07102020শুক্র
শিরোনাম:
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক প্রায় ৩ মাস বন্ধ থাকার পর নতুন নামে চালু হল রাজধানীর শ্যামলী এলাকার শিশু বিনোদন কেন্দ্র শিশুমেলা। বেশ কিছু শর্ত দিয়ে ও ৩ গুণ জরিমানাসহ বকেয়া আদায় করে রবিবার বিকেলে পার্কটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। নতুন করে নাম দেয়া হয় ‘ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড’। পার্কটি উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, বেশ কিছু ত্রুটির জন্য পার্কটি বন্ধ করা হয়েছিল। তারা (মেসার্স ভায়া মিডিয়া বিসনেস সার্ভিস) তাদের ভুল স্বীকার করে বকেয়া ৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে। এবং এর জরিমানা হিসাবে ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকাও পরিশোধ করে। আনিসুল হক বলেন, তাদের বিনিয়োগের কথা চিন্তা করে এক বছরের জন্য চুক্তি করা হয়েছে। এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে টেন্ডারের মাধ্যমে পার্কটি ইজারা দেয়া হবে। অন্য কেউ এর চেয়ে বেশি সুবিধা দিলে এক বছর পর তা বিবেচনা করে হবে বলেও জানান মেয়র। এ সময় আগামী ২/৩ বছরে আরো বেশ কিছু নতুন শিশুপার্ক নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি। এদিকে, পার্কটি বন্ধ করার আগে ৪ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া থাকলেও নতুন চুক্তি অনুযায়ী ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে। যা আগের তুলনায় ৩৫ গুণ বেশি। ভাড়া বেশি দিলেও বিভিন্ন রাইডেসর মূল্য আগের চেয়ে বৃদ্ধি করতে পারবে না ইজারাদার প্রতিষ্ঠান। উপস্থিত সাংবাদিকরা এ বিষয়ে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ভাড়া বৃদ্ধি হলেও রাইডসের মূল্য বাড়বে না। মূল্য বৃদ্ধি করতে হলে অবশ্যই ডিএনসিসির সাথে আলোচনা করতে হবে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে পথ শিশুদের জন্য বিনামূল্যে বিনোদনের জন্য পাকর্টি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ভাড়া পরিশোধ না করায় গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে উচ্ছেদ করে পার্কটি সিলগালা করে দেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।
দুবাইতে বিশ্বের অন্যতম উঁচু বহুতল। আর সেখান থেকেই ঝুলছেন এক নারী। না! সিনেমার শুটিং নয়। কারণ কোনো নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। কোনো মতে এক পুরুষ হাতটা ধরে রেখেছেন তাঁর। তবে কি আত্মহত্যা? সোশ্যাল ওয়ার্ল্ডে আপাতত ভাইরাল এই ছবি। কিন্তু আসল বিষয়টি কী? ওই নারীই বা কে? জানা গেছে, শুটিং নয়। বরং ফটোশুট হচ্ছে। দুবাইয়ের ওই বহুতল কায়ান টাওয়ার থেকে ঝুলছেন ২৩ বছরের রাশিয়ান মডেল ভিকি ওডিন্টকোভা। শট পারফেক্ট হওয়ার জন্যই নাকি কোনো নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখেননি ভিকি। শুধুমাত্র এক ক্রু মেম্বারের হাত ধরে হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতা থেকে ঝুলছিলেন তিনি। আর এই ফটোশুট নাকি শুধুমাত্র ইনস্টাগ্রামের জন্যই! আদতে ইনস্টাগ্রাম কুইন হিসেবে পরিচিত ভিকি বলেন, ‘এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না, এ কাজটা করতে পেরেছি আমি। যখনই পরে ভিডিওটা দেখেছি ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেছে আমার। ভিজে গেছে হাতের তালু। ’ তবে তাঁর এই ভিডিও দেখার পর কেউ যেন ঝুঁকি নিয়ে এ কাজ না করেন সে বিষয়েও সতর্ক করেছেন ভিকি।
শুক্রবার, 23 ডিসেম্বর 2016 13:36

ফ্ল্যাট ও প্লটে ক্রেতাদের চোখ

নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক রাজধানীতে মাথা গোঁজার একটু ঠাঁইয়ের জন্য এখন বছরের পর বছর অপেক্ষা কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে কিস্তির বোঝা এড়াতে চান অনেকেই। দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে ফ্ল্যাটে দাম পড়ে বেশি। এর চেয়ে এককালীন মূল্য পরিশোধে দাম কিছুটা কম পড়ে। এ কারণে এবারের রিহ্যাব মেলায় তৈরি ফ্ল্যাট ও প্লট কেনাকাটায় বেশি আগ্রহী ক্রেতারা। বর্তমানে স্বল্প সুদে ও দ্রুত সময়ে গৃহঋণ পাওয়ায় এ সুবিধা নিতে চান তারা। একই সঙ্গে অনেক দিনের অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাট ও প্লট বিক্রি করতে পারলেই যেন বেঁচে যান বিক্রেতারাও। এ কারণে কিছুটা ছাড়ও দিচ্ছেন তারা। উভয় পক্ষের এমন মেলাবন্ধনে জমে উঠতে শুরু করেছে রিহ্যাব মেলা। তবে আজ থেকে তিন দিন ছুটি থাকায় মেলা বেশি জমবে বলে আশা আয়োজকদের। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত রিহ্যাব মেলা ঘুরে দেখা গেছে, প্রথম দিনের তুলনায় গতকাল দ্বিতীয় দিনে ক্রেতা ও দর্শনার্থীর ভিড় বেশি ছিল। মেলার প্রায় সব স্টলেই ক্রেতা ও বিক্রেতারা আলাপ-আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন। অনেক স্টলেই কেনাবেচা হয়েছে বলে জানান বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির কর্মীরা। ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানান, ব্যাংক ঋণের চড়া সুদের কারণে আগে ফ্ল্যাট ও প্লট কেনার সুযোগ কম ছিল। পাশাপাশি দীর্ঘদিন কেনাবেচা কম থাকায় মন্দা ছিল আবাসন খাত। তবে এখন আবার গতি ফিরছে বলে জানান আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা। আবাসন মালিকদের হাতে থাকা অসংখ্য অবিক্রীত ফ্ল্যাট ও প্লট এবার মেলায় প্রদর্শন করা হচ্ছে। এসব ফ্ল্যাট ও প্লট এখন এককালীন স্বল্প মূল্যে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। আবার অনেক দিন ধরে পড়ে থাকা কিংবা তৈরি ফ্ল্যাটের বিক্রি শেষ করে ব্যবসা চাঙ্গা করতে সরব বিক্রেতারাও। অনেক কোম্পানি নগদে ফ্ল্যাট দ্রুত বিক্রি করে মেটাতে চায় ব্যাংকের দায়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরা, দক্ষিণখান, মিরপুর, রাজারবাগ, মগবাজার, মালিবাগ, রামপুরা, শান্তিনগর, কলাবাগান, জিগাতলা, ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে দেশের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রকৃত ক্রেতা পেলে তারা এসব ফ্ল্যাট কিছুটা কম দাম হলেও বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন। বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জানান, মেলায় রেডি ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে আলাপ-আলোচনার মাধমে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৫ থেকে ২০ বছর মেয়াদে ৮.২৫ থেকে ১০ শতাংশ সুদে ঋণ মিলছে। লঙ্কা-বাংলা, ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাটের মোট মূল্যের ওপর ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দিচ্ছে। মেলায় কথা হয় মিরপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের সঙ্গে। একটি বেসরকারি কোম্পানির এ কর্মকর্তা বলেন, অনেক দিন থেকে মাঝারি আকারের ভালো মানের ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা থেকে কিছু টাকাও জমিয়েছেন। ফ্ল্যাটের দামের পুরো টাকা একসঙ্গে জোগাড় করতে পারেননি। তবে কিস্তিতে কিনে বেশি দাম দিতে আগ্রহী নন। তাই গতকাল মেলায় এসে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গৃহঋণের বিষয়ে কথা বলেছেন। স্বল্প সুদে গৃহঋণ নিয়ে তিনি সরাসরি তৈরি ফ্ল্যাট কিনবেন বলে জানান। এর ফলে তৈরি ফ্ল্যাটে উঠে বাড়ি ভাড়ার টাকা দিয়ে ঋণের টাকা পরিশোধ করার পরিকল্পনা তার। কনকর্ডের বিপণন বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক তরিকুল আলম বলেন, মেলায় তারা ৩৮ প্রকল্প নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে তৈরি ফ্ল্যাট বেশি। লেকসিটি প্রকল্পের তৈরি ফ্ল্যাটে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি বলে জানান তিনি। এগুলোর দাম প্রতি বর্গফুট ৪ হাজার ৫০০ টাকা। এ প্রকল্পে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। বসুন্ধরা রিভারভিউ আবাসন প্রকল্প রেডি প্লট নিয়ে এসেছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কে এম হাবিবুর রহমান সমকালকে বলেন, অনেক প্লট নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। ক্রেতারাও তৈরি প্লট বেশি খুঁজছেন। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তৈরি ফ্ল্যাট প্রদর্শন করছে যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান জেমস ডেভেলপমেন্ট। এতে জাপানের একটি কোম্পানির ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ রয়েছে। বিপণন বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক রাশেদুল আমিন বলেন, ২১টি প্রকল্পের ফ্ল্যাট মেলায় প্রদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই রেডি ফ্ল্যাট। এসব ফ্ল্যাট ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৮ হাজার ৫০০ টাকা বর্গফুট হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। মেলায় বুকিং দিলে ১০ শতাংশ মূল্য ছাড় এবং নগদে কিনলে বিশেষ ছাড় ও ফার্নিচার সেট উপহার দেওয়া হচ্ছে। আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের বিপণন বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন সমকালকে বলেন, এবার মেলায় মতিঝিল সংলগ্ন গ্রিন মডেল টাউনের রেডি প্লট নিয়ে এসেছেন তারা। এই প্লটও ৫ থেকে ৭ বছর মেয়াদি কিস্তিতে কেনার সুযোগ রয়েছে। নগদে কিনলে প্লটপ্রতি ২ থেকে ৩ লাখ টাকা মূল্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, 22 ডিসেম্বর 2016 09:18

বিমানের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন

< > নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড-এর সার্বিক উন্নয়ন এবং কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনতে ২০১৭ সালের জন্য ১৩ জনের সমন্বয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আবারও চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার মার্শাল মোহাম্দ ইনামুল বারী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বোর্ডের অন্য পরিচালকরা হলেন- অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সচিব সুরাইয়া বেগম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম গোলাম ফারুক, শিক্ষ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান, বিমান বাহিনীর সহকারী প্রধান (অপারশন অ্যান্ড ট্রেনিং) এয়ার মার্শাল নাঈম হাসান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব তাপস কুমার রায়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজিবুল আলম, বিজিএমইএ'র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, এফসিএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইমার্জিং রিসোর্সেস লি-এর নূর-ই-খোদা আব্দুল মবিন, ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মোসাদ্দেক আহমেদ। বিমানের নতুন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইনামুল বারী বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৭ সাল বিমানের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বছর হবে। এই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে বিমানের ইমেজ ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই ইমেজ পুনরুদ্ধারও হবে নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে এই ইমেজ উদ্ধার করতে হবে। বিমান পরিচালনা বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, আগামী হজ মৌসুমে বিমান পরিচালনা ও যাত্রী পরিবহনের মতো চ্যালেঞ্জও ২০১৭ সালে আমাদের অতিক্রম করতে হবে। এসব মাথায় এ নিয়ে আমরা কাজ করতে প্রস্তুত। < >
< > নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক হাতিরঝিলে ওয়াটার ট্যাক্সি সার্ভিসের উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শুক্রবার বেলা পৌনে ৩টায় তিনি এর উদ্বোধন করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ''হাতিরঝিলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও একটি থানার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটার কাজ চলছে। শিগগিরই এর উদ্বোধন করা হবে। '' এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাতিরঝিল প্রকল্পের মেজর কাজী শাকিল, রাজউক চিফ ইঞ্জিনিয়ার রায়হানুল ফেরদৌস প্রমুখ। ওয়াটার ট্যাক্সি সার্ভিস পরিচালনা করবে করিম গ্রুপ। এর পরিচালক মো. ওয়াহিদ মিয়া জানান, প্রতিটি ওয়াটার ট্যাক্সির যাত্রী ধারণক্ষমতা ৩০ জন। ভাড়া এফডিসি টু রামপুরা ২৫ টাকা এবং এফডিসি টু গুলশান ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। করিম গ্রুপের আরেক পরিচালক এস এম শাহ আলম জানান, এখন চারটি ট্যাক্সি চলাচল করছে। পরে আরও দুটি আনা হবে। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই ট্যাক্সি চলবে। < >
< > নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় আরো তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এরা হলেন- চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রডাকশন) দেবেশ চৌধুরী, চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স) এস এ সিদ্দিক ও প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (সিস্টেম অ্যান্ড মেইনটেইনেন্স) বিল্লাল হোসেন। গত ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৭৭ বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাতে জরুরি অবতরণ করে। এ ঘটনায় বিমানের চিফ অব টেকনিক্যাল ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- চিফ অব ফ্লাইট সেফটি ক্যাপ্টেন সোয়েব চৌধুরী, ডেপুটি চিফ অব ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হানিফ ও ম্যানেজার (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) নিরঞ্জন রায়। গত ৩০ নভেম্বর বিকেলে তদন্ত কমিটি প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। প্রতিবেদনে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়- কর্তব্যে অবহেলার কারণে বিমানে ত্রুটি দেখা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির ছয় জনকে প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। < >
< > নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফের ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ বিমানের একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীরা। সোমবার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে মিয়ানমারগামী বিমানের বিজি ০৬০ নম্বর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটে। এ সময় বিমানটি চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করে। পরে ফ্লাইটটিকে আবার ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার দুপুর দেড়টায় ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে মিয়ানমারের উদ্দেশে রওনা হয় ফ্লাইটটি। এ সময় চট্টগ্রামের কাছাকাছি পৌঁছালে বিমানের ক্যাবিনে বায়ুচাপ কমে যায়। এ সময় পাইলট দক্ষতার সঙ্গে বিমানটি চট্টগ্রাম অবতরণ করান। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মিরাজ জানান, বিমানটি উড্ডয়নের পর থেকেই পাইলট তার ক্যাবিনে বায়ুর চাপ কম পাচ্ছিলেন। এ কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে তিনি বিমানটি চট্টগ্রামে অবতরণ করেন। সেখান থেকে বিমানটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। পরে মেরামত শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফ্লাইটটি আবার মিয়ানমারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, গত ২৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে যোগ দিতে হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানের একটি ফ্লাইট তুর্কিমেনিস্তানে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মাঝরাতের গ্রহতারায় ভরা আকাশে উড়ে যাচ্ছিল বিমান। শূন্যের বুকে আচমকা আগুনের গোলা দেখে হকচকিয়ে যান পাইলট। কলকাতা থেকে উত্তর-পশ্চিমে বারাণসীর আকাশে জেট এয়ারওয়েজের পাইলট তখন ৩৬ হাজার ফুট উপরে। দিল্লি থেকে যাত্রী নিয়ে উড়ছেন ব্যাঙ্কক অভিমুখে। দিন তিনেক আগেকার ঘটনা। রাত তখন ১টা বেজে গিয়েছে। আগুনের গোলা দেখে সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এ সব জানান পাইলট। চোখের ভুলও তো হতে পারে! কিন্তু জেটের ওই পাইলটের কাছ থেকে বার্তা পাওয়ার মিনিট পাঁচেকের মধ্যে পরপর দু’টি বিদেশি বিমানের পাইলটও একই বার্তা পাঠান। তাঁরাও তখন বারাণসীর আকাশেই এবং তাঁদেরও অবস্থান তখন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার ফুট উঁচুতে। একটি বিমান পশ্চিম এশিয়া থেকে উড়ে যাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার দিকে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ইউরোপের দিকে যাচ্ছিল অন্য বিমানটি। এক এটিসি অফিসারের কথায়, ‘‘প্রথমেই আমাদের মনে হয়েছিল, আকাশে কোনও বিমানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ হলে আগুনের এ-রকম গোলা দেখা যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় খোঁজ।’’ ওই সময়ে বারাণসীর আকাশ দিয়ে উড়ে যাওয়া সব বিমানের খোঁজ নিতে শুরু করেন এটিসি অফিসারেরা। কিন্তু তেমন কোনও দুর্ঘটনার খবর মেলেনি। তা হলে কী ঘটেছিল? তিন জন পাইলট ঠিক কী দেখে বললেন যে, সেটা আগুনের গোলা? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, ওই তিন পাইলটে ঠিক কী দেখেছিলেন, তার ছবি না-দেখে নিশ্চিত কিছু বলা কঠিন। অনেক সময় আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যায়। উল্কা একটু বড় মাপের হলে তা বায়ুমণ্ডলে ঢোকার পরে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে। তখন সেটিকে আগুনের গোলার মতোই দেখায়। আর উল্কাপিণ্ড যত বড় হবে, আগুনের গোলার আকারও তত বড় হবে। এবং সে-ক্ষেত্রে তার অবশিষ্ট অংশ এসে পড়বে মাটিতে। ২০১৩-র ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে জানাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এ বার বারাণসী বা তার আশপাশের আকাশে তেমন কোনও উল্কাপাতের কথা জানা যায়নি। ‘‘তবে সব ক্ষেত্রেই যে উল্কার অবশেষ মাটি পর্যন্ত এসে পৌঁছবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। উল্কাখণ্ডের আকার ছোট হলে তা আকাশেই পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে,’’ বলছেন এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী। সাধারণত উল্কাবৃষ্টি হলে তার কথা আগেভাগে অঙ্ক কষে বার করে নিতে পারেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু কোনও ছোট উল্কাখণ্ড আচমকা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসবে কি না, তা জানা যায় না। বারাণসীর ঘটনা নিয়ে কলকাতা থেকে দিল্লিতে বিমান মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের একটি সূত্র জানায়, ওই ঘটনার ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি।
শুক্রবার, 09 ডিসেম্বর 2016 08:27

শীতের পাখি হাতিরঝিলে

< > নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক হাতিরঝিলে শীতের পাখি। বিষয়টি সবাইকে চমকে দিয়েছে। হাতিরঝিলের পাশ ঘেঁষে হেঁটে যেতে যেতে হঠাৎ পাখির কিচিরমিচির শব্দে অবাক। তখন ভোর সাড়ে ৫টা। কুয়াশার চাদরে ঢাকা হাতিরঝিলের আকাশে উড়ছিল এক ঝাঁক পাখি। নিজস্ব ভাষায় শব্দ করে উড়ছিল। এমন দৃশ্য শুধু সোহরাব শান্তই নন, হাতিরঝিলে প্রাতঃভ্রমণে আসা অন্যরাও দেখলেন। কান খাড়া করে ওপরে তাকাচ্ছিলেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা। চমকে গিয়ে অনেকেরই স্বাভাবিক হাঁটা-দৌড়ানোর ছন্দ ব্যাহত হয়। হাতিরঝিলের রামপুরা অংশের জলধারায় উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে নামছিল ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। সকাল ৬টার দিকে হাতিরঝিলে হাঁটতে বের হন পরিবেশকর্মী ইবনুল সাঈদ রানা। তখন কুয়াশা কিছু কেটে গেছে। স্পষ্ট হচ্ছে পাখিগুলোর আকৃতি ও রঙ। তিনিও দেখলেন এক ঝাঁক পাখি। তিনি বলেন, হাঁসজাতীয় পাখিগুলোর গায়ের রঙ বাদামি। সময় যত যাচ্ছে কুয়াশাও কাটছে। এক পর্যায়ে পাখিগুলো একটি টেলিভিশন ভবনের উল্টো পাশে ঝিলের পানিতে নামে। ততক্ষণে কৌতূহলী মানুষের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। হাতিরঝিলের দক্ষিণ, পূর্ব ও উত্তর পাড় ধরে হেঁটে চলা প্রাতঃভ্রমণকারীরা দাঁড়িয়ে পাখি দেখছিলেন। কেউ কেউ সঙ্গে আনা শিশুদের পাখি দেখাতে ব্যস্ত হলেন। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উৎসুক মানুষকে হাতিরঝিলের পাড়ে দাঁড়িয়ে অতিথি পাখি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। বিকেল বেলা পাখিগুলোকে আর দেখা যায়নি। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরেও এমন দৃশ্য দেখেছেন হাঁটতে বের হওয়া মানুষ। এইদিন হাতিরঝিল সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঝিলের পানিতে নেমে খাবারের সন্ধান করছে পাখি। এ সময় অনেকে আশঙ্কাও করেন, 'পাখিগুলো এখানে বসবে তো? হাতিরঝিলে তো মাছ নেই। ওরা খাবে কী?' হাতিরঝিল খুলে দেওয়ার পর থেকে এমন দৃশ্য কখনও চোখে পড়েনি নিয়মিত হাঁটতে বের হওয়া ষাটোর্ধ্ব অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আতাউর রহমানের। তিনি বলেন, কখনও এমন দৃশ্য দেখা যায়নি। খুব ভালো লাগছে। তবে খাবারের অভাব হলে পাখিগুলো হয়তো চলে যাবে। হাতিরঝিলের দক্ষিণ পাড়ঘেঁষা উলন এলাকার বাসিন্দা ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার আমিন রুহুল। তিনি ভোর থেকেই অতিথি পাখিগুলোর ছবি তুলছিলেন। জানালেন, হাতিরঝিলে উপযুক্ত পরিবেশ পেলে হয়তো নিয়মিতই অতিথি পাখি আসবে। স্থানীয় বাসিন্দা নাসিমা আক্তার, আসলাম হোসেন, মোবারক হোসেন বলেন, 'শুনেছি এখানে ওয়াটারবোট চালু হচ্ছে। তখন তো পাখিগুলো ভয়েই হাতিরঝিলে আসবে না।' রামপুরার বাসিন্দা গৃহবধূ ফাহিমা আক্তার নূপুর বলেন, ভোরে এক ফেসবুক বন্ধুর পোস্ট দেখে তিনি আগ্রহ নিয়ে পাখি দেখতে বেরিয়েছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজেদা বেগম বলেন, 'এগুলো আমাদের দেশীয় সরালি হাঁস। বর্ষা মৌসুমে এরা উপকূলীয় এলাকায় থাকে। শীত বাড়তে থাকলে অপেক্ষাকৃত কম ঠাণ্ডা জায়গায় আশ্রয় নেয়। তারা দিনে বিচরণ করে আর রাতে জলাশয়ে থাকে। ছোট পোকা-মাকড় ও মাছ খেয়ে এরা বেঁচে থাকে।' তিনি বলেন, 'হাতিরঝিলে পাখির আগমন বিরাট সুখবর। এসব পাখিকে বার বার আসতে দিতে হবে। একবার যদি হাতিরঝিলকে তারা নিরাপদ মনে করে তাহলেই বার বার আসবে। পাখির সংখ্যাও বাড়বে। শীতের সময় হাতিরঝিল হবে পাখির অভয়ারণ্য।' পাখির নিরাপত্তায় প্রাণিবিদ্যার এই অধ্যাপক কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, 'হাতিরঝিলের চারপাশে পাখি সুরক্ষায় কিছু বিলবোর্ড লাগিয়ে দিতে হবে, নিরাপত্তা কর্মী ও দর্শনার্থীদের পাখির প্রতি যত্নবান হতে হবে এবং পাখির খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।' পাখিবিশারদ শরীফ খান বলেন, 'হাতিরঝিলে আসা পাখিগুলো ছোট সরালি হাঁস। এগুলো আমাদের দেশের হাঁস। তারা আমাদের দেশের বিভিন্ন বড় বিল-হাওরে বর্ষাকালে ঘুরে বেড়ায়। শীতকালে পানি শুকিয়ে গেলে বা খাবারের অভাব দেখা দিলে জায়গা বদল করে। মূলত খাদ্যের সন্ধানে এরা দলবেঁধে ছুটে বেড়ায়। হাতিরঝিল পাখির খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই বলে জানি। তবে হাতিরঝিলে যেহেতু সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে সেহেতু এখানে পাখিগুলো অনেকটা নিরাপদে থাকবে। তবে খাবার না পেলে যে কোনো সময় পাখিগুলো চলেও যেতে পারে। তাই ময়লা পানি পরিশোধন করতে পারলে ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর বসবাস উপযোগী হবে। এসব খেতে পেলে পাখিরা বারবার আসবে।'
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক স্বল্প ব্যয়ে আগামীকাল (রবিবার) থেকে ঢাকা-কোলকাতা হয়ে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত নতুন ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস (এআইই)। এআইই-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার বলা হয়েছে, ঢাকা-কোলকাতা ফ্লাইট নাইন ৯১১ সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা ছাড়বে এবং স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে কলকাতায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে যাত্রীরা সিঙ্গাপুর যাওয়ার সুযোগ পাবেন। ফ্লাইট নাইন ৯২২ স্থানীয় সময় সকাল ৯ টায় কোলকাতা ছাড়বে এবং স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় তা সিঙ্গাপুরে পৌঁছাবে। অন্যদিকে, কোলকাতা- ঢাকা ফ্লাইট নাইন ৯১২ বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে কোলকাতা ছাড়বে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকাগামী যাত্রীরা কোলকাতায় সহজ যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। সিঙ্গাপুর থেকে ফ্লাইটটি বিকাল সাড়ে ৮টায় কোলকাতায় এসে পৌঁছাবে। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সার্ভিস সপ্তাহে ৪ দিন- সোমবার, বুধবার, শুক্রবার ও রবিবার চলবে। এয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেডের একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান 'এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস'। এটি ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক বাজেট ক্যারিয়ার। -বাসস।