08192019সোম
< > ডেস্ক ফেসবুকের জাল প্রোফাইলের অন্তরালে দেহ ব্যবসার জাল ছড়িয়েছে মহানগরে৷ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে ‘আন-সোশ্যাল’ কর্মকাণ্ড ছড়িয়েছে শহরতলিতেও৷ আর এর হাত ধরেই আক্ষরিক অর্থে কলকাতা হয়ে উঠেছে ‘তিলোত্তমা’ আধুনিকতায় এবং লাগামছাড়া জীবনযাপনে৷ কিন্তু, সাদা চোখের এই অপরাধ রোধে অপরাগ পুলিশ-প্রশাসন৷ কারণ, অভিযোগ না পেলে পুলিশের কিছুই করার নেই৷ এমনটাই অপরাগতার কথা জানালেন কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম সেলের এক আধিকারিক৷ তাঁর কথায়, কোনও ইউজার অভিযোগ করলেই পুলিশ জাল প্রোফাইলকে ডি-অ্যাক্টিভ করার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করতে পারে৷ পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাজ্য-রাজধানীর বুকে কীভাবে চলছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কলগার্লের ব্যবসা? ফেসবুক ফ্রেন্ডস ফাইন্ডারে মুনমুন নাম তালাশ করলেই, সাদা পাতিয়ালা পরনে, টালিগঞ্জেক এক মহিলাকে পাওয়া যাবে৷ গৃহবধূ বলে পরিচয় দেওয়া এই ফেসবুক ইউজার নিজের ওয়ালেই স্বীকার করেছেন, তিনি দেহ ব্যবসা করেন৷ এই জাল ইউজার আদতে একজন যুবক৷ ফেসবুকের মাধ্যমে কলগার্ল সরবরাহ করেন সুদূর হায়দরাবাদ থেকে এই শহর কলকাতাতেও৷ ফেসবুকের ‘দেওয়াল’ এবং ইনবক্স চ্যাটের মাধ্যমেই তিন মহিলা সংগ্রহ করেন, ক্লাইন্ট ধরেন৷ নিশ্চিন্ত এবং নিরাপদে৷ মুনমুনের মতো পুনের নাতাশাও ফেসবুকের মাধ্যমেই কলকাতায় কলগার্লের ব্যবসা জাঁকিয়ে বসেছেন৷ তবে, তার ক্লাইন্ট ধরার পদ্ধতিটা একটু অন্য ধরনের৷ এই জাল প্রোফাইলের সঙ্গে বন্ধুত্বস্থাপনের পর অনলাইন চ্যাটের মাধ্যমে সে পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেয়৷ধীরে ধীরে সেই আলাপ পৌঁছয় যৌনতা প্রসঙ্গে৷ এরপরেই কলগার্ল সরবরাহ করার হাতছানি মেলে৷ ১৬ থেকে ৪০-এর কলেজ পড়ুয়া কিংবা গৃহবধূ, সব ধরনের কলগার্লই তিনি সরবরাহ করতে পারেন৷ স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকের কল্যাণে মিলে যায় ‘মালদার’ ক্লাইন্টও৷ শুধু মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই নয়, সরাসরি ক্লাইট ধরতেও কলগার্লের একাংশ ফেসবুকের নিরাপদ ব্যবস্থাকেই বেছে নিয়েছে৷ অত্যাধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির হাত ধরেই কলতাতায় জাঁকিয়ে চলছে এই আধুনিক যৌন ব্যবসা৷ কলকাতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শহরতলির মেয়েরাও ফেসবুকের মাধ্যমে এইপথে রোজগার করছে৷ দীপান্বিতা নিজেকে হুগলির মেয়ে বলে পরিচয় নিয়ে ফেসবুকের বন্ধুদের আহ্বান জানাচ্ছে৷ তবে, তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন, ফেসবুকের এই প্রোফাইলটি জাল৷ সঙ্গের স্বল্পবাসের যৌনতা ভরা ছবিগুলি তাঁরই৷ এই ছবিই তাঁর ক্লাইন্ট ধরতে সুবিধা করে বলেই স্বীকার করেন৷ তিনি জানালেন, তাঁর মতো অনেক মেয়েই জাল প্রোফাইলের মাধ্যমে রোজগার করছেন৷ এতে সুবিধা হচ্ছে সরাসরি ক্লাইন্ট ধরতে পারায় ‘দালালি’ বা মধ্যস্থতাকারীকে কোনও কমিশন দিতে হয় না৷ মুনমুন-নাতাশা-দীপান্বিতাদের মতো ফেসবুকের হাজারো জাল প্রোফাইল ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলছে দেহ ব্যবসা৷ এর জন্য তাদের গিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে না হাড়কাটা গলির মোড়ে৷ অথবা শিয়ালদহ স্টেশনের সামনে৷ রীতিমতো ঘরে বসে, স্মার্টফোন হাতে পথ চলতে চলতেই মিলে যাচ্ছে ‘মালদার’ ক্লাইন্ট৷ আর রাতের কলকাতাকে করে তুলছেন আরও রঙিন৷ সত্যিকারের সাবালক হয়ে হচ্ছে ‘‘তিলোত্তমা’! < >
