06192018মঙ্গল
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক নেপালে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহরের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অর্ধশতাধিক নিহতের ঘটনায় ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ইউএস-বাংলার কার্যালয়ে সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যস্থাপক (জিএম) কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটে আমাদের ফ্লাইট পরিচালনা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। তবে কাঠমান্ডু ফ্লাইট আপাতত বন্ধ রাখলেও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ইউএস-বাংলার ফ্লাইটগুলো স্বাভাবিকভাবেই চলছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমানটি সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টা ২০ মিনিটে অবতরণের কথা ছিল। নামার আগেই এটি বিধ্বস্ত হয়ে বিমানবন্দরের পাশের একটি খেলার মাঠে পড়ে যায়। বিমানটিতে চারজন ক্রু ও ৬৭ যাত্রী ছিল। উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত হন। আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন ৯ বাংলাদেশিসহ ২১ জন।
আইয়ুব খান, রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী)থেকে : উত্তাল নদীর ঠিক মাজখানে জেগে ওঠায় দ্বীপটির নাম রাখা হয়েছে আগুনমুখা। পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে দক্ষিণে এর দুরত্ব ৬০ কিলোমিটার। এর তিন দিকে উত্তাল নদী আর দক্ষিণে বিস্তীর্ণ সাগর। যত দূর দৃস্টি যায় শুধুই সবুজের বনাঞ্চল।পাখির কলতান,আঁকা-বাঁকা দীর্ঘ খালের সারি। রাঙ্গাবালী উপজেলায় দ্বীপটি অবস্তিত।কিন্তুু উপজেলাসদরের সঙ্গে এখনো সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ইঞ্জিনচালিত নৌকায় এ দ্বীপে যেতে হয়। প্রকৃতির অপরুপ দ্বীপ আগুনমুখা।কিন্তুু। এখানেও আছে মানুষের হাহাকার,অভাব আর দারিদ্র্য। আছে প্রকৃতির বৈরী অভিশাপ। প্রতিদিন সংগ্রাম করেই এখানকার মানুষকে নিত্যদিন এ আগুনমুখা পাড়ি দিয়েই ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যসব প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করতে হয়। আগুনমুখা সাতটি নদীর মোহনা। এপার থেকে ওপারে যাওয়ার সময় চারদিকে কিছুই নজরে পড়ে না। শুধু অথেই জলরাশি। নৌকায় আগুনমুখা পাড়ি দেওয়ার সময় কত মানুষ যে মারা গেছে,তার হিসাব কেউ রাকেনি। প্রায় দেড় হাজার মানুষের বসবাস এ দ্বীপে। এখানকার ছোট ছোট ঘরগুলোতে ধানের নাড়া কিংবা খড়ের ছাউনি দেওয়া। কিছু ঘরে টিনের চাল দেখতে পাওয়া যায়। এখানকার মানুষ হোগলপাতার পাটি পেতে ঘুমায়। এ দ্বীপের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শেখার প্রবল আগ্রহ থাকলেও একনে কোনো স্কুল নেই। এখানে জীবনযাপনের জন্য বিদ্যুৎ ঔষাধপএ,ডাক্তার ও হাসপাতালের ব্যবস্থাও নেই। দারিদ্র্যের কারনে অনেকেই অল্প বয়সে জীবন সংগ্রামে নেমে পড়ছে। মেয়েশিশুদের জীবন আরও কস্টের। অল্প বয়সেই যেতে হচ্ছে স্বামীর সংসারে। হচ্ছে কিশোরী মা।