08192019সোম
< > নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফের ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ বিমানের একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীরা। সোমবার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে মিয়ানমারগামী বিমানের বিজি ০৬০ নম্বর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটে। এ সময় বিমানটি চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করে। পরে ফ্লাইটটিকে আবার ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার দুপুর দেড়টায় ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে মিয়ানমারের উদ্দেশে রওনা হয় ফ্লাইটটি। এ সময় চট্টগ্রামের কাছাকাছি পৌঁছালে বিমানের ক্যাবিনে বায়ুচাপ কমে যায়। এ সময় পাইলট দক্ষতার সঙ্গে বিমানটি চট্টগ্রাম অবতরণ করান। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মিরাজ জানান, বিমানটি উড্ডয়নের পর থেকেই পাইলট তার ক্যাবিনে বায়ুর চাপ কম পাচ্ছিলেন। এ কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে তিনি বিমানটি চট্টগ্রামে অবতরণ করেন। সেখান থেকে বিমানটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। পরে মেরামত শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফ্লাইটটি আবার মিয়ানমারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, গত ২৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে যোগ দিতে হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানের একটি ফ্লাইট তুর্কিমেনিস্তানে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মাঝরাতের গ্রহতারায় ভরা আকাশে উড়ে যাচ্ছিল বিমান। শূন্যের বুকে আচমকা আগুনের গোলা দেখে হকচকিয়ে যান পাইলট। কলকাতা থেকে উত্তর-পশ্চিমে বারাণসীর আকাশে জেট এয়ারওয়েজের পাইলট তখন ৩৬ হাজার ফুট উপরে। দিল্লি থেকে যাত্রী নিয়ে উড়ছেন ব্যাঙ্কক অভিমুখে। দিন তিনেক আগেকার ঘটনা। রাত তখন ১টা বেজে গিয়েছে। আগুনের গোলা দেখে সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এ সব জানান পাইলট। চোখের ভুলও তো হতে পারে! কিন্তু জেটের ওই পাইলটের কাছ থেকে বার্তা পাওয়ার মিনিট পাঁচেকের মধ্যে পরপর দু’টি বিদেশি বিমানের পাইলটও একই বার্তা পাঠান। তাঁরাও তখন বারাণসীর আকাশেই এবং তাঁদেরও অবস্থান তখন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার ফুট উঁচুতে। একটি বিমান পশ্চিম এশিয়া থেকে উড়ে যাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার দিকে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ইউরোপের দিকে যাচ্ছিল অন্য বিমানটি। এক এটিসি অফিসারের কথায়, ‘‘প্রথমেই আমাদের মনে হয়েছিল, আকাশে কোনও বিমানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ হলে আগুনের এ-রকম গোলা দেখা যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় খোঁজ।’’ ওই সময়ে বারাণসীর আকাশ দিয়ে উড়ে যাওয়া সব বিমানের খোঁজ নিতে শুরু করেন এটিসি অফিসারেরা। কিন্তু তেমন কোনও দুর্ঘটনার খবর মেলেনি। তা হলে কী ঘটেছিল? তিন জন পাইলট ঠিক কী দেখে বললেন যে, সেটা আগুনের গোলা? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, ওই তিন পাইলটে ঠিক কী দেখেছিলেন, তার ছবি না-দেখে নিশ্চিত কিছু বলা কঠিন। অনেক সময় আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত উল্কা ছুটে যায়। উল্কা একটু বড় মাপের হলে তা বায়ুমণ্ডলে ঢোকার পরে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে। তখন সেটিকে আগুনের গোলার মতোই দেখায়। আর উল্কাপিণ্ড যত বড় হবে, আগুনের গোলার আকারও তত বড় হবে। এবং সে-ক্ষেত্রে তার অবশিষ্ট অংশ এসে পড়বে মাটিতে। ২০১৩-র ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে জানাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এ বার বারাণসী বা তার আশপাশের আকাশে তেমন কোনও