< > ডেস্ক এটি হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের দ্বিতীয় বৃহত্ দ্বীপ। ভৌগোলিক চরিত্রে বৈচিত্রময়। সৌন্দর্যে ভরপুর এই দ্বীপেই রয়েছে হালিয়াকালা পাহাড় এবং ওহিও গুলচ ঝর্না। নরম সাদা বালি, হিরের মতো স্বচ্ছ জল আর সামুদ্রিক হাওয়ায় দোল খাচ্ছে সবুজ পাম বা ঝাউ গাছ— এটাই আমাদের কাছে নিখুঁত একটি দ্বীপের ছবি। আপনার হনিমুনের ঠিকানা হতে পারে এমনই কোনও দ্বীপ। আপনারা যাঁরা ঘুরতে ভালবাসেন তাঁরাও চোখ বুলিয়ে নিন এই গ্যালারির পাতায়। আর ঠিক করে ফেলুন আপনার পরবর্তী ছুটির ঠিকানা। < >
বৃহস্পতিবার, 25 ফেব্রুয়ারী 2016 08:24

নেপালে বিমানের ২৩ আরোহীর ‘সবাই নিহত’

< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক নেপালে ২৩ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ পেয়েছে উদ্ধারকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানের সব আরোহী মারা গেছেন। দেশটির বেসামরিক বিমানমন্ত্রী বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন। সংসৃ্কতি, পর্যটন ও বেসামরিক বিমানমন্ত্রী আনন্দ প্রসাদ পোখারেল বলেছেন, টুইন ওটার নামের বিমানটির ধ্বংসাবশেষ মিয়াগদি জেলায় পাওয়া গেছে। মৃতদেহগুলো বিমানটির ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল। তাদের কাউকে এই মুহূর্তে চিহ্নিত যাচ্ছে না। তিনি বলেছেন, দুর্ঘটনাস্থলে আরো নিরাপত্তাবাহিনীকে পাঠানো হচ্ছে। আমরা আরো বেশি তথ্য জানতে চেষ্টা করছি। স্থানীয় প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পার্বত্য জেলা মিয়াগদিতে সেনা হেলিকপ্টার ও পদাতিক বাহিনী উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। বিমানটিতে তিনজন বিমান ক্রু ও ২০ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে একজন চীন ও একজন কুয়েতের নাগরিক ছিলেন। বাকিরা নেপালের নাগরিক। এদের মধ্যে দুইটি শিশুও রয়েছে। বুধবার সকালে পোখারা থেকে উড্ডয়নের আট মিনিট পর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। তারা এয়ারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জমসনের উদ্দেশে বিমানটি উড্ডয়নের সময় আবহাওয়া ভাল ছিল। < >
বুধবার, 17 ফেব্রুয়ারী 2016 00:09

ডাকছে মায়ানমার, ঘুরে আসুন

< > ডেস্ক বাঙালি নেপাল-ভূটান যায়। অথচ মায়ানমার নিয়ে তাদের অতটা উৎসাহ নেই। দেশটা সম্পর্কে আমাদের ধারণাটাও অনেকটা ভাসা ভাসা। কিন্তু সাম্প্রতিক মায়ানমার সফরে আমাদের চোখ খুলে গেল। অনুপম স্থাপত্য আর মনমোহিনী নিসর্গ। মনে হল, সামরিক শাসনের কলঙ্ক ঘোচানোর পর পর্যটন সম্ভারে যেন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে চলেছে মায়ানমার। মৃত্যুর আড়াই হাজার বছর পরেও ভগবান বুদ্ধ নাকি থাকেন এই মায়ানমারে, এটাই এখানকার মানুষের বিশ্বাস। তাই যে দিকে চোখ যাচ্ছে সে দিকেই দেখছি বৌদ্ধমন্দির। এ বার ফ্ল্যাশব্যাক। মায়ানমার কনস্যুলেট অফিস থেকে ভিসা পেতে আমাদের এক-এক জনের খরচ হয়েছিল ১৪০০ টাকা। কলকাতা থেকে ইয়াঙ্গন সরাসরি বিমান চলাচল করে মাত্র দু-দিন। বিমানের পেটে সেঁধিয়ে যাওয়ার দু’ঘণ্টার মধ্যেই আমরা এসে পৌঁছলাম ইয়াঙ্গনে। সোনার পাতে মোড়া সোয়েডাগন প্যাগোডা, সুলে প্যাগোডা, যে বৌদ্ধমন্দিরে বুদ্ধের দাঁত সংরক্ষিত রয়েছে তার নাম সুয়ে-তা-মায়াত-পায়া, এগুলি ছাড়াও ঘুরে আসতে পারেন ইনয়া হ্রদ থেকে। স্ট্রিটফুড তো রয়েছেই, রুই-কাতলাও পাবেন, আর মিলবে মায়ানমারের বিখ্যাত সোনালি চিংড়ির দুর্দান্ত পদ। বলে রাখা ভাল, ইয়াঙ্গন-সহ মায়ানমারের যে কোনও শহরে বাড়ি, হোটেলের ঘরভাড়া ভারতীয় মুদ্রায় আঠারোশো থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে। রয়েছে দামি, বিলাসবহুল একাধিক স্টার হোটেলও। ইয়াঙ্গন