এখানকার মানুষ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত। এখানে একটি রেডিও নেই,এমনকি ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সংকেত বার্তাও এখানকার মানুষের কাছে পৌছায় না। ঘুর্নিঝড়সিডর ও আইলার কথা উল্লেখ করে আগুনমুখার বাসিন্দা শাহিনুর বেগম বলেন,বইন্যার সময় মোরা হগলডে নায়ে (নৌকায়)ওই জঙ্গলের মধ্যে আছিলাম। মোরা জানে বাঁউ”া গ্যালেও ঘরের কিছু বাঁচাইতে পারি নাই। সব ভাইস্যা গ্যাছে। বর্ষা ৫-৬ মাস দ্বীপটি জোয়ার ভাটায় প্লাবিত হয় বিশেষ করে অমাবস্যা-পূর্ণিমার সময়ে অন্তত ১২-১৫ দিন দ্বীপ জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়। তখন লোকজন নৌকায় কিংবা উচু মাচা বসে সময় কাটায়। দ্বীপটিতে নেই বেড়িবাধঁ। যে কারণে ঘূর্ণিঝড়ের আশস্কা বাসিন্দাদের সর্বদাই তাড়া করে ফেরে। হাজারো সমস্যার মাঝেও দ্বীপ আগুনমুখায় রয়েছে নানা সম্ভাবনা। এখানকার মানুষ পরিশ্রমী। জমি উর্বর। এ দুটো শক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নত করার রয়েছে যথেস্ট সুযোগ। এসব তথ্য জানালেন দ্বীপবাসীরাই। তারা বলেন,দ্বীপের চারপাশে বেড়িবাধঁ নির্মাণ করে খুব সহজে এক ফসলি জমিকে তিন ফসরিতে রুপান্তর করা যেতে পারে। ফলানো যেতে পারে নানা রবিশস্য। বিশেষ করে যেতে পারা শাকসবজির চাষ।
শুক্রবার, 09 ফেব্রুয়ারী 2018 14:37

বিশ্বের যেসব দেশ ভ্রমণে ভিসা লাগে না...

নিউজ ফ্ল্যাশ ডোস্ক দেশের বাইরে দর্শনীয়স্থানে ঘুরতে যেতে কার না মন চায়। কিন্তু আর্থিক সংগতি থাকলেও অনেকেই বর্হিবিশ্ব ভ্রমণে অনীহা পোষণ করেন। কেন?-এর মূল কারণ ভিসা পেতে নানা বিড়ম্বনাসহ জটিল প্রক্রিয়া। তাই, অনেকের স্বপ্ন আজন্ম অধরাই থেকে যায়। কিন্তু আপনি জানেন কি?-আপনার বিদেশ ভ্রমণের স্বপ্ন আপনার হাতের মুঠোয়। কারণ, বিশ্বের এমন ৫৭টি দেশ আছে যেখানে আপনি ঘুরতে যেতে চাইলে ভিসার দরকার পড়বে না। ওই দেশগুলোর এয়ারপোর্টে নেমে আপনি সঙ্গে সঙ্গেই হাতে পেয়ে যাবেন আপনার কাংঙ্খিত ভিসাটি। আর এই ভিসার জন্য আগে থেকে আবেদন করতে হবে না। যেসব দেশে যেতে ভিসা লাগবে না : ভুটান, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ফিজি, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মরিশাস, মাইক্রোনেশিয়া, নেপাল, সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট এন্ড দ্য গ্রেনাদিনেস, ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো, ভ্যানুয়াতু, হং কং, দক্ষিণ কোরিয়া, মেসিডোনিয়া, টার্কিস এন্ড কাইকোস আইল্যান্ড, মন্টসেরাত, শালবার্ড। যেসব দেশে ই-ভিসা লাগে : জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, সাও তামি এন্ড প্রিনসিপি, রাওয়ান্ডা, মিয়ানমার, মলদোভা, কেনিয়া, জর্জিয়া, গ্যাবন, কটে দিলভোরি, বাহরাইন। যে সব দেশে এয়ারপোর্ট থেকে ভিসা মিলে: বলিভিয়া, কম্বোডিয়া, ক্যাপে ভারদে, কমোরস, জিবুটি, ডোমিনিয়া, ইথিওপিয়া, গিনি-বিসাউ, গুয়ানা, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডন, লাওস, মাদাগাসকার, মালডিভস, মরিতানিয়া, পালাউ, সেন্ট লুসিয়া, সেনেগাল, সেচেলিস, সোমালিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, টিমোর লেসতে, তুভালু, উগান্ডা, অ্যান্টার্কটিকা পারমিট লাগে যে সব দেশের: শ্রীলঙ্কা ও সামোয়া। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
মঙ্গলবার, 23 জানুয়ারী 2018 20:32

বিমানে ওয়াইফাই