উল্কাপাতের কথা জানা যায়নি। ‘‘তবে সব ক্ষেত্রেই যে উল্কার অবশেষ মাটি পর্যন্ত এসে পৌঁছবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। উল্কাখণ্ডের আকার ছোট হলে তা আকাশেই পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে,’’ বলছেন এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী। সাধারণত উল্কাবৃষ্টি হলে তার কথা আগেভাগে অঙ্ক কষে বার করে নিতে পারেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু কোনও ছোট উল্কাখণ্ড আচমকা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসবে কি না, তা জানা যায় না। বারাণসীর ঘটনা নিয়ে কলকাতা থেকে দিল্লিতে বিমান মন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের একটি সূত্র জানায়, ওই ঘটনার ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি।
শুক্রবার, 09 ডিসেম্বর 2016 08:27

শীতের পাখি হাতিরঝিলে

< > নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক হাতিরঝিলে শীতের পাখি। বিষয়টি সবাইকে চমকে দিয়েছে। হাতিরঝিলের পাশ ঘেঁষে হেঁটে যেতে যেতে হঠাৎ পাখির কিচিরমিচির শব্দে অবাক। তখন ভোর সাড়ে ৫টা। কুয়াশার চাদরে ঢাকা হাতিরঝিলের আকাশে উড়ছিল এক ঝাঁক পাখি। নিজস্ব ভাষায় শব্দ করে উড়ছিল। এমন দৃশ্য শুধু সোহরাব শান্তই নন, হাতিরঝিলে প্রাতঃভ্রমণে আসা অন্যরাও দেখলেন। কান খাড়া করে ওপরে তাকাচ্ছিলেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা। চমকে গিয়ে অনেকেরই স্বাভাবিক হাঁটা-দৌড়ানোর ছন্দ ব্যাহত হয়। হাতিরঝিলের রামপুরা অংশের জলধারায় উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে নামছিল ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। সকাল ৬টার দিকে হাতিরঝিলে হাঁটতে বের হন পরিবেশকর্মী ইবনুল সাঈদ রানা। তখন কুয়াশা কিছু কেটে গেছে। স্পষ্ট হচ্ছে পাখিগুলোর আকৃতি ও রঙ। তিনিও দেখলেন এক ঝাঁক পাখি। তিনি বলেন, হাঁসজাতীয় পাখিগুলোর গায়ের রঙ বাদামি। সময় যত যাচ্ছে কুয়াশাও কাটছে। এক পর্যায়ে পাখিগুলো একটি টেলিভিশন ভবনের উল্টো পাশে ঝিলের পানিতে নামে। ততক্ষণে কৌতূহলী মানুষের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। হাতিরঝিলের দক্ষিণ, পূর্ব ও উত্তর পাড় ধরে হেঁটে চলা প্রাতঃভ্রমণকারীরা দাঁড়িয়ে পাখি দেখছিলেন। কেউ কেউ সঙ্গে আনা শিশুদের পাখি দেখাতে ব্যস্ত হলেন। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উৎসুক মানুষকে হাতিরঝিলের পাড়ে দাঁড়িয়ে অতিথি পাখি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। বিকেল বেলা পাখিগুলোকে আর দেখা যায়নি। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরেও এমন দৃশ্য দেখেছেন হাঁটতে বের হওয়া মানুষ। এইদিন হাতিরঝিল সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঝিলের পানিতে নেমে খাবারের সন্ধান করছে পাখি। এ সময় অনেকে আশঙ্কাও করেন, 'পাখিগুলো এখানে বসবে তো? হাতিরঝিলে তো মাছ নেই। ওরা খাবে কী?' হাতিরঝিল খুলে দেওয়ার পর থেকে এমন দৃশ্য কখনও চোখে পড়েনি নিয়মিত হাঁটতে বের হওয়া ষাটোর্ধ্ব অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আতাউর রহমানের। তিনি বলেন, কখনও এমন দৃশ্য দেখা যায়নি। খুব ভালো লাগছে। তবে খাবারের অভাব হলে পাখিগুলো হয়তো চলে যাবে। হাতিরঝিলের দক্ষিণ পাড়ঘেঁষা উলন এলাকার বাসিন্দা ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার আমিন রুহুল। তিনি ভোর থেকেই অতিথি পাখিগুলোর ছবি তুলছিলেন। জানালেন, হাতিরঝিলে উপযুক্ত পরিবেশ পেলে হয়তো নিয়মিতই অতিথি পাখি আসবে। স্থানীয় বাসিন্দা নাসিমা আক্তার, আসলাম হোসেন, মোবারক হোসেন বলেন, 'শুনেছি এখানে ওয়াটারবোট চালু হচ্ছে। তখন তো পাখিগুলো ভয়েই হাতিরঝিলে আসবে না।' রামপুরার বাসিন্দা গৃহবধূ ফাহিমা আক্তার নূপুর বলেন, ভোরে এক ফেসবুক বন্ধুর পোস্ট দেখে তিনি আগ্রহ নিয়ে পাখি দেখতে বেরিয়েছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজেদা বেগম বলেন, 'এগুলো আমাদের দেশীয় সরালি হাঁস। বর্ষা মৌসুমে এরা উপকূলীয় এলাকায় থাকে। শীত বাড়তে থাকলে অপেক্ষাকৃত কম ঠাণ্ডা জায়গায় আশ্রয় নেয়। তারা দিনে বিচরণ করে আর রাতে জলাশয়ে থাকে। ছোট পোকা-মাকড় ও মাছ খেয়ে এরা বেঁচে থাকে।' তিনি বলেন, 'হাতিরঝিলে পাখির আগমন বিরাট সুখবর। এসব পাখিকে বার বার আসতে দিতে হবে। একবার যদি হাতিরঝিলকে তারা নিরাপদ মনে করে তাহলেই বার বার আসবে। পাখির সংখ্যাও বাড়বে। শীতের সময় হাতিরঝিল হবে পাখির অভয়ারণ্য।' পাখির নিরাপত্তায় প্রাণিবিদ্যার এই অধ্যাপক কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, 'হাতিরঝিলের চারপাশে পাখি সুরক্ষায় কিছু বিলবোর্ড লাগিয়ে দিতে হবে, নিরাপত্তা কর্মী ও দর্শনার্থীদের পাখির প্রতি যত্নবান হতে হবে এবং পাখির খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।' পাখিবিশারদ শরীফ খান বলেন, 'হাতিরঝিলে আসা পাখিগুলো ছোট সরালি হাঁস। এগুলো আমাদের দেশের হাঁস। তারা আমাদের দেশের বিভিন্ন বড় বিল-হাওরে বর্ষাকালে ঘুরে বেড়ায়। শীতকালে পানি শুকিয়ে গেলে বা খাবারের অভাব দেখা দিলে জায়গা বদল করে। মূলত খাদ্যের সন্ধানে এরা দলবেঁধে ছুটে বেড়ায়। হাতিরঝিল পাখির খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই বলে জানি। তবে হাতিরঝিলে যেহেতু সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে সেহেতু এখানে পাখিগুলো অনেকটা নিরাপদে থাকবে। তবে খাবার না পেলে যে কোনো সময় পাখিগুলো চলেও যেতে পারে। তাই ময়লা পানি পরিশোধন করতে পারলে ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর বসবাস উপযোগী হবে। এসব খেতে পেলে পাখিরা বারবার আসবে।'
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক স্বল্প ব্যয়ে আগামীকাল (রবিবার) থেকে ঢাকা-কোলকাতা হয়ে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত নতুন ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস (এআইই)। এআইই-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার বলা হয়েছে, ঢাকা-কোলকাতা ফ্লাইট নাইন ৯১১ সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা ছাড়বে এবং স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে কলকাতায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে যাত্রীরা সিঙ্গাপুর যাওয়ার সুযোগ পাবেন। ফ্লাইট নাইন ৯২২ স্থানীয় সময় সকাল ৯ টায় কোলকাতা ছাড়বে এবং স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় তা সিঙ্গাপুরে পৌঁছাবে। অন্যদিকে, কোলকাতা- ঢাকা ফ্লাইট নাইন ৯১২ বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে কোলকাতা ছাড়বে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকাগামী যাত্রীরা কোলকাতায় সহজ যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। সিঙ্গাপুর থেকে ফ্লাইটটি বিকাল সাড়ে ৮টায় কোলকাতায় এসে পৌঁছাবে। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সার্ভিস সপ্তাহে ৪ দিন- সোমবার, বুধবার, শুক্রবার ও রবিবার চলবে। এয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেডের একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান 'এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস'। এটি ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক বাজেট ক্যারিয়ার। -বাসস।
< > নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক শিকাগোর ও'হার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের সময় আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি প্লেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আহতদের মধ্যে কারো অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ৩৮৩ নম্বর ফ্লাইটটি ১৬১ জন যাত্রী ও নয়জন ক্রুসহ মিয়ামির দিকে যাচ্ছিলো। কিন্তু উড্ডয়নের আগ মুহূর্তে এটিতে আগুন ধরে যায়। এসময় বিমানবন্দর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ৯০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। এদিকে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা করা হচ্ছে উড্ডয়নের সময় প্লেনটির চাকা ফেটে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক শাহজালালে ১৭৯যাত্রীকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে ফ্লাই দুবাই। গত ১০ অক্টোবর সোমবার ফ্লাই দুবাই'র এফজেড-৫৮৬ ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময় রাত ১০টায় ১৭৯ জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাবার কথা ছিল। কিন্তু অপরপ্রান্ত থেকে ফ্লাইটটি আসতে বিলম্ব হওয়ায় এটি ২২ ঘণ্টা বিলম্বে গতকাল ১১ অক্টোবর রাত ৮টায় ছেড়ে যেতে হয়। মাঝখানের ২২ ঘণ্টা বিলম্বকালীণ সময়ে ফ্লাই দুবাই যাত্রীদের হোটেলে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করলেও এতে অনেক যাত্রী ক্ষতির সন্মুখীন হয়। বেশিরভাগ যাত্রীর রি-এন্ট্রি তারিখ পার হয়ে যাওয়ার সমস্যা, অনেকের দেরিতে চাকরিতে যোগদানের কারণে সম্পূর্ণ মাসের বেতন খোয়ানোর আশংকা, কারও আবার ভিন্ন এয়ারলাইন্সে অন-ওয়ার্ড কানেক্টিং ফ্লাইট মিস হওয়ার বিষয়গুলো ফ্লাই দুবাইকে জানালেও তারা কোনও সমাধান দেয়নি। বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় বিমানবন্দরের কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফ্লাই দুবাইর স্টেশন ম্যানেজারকে ফোন করে বিষয়টি যৌক্তিকভাবে মীমাংসা করে ফেলার অনুরোধ করেন। এরপর ফ্লাই দুবাই কর্তৃপক্ষ যাত্রী প্রতি ৩ হাজার টাকা করে মোট ৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেন যাত্রীদের হাতে। এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, টেকনিক্যাল কারণে ফ্লাইট ডিলে হতে পারে, এটা দোষের কিছু না। তবে ডিলের ক্ষেত্রেও কিছু আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে ব্যবস্থা নিতে হয়। ডিলে-টাইম পাঁচ ঘণ্টার বেশি হলে কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ফ্লাইটের সম্ভাব্য সময় জানিয়ে যাত্রীদের মতামত নিয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করবে- ১. যাদের ঐ দিন গন্তব্যে পৌঁছানো জরুরি তাদের প্রায়োরিটি দিয়ে অন্য এভে‌ইলেবেল এয়ারলাইন্সে টিকেট কেটে পাঠিয়ে দিতে হবে। ২. অন্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বা টিকেট না থাকার কারণে পাঠানো সম্ভব না হলে টিকেটের অর্থ রিফান্ডের প্রস্তাব দিতে হবে, যাতে যাত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ৩. যারা পরবতী ফ্লাইটে গেলে সমস্যায় পড়বে না, তাদের থাকা-খাওয়া-যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে ফ্লাইদুবাই ১নং ও ২ নং শর্তের কোনওটিই পালন করে নাই। এতে করে যেসব যাত্রীর রি-এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ শেষ, তাদেরকে বড় অংকের ওভার-স্টে ফাইন দিয়ে দুবাই ইমিগ্রেশন পার হতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ফাইন নিয়েও ঢুকতে দেয়া হয় না। ছুটির মেয়াদ শেষে যথাসময়ে কাজে যোগ দিতে না পারায় অনেক যাত্রীকে মাসিক বেতনের একটা বড় অংশ খোয়াতে হবে। অনেকের পূর্বনির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ কাজ মিস হবে। অথচ ১নং এবং ২নং ক্রমিকের শর্তগুলো পালন করলেই ফ্লাই দুবাই এ বিষয়গুলো এড়াতে পারতো। আর এ জন্য দায়ী ফ্লাইদুবাই'র এখানকার কর্মকর্তাদের অজ্ঞতা বা দায়িত্বে অবহেলা। ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ বলেন, এ ধরনের অতিরিক্ত বিলম্বের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানসহ অন্যান্য সকল এয়ারলাইন্স যাত্রীদের রি-এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ, ছুটির মেয়াদ ইত্যাদি পরীক্ষা করে প্রায়োরিটির ভিত্তিতে আইন মেনে ব্যবস্থা নিয়ে
রবিবার, 09 অক্টোবার 2016 23:01

বিমানেই বিয়ে!