থেকে প্রায় ৬২৫ কিলোমিটার দূরে ম্যান্ডেল যেতে বাসে লাগে ১০ ঘণ্টা, ট্রেনে ১২ ঘণ্টা আর বিমানে ৪৫ মিনিট। এখানে যে ম্যান্ডেলে হিলস, সেখানে বসে নাকি নির্জনে সাধনা করেছিলেন গৌতম বুদ্ধ। এখানকার বৌদ্ধমন্দিরগুলোয় যেমন স্থাপত্যশৈলী, সে রকমই বৈভব। বিশেষ করে মহামুনির মন্দির, এখানে মূর্তি সোনার তৈরি, তবে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। ম্যান্ডেলের অন্যতম প্রধান দ্রষ্টব্যগুলির মধ্যে রয়েছে সাগাইং হিলস। এখানে বৌদ্ধমন্দিরের সংখ্যা ৮৮৭। এখন আমরা বাগান শহরে, ম্যান্ডেল থেকে বাসে আসতে সময় লাগে চার ঘণ্টা আর বিমানে কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিট। বাগান মানেই ঐতিহ্য। নির্জন শান্ত নিসর্গ আর কাঠের তৈরি সুপ্রাচীন বৌদ্ধমন্দির। প্রবল ভূমিকম্পে এর অনেকগুলিই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, কিন্তু যে ক’টি রয়েছে সেখানে যেন কথা বলে ইতিহাস। শরৎ সাহিত্যের মধ্য দিয়ে তৎকালীন বর্মাকে বাঙালি জেনেছিল প্লেগের দেশ হিসেবে। এর পর নাম বদলায় সে দেশের। পরে সামরিক সরকারের হাতে পড়ে তা হয়ে ওঠে নিষিদ্ধ দেশ। কিন্তু এখন ফিরেছে গণতন্ত্র। দিন সাতেক মায়ানমারে কাটিয়ে শরীর আর মন জুড়ে এক অদ্ভুত মুগ্ধতা! নতুন নির্বাচিত সরকার যদি সামান্য উদ্যোগীও হয়, তবে নেপাল-ভুটানের পাশাপাশি এই দেশেও পর্যটকের ঢল নামবে। < >
মঙ্গলবার, 16 ফেব্রুয়ারী 2016 23:53

সম্রাটদের সুন্দরীরা

< > বিনোদন ডেস্ক ইরিনা শায়ক। বয়ফ্রেন্ডের নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। সে ভাবে দেখতে গেলে এঁদের বেশির ভাগকেই কেউ চেনেন না। তবে একডাকে চেনেন এঁদের সুপার গ্ল্যামারাস, সুপার অ্যাচিভার স্বামী বা বয়ফ্রেন্ডদের। কারও কারও অবশ্য বিচ্ছেদও হয়ে গিয়েছে। তবে যখন সম্পর্ক ছিল তখন উঠে বার বার হয় উঠে এসেছিলেন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে, অথবার পাপারাত্‌জিদের ক্যামেরায়। এই গ্যালারিতে চিনে নিন বিশ্বের তারকা খেলোয়াড়ের প্রেমিকা বা স্ত্রীদের। < >
< > নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক পাইরেটেড বই বিক্রি করার অভিযোগে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ‘রঙিনফুল’ ও ‘নীলপরী নামে দুটি স্টল বন্ধ করে দিয়েছে বাংলা একাডেমি। রবিবার সন্ধ্যায় মেলার বাংলা একাডেমি অংশে কপিরাইট টাস্কফোর্সের অভিযান থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। টাস্কফোর্সের প্রধান মনজুরুর রহমান জানান, “মোটু পাতলুসহ বিভিন্ন নামে রঙিন ফুল বিদেশি বই পাইরেসি করে বিক্রি করছে। আবার তাদেরই কয়েকটি পাইরেটেড বই ‘নীলপরী’র স্টলে বিক্রি হতে দেখা যায়। এ কারণে দু’টি স্টলকেই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।” এর আগে নবম দিন মঙ্গলবার পাইরেটেড বই বিক্রির কারণে মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের ‘ঐক্য প্রকাশনী’র স্টল বন্ধ করা হয়েছিল। < >
শনিবার, 13 ফেব্রুয়ারী 2016 21:08

ফের চালু হচ্ছে ইরান-জাপান বিমান

< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক জাপান ও ইরানের মধ্যে বিমান চালুর বিষয়ে টোকিওর সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিল তেহরান। ইরানের জাতীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ারসহ আরও কয়েকটি এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যে এই আলোচনা চালাচ্ছে। ইরান এয়ার চাইছে-তেহরান ও টোকিও’র নারিতা বিমানবন্দরের মধ্যে সপ্তাহে অন্তত একটি ফ্লাইট চালু হোক। পরমাণু ইস্যুতে ২০১২ সালে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ইরান