07052022মঙ্গল
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। ফ্লাইটটিতে ৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে ফ্লাইটটি নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ড্যাশ ৮ কিউ-৪০০ মডেলের বিমানটি যাত্রী নিয়ে ঢাকায় আসার সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে পাইলট জরুরি অবতরণ করতে চান। পরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি নিরাপদে অবতরণ করা হয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বিমানের একটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করেছে। আলহামদুলিল্লাহ, সব যাত্রীরা নিরাপদ ও অক্ষত আছেন। কোনো সমস্যা হয়নি। সূত্রে জানা গেছে, প্লেনটির ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটি ছিল। এ কারণে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন পাইলট। প্লেনটি জরুরি অবতরণের পরই হার্ড ব্রেক করেন পাইলট। এতে বিমানটি কিছুটা পিছলে পড়ে। কিছুক্ষণ থেমে ধীরে ধীরে পার্কিংয়ে নেন পাইলট। এরপর নিরাপদে সব যাত্রীদের নামানো হয়। ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণের সময় বিমানবন্দরে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট প্রস্তুত ছিল। কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে নিরাপদে ফ্লাইটটি অবতরণ করেছে, কোনো সমস্যা হয়নি। অবতরণের পর ল্যান্ডিং গিয়ার ‘আউট অব অর্ডার’ (বিকল) থাকায় প্লেনটি পুশকার্টের মাধ্যমে পার্কিং এলাকায় নেওয়া হয় বলে বিমান সূত্র জানিয়েছে।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর একটি বোয়িং-৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-৩৪০ বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সৌদি আরব-এর রিয়াদ থেকে উড্ডয়ন করে ১৬:১৫ টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর উড়োজাহাজটি ৪ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজে আনা হয়। উড়োজাহাজটি থেকে যাত্রী, ব্যাগেজ ও কার্গো অফ-লোডিং সম্পন্ন হওয়ার পর যথারীতি হ্যাংগারে নেওয়ার সময় বোর্ডিং ব্রিজের ক্যানোপি বিমানের দোরগোড়ার সংযোগস্থলের সংস্পর্শ হতে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় বোর্ডিং ব্রিজে থাকা ঘর্ষণ প্রতিরোধক রাবারের সাথে ঘর্ষণ লাগে। প্রকৌশলীগণ তাৎক্ষণিকভাবে জানান যে, বোর্ডিং ব্রিজের ঘর্ষণ প্রতিরোধক রাবারটি ঠিক করা হয়েছে, বিমানের কোন ক্ষতি হয়নি। পরবর্তীতে নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী ১৭ জুন রাত ২টা ৩০ মিনিটে রিয়াদের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার জন্য উড়োজাহাজটি যাথারীতি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত রয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য প্রধান প্রকৌশলী কায়সার জামান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক, জিএসই মেইন্টেনেন্স এর সমন্বয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৩(তিন) কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বিমানের বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বোর্ডিং ব্রিজের সংযোগ না খুলেই বিমানটি পুশব্যাক শুরু করায় উড়োজাহাজটির দরজা ও বোর্ডিং ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে ড্রিমলাইনারটিকে বিমানের হ্যাঙ্গারে রাখা হয়েছে বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিকেল ৪ নম্বর বোর্ডিং গেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বোর্ডিং ব্রিজ থেকে বিমান পৃথক করার সময় যেসব নিয়ম-কানুন মানতে হয়, সেগুলো মানা হয়নি। তারা প্লেনের দরজা ও বোর্ডিং ব্রিজের সংযোগ না খুলেই পুশব্যাক করেছে। বিষয়টি শুনে আমি নিজেই ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাটি কিভাবে এবং কেন হয়েছে তা বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার কাছে জানতে চেয়েছি। বিমান পুশব্যাক ও সিগন্যাল দেওয়ার জন্য বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা দায়িত্বপ্রাপ্ত। ’ এর আগে বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে আগে থেকেই বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাখা দুটি উড়োজাহাজের ধাক্কা লেগে দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনায় বিমানের প্রিন্সিপাল প্রকৌশলীসহ পাঁচজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: চলতি বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট ৪১০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছেড়েছে। রোববার(৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় দুপুর ১২.