টেক ডেস্ক মাঝ আকাশে সেলফি তোলা বা স্মার্টফোনে কথাবার্তা বলার দিন বোধহয় আর দূরে নেই। উড়ানে ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর কথা চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে দেশের বিমান সংস্থাগুলি। তবে এই সুবিধা পেতে বিমানভাড়ার সঙ্গে গুনতে হতে পারে অতিরিক্ত ২০-৩০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, উড়ানে আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ওয়াইফাই ব্যবহারে খরচ হতে পারে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা। ১৯ জানুয়ারি, শুক্রবার অন্তর্দেশীয় (ডোমেস্টিক) ও আন্তর্জাতিক উড়ানে ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর অনুমতি দিয়েছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ট্রাই)। তবে ট্রাইয়ের নির্দেশ, পরিষেবার পাশাপাশি সুরক্ষার দিকটিও মাথায় রাখতে হবে সংস্থাগুলিকে। একটি প্রস্তাবে ট্রাই জানিয়েছিল, টেক-অফ করার পর বিমানে ইন্টারনেটের সুবিধা চালু করা যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে যাত্রীদের সমস্ত ধরনের পার্সোনাল ইলেকট্রনিক ডিভাইস (পিডিএ) ফ্লাইট মোডে রাখতে হবে। ভূপৃষ্ঠ থেকে অন্তত ৩০০০ মিটার উঁচুতে মোবাইল পরিষেবার সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। মঙ্গলবার এক বিমানসংস্থার আধিকারিক টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, ট্রাইয়ের ওই প্রস্তাবের ফলে অন্তর্দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উড়ানে নেট পরিষেবা চালু করা নিয়ে আর কোনও বাধা রইল না। তাঁর মতে, এই পরিষেবা চালুর জন্য নেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে মোটা অঙ্কের টাকাও দিতে হবে বিমান সংস্থাগুলিকে। কম দূরত্বের ডোমেস্টিক ফ্লাইটের টিকিট বুকিং করতে সাধারণত ১২০০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। নেট পরিষেবা পেতে স্বাভাবিক ভাবেই ওই ধরনের উড়ান ভাড়ায় দাম বাড়বে। একটি বেসরকারি বিমানসংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “ডোমেস্টিক ফ্লাইটে এই পরিষেবা চালু করা সম্ভব কি না, তা নির্ভর করছে পরিষেবা খরচ ও দাহিদার উপর।” বিমানে কী ভাবে ইন্টারনেটের সুবিধা মিলবে? ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, এই পরিষেবা চালুর আগে ঠিক করতে হবে, স্যাটেলাইট না মোবাইল টাওয়ার— কীসের মাধ্যমে নেট সিগনালের আদান-প্রদান করা হবে। সেই অনুযায়ী বিমানে অ্যান্টেনা বসাতে হবে। এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক উড়ানে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয় লুফৎহানসা, এমিরেটস, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এবং ডেল্টা এয়ারলাইন্স। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সংস্থা হোয়াট্‌সঅ্যাপ বা অন্য মেসেঞ্জার পরিষেবা ব্যবহারের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই চালু করেছে। ভারতে কম দূরত্বের অন্তর্দেশীয় উড়ানে নেট পরিষেবা পেতে কত জন যাত্রী আগ্রহী হবেন তা নিয়ে অবশ্য অনেকেই সন্দিহান। এয়ার প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সর্বভারতীয় সভাপতি ডি সুধাকর রেড্ডির মতে, “বেশি দূরত্বের যাত্রায় বা আপৎকালীন সময়ে হয়ত এই পরিষেবা কাজে আসতে পারে। তবে লো-কস্ট কেরিয়ারের জন্য এটি খুব একটা যথোপযুক্ত না-ও হতে পারে।”
