07082020বুধ
শিরোনাম:
রাজশাহী সংবাদদাতা রাজশাহী-ঢাকা অভ্যন্তরীণ রুটে বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘ইউএস-বাংলা’র ফ্লাইট চালু হচ্ছে। আগামীকাল শনিবার থেকে প্রতিষ্ঠানটির বিমান আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফ্লাইটের যাত্রা শুরু করবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পর দ্বিতীয় কোন প্রতিষ্ঠান এ সেবা দিতে যাচ্ছে। এতে করে ফ্লাইটের সংখ্যা রাজশাহীতে আরো তিনদিন বাড়লো। বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান সপ্তাহে তিনদিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন উইং সদস্য শেখ সাদী শিশির জানান, শনিবার বিকেল চারটা ১০ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারি বিমান সংস্থার ফ্লাইটি রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। সপ্তাহে তিনদিন ওই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে প্রতিষ্ঠানটি। উল্লেখ্য, দীর্ঘ আট বছর বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ৭ এপ্রিল এ অভ্যন্তরীণ রুটে আবারো চালু হয় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’র ফ্লাইট। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সপ্তাহের শুক্র, রবি ও মঙ্গলবার এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ।
ডেস্ক গাউন পোশাকটিকে অতীতে যদিও পশ্চিমা দেশের পোশাক হিসেবেই ধরা হত, তবে এখন ভারত বা আমাদের দেশের তরুনীদের মাঝেও এই পোশাক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর তাই ঈদের পোশাক হিসেবে অনেকে বেছে নিচ্ছেন গাউনকে। আপনি কি এবার ঈদে গাউন পরার কথা ভাবছেন? তাহলে জেনে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য। কোথায় পাবেন, কেমন দাম, কোন রকম দীর গড়নে কোন স্টাইলের গাউন মানাবে ইত্যাদি সব কিছু নিয়েই আমাদের এই ফিচার। কেন এবার গাউন এর এত জনপ্রিয়তা? সদ্য শেষ হওয়া কান কান চলচিত্র উৎসবে বিশ্বের নামী দামী অভিনেত্রীদের দেখা গেছে গাউন পরেছেন। আর তাই গাউন নিয়ে একটু বেশি উৎসাহ কাজ করছে সবার মাঝে। তাছাড়া গরমের ভেতর ঈদ হবার কারনে সবাই-ই চাচ্ছেন স্বস্তিকর পোশাক পরতে আর তাতে গাউনের বিকল্প নেই। তাইতো এবার তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে গাউন। কেমন গড়নে মানাবে কোন কাটের গাউন? অনেকের ভাবেন গাউন পরলে হয়ত বেশী মোটা লাগবে বা খাটোদের আরো খাটো লাগবে। তাই ইচ্ছে থাকলেও গাউন আর কেনেন না। আসলে কিন্তু কাটছাটে একটু পরিবর্তন আনলে যে কোন গড়নেই বেশ মানাবে গাউন। কোমরের দিকটা ভারী হলে হাফ বডি স্টাইলে বানানো গাউন পরলে দেখতে ভালো লাগবে। তাহলে কোমরের চওড়া ভাবটা চোখে পড়বে না। উচ্চতা একটু কম হলে একরঙা গাউন গুলো বেছে নিন। লম্বা লাগবে। আর প্রিন্টের গাউন পরলে ছোট ছোট প্রিন্ট খুজে নিন। ভারী গড়ন হলে প্রিন্সেস লাইন স্টাইলে বানানো গাউনগুলো বেছে নিন। একটু লম্বা ও শুকনা দেখাতে সাহায্য করে এটি। সামনের দিকে একটু ছোট আর পেছনের দিকে একটু বড় দেখতে গাউন পরুন। ভালো মানাবে। যারা শুকনো বা হ্যাংলা শারীরিক গঠনের তারা উজ্জ্বল রঙের গাউন বেছে নিন। একটু বড় ফুল বা ডিজাইনের গাউনের