৪৫ মিনিটে জেদ্দায় পৌছে গেছে। হজ ফ্লাইট ছেড়ে যাওয়ার সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান এমপি, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে হজযাত্রীদের বিদায় জানান। এবছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৫৭,৫৮৫ হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ হিসেবে ২৮,৭৯৩ হজযাত্রী পরিবহন করবে বিমান। তবে প্রতিনিধিসহ ২৯,০০০ হজযাত্রী পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। হজযাত্রী পরিবহনে বিমানের নিজস্ব বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর উড়োজাহাজ ব্যবহৃত হচ্ছে। বিমান প্রি-হজে ৫ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫টি ও পোস্ট-হজে ১৪ জুলাই থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ৬৫ টি করে মোট ১৩০টি ডেডিকেটেড ফ্লাইট পরিচালনা করবে। বিমানের প্রি-হজ ও পোস্ট-হজ উভয় ফ্লাইটের ক্ষেত্রেই ৬৫ টি ফ্লাইটের ৫১ টি জেদ্দায় ও ১৪ টি মদিনায় পরিচালিত হবে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৩ জুন) হজ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি বলেছেন, দেশে বিদেশি পর্যটক আনতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার কাজ চলছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে ১৭তম আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘ট্রিপলাভার ঢাকা ট্রাভেল মার্ট-২০২২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশি পর্যটক আনতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতেই হবে। আমরা ট্যুরিজমকে মাথায় রেখে এই প্রক্রিয়া যত সহজ করা যায় তা নিয়ে কাজ করছি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় ৭টি রাজ্য, নেপাল ও ভুটানে কোন সমুদ্র সৈকত নেই। আমরা যদি তাদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে পারি সেক্ষেত্রে আমরা অনেক পর্যটক পাবো। এবিষয়ে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে দ্রুত আন্ত:মন্ত্রনালয় বৈঠক করবো। পর্যটন খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদেরও ডাকবো সেখানে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশে ক্রুজ শিপ চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে কথা বলবো যাতে আমরা দ্রুত আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী ক্রুজশিপ বাংলাদেশে আনতে পারি। আমরা চাই একজন বিদেশি ক্রুজ শিপে এই দেশে আসবে, শিপের মধ্যেই যাতে তার ইমিগ্রেশন হয়। তারা যাতে সেখান থেকে নির্বিঘ্নে দেশের পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকাগুলো ঘুরে দেখতে পারে। দেশের পর্যটন খাত নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে পদ্মাসেতু হয়েছে, মেট্রোরেল হচ্ছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে হচ্ছে। বিমানবন্দরের টার্মিনাল হচ্ছে, কক্সবাজারের সমুদ্র ছুয়ে রানওয়েতে নামবে প্লেন। এই অর্জনগুলো দেশের পর্যটন শিল্পকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও বাংলাদেশে অনেক ঐতিহাসিক,ধর্মীয় ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আছে, হাওর আছে। এইসব পর্যটন আকর্ষণের যেন পরিকল্পিত ও সমন্বিত উন্নয়ন হয় সেজন্য একটি ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। ৩ দিনব্যাপী পর্যটন মেলায় প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রবেশ করা যাবে। মেলার প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৪০ টাকা। প্রবেশ কুপনের ওপরে সমাপনী দিনে একটি র‌্যাফেল ড্রর আয়োজন করা হবে। বিজয়ীদের জন্য থাকবে মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, দিল্লি, কলকাতা, কক্সবাজার এবং সিলেটের জন্য রিটার্ন টিকিটসহ আকর্ষণীয় অন্যান্য পুরস্কার। ঢাকা ট্রাভেল মার্ট ২০২২ এর টাইটেল স্পন্সর অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ট্রিপলাভার, কো-স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। পার্টনার হিসেবে আয়োজনে সহযোগিতা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। মেলার আয়োজক বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়েত-উল-ইসলাম, বসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এফবিসিসিআইর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আলী কদর, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির মোঃ জাবের, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পরিচালক প্রশাসন জাহিদ হোসেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন। ২ জুন সকাল থেকে শুরু হওয়া ৩ দিনব্যাপী এ মেলা শেষ হবে ৪ জুন। এবারের মেলায় প্রায় ৫০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে জাতীয় পর্যটন সংস্থা, এয়ারলাইন্স, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থাও রয়েছে।