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক এভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ২০১৭ সালটি ছিল বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিরাপদ বছর। তবে এ বছরে বিমানযাত্রীও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক। বিমান যাতায়াতে এ বছরের সফলতার পেছনে বেশ কয়েকটি বিষয় জড়িত বলে মনে করছেন তারা। এর মধ্যে রয়েছে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কড়াকড়ি ও এয়ারলাইন্সগুলোর সতর্কতা। আরো পড়ুন : বিশ্বের নিকৃষ্টতম বিমান সংস্থার তালিকায় 'বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স'! সবচেয়ে নিরাপদ এয়ারলাইন্স বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও ঝুঁকির পরিসংখ্যান বিবেচনা করে এয়ারলাইনরেটিং ডটকম নামে একটি সংস্থা প্রকাশ করেছে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ২০টি এয়ারলাইন্সের তালিকা। এতে ৪০৯টি এয়ারলাইন্সকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকাটির সবচেয়ে নিরাপদ বিমান সংস্থাগুলো হলো- ১. এয়ার নিউজিল্যান্ড ২. আলাস্কা এয়ারলাইন্স ৩. অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ ৪. ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ৫. ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজ ৬. এমিরেটস ৭. ইতিহাদ এয়ারওয়েজ ৮. ইভা এয়ার ৯. ফিন এয়ার ১০. হাওয়াইয়ান এয়ারলাইন্স ১১. জাপান এয়ারলাইন্স ১২. কেএলএম ১৩. লুফথানসা ১৪. কোয়ান্টাস ১৫. রয়াল জর্ডানিয়ান এয়ারলাইন্স ১৬. স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এয়ারলাইন্স সিস্টেম ১৭. সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ১৮. সুইস ১৯. ভার্জিন আটলান্টিক ২০. ভার্জিন অস্ট্রেলিয়া। সূত্র : সিএনএন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক রক্ত দিয়ে হলেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছন নতুন করে মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে আসা এ কে এম শাহজাহান কামাল। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই আশ্বাস দেন তিনি। সচিবালয়ে আগের মন্ত্রী মেননের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন কামাল। বুধবার মন্ত্রিসভায় রদবদলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান তিনি। আর চার বছর ধরে বিমানের দায়িত্বে থাকা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেননকে পাঠানো হয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। মন্ত্রী বলেন, এই মন্ত্রণালয়কে লাভজনক প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমার জীবন দিয়ে হলেও রক্ত দিয়ে হলেও আমি চেষ্টা করব। নয় মাসে এই মন্ত্রণালয়কে লাভজনক প্রতিষ্ঠান করে দেব। নতুন পরিকল্পনা নিয়ে নিষ্ঠা ও সততার সাথে কাজ করে যাব। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়াকে অনেকে ‘আগুনে নিক্ষেপের’ সঙ্গে তুলনা করছে বলেও মন্তব্য করেন লক্ষ্মীপুরের এই সাংসদ। তিনি বলেন, সেই আগুনকে পানিতে পরিণত করতে চাই। আমি পারব ইনশাল্লাহ, আমি আশাবাদী, আমি নিরাশাবাদী নই, আপনাদের সহযোগিতা আমি চাই। বিদায়ী মন্ত্রী মেননের প্রশংসা করে শাহজাহান কামাল বলেন, তিনি চার বছর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছেন। তার বক্তৃতা থেকে কিছুটা অভিজ্ঞতা নিয়েছি।
