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী, চাঁদপাই, জিউধরা ও ধানসাগর এবং শরণখোলা রেঞ্জের শরণখোলা, বগী ও সুপতি। সুন্দরবনের ভেতরে অবস্থিত বিশ্রামাগারের প্রতিদিনের ভাড়া কটকা-প্রতি কক্ষ- পর্যটক দেশি ২০০০/- ও বিদেশি-৫০০০/-, সম্পূণর্ন-দেশি-৪০০০/- বিদেশি-১০,০০০/-, কচিখালী প্রতিকক্ষ-দেশি-৩০০০/- ও বিদেশি-৫০০০/-, সম্পূর্ণ-দেশি-১০,০০০/- ও বিদেশি-১৫০০০/- এবং নীলকমল (হিরণ পয়েন্ট)- প্রতিকক্ষ-দেশি-৩০০০/- ও বিদেশি-৫০০০/-, সম্পূর্ণ-দেশি-১২০০০/- ও বিদেশি-২০,০০০/। যানবাহন ফি যেমন হেলিকপ্টার, সিপ্লেন, লঞ্চ, ট্রলার, স্পিডবোট, জলী বোট (ট্যুরিস্টবোট) ইত্যাদি আকারভেদে বিভিন্ন হারের। S
সংবাদ সংস্থা সাঁতার কাটার খুব ইচ্ছে আপনার। কিন্তু সংক্রমের ভয়ে এগোতে সাহস পাচ্ছেন না। আর চিন্তা নেই। বিকিনি পরে নামুন। গায়ে একটুও ময়লা লাগবে না। স্রেফ বিকিনিতেই পরিষ্কার হবে জলের নোংরা! কী ভাবে? ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার এক দল গবেষকের সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। এক বিশেষ ধরনের থ্রি-ডি প্রিন্টেড বিকিনি পরে জলে সাঁতার কাটতে নামলে নাকি জলের সব ময়লা গায়ে লাগবে না। বোর্নস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার মিহরি ওজকান জানিয়েছেন, ‘‘খুব ভাল মেটিরিয়ালে তৈরি এই বিকিনি পরিবেশের জন্য একেবারেই ক্ষতিকর নয়। তবে তৈরি করাটা বেশ খরচসাপেক্ষ।’’ চার বছর আগে এই বিশেষ ধরনের বিকিনি তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়। অবশেষে সাফল্য এল বলেই দাবি গবেষকদের। এই সুইম স্যুট পরে সাঁতার কাটলে জলে মিশে থাকা যে কোনও ধরনের ময়লা ও তেল পিউরিফাই হয়ে যায়৷ এটি যেমন জল শুষে নিতে পারে, ঠিক তেমনই যে কোনও ধরনের সংক্রমণ আটকাতে পারে৷ আবার কয়েকবার ব্যবহারের পর প্যাডও বদলে ফেলতে পারেন
নিজস্ব প্রতিবেদক চলতি হজ্জ মৌসুমে পবিত্রভূমি মক্কায় হজ্জ পালন শেষে ফিরতি হজ্জ-ফ্লাইট কার্যক্রমের আওতায় আজ পর্যন্ত ৬৮হাজার ৯শ’ ৫১ জন হাজী দেশে ফিরেছেন। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৯০টি হজ্জ-ফ্লাইটে ৩৫ হাজার ৮শ’ ৪৮ জন হাজী, ৭৭টি ডেডিকেটেড ও ১৩টি শিডিউল ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনে। অবশিষ্ট ৩৩ হাজার ১০৩ জন হাজী সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন। আজ বিমানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানায়, আজ আরও ২টি বিমানের হজ্জ-ফ্লাইটে হাজীরা দেশে ফিরবেন। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এই পোষ্ট হজ্জ-ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৪,৮৪৫ জন হাজীকে জেদ্দা-ঢাকা রুটে বাংলাদেশে নিয়ে আসবে। তন্মধ্যে ২৭৪২ জন ব্যালটি হাজী অবশিষ্ট ৫২,১০৩ জন নন-ব্যালটি হাজী। ডেডিকেটেড ও শিডিউল ফ্লাইট মিলিয়ে বর্ণিত সময়ে বিমান মোট ১৪০টি হজ্জ-ফ্লাইট পরিচালনা করবে। অবশিষ্ট হাজীগণা আগামী ২৮ অক্টোবরের মাধ্যে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এ বছর সরকারী ব্যবস্থাপনায় ২৭৪২ জন হজ্জ-যাত্রীসহ মোট ১০৭,২৯০ হজ্জ-যাত্রী হজ্জব্রত পালনে সৌদি আরব গেছেন। বিমান ১১৯টি ডেডিকেটেড ও ৩৩টি শেড্যুল ফ্লাইটসহ ১৫২টি ফ্লাইটের মাধ্যমে মোট ৫৪,৮৪৫ জন হজ্জ-যাত্রী পরিবহন করে। আগামী ২৮ অক্টোবর সর্বশেষ ফিরতি হজ্জ-ফ্লাইট পরিচালিত হবে। উল্লেখ্য, গত ১৬ আগষ্ট বিমান বাংলদেশ এয়ারলাইন্সের ‘হজ্জ-ফ্লাইট কার্যক্রম-২০১৫’-এর শুভারম্ভ হয়।