আপনাকে বেশ মানাবে। কেমন কাপড়ের গাউন পরবেন? রঙ হবে কেমন? শিফন জর্জেটের এর কাপড়ে গাউনগুলোই এবার সবচেয়ে বেশি চলছে। দেশীয় ছোয়া আনতে টাই ডাই এর ব্যবহার করা হয়েছে। ‘জর্জেট, শিফন, সাটিন, নেট, লিনেন বিভিন্ন কাপড় দিয়ে গাউন তৈরি করা হচ্ছে। অনেক কাপড় কিনে গাউন বানান। তারা একরঙা কাপড়ের গাউনের উপর প্রিন্টের কাপড়ের কটি দিয়ে গাউন বানাতে পারেন। এবার বেশ চলছে এই ডিজাইন। বৃষ্টি, মেঘযুক্ত আবহাওয়া এসবের কথা চিন্তা করে এবার গাউনগুলোতে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহারই বেশি চোখে পড়ছে। তবে রাতের পার্টির জন্য কালো, নীল, মেরুন এই রঙগুলোও চলছে। কেমন হবে গাউনের ডিজাইন? বিভিন্ন কাটের গাউন পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এ লাইন, হেম লাইনে এসে সামনে-পেছনে উঁচু-নিচু ও দুই পাশে ঝুলে গেছে, বডি হাগিং, হাফ বডি স্টাইল, এক ছাঁটের গাউন ইত্যাদি কাট প্রাধান্য পাচ্ছে। আপনি চাইলে আনারকলি স্টাইলেও গাউন বানাতে পারেন। কিংবা কোমরে ভারী স্টোনের লেস দিয়ে গাউন বানাতে পারেন। এবার ঈদে কর্দমাক্ত পরিবেশ থাকতে পারে। সেদিক খেয়াল রেখে মাটি পর্যন্ত ছোয়া গাউন গুলোর চেয়ে গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা গাউনগুলোর প্রাধান্য এবার বেশি। কোথায় পাবেন? কেমন দামে? দেশের প্রায় সব শপিংমলগুলোতেই আছে বাহারী রঙের, বাহারী ডিজাইনের গাউন। বসুন্ধরা সিটি, চাঁদনী চক, সিমান্ত স্কয়ার সবখানেই পাবেন পছন্দমত গাউন। তাছাড়া দেশীয় ফ্যাশন হাউজ আড়ং, রঙ, কে ক্র্যাফট, ফড়িং এগুলোতো তো আছেই। কাপড় ও ডিজাইন ভেদে এসব গাউনের দাম পড়বে ৩ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার পর্যন্ত। কাপড় কিনে গাউন বানাতে চাইলে নিউমার্কেট থেকে গজ কাপড় কিনে নিতে পারেন। সাথে পছন্দমত লেস। তাহলে কিনে ফেলুন পছন্দের গাউন আর ঈদ আনন্দে মেতে উঠুন প্রিয় পোশাকে।
ডেস্ক ইঞ্জিনের ত্রুটি নয়, পাইলটের মারাত্মক ভুলেই বিধ্বস্ত হয় তাইওয়ানের ট্রান্স এশিয়া এয়ারওয়েজের বিমানটি। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তাইপের সংসান বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়ার মিনিট তিনেকের মধ্যেই নদীতে ভেঙে পড়েছিল ট্রান্স এশিয়া এয়ারওয়েজের এই বিমান। একটি ব্রিজে ধাক্কা খাওয়ার পর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা নদীতে গিয়ে পড়ে। ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৪৩ জন। তাইওয়ানের এভিয়েশন সেফটি কাউন্সিলের তদন্তে দেখা গেছে, পাইলট ভুল করে একমাত্র ইঞ্জিনের বোতাম টিপে বন্ধ করে দেন। ককপিটে ভয়েস রেকর্ডারে ধরা পড়ে পাইলট বলছেন, ভুল করে অন্য একটা বোতাম টিপে দিয়েছি। ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ায় বিমানের অন্য অংশগুলোও বন্ধ হয়ে যায়। ততক্ষণে বিমান উড্ডয়নের পর উপরে উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আবার দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। জিনিউজ। বিমানের পাইলটের আর বিশেষ কিছু করার ছিল না। ভুল যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছি
শনিবার, 13 জুন 2015 09:25

বিনামূল্যে যৌনসেবা!