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক ভিয়েনা থেকে বিমানে করে ছুটি কাটাতে এথেন্স যাচ্ছিলেন নাথালি ইচি। বিমান যখন গ্রিস আর ভিয়েনার মাঝ আকাশে তখন হঠাত্ করে বিমানের একদল ক্রু তাকে উদ্দেশ করে চিত্কার করে বলতে শুরু করে, তোমাকে বিয়ে করতে চাই। দলটির এমন কাণ্ডকে প্রথমে মজা ভেবে উঁড়িয়ে দিয়ে ছিলেন নাথালি। তবে কিছুক্ষণ পর যখন তাদের পেছনে লুকিয়ে থাকা নাথালির বয়ফ্রেন্ড জার্গেন বগনার বেরিয়ে এলেন ভুল ভাঙ্গে তার। বয়ফ্রেন্ডকে দেখে খুশিতে কেঁদে ফেলেন নাথালি। হাঁটু গেড়ে বসে নাথালিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন জার্গেন, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? প্রেমিকের এমন বিয়ের প্রস্তাব পেয়ে ভেবেছিলেন হয়তো অনুমতি নিয়ে রাখছেন জার্গেন। এরপরই এক এক করে বের হতে থাকে সব চমক। বিয়ের পোশাক, আংটি সবই হাজির হলো। প্লেনে লুকিয়ে থাকা বর-কনের দুই পক্ষের একাধিক আত্মীয়ও সামনে চলে এলেন। ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী বেহালার সুর বাজিয়ে বিমানেই সমপন্ন হলো বিয়ের অনুষ্ঠান।-এনবিসি নিউজ
শুক্রবার, 30 সেপ্টেম্বর 2016 10:33

বাংলাদেশে বিমানে সেলফি তোলা যাবে না

নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বা সিভিল অ্যাভিয়েশন বিমানে সেলফি তোলাসহ মোবাইল ফোন ব্যবহারে কিছু নিষেধাজ্ঞা এনে এক নির্দেশনা জারি করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে বিমানে যেখানে সেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। বিমান যাত্রী, বিমান চালক ও কেবিন ক্রুদের সবার জন্যই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সিভিল অ্যাভিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, "বিমান চলাকালে যাত্রী, চালক, ক্রু সবার জন্যই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। বিশেষ করে বিমান উড্ডয়ন ও নামার সময় এটি বন্ধ রাখতে হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বিমান চালক ও কেবিন ক্রুরা অনেক সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে, সেলফি তুলছে-যা সমস্যা তৈরি করছে বলে অভিযোগ আসছে। আর এ কারণেই সবাইকে মনে করিয়ে দিতে আবারও এই নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা দেওয়া হলো"। এই নির্দেশনা অমান্যকারী বিমান সংস্থা ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিভিল অ্যাভিয়েশনের ৩৩৩ রুল অনুযায়ী কারাদণ্ড, জরিমানা, লাইসেন্স ও সনদ বাতিল করা হতে পারে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে- বিমান চলার সময় বিমান চালক ও কেবিন ক্রুরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সেলফি, ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ করতে পারবেন না। এছাড়াও বিমানের যাত্রীরা বিমানে ওঠা-নামার সময় মোবাইল ফোনে সেলফি, ছবি বা ভিডিও চিত্র ধারণ করতে পারবেন না, মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে হবে। তবে বিমান আকাশে ওড়ার পর যাত্রীরা স্থির চিত্র ধারণ করতে পারবেন। এছাড়াও স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট সেভেন যেটির ব্যাটারি বিস্ফোরিত হওয়ার কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে-সেই স্মার্টফোনটি বন্ধ রেখে বিমানে চলাচল করতে হবে, সেটি চার্জও দেয়া যাবে না। সম্প্রতি সারা বিশ্বে ঘটে যাওয়া কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা দিয়েছে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার, 29 সেপ্টেম্বর 2016 08:52

প্যারিসে নগ্ন প্রিয় মানুষের ভীড় বাড়ছে

প্যারিস: নগ্নতা এবার অন্য মাত্রা পেতে চলেছে প্যারিসে৷ কারণ সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে শহরের নগ্নতা প্রিয় মানুষদের জন্য তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে একটি আস্ত নগ্ন পার্ক৷ জানা গিয়েছে, সম্ভবত শহরের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে লা দাউমেননিল অঞ্চলের কাছে তৈরি হতে চলেছে এই পার্কটি৷ সোমবার প্যারিসের সিটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন প্যারিসের ডেপুটি মেয়র ব্রুন জুলিয়ার্ড৷ প্যারিস প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানান হয়েছে, বিশ্বের পর্যটন প্রিয় ও নগ্নতা প্রিয় মানুষদের কাছে অন্যতম পছন্দের জায়গা হল প্যারিস৷ এমনকি ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন জার্মানি, হল্যান্ড, ব্রিটেন ও বেলজিয়াম থেকেও নগ্নতা প্রিয় মানুষরা ভিড় জমান প্যারিসে৷ ফলে এই নগ্ন পার্ক প্যারিসের পর্যটনকে আরও আকর্ষীয় করবে বলেই মনে করছে প্রশাসন৷ আইনত ভাবে জনসমক্ষে নগ্নতা এখনও দণ্ডনীয় প্যারিসে৷ ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগ্নতা প্রিয় মানুষদের জন্য একটি নির্দিষ্ট পার্ক তৈরি করে সেই মানুষদের সুবিধা করা হচ্ছে৷
বৃহস্পতিবার, 29 সেপ্টেম্বর 2016 08:31

ক্যানভাসে তরুণ শিল্পীদের সাহসী আঁচড়

নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক শিল্পী আতিকুন নাহার জ্যোতি এঁকেছেন ধর্ষিতা নারীদের বঞ্চনার কথা। ক্যানভাসে তনুসহ আরো বেশ ক’জনের মুখ। ফুলের মত এই মানুষগুলো মুছে গেছে। নারীরা এই সমাজে নিরাপদ নন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে, সমাজ ও মানুষের চাপে নারীর গুটিয়ে থাকার বিষয়টিকে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তার ছবিও চমক সৃষ্টি করে ভাবতে বাধ্য করে দর্শককে। শিল্পী অজয় সান্যাল এঁকেছেন জনগণের চাওয়া-পাওয়া নেতাদের কাছে দাবা খেলার ঘুঁটির মত। তরুণ শিল্পীদের সাহসী শিল্প উচ্চারণ ফুটে উঠেছে চারুকলার জয়নুল গ্যালারিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের বার্ষিক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম নিয়ে এ প্রদর্শনী। ক্যানভাসে শিল্পীদের নতুন ভাবনা ও প্রকাশভঙ্গি হূদয়কে আন্দোলিত করে। বিষয় উপস্থাপনের ধরন চমকে দেয়, তাদের অঙ্কন-শৈলী মুগ্ধ করে। শিল্পী রফিকুন নবী বলেন, বার্ষিক প্রদর্শনী শিল্পী হিসাবে এটা প্রথম ধাপ। এ প্রদর্শনীতে সুযোগ পাওয়া যে কোনো তরুণ শিল্পীর কাছে বড় সুযোগ। কিংবা কে আগামীতে শিল্পী হিসাবে এগিয়ে যাবে এই প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে তার যাত্রা শুরু হয়। গতকাল বিকালে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পী রফিকুন নবী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য। সভাপতিত্ব করেন চারুকলা অনুষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিল্পী নিসার হোসেন। আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শিল্পীদের সোচ্চার হতে হবে। জঙ্গিবাদ নির্মূলে শিল্পী সমাজকে তাদের শিল্পচর্চা দিয়ে সমাজ, দেশ ও বিশ্বকে প্রগতিশীলতার পথে এগিয়ে নিতে হবে। এছাড়া বার্ষিক প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয় অনুষ্ঠানে। প্রদর্শনীতে শতাধিক শিক্ষার্থীর সাম্প্রতিক শিল্পকর্মের মধ্যে থেকে ৬১জন শিল্পীর কাজ প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। এর মাঝে ১০ জন শিল্পীকে পুরস্কৃত করা হয়। সব মাধ্যমের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পুরস্কার পেয়েছেন শেখ ফাইজুর রহমান। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন ভুটানের শিক্ষার্থী উগেইন শেরিং, সৈকত সরকার, প্রসূন হালদার, মৃণাল বণিক, পূর্ণিয়া মৃত্তিকা, জয়ন্ত মণ্ডল, আফিয়া আবিদা সুলতানা, মোঃ ইমতিয়াজ ইসলাম ও সুনন্দা রানি বর্মন। প্রদর্শনী চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ভালো নেই নদী, ভালো নেই বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যমের আলোকচিত্রী ফ্রেমে নানাভাবে ধরা পড়েছে বাংলার নদীগুলো। বিগতযৌবনা নদীর দুই তীরে সবুজ বাংলাদেশ, নদীনির্ভর জনপদ আর নদীর বিপন্নতার গল্পগুলো নিয়ে তারা আয়োজন করেছেন ‘নদ-নদীর আলোকচিত্র’ শীর্ষক এক প্রদর্শনী। বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন নোঙ্গরের ব্যানারে আয়োজিত হয়েছে এ উত্সব। গতকাল রবিবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনের লবিতে চারদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। ২০ জন আলোকচিত্রীর তোলা ৩৬টি ছবি নিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রদর্শনী। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, “নদীমাতৃক বাংলাদেশে আজ নদী হারিয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে নদীকে ঘিরে নানা উত্সব। দখল, দূষণের অত্যাচারে নদীর পানি আজ দূষিত। টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সরকার অন্য অনেক ইস্যুর মতো পরিবেশ ইস্যুটিকেও ‘সমান গুরুত্ব’ দিয়ে দেখছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আলোকচিত্রী সাংবাদিক সৈয়দ জাকির হোসেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, নোঙর সভাপতি সুমন শামস। প্রদর্শনীর ছবিগুলোতে উঠে এসেছে নদী দু’পাড়ের গ্রাম-জনপদ আর প্রকৃতির গল্প। কোথাও নদী প্রমত্তা, কোথাও ধীর আবার কোথাও ক্ষীণস্রোতা, কোথাও আবার আগ্রাসী। তবে সব ছাপিয়ে ছবিগুলোতে উঠে এসেছে নদী ভাঙন আর দূষণের কথাই। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে হাতিয়ার বানিয়ে নদীখেকোদের তাণ্ডব, নদীর দু’পাড়ে সবুজের বিলুপ্তি আর যান্ত্রিক নগরী গড়ে ওঠার গল্প মূর্ত হয়েছে এসব ছবিতে। প্রদর্শনী চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। চলছে জঙ্গিবাদ-বিরোধী নাট্যোত্সব জঙ্গিবাদ-বিরোধী নাট্যোত্সবে গতকাল মঞ্চস্থ হয়েছে তিনটি নাটক। মহিলা সমিতি মঞ্চে কিশোরগঞ্জের নাটকের দল একতা নাট্যগোষ্ঠী মঞ্চস্থ হয়েছে ‘মহুয়া’ নাটকটি। এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে কুষ্টিয়ার দল বোধন থিয়েটার পরিবেশন করে নাটক ‘চন্দ্রাবতী কথা’। আর ঢাকার দল নাগরিক নাট্যাঙ্গন (বাংলাদেশ) জাতীয় নাট্যশালা মঞ্চে মঞ্চস্থ করে ‘গহর বাদশা ও বানেসা পরী’। আজ সোমবার জাতীয় নাট্যশালায় রয়েছে দেশ নাটকের ‘অরক্ষিতা’, ঢাকা পদাতিকের ‘হেফাজত’, দৃশ্যপট-এর ‘সক্রেটিসের জবানবন্দী’। নিয়মিত টিকিটের মূল্য ২০০ ও ১০০ টাকা। শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মীরা ২০ টাকার বিনিময়ে নাটক দেখতে পারবেন। টিকিট পাওয়া যাবে প্রদর্শনীর আগে কাউন্টারে।