ক্রমে সেই যুবক তাঁকে স্পর্শ করে। সিয়ান এক শীতল অথচ আন্তরিক তরঙ্গ অনুভব করেন। তিনি বুঝতে পারেন, এই যুবক জীবিত পৃথিবীর কেউ নয়। এক দূরবর্তী কটেজে নির্জনবাস করছিলেন ২৬ বছরের সুন্দরী সিয়ান জেমসন। আর সেখানেই ঘটেছে এমন এক ঘটনা, যাকে তিনি জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেমিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে লন্ডনের একঘেয়ে জীবনে বীতশ্রদ্ধ হয়ে সিয়ান একা ওয়েলসের একটি কটেজে বাস করতে শুরু করেন। তাঁর দাবি, সেখানেই এক ১৯ শতকীয় প্রেতপুরুষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। এই কটেজের ফায়ারপ্লেসের উপরেই তিনি প্রথম এই প্রেতকে দেখতে পান। সিয়ান বলেছেন, বিচ্ছেদের পর থেকে তাঁর চেতনায় তাঁর প্রেমিক ছাড়া অন্য কারওর প্রসঙ্গই ছিল না। কিন্তু প্রেতকে দেখার পর থেকে তাঁর মনে হতে শুরু করে, তিনি যেন নতুন জীবন শুরু করলেন। আসলে ওই কটেজে বেশ কিছু পুরনো পেন্টিং ছিল। তার মধ্যে একটি এক অতি সুদর্শন যুবকের পোর্ট্রেট। প্রতিকৃতির নীচে ১৮২০ সালের উল্লেখ ছিল। ওয়েসলের গ্রামীণ প্রকৃতির মাঝখানে চমৎকার দিন কাটছিল সিয়ানের। কিন্তু এক রাতে তিনি এক অস্বস্তিকর স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্নটির প্রকৃতি বেশ খানিকটা যৌনতা মাখা। ঘুম ভেঙে তাঁর মনে হয়, তিনি যেন আবার প্রমে পড়েছেন। প্রায় প্রতি রাতেই এর পরে চলতে থাকে ইরোটিক স্বপ্নের মিছিল। কয়েক মাস এই ভাবে কাটে। তার পরে একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে তিনি টের পান, এক সুদর্শন যুবক তাঁর পাশে শুয়ে রয়েছে। তার পরনে ঢিলে সাদা শার্ট, আর পুরনো কায়দার ব্রিচেস। প্রথমে তাঁর মনে হয়, তিনি স্বপ্নই দেখছেন। কিন্তু ক্রমে সেই যুবক তাঁকে স্পর্শ করে। সিয়ান এক শীতল অথচ আন্তরিক তরঙ্গ অনুভব করেন। তিনি বুঝতে পারেন, এই যুবক জীবিত পৃথিবীর কেউ নয়। এবং বিদ্যুচ্চমকের মতো তাঁর মনে পড়ে, এই যুবক আসলে ওই কটেজে দেখা পোট্রেটের মানুষটিই। প্রবল আবেগে ভেসে যান সিয়ান। তারপরেই তিনি শারীরিক ভাবে মিলিত হন ওই যুবকের সঙ্গে। মিলনের কালেই তিনি অলৌকিক ভাবে টের পান ওই যুবকের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। তিনি জানতে পারেন, যুবকের নাম রবার্ট। আর ১০০ বছর আগে সে জীবিত ছিল। কেমন ছিল অশরীরীর সঙ্গে মিলন? সিয়ান জানিয়েছেন বিস্তারিত। তাঁর কথায়, যুবকের শরীরের ভার তিনি অনুভবই করেননি। আর কথাবার্তা? সিয়ানের মতে, যাবতীয় কথোপকথন হয়েছিল চিন্তাতরঙ্গ মারফত। প্রসঙ্গত, সিয়ান নিজে পরলোক ও প্রেতের অস্তিত্বে বিশ্বাসী। এর পরে বেশ কয়েক বার রবার্টের সঙ্গে তাঁর মিলন ঘটে। রবার্ট কে, জানার জন্য বিস্তর শ্রম করেছেন সিয়ান। গুগলেও খোঁজ করেছেন। কিন্তু কোনও জায়গা থেকেই সদুত্তর আসেনি। পরে বন্ধুদের এই ঘটনার কথা বললে, তাঁরা তাঁকে পাগল বলে হাসাহাসি করেন। বেশি চিজ খেয়ে পেট গরম