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, সান্দাকফু, লাভা, লোলেগাঁও-সহ নানা এলাকা ভিড়ে ভিড়াক্কার। হোটেল ছাড়া ছোট-বড় হোমস্টেগুলির চাহিদা তুঙ্গে। গরমের ছুটি পড়তেই পর্যটকদের থিকথিকে ভিড়ে জমজমাট পাহাড়। তবে তাঁদের জন্য বুকিংয়ের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খাচ্ছেন উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ হোটেল মালিক। তাঁদের দাবি, গ্রীষ্মের দাবদাহ এড়াতে দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ছুটি কাটাতে চাইছেন দক্ষিণবঙ্গ-সহ গোটা দেশের পর্যটকেরা। প্রতি দিনই বুকিংয়ের জন্য ফোন করছেন তাঁরা। তবে তাঁদের হোটেলে জায়গা দিতে নাভিশ্বাস উঠছে। গ্রীষ্মের দাবদাহে দক্ষিণবঙ্গ নাজেহাল হলেও উত্তরে মনোরম আবহাওয়া। তার টানেই প্রতি দিন দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, সান্দাকফু, লাভা, লোলেগাঁও-সহ বিস্তীর্ণ পার্বত্য এলাকায় ভিড় জমছে বলে মত হোটেল মালিকদের। পাশাপাশি, গরমের ছুটি এগিয়ে আনার জন্য রাজ্য সরকারের ঘোষণার ফলাফলও পাওয়া যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের প্রবল গরমে নাজেহাল মানুষজন উত্তরের দিকে পা বাড়িয়েছেন বলে মনে করছেন তাঁরা। দার্জিলিং বা কালিম্পংয়ের মতো এলাকায় বড় বড় হোটেলগুলি ছাড়াও বহু ছোট-বড় হোমস্টে-রও চাহিদা তুঙ্গে। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘‘হোটেলগুলিতে জায়গার জন্য হাহাকার পড়ে গিয়েছে। গরমের ছুটি এগিয়ে আনার জন্য হঠাৎই ভিড় বেড়েছে। ফলে বুকিং দিতে হিমশিম অবস্থা হচ্ছে। খুব খুঁজে হয়তো একটা-দুটো রুম বার করতে হচ্ছে। অনেক গ্রামের দিকেও থাকার জায়গা খুঁজছেন। উত্তরের মনোরম পরিবেশের টানেই পর্যটন ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।’’ একই সুর শোনা গিয়েছে পাহাড়ের এক হোটেল মালিক জন পাল লেপচার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘‘হঠাৎ করেই এখানে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বুকিং নিতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনলাইন বুকিং বন্ধ করতে হয়েছে। তবে অফলাইন বুকিং নিতে হচ্ছে। পর্যটকেরা হোমস্টেও খুঁজছেন। কিন্তু রুমের জন্য অনুরোধ করলেও তাঁদের জায়গা দিতে পারছি না।’’ প্রায় দু’তিন বছর পরে রেকর্ড পর্যটক পাহাড়ে। তবে ব্যবসা জমে ওঠায় খুশি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সকলেই। অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজম-এর আহ্বায়ক রাজ বসু বলেন, ‘‘দু’তিন বছর পর স্বমহিমায় পাহাড়। উত্তরের পর্যটন ব্যবস্থা অর্থনৈতিক ভাবে যে রকম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তাতে বদল আসছে। প্রায় দু’তিন বছর পর রেকর্ড পর্যটক জড়ো হয়েছেন পাহাড়ে!’’
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: রানওয়েতে জরুরি অবতরণের সময় হঠাৎই পিছনের চাকা পিছলে গিয়ে ভারসাম্য হারায় বিমানটি। এর পরে মাটিতে ধাক্কা খেয়ে দু’টুকরো হয়ে যায়। আপৎকালীন অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে দু’টুকরো হয়ে গেল বিমান। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ আমেরিকার কোস্টারিকার রাজধানী সান হোসের হুয়ান সান্তা মারিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত পণ্যবাহী বিমানটি জার্মানির একটি পরিবহণ সংস্থার। রানওয়েতে জরুরি অবতরণের সময় হঠাৎই পিছনের চাকা পিছলে গিয়ে ভারসাম্য হারায় বিমানটি। এর পরে মাটিতে ধাক্কা খেয়ে দু’টুকরো হয়ে যায়। ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। ভেঙে পড়ার পরে বিমানের একাংশ থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গেলেও কোনও বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। বিমানের চালক এবং তাঁর সহকারী দু’জনই অক্ষত রয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০২০-র অগস্টে কেরলের কোঝিকোড়ের কারুপুর বিমানবন্দরে অবতরণের সময় চাকা পিছলে খাদে পড়ে ভেঙে দু’টুকরো হয়ে গিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমান। দুই চালক-সহ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল ওই ঘটনায়।