ডেস্ক অস্ট্রিয়ার স্যালজবুর্গের পাসচা নামের একটি ব্রোথেল বা বেশ্যালয়ে আট সপ্তাহ ধরে বিনামূল্যে যৌনতা ও মদ বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারি রাজস্ব অধিদপ্তরের অতিরিক্ত করদাবির প্রতিবাদে এই অভিনব পদ্ধতি বেছে নিয়েছে পাসচা নামের পতিতালয়টি। অস্ট্রিয়ার সবচেয়ে মনোরম শহর স্যালজবুর্গে অবস্থিত পুরোপুরি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্সকৃত পাসচা পতিতালয় সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে চলতি গ্রীষ্মের বিশেষ প্যাকেজ হিসেবে তারা খদ্দেরদের আট সপ্তাহ ধরে যত খুশি তত পরিমাণ যৌনতা ও মদ বিনামূল্যে সরবরাহ করবে। পতিতালয়টির মালিক হারম্যান ‘পাসচা’ মুলার বলেন, ওই আট সপ্তাহ তিনি নিজ পকেট থেকে তার পতিতালয়ের যৌনকর্মীদের মজুরি শোধ করবেন। তিনি বলেন, সরকারি রাজস্ব দপ্তর তার আয়ে ভাগ বসানোতে তিনি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। আর এ কারণেই প্রতিবাদ জানাতে তিনি এই অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন। এই ঘোষাণা দেওয়ার পর থেকে ওই পতিতালয়ে খদ্দেরের ঢল নামে। কিন্তু সব খদ্দেরের চাহিদা পুরণে ব্যর্থ হওয়ায় অসংখ্য খদ্দেরকে খালি হাতেই ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। পতিতালয়টির মালিক জার্মান বংশোদ্ভুত মুলার অস্ট্রিয়ার ক্রোনেন জেইটুঙ্গ নামের একটি সংবাদ ট্যাবলয়েডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, এই অভিনব প্রতিবাদে তার ব্যাপক প্রচারণা হলেও তিনি মাত্র আট সপ্তাহ পর্যন্ত এর ব্যায়ভার বহন করতে পারবেন। মুলার বলেন, সরকারি কর দপ্তর বৈধ পতিতালয়গুলোর উপর ক্র্যাকডাউন চালাচ্ছে; অথচ রাস্তায় ভাসমান ও অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে চলা পতিতাবৃত্তির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘গত দশ বছরে আমি মোট প্রায় ৫০ লাখ ইউরো কর দিয়েছি। কিন্তু এরপরও কর কর্মকর্তারা আরো বেশি বেশি কর দাবি করছেন। তারা আমাকে কোনো স্বস্তি দিচ্ছেন না। প্রতি দুই সপ্তাহে একবার করে তারা আমাকে জ্বালাতন করতে আসছেন। এমনকি আমার বিরুদ্ধে করফাঁকি ও মানব পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেও হয়রানি করছেন। মুলার তার বিরুদ্ধে আনীত করফাঁকি ও মানব পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান তিনি পুরোপুরি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যৌন ব্যবসা করে আসছেন। অস্ট্রিয়ায় পতিতালয় চালানো আইনত বৈধ একটি ব্যবসা। তবে দেশটির বেশিরভাগ যৌনকর্মী ভিনদেশ থেকে আসা অভিবাসী। দেশটির বেশিরভাগ যৌনকর্মী বলকান, রাশিয়া ব্যাতিত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো ও নাইজেরিয়া থেকে এসেছে। এ কারণেই কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করছে অবৈধ মানবপাচারের মাধ্যমেই হয়তো এই যৌনকর্মীদের সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ধারণা করা হয় অস্ট্রিয়ায় মোট যৌন কর্মী রয়েছে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার জন। আর তারা প্রতিদিন অন্তত ১৫ হাজার খদ্দেরকে যৌন সেবা সরবরাহ করে থাকেন
ডেস্ক মালয়েশিয়ার একটি পাহাড়ের (মাউন্ট কিনাবালু) ওপর নগ্ন ছবি তোলার দায়ে অভিযুক্ত চারজন বিদেশি পর্যটক আদালতের কাছে নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। স্থানীয় লোকজনের কাছে কিনাবালু একটি পবিত্র পর্বত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর বিবিসি, সিএনএন’র। দোষ স্বীকারকারীদের মধ্যে একজন ব্রিটিশ, দু’জন কানাডার এবং অন্যজন ডাচ নাগরিক। এছাড়া আরও ছয়জনের একটি দল ওই পাহাড়ের ওপর উঠে ছবি তুলেছিল। আর ৫ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের জন্যে দায়ী করা হয়েছিল এই ছবি তোলার ঘটনাকে। এই চারজনই কোটা কিনাবালু ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে তাদের অপরাধ স্বীকার করেছেন তবে সরকারি কৌঁসুলিদের পক্ষ থেকে আনা আরও কিছু অভিযোগ তারা অস্বীকার করেছেন। কৌঁসুলির বলছেন, সূর্যোদয় উপভোগ করার জন্যে এই গ্রুপটি গত ৩০শে মে মাউন্ট কিনাবালুর চূড়ায় উঠেছিল। নেমে আসার আগে তারা একজন আরেকজনকে কাপড় খুলে নগ্ন হতে বলে। কিন্তু স্থানীয় গাইড তাতে আপত্তি জানায়। তাদেরকে বলা হয় যে এই আচরণ যথাযথ হবে না। তখন ওই গাইডকে ‘চুপ কর’, ‘জাহান্নামে যাও’ বলে গালাগাল করা হয়েছে বলে কৌঁসুলি অভিযোগ করেছেন। বিচারক জানতে চান এসব অভিযোগ সত্য কীনা তখন তাদের কেউ কেউ মাথা নেড়ে সত্যতা স্বীকার করেন।
ডেস্ক ইঞ্জিনে আগুন ধরেছে এমন সংকেতের ভিত্তিতে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমান মেলবোর্নে জরুরি অবতরণ করেছে। মেলবোর্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ওই মুখপাত্র জানান, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট 'এমএইচ-১৪৮' শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা ২ টা ১৬ মিনিটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে মেলবোর্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে। তবে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরই বিমানটি মেলবোর্ন বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটিতে ৩০০ যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। এয়ারসার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়া জানায়, বিমানটির ইঞ্জিনে আগুন ধরেছে- এয়ারক্রাফট সিস্টেম থেকে এমন সংকেত পেয়ে এটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয়। তবে অবতরণের পর বিমানটির বাইরের অংশে আগুনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জরুরি অবতরণের পর মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের প্রকৌশলী ও বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্টরা 'এয়ারবাস ৩৩০' পরীক্ষা করে দেখছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে বিমানটির বাইরের অংশে আগুনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চলছে। 'নিরাপত্তাই মালয়েশিয়ার এয়ারলাইন্সের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ'- একথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, এমএইচ-১৪৮ ফ্লাইটটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। মেলবোর্নের মেট্রোপলিটন দমকল বাহিনী জানায়, বেলা ২ টা ২২ মিনিটে তাদেরকে তলব করা হয়। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি তারা। এর আগে গত বছর মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের দুটি বিমান বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হয়। এর মধ্যে গত বছরের মার্চে যাত্রী ও ক্রুসহ ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিং যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় ফ্লাইট 'এমএইচ-৩৭০'। এখন পর্যন্ত ওই ফ্লাইটের কোনো খোঁজ মেলেনি। এছাড়া গত জুলাইয়ে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে যাওয়ার পথে ইউক্রেনের আকাশসীমায় ভূমি থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয় মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট 'এমএইচ-১৭'। ওই ঘটনায় ২৮৩ যাত্রী ও ১৫ ক্রুসহ বিমানটিতে থাকা ২৯৮ জন আরোহীর সবাই মারা যায়।