হেয়ছে বলে জানান অনেকে। এই ঘটনার কথা শুনে সাইকোথেরাপিস্ট টিনা র‌্যাডজিসজেউইক জানিয়েছেন, এই ধরনের অভিজ্ঞতা বিরল নয়। এর আগেও অনেকে দাবি করেছেন এমন অভিজ্ঞতা। এটি আসলে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক আগের মুহূর্তে দেখা এক বিশেষ ধরনের হ্যালুসিনেশন। এই ধরনের ভ্রান্তিবিলাস এমনিতে খুবই বিশদ হয়। দ্রষ্টা একে সত্য বলেই ভাবতে থাকেন। এর মূলে কাজ করে অবসাদ। তাঁর যুক্তি অনুসারে, সদ্য প্রেম-বিচ্ছিন্ন সিয়ান এতটাই অবসাদগ্রস্ত ছিলেন যে, তিনি ওই কটেজের পোট্রেটটিকে নিয়ে অবচেতনে অতিমাত্রায় ভাবেন। যার ফল দাঁড়ায় এই মিলন-মায়া। এবেলা।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক পর্যটন মৌসুমে আকাশ পথে ভ্রমণকে আরো সাশ্রয়ী এবং অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে বাংলাদেশ বিমান মাত্র দেড় হাজার টাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটের ভাড়া ঘোষণা করেছে। এই অফার আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। এই অফারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুপরিসর বোয়িং-৭৭৭ এবং বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে ওয়ানওয়ে মাত্র দেড় হাজার টাকায় যাত্রীরা ভ্রমণ করতে পারবেন। যাত্রী সাধারণের জন্য রির্টান টিকেটের ক্ষেত্রে ভাড়া দ্বিগুণ হবে। এই অফার আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, উক্ত ভাড়ার উপর ০২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য ৯০% এবং ০২-১২ বছর পর্যন্ত বয়সীদের জন্য ২৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা আছে। বিমানের সকল সেলস সেন্টার, ট্রাভেল এজেন্ট থেকে নগদ/ক্রেডিট কার্ড/ বিকাশ/ রকেট এবং বিমান ওয়েব সাইট থেকে ক্রেডিট কার্ড/ রকেট এর মাধ্যমে টিকিট ক্রয়ের সুবিধা থাকছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ২৮টি এবং ঢাকা-সিলেট রুটে ৩৫টি ফ্লাইট বোয়িং উড়োজাহাজের মাধ্যমে পরিচালনা করছে। এই অফার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বিমান ওয়েব সাইট www.bviman-airlines.com –এ ভিজিট অথবা ফোন নম্বর ০২-৮৯০১৬০০#২৭১০ ও ০২-৯৫৬০১৫১-৫৯ #১৬১ তে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
শুক্রবার, 27 অক্টোবার 2017 17:51

সহবাসের প্রস্তাব পর্ন তারকার

ব্রিটেনের পর্ন তারকা রেবেকা মোর নিজের সেক্স সফরের কথা ঘোষণা করে সকলকে চমকে দিয়েছেন৷ রেবেকা জানিয়েছেন, এই সফরে যে কেউ রেবেকার সঙ্গে তার গাড়ির পিছনের অংশে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে পারে৷ রেবেকা নিজের দেশের লোকেদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, যে কেুই তার সঙ্গে সহবাস করতে পারেন৷ যদিএ রেবেক এহেন ঘোষণায় যেমন লোকে অবাক হয়েছেন তেমনই কিছু লোকে একে দেহব্যবসা ছাড়া অন্য কিছুই ভাবতে পারছেন না৷ রেবেকা তার এই সেক্স সফরে কয়েক ডজন অজ্ঞাক ব্যক্তির সঙ্গে সহবাস করবেন৷ আগামী শুক্রবার এই সেক্স সফর শুরু করতে চলেছেন রেবেকা৷ তার এই সফরে তার সঙ্গে সহবাস করার জন্য এখনও পর্যন্ত প্রায় দু’হাজার লোক আবেদন করেছেন৷ এতে পুরুষ ছাড়াও বেশ কিছু মহিলা ও দম্পতিরাও আবেদন জানিয়েছেন৷ আসলে রেবেকার এই সেক্স