10162018মঙ্গল
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক টানা ১৭ ঘণ্টা ৫২ মিনিট। দীর্ঘতম বিমানযাত্রার শেষে নিউ ইয়র্কের নেওয়ার্ক বিমানবন্দরে অবতরণ করল সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ‘এস কিউ ২২’ বিমান। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক দীর্ঘতম বিমান যাত্রার কিছু তথ্য।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: মাইক্রোনেশিয়ার প্রত্যন্ত দ্বীপাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বিমান শুক্রবার রানওয়ে অতিক্রম করার পর প্রশান্ত মহাসাগরের অগভীর হ্রদে ছিটকে পড়ে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এ কথা জানা যায়। খবর এএফপি’র। বিমানবন্দর কর্মকর্তা জিমিএমিলিও’র বরাত দিয়ে প্যাসিফিক ডেইলি’র খবরে বলা হয়, এয়ার নিউ গিনি’র বিমানটি ওয়েনো বিমানবন্দরে অবতরণের উদ্দেশে যাত্রা করে চৌক উপহ্রদে পতিত হয়। এমিলিও বলেন, ৩৬ জন যাত্রি ও ১১ জন ক্রু-এর প্রত্যেকেই নিরাপদে রয়েছেন এবং তাদের কেউই গুরুতর আহত হননি বলে জানা গেছে। তবে তাদেরকে পরীক্ষা করে দেখার জন্যে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিমান দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি। টুইটারের ফটোগ্রাফ ও ভিডিও-তে অর্ধডোবা বিমানটির যাত্রীদের সহায়তায় স্থানীয়দের নৌকা নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখা গেছে। এয়ার নিউগিনি পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় এয়ার লাইন। অস্ট্রেলিয়ার এবিসি-এর খবরে জানা গেছে, পাপুয়া নিউ গিনি’র এই দুর্ঘটনার জন্যে তদন্ত কমিশন ঘটনাস্থলে একটি দল প্রেরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বিমান জরুরি অবতরণ করেছে। বিমানটি ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিল, মাঝপথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানের চাকা ফেটে যায়, সামনের অংশ ভেঙে পড়ে। পরে চাকা ছাড়াই বিমানটি অবতরণ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পাইলটের অসাধারণ দক্ষতায় ৭৮৬ মডেলের বোয়িং বিমানটি ক্র্যাস ল্যান্ডিং থেকে বেঁচে গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারোয়ার ই জাহান কালের কণ্ঠকে বলেন, জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে বিমানটির চাকা ফেটে যায় পরে নোজ বা সামনের অংশ দিয়েই বিমানটি অবতরণ করে। ২৭১ যাত্রী এবং ৭ ক্রু পাইলটদের সবাই অক্ষত আছে। বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিমানটি জরুরি অবতরণের আগেই আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। যাত্রীদের সবাইকে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিমানটি এখনো রানওয়েতে অবস্থান করছে। জানা গেছে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমানটি কক্সবাজার থেকে ২৭১ যাত্রী নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল কিন্তু মাঝপথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় সেটি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে। বিমানটি রানওয়েতে নামতে গিয়েই চাকা ফেটে যায়, পরে পাইলট বিমানটির নোজ বা সামনের অংশ দিয়ে ঘষিয়ে রানওয়েতে নামে। এসময় কিছুটা আগুন ধরে গেলেও বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিমানটির অন্তত ১০জন যাত্রী আহত হয়, কারো মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। রানওয়েতে পড়ে থাকায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান উঠানামা এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। আহত যাত্রীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বিমান জরুরি অবতরণ করেছে। বিমানটি ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিল, মাঝপথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানের চাকা ফেটে যায়, সামনের অংশ ভেঙে পড়ে। পরে চাকা ছাড়াই বিমানটি