ডেস্ক, নিউজফ্ল্যাশ টুয়েন্টিফোরবিডি ডটকম মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সকে 'কার্যত দেউলিয়া' বলেছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী। প্রায় ৬,০০০ কর্মী ছাটাই করে সংস্থাটির পুনর্গঠনের একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স। গতবছর দুটি বিমান দুর্ঘটনার পর সংস্থাটিকে জাতীয়করণ করা হয়। এয়ারলাইন্সটি বলছে, তারা তাদের ২০,০০০ কর্মীর মধ্যে ১৪,০০০ জনকে তারা চাকুরী রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। কর্মী ছাটাইয়ের ঘোষণা আগেই ধারণা করা হয়েছিল এবং মে মাসেই নতুন প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টফ মুলারের নিয়োগের পরই ঘোষণাটি আসলো। "আমরা কার্যত: দেউলিয়া" এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন মি. মুলার। "২০১৪ সালের হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলোর অনেক আগেই আমাদের পতন শুরু হয়েছিলো।" তিনি বলেন। তবে এয়ারলাইন্সটি স্বাভাবিকভাবেই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং কোন ফ্লাইটও প্রভাবিত হয়নি। গতবছরের মার্চে ২৩৯ জন যাত্রী এবং ক্রু নিয়ে এমএইচ ৩৭০ বিমানটি নিখোঁজ হয়। সেই বিমানটি এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এর চার মাস পর, এমএইচ ১৭ ফ্লাইটটি ইউক্রেনের আকাশসীমায় মিসাইল হামলায় ভূপাতিত হয়। ঐ ঘটনায় ২৯৮ জন যাত্রী এবং ক্রু নিহত হয়। বিবিসি।
ডেস্ক মাঝ-আকাশে বিমানের দু’টি ইঞ্জিনই সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভয়ানক সেই অভিজ্ঞতা পেরিয়ে অবশ্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ১৮২ জন যাত্রী। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের সাংহাইগামী বিমান এসকিউ৮৩৬ তেমন বিপত্তির মুখেই পড়েছিল। শেষমেশ খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার ফুট নীচে নেমে বড় দুর্ঘটনা এড়াতে পেরেছেন বিমানচালক। কিন্তু মাঝ-আকাশে কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে বিমান সংস্থা। গত শনিবার সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর থেকে সাংহাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল এসকিউ৮৩৬। বিমান সংস্থার মুখপাত্র জানান, ওড়ার সাড়ে তিন ঘণ্টা পরে ৩৯ হাজার ফুট উচ্চতায় ঘটনাটি ঘটে। বিমানের দু’টি ইঞ্জিনই সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। বিমানচালক ১৩ হাজার ফুট নীচে নেমে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে সাংহাইয়ে ঠিকঠাক অবতরণও করেন। কিন্তু মাঝ আকাশে ১৮২ জন যাত্রী এবং ১২ জন বিমানকর্মীর এ ভাবে প্রাণসংশয় হওয়ায় ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংস্থা। যদিও সংস্থার মুখপাত্রের দাবি, ওড়ার আগে বিমানের ইঞ্জিন দু’টি পরীক্ষা করা হয়েছিল। সাংহাই নামার পরেও সেগুলি ফের খতিয়ে দেখা হয়। কোনও অস্বাভাবিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিমান পরিষেবায় দু’টি ইঞ্জিনই বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা বিরল। তবে এমন ঘটলে কী করতে হবে, তার প্রশিক্ষণও পাইলটদের দেওয়া হয়। বিমানে ত্রুটি নেই অথচ মাঝ আকাশে তা বন্ধ হয়ে গেল কেন? অভিজ্ঞ পাইলট সর্বেশ গুপ্ত একটি সম্ভাবনার কথা বলছেন। তাঁর মতে, ৩৯ হাজার ফুট উচ্চতায় তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। তখন বরফে ইঞ্জিন অনেক সময় জমে যেতে পারে। তার জন্য সাধারণত বিমানে অ্যান্টি আইসিং সিস্টেম থাকে। কিন্তু সেটি হয়তো এই বিমানের ক্ষেত্রে কাজ করেনি বলে মনে করছেন সর্বেশ। ওই বিমানের পাইলট দ্রুত অনেক কম উচ্চতায় নেমে এসেছিলেন, এই তথ্য জানিয়ে সর্বেশ বলছেন, যদি বরফের জন্যই ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে চালক কম উচ্চতায় নেমে আসায় তাপমাত্রা বেড়েছে। বরফ গলে গিয়ে ইঞ্জিন ফের চালু হয়ে গিয়েছে। তবে আদৌ এই কারণেই বিপত্তি ঘটেছিল কিনা, সে সবই এখন খতিয়ে দেখবে বিমান সংস্থা।