জাপানের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়। ইরানের সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবর মোতাবেক, আগামী বছরের মধ্যে দু দেশের মধ্যে ফ্লাইট চালু হতে পারে। তবে, আশা করা হচ্ছে শিগগিরি দুপক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে যার আওতায় দু দেশের মধ্যে সরাসরি বিমানের ফ্লাইট চালু হবে এবং ইরানের কয়েকটি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনও কিছু চূড়ান্ত হয় নি। ১৯৮০ সালে ইরানে সরাসরি বিমানের ফ্লাইট পাঠানো স্থগিত করে দেয় জাপান। < >
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক ঘন কুয়াশার কারণে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। বিমানবন্দর থেকে যেমন নির্ধারিত সময়ে কোনো ফ্লাইট উড়তে পারছে না, তেমনি নামার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে আকাশে চক্কর দিতে হচ্ছে একাধিক ফ্লাইটকে। বিমানবন্দর সূত্র বলছে, রবিবার ভোরে নির্ধারিত একাধিক ফ্লাইট শাহজালালে নামতে ব্যর্থ হয়ে এখনও আকাশে উড়ছে। এছাড়া, যে ফ্লাইটগুলোর ভোরে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা সে ফ্লাইটগুলোকেও ওড়ার সময় পেছাতে হয়েছে। যেমন- রবিবার দুবাইয়ের এফজেড৫৮৭ ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১৬ মিনিটে দুবাই থেকে ছেড়ে আসে। ভোর ৬টা ২ মিনিটে ফ্লাইটটির শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার কথা থাকলেও কয়েক দফায় চক্কর দিয়ে ব্যর্থ হয়ে উড়ে যেতে দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জের আকাশে।
কক্সবাজার সংবাদদাতা বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে উত্সবে দিন কাটাচ্ছে পর্যটকরা। সমুদ্র সৈকতে দিনব্যাপী নানা আয়োজন উপভোগ করে লাখো পর্যটক ছিল উত্সবে উচ্ছ্বসিত। সরকার ঘোষিত পর্যটন বর্ষ উপলক্ষে সৈকতের বালিয়াড়িতে আয়োজিত মেগা বিচ কার্নিভালকে কেন্দ্র করে চলছে এ উচ্ছ্বাস। ৩ দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্নিভাল গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় হট এয়ার বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়। সৈকতের বালিয়াড়িতে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল নানা আয়োজন। সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে শুরু করে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত এ আয়োজনে উচ্ছ্বসিত ছিল লক্ষাধিক পর্যটক ও অর্ধলক্ষাধিক স্থানীয় লোকজন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি প্রতিযোগিতা, ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচ, বালু ভাস্কর্য, সাইক্লিং, লায়ন ড্যান্স, মাইক্রো লাইট এয়ারক্রাফট, সেইলবোট, প্যারাসেইলিন, ফানুস উড়ানোসহ দৃষ্টিনন্দন আয়োজন ছিল উপভোগের মতো। সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বিচ কার্নিভাল মঞ্চে রাখাইন নৃত্য ছাড়াও ছিল সঙ্গীত অনুষ্ঠান ও কার্নিভালের অংশ হিসেবে সৈকতে কনসার্ট ও ঘুড়ি উত্সব উদ্যাপন করা হয় । সঙ্গীত অনুষ্ঠানে দেড় লক্ষাধিক মানুষকে মাতিয়ে তুলেছেন ফকির শাহাবউদ্দিন, শফি মণ্ডল, ভাইকিংস, চিরকুট, আঁখি আলমগীর ও এলআরবির আইয়ুব বাচ্চুর মতো শিল্পীরা। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বর্ষবরণকে ঘিরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এখন পর্যটকসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকের আনাগোনায় কক্সবাজার এখন উত্সব-নগরী। জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, কার্নিভাল ও থার্টি ফার্স্ট নাইটকে ঘিরে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন লক্ষাধিক পর্যটক। কক্সবাজারের সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল এখন পর্যটকে ভরপুর। কক্সবাজারের পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে আনাগোনা চলছে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পর্যটক আকর্ষণের জন্য ‘কার্নিভাল’-এর মতো আয়োজন থাকায় কক্সবাজার হয়ে উঠবে দেশের পর্যটন শিল্পের ব্র্যান্ড। পর্যটন বর্ষ-২০১৬ উদ্যাপনে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হবে কক্সবাজারে। যেটি ‘ইভেন্ট’ ভিত্তিক সারা বছরই আয়োজন করার পরিকল্পনা চলছে
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক প্রতিবছরের মতো এবারো নতুন বছরের প্রথম দিন রাজধানীতে শুরু হলো ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। শুক্রবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মেলার ২১তম আসরের উদ্বোধন করেন। পরে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। পণ্যের মানোন্নয়ন ও ব্র্যান্ডিংয়ের দিকে দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিল্পোদক্তাসহ সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পণ্যের বহুমুখীকরণ করতে হবে। আমাদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য বিশ্বে বাজার খুঁজতে হবে। কোন দেশে কোন পণ্যের চাহিদা বেশি, তা বিবেচনা করে উৎপাদন ও রপ্তানির পরিকল্পনার ওপর জোর দেন সরকারপ্রধান। সেই সঙ্গে শিল্পের প্রক্রিয়াজাতকরণে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত এবারের মেলায় বিশ্বের পাঁচ মহাদেশের ২২টি দেশের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। সাতটি দেশ বাংলাদেশের এ মেলায় এসেছে এবারই প্রথম। মাসব্যাপী এ মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে। প্রাপ্তবয়স্করা ৩০ টাকায় এবং শিশু ও কিশোররা ২০ টাকায় টিকিট কিনে মেলায় ঢুকতে পারবেন। গতবছর এ মেলায় ৮৫ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। তার আগের বছর পাওয়া যায় ৮০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ। বিদেশিদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এবার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এবার নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। মেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ১০০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অন্যান্য বারের মতো মেলায় থাকছে পুলিশ, র‌্যাব, আনসারের পাশাপাশি বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। এবারের মেলায় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, হংকং, জাপান, আরব আমিরাত, মরিশাস, ঘানা, মরক্কো ও ভুটানসহ ২২টি দেশ অংশ নিচ্ছে। মেলায় ১৩টি ক্যাটাগরিতে থাকছে- সাধারণ প্যাভিলিয়ন, সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন, প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, বিদেশি প্যাভিলিয়ন, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়ন, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন, বিদেশি মিনি প্যাভিলিয়ন, রেঁস্তোরা, প্রিমিয়ার স্টল, বিদেশি প্রিমিয়ার স্টল, সাধারণ স্টল এবং ফুড স্টল। এ সব স্টল, প্যাভিলিয়নের জন্য ৫৫৩টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছর যা ছিল ৫০৩টি ।এবারই প্রথম বারের মতো মেলায় অংশ নিচ্ছে ভারতের সরকারি বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা (ইন্ডিয়ান ট্রেড প্রমোশন অর্গেনাইজেশন- আইটিপিও)।