অবতরণ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পাইলটের অসাধারণ দক্ষতায় ৭৮৬ মডেলের বোয়িং বিমানটি ক্র্যাস ল্যান্ডিং থেকে বেঁচে গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারোয়ার ই জাহান কালের কণ্ঠকে বলেন, জরুরি অবতরণ করতে গিয়ে বিমানটির চাকা ফেটে যায় পরে নোজ বা সামনের অংশ দিয়েই বিমানটি অবতরণ করে। ২৭১ যাত্রী এবং ৭ ক্রু পাইলটদের সবাই অক্ষত আছে। বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিমানটি জরুরি অবতরণের আগেই আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। যাত্রীদের সবাইকে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিমানটি এখনো রানওয়েতে অবস্থান করছে। জানা গেছে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমানটি কক্সবাজার থেকে ২৭১ যাত্রী নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল কিন্তু মাঝপথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় সেটি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে। বিমানটি রানওয়েতে নামতে গিয়েই চাকা ফেটে যায়, পরে পাইলট বিমানটির নোজ বা সামনের অংশ দিয়ে ঘষিয়ে রানওয়েতে নামে। এসময় কিছুটা আগুন ধরে গেলেও বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিমানটির অন্তত ১০জন যাত্রী আহত হয়, কারো মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। রানওয়েতে পড়ে থাকায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান উঠানামা এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। আহত যাত্রীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বিশেষ প্রতিনিধি বাংলাদেশ বিমানবহরে প্রথমবারের মতো সংযোজিত অত্যাধুিনক ৭৮৭ বোয়িং ড্রিমলাইনার বিমানের উদ্বোধনকালে বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হািসনা। আমি চাই বিমানে আপনারা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন, যাতে দেশের কোন বদনাম না হয় বললেন তিনি। বুধবার ভিভিআইপি বিমানবন্দের বিশ্বের সর্বশেষ প্রযুিক্তর উড়োজাহাজ ‌আকাশবীণা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরো লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে বিদেশী এবং স্থানীয় যাত্রীসা ধারণ সেই সাথে প্রবাসী বাংলাদেশেরীরা দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে তাদের মালপত্র নিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারে। তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পাদন করতে হবে।’ তিনি এ সময় বিমান কতৃর্পক্ষকে নিরাপত্তার বিষয়টিতেও আরো গুরুত্বারোপ করার আহবান জানান। ২৭১ আসনবিশিষ্ট বোয়িং ৭৮৭ ড্রিম লাইনার উড়োজাহাজটির নাম রাখেন ‘আকাশবীণা’ প্রধানমন্ত্রী। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাজাহান কামাল বিশেষ অতিথি হিসেকে উপস্থিত ছিলেন। বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) মুহম্মাদ এনামুল বারী এবং বেসাসরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আমাদের বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে দু’একটি দেশের আপত্তি থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তার একটা বিষয় ছিলো সেটা আপনারা জানেন। কোন কোন সরকার এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তাও আপনারা জানেন। যাই হোক, তারা সেটি প্রত্যাহার করেছে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি এখন উন্নত হয়েছে। তিনি নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক। তাই আমরা একটু সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চাই। আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে যে সম্মান অর্জন করেছিলাম সেটা হারিয়ে গিয়েছিল ’৭৫-এর ১৫ অগাস্টের পর থেকে। সেই সম্মানকে আবার আমরা ফিরিয়ে নিয়ে এসে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে যে উন্নয়ন করা যায়, সেটাও আমরা কিন্তু প্রমাণ করেছি।’ দেশে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় থাকার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই অর্জনটা ধরে রেখেই আমাদের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’ স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতার হাত ধরেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্ম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকরা মুক্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে ভেবেছিল তাঁদের একটি নিজস্ব এয়ারলাইন্স হবে, যে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন বঙ্গবন্ধু। দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় জন্ম নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে বিমানের যাত্রা শুরু হয়েছিল ডাকোটা উড়োজাহাজ দিয়ে আর আজকে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ‘ড্রিমলাইনার আকাশবীনা’র। ‘আকাশবীনা’র আজকের এই অভিষেকের দিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য আরো একটি মাইলফলক, স্বপ্ন পূরণের দিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ বিমানের প্রতি এতোই আন্তরিক ছিলেন যে, এর লোগো তৈরি এবং চূড়ান্ত করার কাজ তিনি নিজেই তদারকি করেন। তাঁর সাড়ে তিন বছরের সরকারের সময় ব্যাংকক, কলকাতা, কাঠমান্ডুও দুবাই আন্তর্জাতিক রুট চালু হয়। বিমানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিমানের উন্নয়নের পাশাপাশি জাতির পিতা ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল এভিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজকের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নামে পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিমানের দুরাবস্থার কথা স্মরণ করে বলেন, ২০০৯ সালে আমরা সরকার পরিচালনায় এসে দেখি বিমানের অবস্থা খুবই নাজুক। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমানকে পরিণত করে দুর্নীতি আর লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে। তারা নিউইয়র্ক, ব্রাসেলস, প্যারিস, ফ্রাংকফুর্ট, মুম্বাই, নারিতা এবং ইয়াঙ্গুন রুটে বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়। চরম লোকসান আর অব্যবস্থাপনায় বিমান মুখ থুবড়ে পড়ে। তিনি বলেন, জরাজীর্ণ বিমান বহর, বিপর্যস্ত শিডিউল, অন্তহীন অভিযোগ। এ সঙ্কট উত্তরণে প্রয়োজনীয় কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন করে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করি আমরা। একটু গান শোনার ব্যবস্থা অনেক বিমানে ছিল না, বিমানে বসে থাকলে প্রায়ই পানি পড়তো, টয়লেট টিস্যু বা তোয়ালে দিয়ে পানি আটকাতে হতো জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে কারণে সরকারে আসার পর পরই আমরা উদ্যোগ নেই। সেই উদ্যোগের ফলেই বিমান বহরে আজ নতুন নতুন আধুনিক বিমান সংযুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের বিমানবন্দরও অনেক আধুনিক হয়েছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক এয়ারলাইন্স হিসেবে বিমানকে গড়ে তোলার জন্য তাঁর নির্দেশেই বিমান পরিচালনা পর্ষদ বিশ্বখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের চুক্তি করে। সেই চুক্তির আওতায় ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে ছয়টি বিমান। বাকি চারটির প্রথমটি বহরে যুক্ত হলো। তিনি বলেন, আমাদের বিমান বহরে সংযুক্ত হওয়া পালকি, অরুণ আলো, আকাশপ্রদীপ, রাঙ্গাপ্রভাত, মেঘদূত ও ময়ূরপঙ্খী। আমরা নতুন নতুন আঙ্গিকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিযে বিমানগুলোরও নামকরণ করি। আরেকটি ড্রিম লাইনার, বিমানের বহরে যোগ হবে নভেম্বর মাসে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, সে সময়ে আমাদের নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। তখন হয়তো এখানে আসা বা এটা উদ্বোধন করা সম্ভব হবে না। তাই আমি চাই এটা দ্রুত এসে যাক এবং তার কাজ শুরু করুক। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ গন্তব্যসমূহে বিমানের যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সরকার গত মাসে কানাডার সঙ্গে ৩টি ড্যাশ-৮ বোম্বারডিয়ার উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তাতে করে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক যোগাযোগটা আমরা আরো বাড়াতে পারবো। বিমানের উন্নয়নে তাঁর সরকারের নানা উদ্যোগের বর্ণনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে এই বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজ বলে কিছুই ছিলো না। বিমানবন্দরে নেমে হেঁটে বিমানে উঠতে হতো। আমরা সরকারে এসে এটির আধুনিকায়নের দিকে নজর দেই এবং উন্নত করার ব্যবস্থা নেই।’ তিনি বলেন, ‘কার পার্কিং, বোর্ডিং ব্রিজ, সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এই সবগুলো কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতেই হয়েছে।’ বিমানের উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের কাজ করতে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকেও আমরা উন্নত করতে চাচ্ছি। এটাও যেন একটা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে ওঠে। কারণ, এটি আন্তর্জাতিক বিমান রুটের মধ্যে পড়ায় এটা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, আন্তর্জাতিক বিমানগুলো এটাকে রিফ্যুয়েলিংয়ের জন্য ব্যবহার করতে পারে। ’ সৈয়দপুর, সিলেট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকেও উন্নত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে বাগেরহাটের খান্দাইল বিমানবন্দর করার কথাও জানান । প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বিমান নয়, বিমানবন্দরসমূহ উন্নয়নেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সিলেট বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণেরও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তিনি এ সময় হজ ফ্লাইট সফল ভাবে সম্পন্ন করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রীর সামনে উড়োজাহাজটির একটি মডেল উপস্থাপন করা হয়। পরে বিমান বহরে যুক্ত নতুন এই উড়োজাহাজটি পরিদর্শন করেন তিনি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জানান, উদ্বোধনের পর আজ সন্ধ্যায় ‘ড্রিমলাইনার আকাশবীণা’র প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। আকাশবীণায় আসন সংখ্যা ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়কভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন। দু’পাশের প্রত্যেক আসনের পাশে রয়েছে বড় আকারের জানালা। একইসঙ্গে জানালার বোতাম টিপে আলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। জানালা ছাড়াও কেবিনেও রয়েছে মুড লাইট সিস্টেম। টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই ড্রিমলাইনার চালাতে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি লাগবে। এটি ঘণ্টায় ৬৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম। বিমানটির ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেক্ট্রিক (জিই)। বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হবে ইলেক্ট্রিক ফ্লাইট সিস্টেমে।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হয়েছে চতুর্থ প্রজন্মের সম্পূর্ণ নতুন বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ 'আকাশবীণা'। এটি যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমান বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫টি। ১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আকাশবীণার প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন। ওইদিন রাতে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর যাবে বিমানটি। এটি দিয়ে প্রথমিকভাবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। রোববার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিমানের অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনাটি। এরপর বিমানবন্দরে ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে এটিকে স্বাগত জানানো হয়। আকাশবীণায় আসন সংখ্যা থাকছে ২৭১টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি আর ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাস। বিজনেস ক্লাসে ২৪টি আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড সুবিধা এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড হওয়ায় যাত্রীরা আরামদায়কভাবে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারবেন। বিমানটিতে যাত্রীরা ইন্টারনেট ও ফোন কল করার সুবিধা পাবেন। এর আগে ১৬ আগস্ট (বুধবার) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্যদের চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অব.) ইনামুল বারীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে বোয়িং কোম্পানির এভারেট ডেলিভালি ও অপারেশন্স সেন্টারে যান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান কেনার জন্য দুই দশমিক এক বিলিয়ন ইউএস ডলারের চুক্তি করে। ইতোমধ্যে চারটি নতুন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর ও দু’টি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে। বাকি চারটি উড়োজাহাজ-ই বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। এর প্রথমটি রোববার দেশে এসেছে, দ্বিতীয়টি এবছর নভেম্বর এবং সর্বশেষ দু’টি ড্রিমলাইনার বিমান বহরে যুক্ত হবে আগামী বছর সেপ্টেম্বর মাসে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হতে যাওয়া চারটি ড্রিমলাইনারের নাম পছন্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এগুলো হলো আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ জানিয়েছেন, ১ সেপ্টেম্বর ড্রিমলাইনারের প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন রাতে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর যাবে বিমানটি। ড্রিমলাইনার দিয়ে প্রথমিকভাবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর ও ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক নেপালে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহরের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অর্ধশতাধিক নিহতের ঘটনায় ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ইউএস-বাংলার কার্যালয়ে সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যস্থাপক (জিএম) কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটে আমাদের ফ্লাইট পরিচালনা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। তবে কাঠমান্ডু ফ্লাইট আপাতত বন্ধ রাখলেও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ইউএস-বাংলার ফ্লাইটগুলো স্বাভাবিকভাবেই চলছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমানটি সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টা ২০ মিনিটে অবতরণের কথা ছিল। নামার আগেই এটি বিধ্বস্ত হয়ে বিমানবন্দরের পাশের একটি খেলার মাঠে পড়ে যায়। বিমানটিতে চারজন ক্রু ও ৬৭ যাত্রী ছিল। উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত হন। আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন ৯ বাংলাদেশিসহ ২১ জন।
আইয়ুব খান, রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী)থেকে : উত্তাল নদীর ঠিক মাজখানে জেগে ওঠায় দ্বীপটির নাম রাখা হয়েছে আগুনমুখা। পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে দক্ষিণে এর দুরত্ব ৬০ কিলোমিটার। এর তিন দিকে উত্তাল নদী আর দক্ষিণে বিস্তীর্ণ সাগর। যত দূর দৃস্টি যায় শুধুই সবুজের বনাঞ্চল।পাখির কলতান,আঁকা-বাঁকা দীর্ঘ খালের সারি। রাঙ্গাবালী উপজেলায় দ্বীপটি অবস্তিত।কিন্তুু উপজেলাসদরের সঙ্গে এখনো সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ইঞ্জিনচালিত নৌকায় এ দ্বীপে যেতে হয়। প্রকৃতির অপরুপ দ্বীপ আগুনমুখা।