সফর একটি অ্যাডাল্ট চ্যানেলের অংশ৷ এতে রেবেকা প্রায় ৩০ জন প্রতিযোগির সঙ্গে সহবাস করবেন৷ রেবেকা জানিয়েছে, চ্যানেলের সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি খুব খুশি৷ যদিও রেবেকার এই সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ জলঘোলা শুরু হয়েছে ব্রিটেনে৷ স্থানীয় নাগরিক ও ব্রিটিশ সাংসদরা ইতিমধ্যেই এর প্রতিবাদ শুরু করেছেন৷ সকলেই এই সফরকে কলঙ্ক বলে নামকরণ করেছেন এবং তাদের মতে এটা একধরণের দেহব্যবসা৷
পর্যটনে অমিত সম্ভাবনাময় জেলা মৌলভীবাজার। সেখানে পর্যটনকে কেন্দ্র করে গত এক দশকে পাঁচতারা মানের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ এবং দুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা নামের দুটি হোটেল ও শতাধিক ছোট বড় কটেজ তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আনুমানিক হিসাবে দর্শনীয় স্থানগুলোতে প্রতিবছর বেড়াতে আসে প্রায় ২ লাখ দেশি-বিদেশি পর্যটক। তাদের আকৃষ্ট করতে রয়েছে সবুজে ছাওয়া উঁচু-নিচু টিলা, সবুজ বনানী, হরেক রকমের পাখপাখালি, চা বাগান, লেক, হাওর, ঘন জঙ্গল, খনিজ গ্যাসকূপ, আনারস, লেবু, পান, আগর, রাবার বাগান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি আর ঐতিহাসিক স্থানগুলো। পর্যটকদের আনাগোনায় সারা বছরই জেলার দোকানপাটগুলোতে কেনাকাটা ভালো হয়। জেলায় আছে ৯২টি চা বাগান। ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০০ একর জমির ৮৫ হাজার ১৪০ একরে গড়ে তোলা এই চা বাগানগুলোতে বার্ষিক প্রায় সাড়ে ৪ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হয়। চা বাগানের নৈসর্গিক সৌন্দর্য, শ্রমিকদের পাতা তোলার কৌশল, কারখানায় চা উৎপাদন প্রক্রিয়া এ সব কিছুই যেন পর্যটককে মুগ্ধতায় ভরিয়ে দেয়। চা বাগানগুলো দেখে মনে হয় কোনো শিল্পী যেন সুনিপুণ হাতে মনের মাধুরী মিশিয়ে স্তরে স্তরে সবুজকে সাজিয়ে রেখেছেন, কখনো মনে হয় সাগর যেন সবুজ ঢেউ দিচ্ছে; আবার কখনো মনে হয় পাহাড়ের ঢালে সবুজ গালিচা বিছানো মাঠ। প্রতিটি চা বাগানে আছে দৃষ্টিনন্দন বাংলো। বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ রয়েছে এই জেলায়। পর্যটক আকর্ষণের জন্য জেলায় যেসব দর্শনীয় স্থান রয়েছে এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই), চা জাদুঘর, চা কন্যা ভাস্কর্য, সাতরঙা সুপেয় চা, ডিনস্টন সিমেট্রি, মাধবপুর লেক, ভাড়াউড়া লেক, রাজঘাট লেক, হরিণছড়া লেক, সাতগাঁও লেক, আগর-আতর, রাবার বাগান, খাসিয়া পানের বাগান, বাংলা পানের বরজ, শীতলপাটি, হাকালুকি হাওর, হাইল হাওর, বাইক্কা বিল, কাউয়াদিঘি হাওর, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবছড়া ও পাথারিয়া পাহাড়, জলপ্রপাতের মধ্যে—মাধবকুণ্ড, পরিকুণ্ড, হামহাম জলপ্রপাত, ফুল ঢালনী ঝেরঝেরি ও ইটাহরী ফুলবাগিচা জলপ্রপাত, ঐতিহাসিক দিঘিগুলোর মধ্যে—কমলা রানীর দিঘি (ঘরগাঁও, রাজনগর), কালীদিঘি বা বেগদালি দিঘি (ঘরগাঁও, রাজনগর), দেওয়ান দিঘি, (টেংরা, রাজনগর), জামাল খাঁর দিঘি (রাজনগর), খোঁজার দিঘি (গয়গড়, মোস্তফাপুর), রাজচন্দ্রের দিঘি (সাধুহাটি, মৌলভীবাজার), হিয়ালী দিঘি (সম্পাশী, মৌলভীবাজার), দত্তের দিঘি (মোস্তফাপুর, মৌলভীবাজার), নবাব দিঘি (পৃথিমপাশা, কুলাউড়া), বড়দা ঠাকুরের দিঘি (নাছনি, ব্রাহ্মণবাজার, কুলাউড়া), ছয়ছিরি দিঘি (রহিমপুর, কমলগঞ্জ), রাজদিঘি (পতনউষার, কমলগঞ্জ), কুলাউড়ার গগন টিলা, শ্রীমঙ্গলের ওফিং হিল, বড়লেখার মাধবছড়ার কেরোসিন টিলা, কুলাউড়া-জুড়ীর লাঠি টিলা, কমলগঞ্জের মোকাম টিলা, কালেঞ্জী খাসিয়া টিলা, গারো টিলা ও আদমপুর বনবীট টিলা। নৃগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে—খাসিয়া, গারো, সাঁওতাল, ওঁরাও, ভূঁইয়া, নায়েক, গড়, কাহার, গঞ্জু, অলমিক, পাসি, হাজরা, দোসাদ, ননিয়া, রবিদাস, পরাধান, বাউরি, পান, পবর, তেলেগো, ভূমিজ, ঘাসি, হাজং, বড়াইক, তাতি, লোহার, তুরি, মহালি, কিসান, নাগিসিয়া, রাজগন্দ, মালপাহাড়িয়া, খারওয়ার ও খবিয়া। ক্ষুদ্রজাতির মধ্যে রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি, উৎসব ও ভাষা। মণিপুরি, খাসিয়া, সাঁওতাল, টিপরা ও গারো সম্প্রদায়ের স্বতন্ত্র জীবনাচার এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন ও সংস্কৃতি দেখলে ক্ষণিকের জন্য হলেও পর্যটকদের পাহাড়ি হয়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে মন চাইবে। মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলায় ছড়িয়ে আছে বহু স্মৃতিজাগানিয়া শতাধিক পুরাকীর্তি ও ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে পর্যটকের মন হারিয়ে যাবে ইতিহাসের অন্য এক খেরোপাতায়। মৌলভীবাজার শহরের তিন মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে গয়ঘর নামক গ্রামে মধ্যযুগের ঐতিহাসিক নিদর্শন পাঠান বীর খাজা ওসমানের দিঘি, গড়, দুর্গ ১৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত উপমহাদেশের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর অন্যতম খোজার মসজিদ। মৌলভীবাজার শহরের দরগামহল্লায় ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রহ)-এর মাজার। সদর উপজেলার জগত্সী গ্রামে দোল গোবিন্দ আশ্রম। জেলা শহরের পশ্চিমবাজার মনু নদীর জাহাজঘাট। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাগাবালা ইউনিয়নে কামরূপ রাজ ভগদত্তের উপরাজধানী দিনারপুর ভগ্নাবশেষ। প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কুলাউড়ার পৃথিমপাশা নবাববাড়ী, মসজিদের ফুলেল নকশা ও ইমামবাড়া পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় স্থান। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৪০০ বছরের পুরনো শ্রীশ্রী নিমাই শিববাড়ী। শ্রীমঙ্গলের কালাপুরের শতাব্দী প্রাচীন রাধা গোবিন্দের মন্দির। বিলাস নদীর লঞ্চঘাট। লাউয়াছড়ার জাতীয় উদ্যানে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ উদ্ভিদ ও প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৪ প্রজাতির উভচর, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৬ প্রজাতির পাখি এবং ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস। বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত। বনের মধ্যে কিছু সময় কাটালেই উল্লুকের ডাকাডাকি শুনতে পাওয়া যায়। বর্তমানে ৭টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা, ৬৭টি ইউনিয়ন ও ২১৩৪টি গ্রাম নিয়ে মৌলভীবাজার জেলার বিস্তৃতি।