09162019সোম
শিরোনাম:
বুধবার, 31 ডিসেম্বর 2014 08:22

জাভা সাগরে হদিস মিলল বিমানের

সংবাদ সংস্থা
সত্যি হল আশঙ্কাই।
এয়ার এশিয়ার বিমান কিউজেড-৮৫০১ নিখোঁজ হওয়ার তিন দিনের মাথায় জাভা সাগরে ভেসে উঠল মৃতদেহ ও ধ্বংসাবশেষ। সেগুলি যে উধাও হয়ে যাওয়া বিমানেরই অংশ, মঙ্গলবার রাতে সে কথা সরকারি ভাবে জানিয়ে দিল ইন্দোনেশিয়া প্রশাসন।

জাভা সাগরে এ দিন সকাল ছ’টা থেকে শুরু হয়েছিল তল্লাশি। বেলা ১২টা ৫০-এ ইন্দোনেশিয়ার বায়ুসেনার একটি বিমান প্রথম লক্ষ করে, জলের মধ্যে বড়সড় ছায়া দেখা পড়ছে কিছুর। তার পরেই শোনা যায়, জলে ফুলে-ফেঁপে ওঠা দেহ ভাসতে দেখেছে নৌ-সেনার জাহাজ। ইন্দোনেশিয়ার নৌ বাহিনী সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৪০টি দেহ উদ্ধার করেছে তারা।

রবিবার ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে ১৬২ জন সওয়ারি নিয়ে মাঝ আকাশে উধাও হয়ে যায় এয়ার এশিয়ার বিমান কিউজেড-৮৫০১। আজ রাজধানী জাকার্তায় ইন্দোনেশিয়ার পরিবহণ মন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত ডিজি জোকো মুরজাতমোদজো বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার খবর জানান সাংবাদিকদের।

রেডারে শেষ বার যেখানে এয়ারবাস ৩২০-২০০-কে দেখা গিয়েছিল, তার ৬৬ মাইলের মধ্যেই মঙ্গলবার মিলল বিমানের কাঠামোর কিছু অংশ। তল্লাশি অভিযানের মূল দায়িত্ব রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সির উপর। তাদের প্রধান বামবাং সোয়েলিস্টিও এ দিন জানিয়েছেন, উজ্জ্বল লাল-কালো ও সাদা রঙের অনেক জিনিস ভাসতে দেখা গিয়েছিল বোর্নিওর সেন্ট্রাল কালিমানটন প্রদেশের পাঙ্গকালান বান-এর প্রায় ১০০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে। পরে ডুবুরি নামিয়ে দেখা যায় সেগুলি আসলে যাত্রীদের সুটকেস, লাইফ জ্যাকেট ও বিমানের দরজা।

সোয়েলিস্টিওর সাংবাদিক বৈঠক আজ সরাসরি সম্প্রচার করা হয় ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় টিভি-চ্যানেলে। উদ্ধারকাজের ভিডিও যখন দেখানো হচ্ছে, ক্যামেরায় ধরা পড়ে জলে পচে যাওয়া বিকৃত লাশের ছবি। তবে উদ্ধার হওয়া দেহগুলিতে কোনও লাইফ-জ্যাকেট ছিল না। নৌসেনা ৪০টি ফুলে-ফেঁপে ওঠা দেহ উদ্ধারের কথা জানালেও সরকারি ভাবে অবশ্য এ নিয়ে কিছুই বলা হয়নি।