কিন্তুু। এখানেও আছে মানুষের হাহাকার,অভাব আর দারিদ্র্য। আছে প্রকৃতির বৈরী অভিশাপ। প্রতিদিন সংগ্রাম করেই এখানকার মানুষকে নিত্যদিন এ আগুনমুখা পাড়ি দিয়েই ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যসব প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করতে হয়। আগুনমুখা সাতটি নদীর মোহনা। এপার থেকে ওপারে যাওয়ার সময় চারদিকে কিছুই নজরে পড়ে না। শুধু অথেই জলরাশি। নৌকায় আগুনমুখা পাড়ি দেওয়ার সময় কত মানুষ যে মারা গেছে,তার হিসাব কেউ রাকেনি। প্রায় দেড় হাজার মানুষের বসবাস এ দ্বীপে। এখানকার ছোট ছোট ঘরগুলোতে ধানের নাড়া কিংবা খড়ের ছাউনি দেওয়া। কিছু ঘরে টিনের চাল দেখতে পাওয়া যায়। এখানকার মানুষ হোগলপাতার পাটি পেতে ঘুমায়। এ দ্বীপের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শেখার প্রবল আগ্রহ থাকলেও একনে কোনো স্কুল নেই। এখানে জীবনযাপনের জন্য বিদ্যুৎ ঔষাধপএ,ডাক্তার ও হাসপাতালের ব্যবস্থাও নেই। দারিদ্র্যের কারনে অনেকেই অল্প বয়সে জীবন সংগ্রামে নেমে পড়ছে। মেয়েশিশুদের জীবন আরও কস্টের। অল্প বয়সেই যেতে হচ্ছে স্বামীর সংসারে। হচ্ছে কিশোরী মা।এখানকার মানুষ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত। এখানে একটি রেডিও নেই,এমনকি ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সংকেত বার্তাও এখানকার মানুষের কাছে পৌছায় না। ঘুর্নিঝড়সিডর ও আইলার কথা উল্লেখ করে আগুনমুখার বাসিন্দা শাহিনুর বেগম বলেন,বইন্যার সময় মোরা হগলডে নায়ে (নৌকায়)ওই জঙ্গলের মধ্যে আছিলাম। মোরা জানে বাঁউ”া গ্যালেও ঘরের কিছু বাঁচাইতে পারি নাই। সব ভাইস্যা গ্যাছে। বর্ষা ৫-৬ মাস দ্বীপটি জোয়ার ভাটায় প্লাবিত হয় বিশেষ করে অমাবস্যা-পূর্ণিমার সময়ে অন্তত ১২-১৫ দিন দ্বীপ জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়। তখন লোকজন নৌকায় কিংবা উচু মাচা বসে সময় কাটায়। দ্বীপটিতে নেই বেড়িবাধঁ। যে কারণে ঘূর্ণিঝড়ের আশস্কা বাসিন্দাদের সর্বদাই তাড়া করে ফেরে। হাজারো সমস্যার মাঝেও দ্বীপ আগুনমুখায় রয়েছে নানা সম্ভাবনা। এখানকার মানুষ পরিশ্রমী। জমি উর্বর। এ দুটো শক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নত করার রয়েছে যথেস্ট সুযোগ। এসব তথ্য জানালেন দ্বীপবাসীরাই। তারা বলেন,দ্বীপের চারপাশে বেড়িবাধঁ নির্মাণ করে খুব সহজে এক ফসলি জমিকে তিন ফসরিতে রুপান্তর করা যেতে পারে। ফলানো যেতে পারে নানা রবিশস্য। বিশেষ করে যেতে পারা শাকসবজির চাষ।
শুক্রবার, 09 ফেব্রুয়ারী 2018 14:37

বিশ্বের যেসব দেশ ভ্রমণে ভিসা লাগে না...

নিউজ ফ্ল্যাশ ডোস্ক দেশের বাইরে দর্শনীয়স্থানে ঘুরতে যেতে কার না মন চায়। কিন্তু আর্থিক সংগতি থাকলেও অনেকেই বর্হিবিশ্ব ভ্রমণে অনীহা পোষণ করেন। কেন?-এর মূল কারণ ভিসা পেতে নানা বিড়ম্বনাসহ জটিল প্রক্রিয়া। তাই, অনেকের স্বপ্ন আজন্ম অধরাই থেকে যায়। কিন্তু আপনি জানেন কি?-আপনার বিদেশ ভ্রমণের স্বপ্ন আপনার হাতের মুঠোয়। কারণ, বিশ্বের এমন ৫৭টি দেশ আছে যেখানে আপনি ঘুরতে যেতে চাইলে ভিসার দরকার পড়বে না। ওই দেশগুলোর এয়ারপোর্টে নেমে আপনি সঙ্গে সঙ্গেই হাতে পেয়ে যাবেন আপনার কাংঙ্খিত ভিসাটি। আর এই ভিসার জন্য আগে থেকে আবেদন করতে হবে না। যেসব দেশে যেতে ভিসা লাগবে না : ভুটান, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ফিজি, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মরিশাস, মাইক্রোনেশিয়া, নেপাল, সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট এন্ড দ্য গ্রেনাদিনেস, ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো, ভ্যানুয়াতু, হং কং, দক্ষিণ কোরিয়া, মেসিডোনিয়া, টার্কিস এন্ড কাইকোস আইল্যান্ড, মন্টসেরাত, শালবার্ড। যেসব দেশে ই-ভিসা লাগে : জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, সাও তামি এন্ড প্রিনসিপি, রাওয়ান্ডা, মিয়ানমার, মলদোভা, কেনিয়া, জর্জিয়া, গ্যাবন, কটে দিলভোরি, বাহরাইন। যে সব দেশে এয়ারপোর্ট থেকে ভিসা মিলে: বলিভিয়া, কম্বোডিয়া, ক্যাপে ভারদে, কমোরস, জিবুটি, ডোমিনিয়া, ইথিওপিয়া, গিনি-বিসাউ, গুয়ানা, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডন, লাওস, মাদাগাসকার, মালডিভস, মরিতানিয়া, পালাউ, সেন্ট লুসিয়া, সেনেগাল, সেচেলিস, সোমালিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, টিমোর লেসতে, তুভালু, উগান্ডা, অ্যান্টার্কটিকা পারমিট লাগে যে সব দেশের: শ্রীলঙ্কা ও সামোয়া। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