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে এগিয়ে নেওয়া এবং ক্রমবর্ধমান যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, দ্বিতীয় রানওয়ে এবং অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রণীত প্রাথমিক সম্ভাব্যতা প্রতিবেদন ও খসড়া মাস্টারপ্লানের উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দিয়ে বলেন, দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাদেশে অবশ্যই একটি আধুনিক ও বৃহৎ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। এ ব্যাপারে দেশের বিমান বন্দরের উন্নয়নের জন্য তিনি তাঁর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, তাঁর সরকারই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দ্বিতীয় টার্মিনাল নির্মাণ করেছে। এছাড়া সিলেট ওসমানি এবং চট্টগ্রামে শাহ আমানত বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উন্নীত করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজার ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঈশ্বরদী বিমান বন্দরের আরো উন্নয়ন করা হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদারে এসব বিমান বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সূত্র জানায়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী হ্যান্ডেলিং সক্ষমতা প্রায় ৮ মিলিয়ন। চলতি অর্থ বছরে ৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন যাত্রী এই বিমান বন্দর ব্যবহার করেছে এবং যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির হার ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। বিমানবন্দরের বার্ষিক কার্গো হ্যান্ডেলিং সক্ষমতা ২ লাখ টন, বর্তমানে এই বিমান বন্দরের মাধ্য ২ দশমিক ৩৭ লাখ টন কার্গো পরিবহন করা হচ্ছে। অর্থাৎ বর্তমানে বিমানবন্দরের সক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত ১৮ শতাংশ কার্গো হ্যান্ডেলিং করছে। ক্রমবর্ধমান যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডেলিংয়ের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে একটি মাস্টারপ্লান তৈরিতে কোরিয়ার ইয়ুসহিন, সিঙ্গাপুরের সিপিজি এবং বাংলাদেশের ডিডিসি’র সমন্বয়ে একটি যৌথ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ১০ মাসের মধ্যে বিমান বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও একটি নতুন মাস্টারপ্লান তৈরি করে। মাস্টারপ্লান অনুযায়ী দু’টি পর্যায়ে বিমান বন্দর সম্প্রসারণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। মাস্টারপ্লানে প্রথম পর্যায়ে দ্বিতীয় রানওয়ে বাদে সকল অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে, তৃতীয় টার্মিনাল, কার্গো ভিলেজ, ভিভিআইপি কমপ্লেক্স এবং অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল। প্রথম পর্যায়ের কাজ চলতি বছর শুরু হয়ে ২০১৯ সালে শেষ হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৭ শ কোটি টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় রানওয়েসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ২ হাজার ৩ শ কোটি টাকা। সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনা করে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়ন পুনঃমূল্যায়ন করা হতে পারে। সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়, দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে এইচএসআইএ সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সমীক্ষা রিপোর্টের আলোকে যথাসম্ভব দ্রুত প্রথম পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। সিএএবি মনে করে, এইচএসআইএ সম্প্রসারণের প্রথম কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি এখনই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মাণ শুরু করা উচিত। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম সানাউল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার, 09 মে 2015 08:20

পর্যটকশূন্য জাফলং

সিলেট সংবাদদাতা এবার দীর্ঘ হরতাল-অবরোধের কারণে পর্যটকরা ছিলেন এমনিতেই ত্যাক্ত-বিরক্ত। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সিলেটসহ সারাদেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো হয়ে পড়ে জনশূন্য। পর্যটন মৌসুম শীতকালটা এমনিতেই শেষ হয়ে যায় হরতাল-অবরোধে। বহু প্রতীক্ষিত সময়টা উপভোগ হয়নি পর্যটকদের। প্রকৃতিপ্রেমী বেশিরভাগ মানুষের আকর্ষণ শীতকাল। শীতে ঘুরতে সুবিধা বেশি। এবার শীতকালটা হয়ে পড়ে বৈরী। সেটা প্রাকৃতিক করণে নয়, ছিল রাজনৈতিক কারণ। এরপরও মার্চের শেষদিকে এপ্রিলের শুরুতে কিছু পর্যটক ছুটে আসেন সিলেটের পর্যটন এলাকাগুলোতে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের নিকট সিলেটের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে হযরত শাহজালাল (র:) ও হযরত শাহপরান (র:)-এর মাজার। প্রকৃতি কন্যা জাফলং, মাধবকুণ্ড, পাহাড়, ঝর্ণাসহ সিলেটের নয়নাভিরাম চা-বাগান, বিশাল হাওর, পানির নীচে সাদা বোল্ডার পাথর, বন-বনানীসহ নানা প্রাকৃতিক সম্পদ দেখতে আসেন তারা। কিন্তু বিধিবাম কিছুদিন যেতে না যেতে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। সেই সাথে রাস্তা-ঘাটের অবস্থাও করুণ আকার ধারণ করেছে। আনন্দে আবার ভাটা। বিশেষ করে সিলেট-তামাবিল-জাফলং সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গা রাস্থাগুলো হয়ে উঠেছে আরো বিপদসংকুল। পর্যটকরা ত্যাক্ত বিরক্ত। স্থানে স্থানে ভাঙ্গা সড়কে যানবাহন আটকা পড়ে। রোদ উঠলে এসব সড়কের ধূলায় মানুষ অতিষ্ঠ। সারি সারি চা বাগান, উঁচু নিচু পাহাড় টিলা, গহীন অরণ্য ও ঝর্ণা ধারা দেখার স্বাদটি তেতো হয়ে উঠেছে পর্যটকদের। শীতের পর বর্ষায় অনেক পর্যটক আসেন পাহাড় থেকে নেমে আসা ভারতের ডাউকী ও বাংলাদেশের পিয়াইন নদীর সংযোগ দেখতে। কিন্তু আশপাশ এলাকায় যেনতেনভাবে পাথর তোলায় এলাকার দৃশ্যটি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। অনেক আশা নিয়ে আশা শত শত পর্যটক এখানে এসে হতাশ হয়ে পড়েন। কয়েকদিন আগেও বেশকিছু পর্যটকের ভিড় ছিল জাফলং এলাকায়। কদিন থেকে আবার পর্যটক তেমন আসছেন না বলে জানান ঐ এলাকায় হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, মূলত এখন রাস্তাঘাটের দূরবস্থার দরুন পর্যটক আসছেন না। সৌন্দর্য পিয়াসী নানা বয়সের নারী-পুরুষ জাফলং-এর পাহাড়ী পিয়াইন নদীতে অবগাহনে যেখানে সরব থাকার কথা সেখানে অনেকটাই নীরব এখন। সিলেট-জাফলং-তামাবিল প্রায় ৫৮ কিলোমিটার সড়কের দেখভালের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথের। কিন্তু সড়ক মেরামতের পরই ভেঙ্গে যাচ্ছে জানিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীরা বলেন, এই সড়ক দিয়ে ১৫ টন মালামাল পরিবহনের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু সারা বছর এ পথে ২৫-৪০ টন পাথর পরিবহন করা হয়। এতে সড়কটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সওজ সূত্র জানায়, জৈন্তা উপজেলার সারীঘাট এলাকার ৪০০ মিটার সড়কে সংস্কার চলছে। কর্মকর্তারা জানান, আগামী শুষ্ক মৌসুমে ১৫-১৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ভারি যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণে না আসলে আবার তা ভেঙ্গে যাবে।