অলৌকিক কিছু হবে, এই আশাটুকু আঁকড়েই তিন দিন ঠায় বিমানবন্দরে বসে ছিলেন নিখোঁজ যাত্রীদের আত্মীয়রা। টিভির পর্দায় আটকে ছিল চোখ। সোয়েলিস্টিওর সাংবাদিক বৈঠকে প্রিয়জনের চেনা চেহারার ওই বীভৎস ছবি দেখে আর বাঁধ মানেনি তাঁদের আবেগ। আতঙ্ক-উৎকণ্ঠার প্রহর মুহূর্তে বদলে গেল হাহাকারে। ভয়ঙ্কর এই পরিণতি হয়তো আঁচ করেছিলেন, কিন্তু খবরটা যখন সত্যিই এল তা মেনে নিতে পারলেন না অনেকেই। সুরাবায়া বিমানবন্দরের ক্রাইসিস সেন্টারের মেঝেতে জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়লেন দু’জন। শোকে স্তব্ধ এয়ার এশিয়ার সিইও টনি ফার্নান্ডেজও। টুইটারে তিনি লিখেছেন, “মনের অবস্থা বলে বোঝাতে পারব না। যাত্রীদের পরিবারের পাশে আছি।”

উদ্ধার হওয়া দেহ ও বিমানের কাঠামোর অংশ হেলিকপ্টারে করে তুলে আনা হচ্ছে বেলিটাং দ্বীপে। বিকৃত দেহ রাখার জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে সেখানকার হাসপাতালগুলিকে। শোনা যাচ্ছে, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো যাবেন বেলিটাং দ্বীপে। মৃতদের আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করারও কথা আছে তাঁর।

উধাও বিমানের ধ্বংসাবশেষ মেলার পরই ওই এলাকায় আরও জোরদার করা হয়েছে তল্লাশি। ক্ষীণ শব্দ তরঙ্গ ধরা পড়বে, এমন উন্নত প্রযুক্তির জাহাজ ইতিমধ্যেই রওনা দিয়েছে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে। নামানো হয়েছে ডুবুরিও। জাভা সাগরের প্রায় ১৫৬০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ১৩টি সেক্টরে ভাগ করে এ দিন নজরদারি চালায় ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়ার বিমান ও জাহাজ। এত দিন এয়ারবাস ৩২০-২০০-র খোঁজ সীমিত ছিল কেবল জাভা সমুদ্রেই। আজ বোর্নিওর ছোট ছোট দ্বীপেও শুরু হয়েছে তল্লাশি। ইন্দোনেশিয়ার সাহায্যের ডাকে সাড়া দিয়ে জাহাজ পাঠাচ্ছে আমেরিকা, চিন এবং দক্ষিণ কোরিয়া।

তিন দিন পর নিখোঁজ বিমানের হদিস মিললেও দুর্ঘটনা কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কিন্তু কাটেনি এখনও। আবহাওয়া খুব খারাপ, ইন্দোনেশিয়ার এটিসিকে শেষ বার এমনই বার্তা পাঠিয়েছিলেন চালক ইরিয়ান্তো। বিমানটির উচ্চতা সে সময় ছিল ৩২ হাজার ফুট। ইরিয়ান্তো তা বাড়িয়ে ৩৮ হাজার ফুট করার অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু সেখান দিয়ে ওই সময়ই উড়ে যাওয়ার কথা ছিল আর একটি বিমানের। তাই চালকের আর্জিতে সাড়া দিতে পারেনি এটিসি। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই রেডার থেকে মুছে যায় কিউজেড-৮৫০১।

খারাপ আবহাওয়া দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, এমন আভাস মিলেছিল রবিবার দিনই। বিমান পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত অনেকের কথায়, জাভা সাগরের উপরের এই অঞ্চলকে ‘বজ্রপাতের কারখানা’ বলা চলে। ঘন ঘন বজ্রপাতে বিগড়ে যেতে পারে বিমানের দিগ্নির্ণয় যন্ত্রের চুম্বক। প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টিতে বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ইঞ্জিনেরও। বিমানের শেষ পাওয়া ছবি দেখে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই আবার ধারণা, সেই সময় বিমানের গতি অস্বাভাবিক ভাবে কমিয়ে দিয়েছিলেন চালক। কম গতির কারণেই হয়তো এয়ার পকেটে পড়ে আর শেষরক্ষা করতে পারেননি তিনি।

একের পর এক আকাশ-বিপর্যয়ের পিছনে অবশ্য আবহাওয়ার পরিবর্তনকেই দুষছেন বিজ্ঞানীরা। কয়েক বছর আগেই তাঁরা সতর্ক করেছিলেন, দূষণ রোখা না গেলে আর মসৃণ থাকবে না আকাশ পথে যাত্রা। রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক তাঁর গবেষণা পত্রে হিসেব করে দেখান, দূষণ যদি এই হারে বাড়ে, ২০৫০ সালে শুধু ইউরোপ-উত্তর আমেরিকাতেই দুর্যোগের মাত্রা বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

তবে কিউজেড-৮৫০১ ভেঙে পড়ার পিছনে আবহাওয়াই এক মাত্র কারণ কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ হাতে পাওয়া যায়নি ব্ল্যাক বক্স। বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই আবার প্রশ্ন, একুশ শতকে এত উন্নত জিপিএস ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত বিমানটির হাল-হকিকত জানতে এতটা সময় পেরিয়ে গেল কেন? এডিএস-বি নামে একটি ফ্লাইট ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ছিল এয়ারবাস ৩২০-২০০-এ।  ট্র্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে সেটি সব চেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি নয় বলেই দাবি এক মার্কিন পত্রিকার।

এয়ার এশিয়ার এই বিমানের মতোই দশ মাস আগে মাঝ আকাশে বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিল মালয়েশিয়ান এয়ার লাইন্সের এমএইচ-৩৭০। ভারত মহাসাগর তোলপাড় করে খুঁজেও পাওয়া যায়নি তার হদিস। বিমানের সঙ্গেই হারিয়ে গিয়েছেন তার ২৩৯ সওয়ারি। কিন্তু এর পরেও যাত্রী নিরাপত্তা বা ট্র্যাকিং ব্যবস্থার হাল যে মোটেই বদলায়নি, প্রাণ দিয়ে বুঝিয়ে গেলেন আরও ১৬২ জন।

বিপাকে এয়ার এশিয়ার অনেক উড়ান

এয়ার এশিয়ার বিমান দুর্ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনায় ফের বিতর্কে উঠে এল এয়ার এশিয়ার নাম। মঙ্গলবার সকাল ১১টা ১০ নাগাদ এয়ার এশিয়ার একটি উড়ান ব্যাঙ্ককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোন কেনের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এর কিছু ক্ষণ পরেই বিমানকর্মীরা কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি লক্ষ করেন। সেই কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানটিকে তড়িঘড়ি আবার ডন মুয়াং বিমানবন্দরেই ফিরিয়ে আনা হয়। তবে ত্রুটির কারণ এখনও জানা যায়নি। একই কারণে বোগোটা থেকে মায়ামিগামী এয়ার এশিয়ার আর একটি বিমানের পথ বদলে কিংসটনে অবতরণ করানো হয়। বিমানে ৯ জন কর্মী ও ১৯৭ জন যাত্রী ছিলেন। অন্য দিকে, মঙ্গলবার ম্যানিলায় অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য এয়ার এশিয়ার একটি বিমান অবতরণের সময় বিপত্তির মুখে পড়ে। বিমান বন্দর সূত্রের খবর, বিমানটিতে সব সমেত ১৫৯ জন আরোহী ছিলেন। এ দিন বিমানটি ম্যানিলায় নামার সময় রানওয়ে পেরিয়ে একটি ঘাসের জমিতে আটকে যায়। নিরাপদে আরোহীদের নামিয়ে আনার জন্য আপৎকালীন একটি দরজা খুলে দেওয়া হয়। হতাহতের খবর নেই। আনন্দবাজার।

ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়ার নিখোঁজ বিমানের খোঁজে আজ সোমবার সকাল থেকে তল্লাশি শুরু হয়েছে। আকাশ ও নৌপথে শুরু হয়েছে এই অনুসন্ধান। এয়ার এশিয়ার ওই উড়োজাহাজ গতকাল রোববার ১৬২ জন যাত্রী নিয়ে জাভা সাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় হারিয়ে যায়। নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনেরা আপনজনদের খোঁজ পেতে ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করছেন। আজ এএফপির খবরে এ কথা জানানো হয়।

ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সির ডেপুটি অপারেশনস চিফ তাতাং জয়েনউদ্দিন বলেন, ‘এয়ার এশিযার ওই উড়োজাহাজের খোঁজে আজ ভোর ছয়টা (স্থানীয় সময়) থেকে তল্লাশি শুরু করেছি। আমরা পূর্ব বেলিতাং দ্বীপের দিকে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আশা করছি মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর জাহাজ এবং বিমান দিয়ে আমাদের তল্লাশি অভিযানে সহযোগিতা করবে। শিগগিরই ওই উড়োজাহাজের খোঁজ পাব বলে আশা করছি।’
এয়ারবাস এ৩২০-২০০ উড়োজাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার সুরাবায়া থেকে সিঙ্গাপুর যাচ্ছিলই
ডেস্ক
একশ বাষট্টিজন যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী এয়ার এশিয়ার একটি বিমান নিখোঁজ হয়েছে।

এালয়েশিয়ার সাথে সম্পর্ক রয়েছে এমন তৃতীয় এ যাত্রীবাহী বিমানটি নিখোঁজ হলো। বিমানটিতে মোট ১৬২ জন যাত্রী ছিল।

বিমানটিকে খুঁজে বের করার জন্য ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপোরের কর্তৃপক্ষ ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে।

তবে ঐ অঞ্চলে এখন গভীর রাত হওয়ার কারণে তল্লাশি আপাতত স্থগিত রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায় শহর থেকে দু'ঘণ্টার এই ফ্লাইটের মাঝামাঝি সময়ে বিমানটির সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় বিমানটি ছিলো জাভা সাগরের ওপরে।

এয়ার এশিয়া বলছে, খারাপ আবহওয়ার কারণে রুট পরিবর্তনের জন্যে তারা পাইলটের কাছ থেকে একটি অনুরোধ পেয়েছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকেও বলা হয়েছে যে ঘন মেঘ এড়াতে পাইলট আরো উচুতে উঠার অনুমতি চেয়েছিলেন। বিবিসি।
যাত্রীদের স্বজনদের কান্না।

ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র- "বিমানটি জাকার্তা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সাথে যোগাযোগ করে সকাল ৬টা ১২ মিনিটে। সে সময়ে ও বিমানটি কোথায় ছিলো সেটা জানা যাচ্ছিলো। ধরা পড়ছিলো র‌্যাডার স্ক্রিনে। বিমানটি থেকে বলা হয় যে তারা মেঘ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। তখন তারা রুট পরিবর্তনেরও অনুরোধ করেন। তবে সেখান থেকে কোনো ধরনের বিপদের সঙ্কেত দেওয়া হয়নি "।

নিখোঁজ বিমানটির খোঁজে ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের সামরিক বিমান অভিযান শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনো ধ্বংসাবশেষ চোখে পড়েনি।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাত হয়ে যাওয়ার কারণে আজকের মতো এই অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী ইগনাসিয়াস জোনান, "আমরা এখনও তল্লাশি চালাচ্ছি। বিমানটির সাথে সবশেষ যেখানে যোগাযোগ হয়েছিলো সেখানেও খোঁজা হচ্ছে। আরো ব্যাপক জায়গা আমরা অভিযান চালাবো। ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী, জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থা, সিঙ্গাপুরের দপ্তরও এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে"।

তিনি আরও বলেন, "সকল উপকূল রক্ষী এবং সমুদ্র তীরবর্তী সকল রেডিও স্টেশনকে এই খবর জানানো হয়েছে। সমুদ্রের ওই এলাকা দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করছে তাদেরকেও এবিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে"।