মঙ্গলবার, 23 জানুয়ারী 2018 20:32

বিমানে ওয়াইফাই

টেক ডেস্ক মাঝ আকাশে সেলফি তোলা বা স্মার্টফোনে কথাবার্তা বলার দিন বোধহয় আর দূরে নেই। উড়ানে ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর কথা চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে দেশের বিমান সংস্থাগুলি। তবে এই সুবিধা পেতে বিমানভাড়ার সঙ্গে গুনতে হতে পারে অতিরিক্ত ২০-৩০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, উড়ানে আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ওয়াইফাই ব্যবহারে খরচ হতে পারে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা। ১৯ জানুয়ারি, শুক্রবার অন্তর্দেশীয় (ডোমেস্টিক) ও আন্তর্জাতিক উড়ানে ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর অনুমতি দিয়েছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ট্রাই)। তবে ট্রাইয়ের নির্দেশ, পরিষেবার পাশাপাশি সুরক্ষার দিকটিও মাথায় রাখতে হবে সংস্থাগুলিকে। একটি প্রস্তাবে ট্রাই জানিয়েছিল, টেক-অফ করার পর বিমানে ইন্টারনেটের সুবিধা চালু করা যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে যাত্রীদের সমস্ত ধরনের পার্সোনাল ইলেকট্রনিক ডিভাইস (পিডিএ) ফ্লাইট মোডে রাখতে হবে। ভূপৃষ্ঠ থেকে অন্তত ৩০০০ মিটার উঁচুতে মোবাইল পরিষেবার সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। মঙ্গলবার এক বিমানসংস্থার আধিকারিক টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, ট্রাইয়ের ওই প্রস্তাবের ফলে অন্তর্দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উড়ানে নেট পরিষেবা চালু করা নিয়ে আর কোনও বাধা রইল না। তাঁর মতে, এই পরিষেবা চালুর জন্য নেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে মোটা অঙ্কের টাকাও দিতে হবে বিমান সংস্থাগুলিকে। কম দূরত্বের ডোমেস্টিক ফ্লাইটের টিকিট বুকিং করতে সাধারণত ১২০০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। নেট পরিষেবা পেতে স্বাভাবিক ভাবেই ওই ধরনের উড়ান ভাড়ায় দাম বাড়বে। একটি বেসরকারি বিমানসংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “ডোমেস্টিক ফ্লাইটে এই পরিষেবা চালু করা সম্ভব কি না, তা নির্ভর করছে পরিষেবা খরচ ও দাহিদার উপর।” বিমানে কী ভাবে ইন্টারনেটের সুবিধা মিলবে? ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, এই পরিষেবা চালুর আগে ঠিক করতে হবে, স্যাটেলাইট না মোবাইল টাওয়ার— কীসের মাধ্যমে নেট সিগনালের আদান-প্রদান করা হবে। সেই অনুযায়ী বিমানে অ্যান্টেনা বসাতে হবে। এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক উড়ানে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয় লুফৎহানসা, এমিরেটস, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এবং ডেল্টা এয়ারলাইন্স। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি সংস্থা হোয়াট্‌সঅ্যাপ বা অন্য মেসেঞ্জার পরিষেবা ব্যবহারের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই চালু করেছে। ভারতে কম দূরত্বের অন্তর্দেশীয় উড়ানে নেট পরিষেবা পেতে কত জন যাত্রী আগ্রহী হবেন তা নিয়ে অবশ্য অনেকেই সন্দিহান। এয়ার প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সর্বভারতীয় সভাপতি ডি সুধাকর রেড্ডির মতে, “বেশি দূরত্বের যাত্রায় বা আপৎকালীন সময়ে হয়ত এই পরিষেবা কাজে আসতে পারে। তবে লো-কস্ট কেরিয়ারের জন্য এটি খুব একটা যথোপযুক্ত না-ও হতে পারে।”