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন ইরাব বাংলাদেশ এর সদস্যরা নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত খ্যাতনামা ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছে। বুধবার (৩০মার্চ) দুপুরে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এসময় তারা উপাচার্য কার্যালয়, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। পরে ইরাব সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে সিনিয়র অধ্যাপকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় শিক্ষকবৃন্দ নেপালের উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা, ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং, পড়াশুনার মান, ছাত্ররাজনীতি, ছাত্র ভর্তি প্রক্রিয়া, শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা কার্যক্রমসহ নানা বিষয় ইরাব সদস্যদের অবহিত করেন। অন্যদিকে ইরাব সদস্যরা বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার নানা ইতিবাচক দিকগুলো ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সামনে তুলে ধরেন। ইরাবের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি নিজামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুল আলম সুমন। ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. রামনাথ ওঝা, ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. গোপাল পান্ডে, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. বেদরোজ আচারী, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. শোভাকর।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করলো ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ফ্লাইট। শনিবার (২৬ মার্চ) রাত ১০টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭০ জন যাত্রী নিয়ে বিমানের ফ্লাইট বিজি৩০৫ কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রোববার সকাল সোয়া ৭টায় টরন্টোতে অবতরণের কথা রয়েছে। অত্যাধুনিক মডেলের বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে টরন্টো ফ্লাইট। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বহুল প্রতীক্ষিত এ ফ্লাইটের মাধ্যমে বিমানের ইতিহাসে নবদিগন্তের সূচনা হলো। বিমানের ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা ফ্লাইটের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের বন্ধুপ্রতীম দেশ কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ সহজ হবে। দুই অঞ্চলের মধ্যে শিক্ষার প্রসার, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেও ভূমিকা রাখবে বিমানের এ রুট। এদিন বিশেষ মোনাজাত শেষে ফিতা কেটে ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বিমান পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ও বিজিএমইএ-এর সভাপতি ফারুক হাসান, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশে অবস্থিত কানাডিয়ান হাইকমিশনের ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন এবং বিমানের পরিচালকরাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : দেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-চেন্নাই-ঢাকা এবং ঢাকা-মালে-ঢাকা রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৩ মার্চ থেকে সংস্থাটি প্রতিবেশী ভারতের চেন্নাইয়ে বর্তমানে সপ্তাহে পাঁচটি ফ্লাইটের পরিবর্তে দৈনিক ফ্লাইট চালু করবে। সাম্প্রতিক সময়ে বিমান ভ্রমণকারীদের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি ১৬ মার্চ থেকে দ্বীপ দেশ মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে প্রতি সপ্তাহে বিদ্যমান তিনটির পরিবর্তে চারটি ফ্লাইট পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ এয়ারলাইনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি একথা জানানো হয়। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এসব রুটে ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান পরিচালনা করবে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত দুবাই, মাস্কাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, চেন্নাই এবং চীনের গুয়াংজুতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া ইউএস-বাংলা শিগগিরই কলম্বো, দিল্লী, আবুধাবি, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম এবং মদিনায় ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে।