08192019সোম
নিউজফ্ল্যাশ ডটকম ডেস্ক :
Empty seats: A photo posted on Twitter claiming to show a Malaysia Airlines flight from Australia 

বড় ধরণের দ’ুটি দুর্ঘটনা পর পর হওয়া মালয়েশিয়ান এয়ার লাইন্স বির্পযয়ের মুখে পড়ছে। সিট খালিসহ ২’শ ক্রু চাকরি ছাড়ায় বিমান সংস্থটি আরও বিপদে পড়েছে। ক্রু স্বল্পতা নিয়ে ফ্লাইট চলছে। মালয়েশিয়ান বিমনের ফ্লাইট এমএইচ-৩৭০ ও এম-১৭ এর দুঘটনার পর ক্রু ও যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে। প্রায় প্যাসেঞ্জেসার শুন্য অবস্থায় ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে।
Malaysia Airlines crew members during a hand-over of bodies of flight MH17, which was shot down over Ukraine on July 17
এ বিমানের ক্রু-রা ভয়ে চাকরি ছাড়ছেন। প্রায় ২’শ ক্রু চলে গেছেন।
বিশেষ দুর্ঘটনা কবলিত ফ্লাইট এমএইচ-৩৭০ এর কোন হদিস মেলেনি। এমন কি বিমান দুর্ঘটনার সঠিক কারণও জানতে পারেনি।  সূত্র -মেইল অনলাইন।

নিউজফ্ল্যাশ ডটকম ডেস্ক :
প্লেনে সিট নিয়ে দুই যাত্রী ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ায় অবশেষে অবতরণে বাধ্য হয়েছেন পাইলট। ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে ডেনভারগামী ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের একটি প্লেনে। খবর এনডিটিভির

ঘটনার সূত্রপাত সিটের পেছনে 'নি ডিফেন্ডার' নামে একটি যন্ত্র বসানোকে কেন্দ্র করে। যন্ত্রটি বসানোর ফলে সামনের যাত্রী তার ইচ্ছে মতো নিজের সিটটি বাকিয়ে নিতে পারছিলেন না।সিট নিয়ে ঝগড়া, অবতরণে বাধ্য হলেন পাইলট

তিনি পেছনের সিটে বসা ওই যাত্রীকে যন্ত্রটি সরিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু এতে কর্ণপাত করেননি পেছনের যাত্রী। পরে বিমানের এক ক্রুএসে তাকে যন্ত্রটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন। তাতেও সাড়া দেননি তিনি।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সামনের যাত্রী। তিনি নিজের কাপ থেকে পেছনের যাত্রীর মুখে পানি ছুড়তে থাকেন। ছেলে-মানুষের মতোই ঝগড়া শুরু করেন দু'জনে।

তাদের থামাতে ব্যর্থ হন প্লেনের ক্রুরা। অবশেষে উপায়ান্তর না দেখে শিকাগো বিমানবন্দরে অবতরণ করেন পাইলট। অবতরণের পর মারামারি করা দুই যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ও শিকাগো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক
কয়েক বছর ধরে বন্ধ অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট শিগগিরই চালু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান এবং তা দুই মাসের মধ্যে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানানো হয়েছে।
সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, কমিটির গত বৈঠকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালুর সুপারিশ করা হয়েছিল।

“আজ বৈঠকে বিমান জানিয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।”

উড়োজাহাজের অভাবে বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটগুলো বন্ধ রয়েছে কয়েক বছর আগে থেকে। সর্বশেষ ২০১১ সালে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলরত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ব্ন্ধ করে দেয়া হয়।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংযোগ ফ্লাইটে সিলেট এবং চট্টগ্রামে যাত্রী আনা-নেয়া করে বিমান।

বিমান ছাড়াও বাংলাদেশের তিনটি বেসরকারি সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ এবং নভো এয়ার অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালিয়ে এলেও এগুলোর সেবার মান নিয়ে অভিযোগ রয়েছে।

গত সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, তিনি দায়িত্বে থাকার সময় ২০১৩ সালের ডিসেম্বরেই অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

ফারুক খান বলেন, মূলত ছোট এয়ারক্রাফট না পাওয়ায় অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল করা যাচ্ছে না। কমিটি বিমানকে কিনে হোক বা লিজ নিয়ে হোক ছোট উড়োজাহাজ সংগ্রহ করতে বলেছে।

ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী, তানভীর ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কামরুল আশরাফ খান ও মো. আফতাব উদ্দীন সরকার অংশ নেন।

ফ্রাংকফুর্ট রুটের জন্য ‘দায়ী’ কেভিন

লোকসান দিয়ে ঢাকা-ফ্রাংকফুর্ট রুটে ফ্লাইট চালানোর জন্য বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কেভিন স্টিলকে দায়ী করেছেন বিমানের কর্মকর্তরা। তবে তাদের এই জবাব আমলে নেয়নি সংসদীয় কমিটি।

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে লোকসানে থাকা এই রুটটি চালু রাখার প্রয়োজনীয় নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিমানের কর্মকর্তারা বলেন, বিদেশি এমডি কেভিন স্টিল রুটটি চালু করেন।

কমিটির সভাপতি ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, বিমান কর্মকর্তাদের এই জবাব দুঃখজনক। একটি রুটের জন্য একজন কর্মকর্তা দায়ী থাকতে পারেন না। এখানে পুরো সংস্থার দায়।

সাত বছর বন্ধ থাকার পরে চলতি বছরের ৩১ মার্চ রোম হয়ে জার্মানির বাণিজ্যিক নগরী ফ্রাংকফুর্টে ফ্লাইট চালু করে বিমান। এ রুটে সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট চালানো হচ্ছে।

বিমান কর্মকর্তারা জানান, চালু হওয়ার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে এ রুটে ক্ষতির পরিমাণ ৭০ লাখ টাকা। এ হিসেবে গত ২১ সপ্তাহে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার, 21 আগস্ট 2014 08:22

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের ঘুম!

নিউজফ্ল্যাশ ডটকম ডেস্ক
আবহাওয়া অনুকূল। নেই কোনো যান্ত্রিক দ্রুটিও। তবু গেল ৮ জুলাই রাতে চায়না ইস্টার্ন এয়ালাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমানের পাইলটকে বিমান অবতরণ নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় ভুগতে হয়েছিল। আর এর কারণ, যে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এই বিমানটিকে নিরাপদ অবতরণের ছাড়পত্র দেওয়ার কথা ছিল সেই কন্ট্রোলারই তখন যোগাযোগে সাড়া দেওয়ার পরিবর্তে দিব্যি নাক ডেকে ঘুমাচ্ছিলেন। এ অবস্থায় অনেকটা বাধ্য হয়েই বিমানটিকে অবতরণে কাছাকাছি এসে পুনরায় ৯০০ মিটার উঁচু দিয়ে প্রায় দশ মিনিট ধরে বিমানবন্দরের আকাশে ঘুরপাক খেতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ঘটনাটি বেশ অনেকদিন আগের হলেও সম্প্রতি চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রকাশ করা বেশ কিছু বিমান বার্তার সুবাদে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সাথে বিমানটির পাইলটের ঐ যোগাযোগ থেকে দেখা যায়, পাইলট প্রথমে ইংরেজিতে দু'বার এবং এরপর চাইনিজে আরও একবার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের কাছে গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স বিষয়ে জানতে চান। তবে রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যবর্তী ঐ সময়ে চীনের উহান তিয়ানহে এয়ারপোর্টের দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্ট্রোলারের কাছ থেকে কোনো সাড়াই মেলেনি। এ ছাড়া পরবর্তী সময়ে এক তদন্তে ট্রাফিক কন্ট্রোলারের ঘুমিয়ে থাকার প্রমাণও মেলে।

নিউজফ্ল্যাশ ডটকম ডেস্ক :

ভারতের জেট এয়ারওয়েজের ইউরোপগামী একটি বিমানে পাইলট ঘুমিয়ে পড়ার পর বিমানটি মাঝ-আকাশে পাঁচ হাজার ফিট নিচে নেমে এসেছিল-এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিমানের দু’জন পাইলটকেই সাসপেন্ড করা হয়েছে।

দেশের বিমান চলাচলে তদারকি করে যে সংস্থা, সেই ডিজিসিএ গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে- পাশাপাশি আজই আবার দিল্লিতে জেটের আর একটি বিমানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিবিসি।
শিউড়ে দেওয়ার মতো এই ঘটনাটি গত শুক্রবার, ৮ আগস্টের।

মুম্বই থেকে রওনা হয়ে জেট এয়ারওয়েজের একটি বিমান ২৮০জন যাত্রীকে নিয়ে নেওয়ার্কের পথে ব্রাসেলস অভিমুখে রওনা দিয়েছিল।

বিমানটি যখন তুরস্কের আকাশসীমায়, তখনই আচমকা আঙ্কারার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল খেয়াল করে যে নির্ধারিত ৩৪০০০ ফিটের চেয়ে সেটি প্রায় পাঁচ হাজার ফিট নিচে নেমে এসেছে।

তড়িঘড়ি বিমানটিকে সতর্ক করতেই ধড়ফড় করে উঠে পরিস্থিতি সামাল দেন পাইলট, যিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।

ককপিটে বসা কো-পাইলট না কি ব্যস্ত ছিলেন নিজের আইপ্যাড নিয়ে।

বিরাট বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে কোনক্রমে রেহাই পান বিমানের আরোহীরা, আর এরপর জেট এয়ারওয়েজের ওই দুজন পাইলটকে তলব করে তাদের ব্যাখ্যা শোনার পর তাদের দুজনকেই আজ সাসপেন্ড করে ভারতের ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব সিভিলঅ্যাভিয়েশন।

বিমান পরিবহন মন্ত্রী অশোক গজপতি রাজু জানান, “ডিজিসিএ গোটা ঘটনার তদন্ত করছে, সরকার সেই তদন্ত  রিপোর্টের অপেক্ষা করবে। তবে এই ধরনের ঘটনা কোনও মতেই ঘটা উচিত নয়।”


এম আর ওয়াদিয়া, সাবেক পাইলট

জেট এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, তারা নিজেরাও ওই ঘটনার আলাদা তদন্ত করছে।

তবে এরই মধ্যে তাদের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে আজ সকালে দিল্লি থেকে তাদের একটি বিমানের ভোপাল রওনা হওয়ার ঠিক আগে ইঞ্জিনে আগুন লেগে যায়।

যাত্রীদের সবাইকে তাড়াতাড়ি নামিয়ে আনতে হয়, বিমানবন্দরের ফায়ার ব্রিগেড এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ডিজিসিএ-র সাবেক প্রধান কানু গোহাইন যেমন মনে করছেন, যে উচ্চতায় বিমানের ওড়ার কথা সেখান থেকে পাঁচ হাজার ফিট নিচে নেমে আসাটা অত্যন্ত গুরুতর একটা ঘটনা।

এয়ার ইন্ডিয়ার প্রাক্তন পাইলট ক্যাপ্টেন এম আর ওয়াদিয়া আবার এটাকে ঘটনা বা ইনসিডেন্ট বলতেই রাজি নন , তার মতে এটা একটা সাংঘাতিক দুর্ঘটনা বা অ্যাক্সিডেন্ট।

তাঁর যুক্তি হল, “এতে শুধু একটি বিমান ও তার যাত্রীদেরই বিপদে ফেলা হয়নি – কাছাকাছি আরও অনেক বিমানকেও বিপদে ফেলা হয়েছে। ওই বিমানটি যখন হু হু করে নিচে নেমে এসেছে-তখন বত্রিশ বা তেত্রিশ হাজার ফিট উচ্চতায় অন্য কোনও বিমান থাকলে মাঝ-আকাশেই কলিশন হতে পারতো।”

মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মাসকয়েক আগেই ভারতের বিমান সুরক্ষার মানকে ক্যাটেগরি-টুতে অবনমন করেছে, যেটা বাংলাদেশ, নিকারাগুয়া বা গানা-র মানের সমতুল্য।

এর পরেও ভারতের আকাশ বা ভারতীয় বিমান অনেকগুলো দুর্ঘটনা থেকে খুব অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে।

সোমবারেই কলকাতা এয়ার ট্রাফিকের সঙ্গে বোঝাবুঝির ভুলে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দুটি বিমান মাঝ-আকাশে খুব কাছাকাছি চলে এসেছিল, সেখানেও পাইলটরা শেষ মুহূর্তে কলিশন এড়াতে সক্ষম হন।