নিখোঁজ এই বিমানে ১৬২ জন যাত্রী ছিলো, যাদের বেশিরভাগই ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।

বিমানটি খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না - এই খবর ছড়িয়ে পরার পরই যাত্রীদের আত্মীয় স্বজনরা বিমান বন্দরগুলোতে ভিড় করতে শুরু করেছেন।

এয়ার এশিয়ার ৪৯ শতাংশ মালিকানা মালয়েশিয়ার।

এর আগে, এবছরেই মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার দুটো বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

তার একটি গঐ৩৭০ মার্চ মাসে ২৩৯ জন যাত্রী এবং ক্র নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়।

সেই বিমানটির আজও কোনো হদিশ মেলেনি।

আর গঐ১৭ গত জুলাই মাসে ইউক্রেনের আকাশে গুলি লেগে মাটিতে পড়লে যায়, যাতে প্রাণ হারায় ২৯৮ জন।

ডেস্ক
১৬২ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে এয়ার এশিয়ার একটি বিমান নিখোঁজ হয়েছে। খবর ওয়াশিংটনপোস্ট’র। বিস্তারিত আসছে-----------------

বৃহস্পতিবার, 18 ডিসেম্বর 2014 23:29

রাজশাহীতে কম্পিউটার মেলার তরুণদের ভিড়

রাজশাহী সংবাদদাতা
 
রাজশাহী বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে পাঁচদিনব্যাপী কম্পিউটার মেলা জমে উঠেছে। বিসিএস ডিজিটাল এক্সপোর উদ্বোধনের দ্বিতীয় দিনে ভেন্যুর একটি স্টলে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক জটলা। গিয়ে দেখা গেলো গিগাবাইটের আয়োজনে কম্পিউটার গেমে খেলতে ব্যস্ত  তরুণরা। তথ্য প্রযুক্তির পণ্য ঘরে ঘরে পরিচিত করতে মেলায় ৫৫টি স্টল ও ৬টি স্পন্সর প্যাভিলিয়ন বসেছে। শুধু শিক্ষার্থী নয় অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের জন্য কম্পিউটার সামগ্রী ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনটাই জানালেন আয়োজক বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির রাজশাহী শাখার সেক্রেটারী আবুল ফজল কাশেমী।

টেক ল্যাবের পরিচালক আবুল ফজল কাশেমীর বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের ব্যবসায়ীরা তাদের পেশাকে শুধু ব্যবসা হিসেবে না দেখে সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে নিলে গণজোয়ার তৈরি করা সম্ভব।

মেলা চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। মেলার শেষ দিনে র‌্যাফেল ড্র’য়ের মাধ্যমে আকর্ষণীয় ১০টি পুরস্কার প্রদান করা হবে।
 

বৃহস্পতিবার, 11 ডিসেম্বর 2014 10:02

৫০ বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২১ সাল। এ বছরেই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বাংলাদেশের ৫০ বছরে পোশাক রফতানি বেড়ে হবে ৫০ বিলিয়ন ডলারথ এ স্বপ্নকে প্রতিপাদ্য করে ঢাকায় মঙ্গলবার শেষ হলো তিন দিনের 'অ্যাপারেল সামিট'। এতে অংশ নেন তৈরি পোশাক খাতসংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি সব পক্ষের প্রতিনিধিরা। ৯টি কর্মঅধিবেশনে অনেক আলোচনা হয়েছে। রফতানি আয় দ্বিগুণ করতে নানা সুপারিশ এসেছে এসব অধিবেশন থেকে। আয়োজক বিজিএমইএর নেতারা জানিয়েছেন, সামিটের সুপারিশ বাস্তবায়নে তারা নিবিড়ভাবে ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। এর জন্য সরকার, বিদেশি ক্রেতা, শ্রমিক সংগঠনসহ সব পক্ষের উদ্যোগ চান তারা। গত কয়েক বছরের রফতানির প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে সাত বছর পর ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা খুব উচ্চাভিলাষী বলা যাবে না বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে তার কোনো সংশয় নেই। এর চেয়ে বেশিও হতে পারে। গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের মতে, বর্তমানের রফতানি প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সাল নাগাদ রফতানি ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।৫০ বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন ও বাস্তবতা

সাত বছর আগে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে পোশাক খাতের রফতানি আয় ছিল ৯.২ বিলিয়ন ডলার। সর্বশেষ ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সাড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি আয় হয়েছে। তবে একটি.নিম্নভিত্তির ওপর সাধারণত যে হারে প্রবৃদ্ধি হয়, অপেক্ষাকৃত উচ্চভিত্তির ওপর একই ধরনের প্রবৃদ্ধি অনেক কঠিন। বিশেষত তাজরীন ফ্যাশন্সে অগ্নিকান্ড ও রানা প্লাজা ধসে সহস্রাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর পর বাংলাদেশের পোশাক শিল্প এখন একটি নতুন পরিস্থিতির মুখোমুখি। এ বিবেচনায় সাত বছরে দ্বিগুণ রফতানি আয় অনেক চ্যালেঞ্জিং। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যাপারেল সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্রেতাদের পোশাকের দাম বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করলেও সামিটের আলোচনায় পরিষ্কার হয়েছে যে, পোশাকের দাম রাতারাতি বাড়বে না। এর সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্য পরিস্থিতি, পোশাকের গুণগত মানসহ অনেক কিছুই সম্পৃক্ত। বিশ্লেষকরা মনে করেন, পোশাকের দাম কম থাকার ক্ষেত্রে রফতানিকারকরা কম দায়ী নন। তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এত বেশি যে, অনেকেই খুব অল্প মার্জিনে রফতানি অর্ডার নেন।

রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে পৌঁছতে কোনটি বেশি প্রয়োজন তা নিয়ে অ্যাপারেল সামিটের একটি কর্ম অধিবেশনে তাৎক্ষণিক জরিপ হয়। এতে দেখা যায়, ৫৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন। উত্তরদাতাদের ২৩ শতাংশ শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধিকে বেশি প্রয়োজন মনে করেন। বিদেশি অতিথিদের অনেকেই যেমন কোরিয়ার ইয়াংগুন করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সুং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তার মতে, ১০ শতাংশ দক্ষতা বাড়লে ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব। শ্রমিক নেতারা মনে করছেন, শ্রমিকদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ তৈরি না হলে লক্ষ্যে পৌঁছানো অসম্ভব। ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের মতে, এ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। তবে আরও অনেক কিছু করতে হবে।
ডেস্ক

এক দশকের বেশি সময় পর কনকর্ড আবার এয়ারলাইন্স ভূবনে নতুন রূপে আসছে তাদের নতুন জেনারেশনের সুপারসনিক বিমান নিয়ে। বিমানটির নাম এন+২ জেট। এতে ৮০ জন যাত্রীর জায়গা হবে। বিমানটি তার গতিশক্তি লাভ করতে তার সঙ্গে থাকা তিনটি জেট ইঞ্জিন ব্যবহার করবে।

নির্মাতারা জানিয়েছেন, কনকর্ড বিমানের মতো শব্দ করবে না এই নতুন জেনারেশন সুপারসনিকটি। লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে উড়ে যেতে বিমানটির সময় লাগবে মাত্র তিন ঘন্টা। আর এটি উড়ে যাবে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২শ ১৭ মাইল গতিসীমায়।

শুক্রবার, 05 ডিসেম্বর 2014 09:16

পানির নিচে পাঁচতারা হোটেল

ডেস্ক

আপনি মশারি খাটিয়ে চারপাশে মশার ভন ভন শুনতে শুনতে ঘুমাতে পারেন। যদি শিল্পমনা কিংবা সঙ্গীতপিপাসু হয়ে থাকেন, তাহলে মশার ভন ভনকেই ভিন্ন ধরনের গানটান জাতীয় কিছু ভেবে নিয়ে দিব্যি আরামে নাকও ডাকতে পারেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। যদি আপনি ঘুমানোর আগে বা ঘুম ভাঙলে নিজের চারপাশে নানা রঙের মাছের খেলা দেখতে পারেন, তাহলে নিশ্চয় ব্যাপারকে স্রেফ উদ্ভট বলে উড়িয়ে দেবেন। এটিই স্বাভাবিক। আপনি তো আর জলমানব-টানব জাতীয় কেউ নন যে, সাগরতলে নিজের শ্যাওলার বিছানায় শুয়ে মাছেদের সাঁতার কাটা আর হঠাৎ হঠাৎ আচমকা গোত্তা দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়বেন। শুনে উদ্ভট মনে হতে পারে, কিন্তু ঘটনা সত্যি। আপনি চাইলেই মাছেদের খেলা দেখতে পানির তলে ঘুমাতে পারেন। তবে সে জন্য যেতে হবে তাঞ্জানিয়া অথবা জাঞ্জিবারের উপকূলবর্তী ভারত মহাসাগরে। সেখানে প্রতি রাতে মাত্র দেড় হাজার মার্কিন ডলারের মতো খরচ করলেই উদ্ভট এ ব্যাপারটিকে একান্তই বাস্তব মনে হবে। একেবারে রূপকথাকে পর্যন্ত হার মানানো এক অকল্পনীয় বাস্তব। পানির নিচে মাছের খেলা দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়ার ওই জায়গাটা হলো একটি পাঁচতারা হোটেল। প্রশান্ত মহাসাগরের ১৩ ফুট নিচে তৈরি করা ওই হোটেলের উদ্বোধন করা হয়েছে সম্প্রতি। তিনটি অংশ রয়েছে মান্তা আন্ডারওয়াটার রুম নামের হোটেলটিরথ ব্যালকনি, ডাইনিং রুম এবং একটা বেডরুম।পানির নিচে পাঁচতারা হোটেল

এক রাত কাটিয়ে এলে সারা জীবনেও না ভোলার মতো এক অপার্থিব স্মৃতি নিয়ে ফিরে আসবেন আটপৌরে দৈনন্দিনতায়।

আফ্রিকায় প্রথম এই আন্ডারওয়াটার হোটেলটি উদ্বোধনের পর ব্যবসায়িকভাবে চলা শুরু করেছে। ক্লস্ট্রোফোবিয়া বা 'আবদ্ধ-অনুভূতি'তে ভোগেন, এমন মানুষ ছাড়া আর যে কেউই পকেটে রেস্ত থাকলে ঘুরে বা মাছের সঙ্গে ঘুমিয়ে আসতে পারেন ওই হোটেলে। কোন মাছটি নেই বলেন, যে আপনাকে রাত-দিন সঙ্গ দিতে আসবে না? দিনের বেলায় ছোট থেকে মাঝারি সাইজের মাছের ঝাঁক আসবে আপনাকে অভিনন্দন জানাতে। হয়তো তাদের জলীয় ভুবনে আপনি একস্থলীয় জীব, নিজের তৈরি 'চিড়িয়াখানা'য় বসে আছেন, আর তারা ঝাঁকে ঝাঁকে এসে মজা দেখে যাবে। রাতের বেলায় আসবে রথী-মহারথী হাঙ্গর, স্কুইড আর অক্টোপাসরা। চারপাশে ঘুর ঘুর করবে, হয়তো ফাঁক-ফোকর খুঁজে বেড়াবে আপনাকে দিয়ে রাতের বেলায় ডিনারটা সেরে ফেলা যায় কি-না। তবে আপনি যেহেতু সংরক্ষিত স্বনির্মিত বন্দিশালায়, তাই মাছে ভোজ্য হওয়ার ভয় অবশ্যই নেই। বরং স্বচ্ছ কাঁচের দেয়ালের এ পাশে আপনিও দেখে নিন অদেখা সে জীবন্ত মাছদের জলীয় জীবন।

হোটেলের ওপর তলাটা হচ্ছে একটা ব্যালকনি। আপনি চাইলে রাতের বেলায় ওখানে বসে তারা ভরা আকাশ দেখতে পারেন। আড্ডা মারতে পারেন বন্ধু-বান্ধব নিয়ে। মাঝখানের তলাটা হচ্ছে ডাইনিং স্পেস। অবশ্য ওখানে বসে আপনি চাইলে সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্যও উপভোগ করতে পারেন। ওপর তলাটায় দিনের বেলায় সূর্যস্নানের উপযোগী। রাতের বেলায় তারাখচিত আকাশের নিচে বসে রোমান্টিকতায় আচ্ছন্ন হওয়ার মতো পরিবেশ।তবে আফ্রিকার জাঞ্জিবার উপকূলের পেম্বা দ্বীপের কাছে তৈরি মান্ডা আন্ডারওয়াটার রুম পৃথিবীর প্রথম পানির তলার হোটেল নয়। সুইডেন আর তাঞ্জানিয়ার কিছু বিনিয়োগকারী গড়ে তুলেছেন পানির নিচের এই হোটেল। মিকায়েল জেনবার্গ নামের একজন সুইডিশ আর্টিস্ট এর ডিজাইন করেন। দ্য মেইল অনলাইন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
 
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা রুটে আরো একটি ফ্লাইট চলাচল শুরু করেছে। আগে প্রতি সপ্তাহে শনি, রবি ও বুধবার লন্ডন রুটে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হতো। এখন থেকে এই তিনটি ফ্লাইটের পাশাপাশি সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান। বিমানের বিবি-০০১ ফ্লাইট শুক্রবার বেলা ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিমানবন্দরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন।
জানা গেছে, ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা রুটের উদ্বোধনী ফ্লাইট লন্ডনের স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ০৫ মিনিটে লন্ডন পৌঁছাবে এবং লন্ডন থেকে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।





নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের সব ফ্লাইট অনির্দষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার রাতে ব্যাক্তিমালিকানাধীন খাতে দেশের সবচেয়ে বড় এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা তাদের সব ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। কাউন্টারও বন্ধ। রীতিমত উধাও হয়ে গেছেন কর্মকর্তারা। পুলিশও তাদের খোঁজ পাচ্ছে না। এদিকে কাউন্টার বন্ধ থাকার ফলে বিভিন্ন দেশে যাওয়া কয়েকশ যাত্রীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তারা বিমানবন্দরের ভেতরেই বিক্ষোভ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ তাদের সবকটি ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দেয়। এর পরপরই কাউন্টারটি বন্ধ করে দেয় কর্মকর্তারা। কিন্তু যাত্রীরা তাদের পূর্ব নির্ধারিত ফ্লাইট অনুযায়ী বিমানবন্দরে আসেন। কিন্তু সি-রোতে অবস্থিত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কাউন্টার বন্ধ দেখার পরপরই তারা বিক্ষোভ করতে থাকেন।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আসমা আরা জাহান  বলেন, রাত সোয়া ৮টার সময় ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট দোহা মাসকট যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কারণে কর্মকর্তারা তাদের কাউন্টার বন্ধ করে দেন। যাত্রীরা কাউন্টার বন্ধ দেখার পর বিক্ষোভ করতে থাকেন।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ব্যাক্তিমালিকানাধীন খাতে দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যবসা সফল আকাশ পরিবহন কোম্পানি। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০০৭ সালের ১০ জুলাই থেকে এর প্রথম ফ্লাইটের যাত্রা শুরু হয়।
দেশের সবগুলো বিমান বন্দরেই এ কোম্পানিটি যাত্রী ও মাল পরিবহন করে থাকে। এছাড়া ভারতের কোলকাতায়ও এর যাতাযায়াত রয়েছে।