08242017বৃহঃ
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক অভ্যন্তরীণ যেকোন রুটে যাত্রীদের সব ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের ফটো আইডি কার্ড দেখাতে হবে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) সকল স্থানীয় এয়ারলাইন্সকে এই নির্দেশনা দিয়েছে। সিএএবি ৩০ জুন এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে যে যাত্রীদের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান ভ্রমণের সময় অবশ্যই তাদের টিকেটসহ ফটো আইডি কার্ড চেক-ইন-কাউন্টারে দেখাতে হবে। এতে বলা হয় সনাক্তকরণের জন্য বৈধ পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা সংশ্লিষ্ট সংগঠন কর্র্তৃক ইস্যুকৃত ছবিসহ আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে। ইতোপূর্বে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণের জন্য একজন যাত্রীর দরকার হত পাসপোর্ট, আর অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য তাকে টিকেট প্রদর্শনের মাধ্যমেই বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করতে হতো। প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে থাকা শিশুদের ফটো আইডি কার্ড লাগবেনা। বাংলাদেশ বিমানের একজন মুখপাত্র জানান, নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই সকল বিমান রুটে এ আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক শতাধিক আরোহী নিয়ে আন্দমান সাগরে বিধ্বস্ত হওয়া মিয়ানমারের সামরিক বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে দেশটির দক্ষিণ উপকূলের শহর মাইয়েক থেকে ইয়াঙ্গুন রওনা হওয়ার পর এটি নিখোঁজ হয় বলে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এএফপি বলছে, দুপুরে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির সন্ধানে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর জাহাজ তল্লাশি চালাচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে এর কিছু খণ্ডিত অংশ মিলেছে। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, উড্ডয়নের ২৯ মিনিট পর দাভেই শহরের ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। নিখোঁজ হওয়ার আগ মুহূর্তে বিমানটি আন্দামান সাগড়ের ওপর দিয়ে উড়ছিল। তখন উড়োজাহাজটি ১৮ হাজার ফুট ওপরে ছিল। সামরিক বাহিনীর বিমানটিতে ১২০ আরোহীর মধ্যে সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্য ছিলেন ১০৬ জন এবং ১৪ জন ক্রু ছিলেন। সেনা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১২ জনেরও বেশি ছিল শিশু। বিধ্বস্ত বিমানের আরোহীদের সবাই নিহত হয়েছেন কিনা- এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও কিছু জানানো হয়নি। মাইয়েকের পর্যটন কর্মকর্তা নাইং লিং জ বলেন, দাওয়াই শহর থেকে ২১৮ কিলোমিটর দূরে সাগরে ওই বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তাও এএফপিকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। তল্লাশি চলছে।
বেশি দিনের কথা নয়, ১৯৯০ সালেই এই নিঃসঙ্গ প্রাকৃতিক মিনারের চূড়ায় নির্মিত হয়েছে একটি মনাস্টারি। এখানে বাস করেন মাক্সিম কাভতারাদজে নামক এক সন্ন্যাসী। একা। ১৯৯০ সালে এখানে মঠ নির্মিত হলেও জর্জিয়ার ইমেরেতি অঞ্চলের কাতাস্‌খি পিলারেরে ইতিহাস কিন্তু ২০০০ বছরের প্রাচীন। ৪০ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট প্রকৃতির খেয়ালে তৈরি এই মিনারটি একদা এই অঞ্চলের পৌত্তলিক ধর্মাবলম্বী সন্ন্যাসীরা ব্যবহার করতেন ধ্যান-অভ্যাসের জন্য। সেই সময়ে এই মনোলিথকে উর্বরাশক্তির দেবতার প্রতিভূ মনে করা হতো। ওই অঞ্চলে খ্রিস্টধর্ম বিস্তৃত হলে ৬-৮ খ্রিস্টাব্দে একটি চার্চ নির্মিত হয় মিনার শীর্ষে। আজ সেখানে সামান্য ধ্বংসাবশেষ ছাড়া তার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। বিংশ শতকে বিশেষজ্ঞরা এই মিনারকে পর্যবেক্ষণ করেন। ১৯৪৪ সালে কাতাস্‌খি পিলার প্রথম জরিপ করা হয়। দেখা যায়, পুরনো চার্চের অবশেষ ছাড়াও এই মিনারের চূড়োয় তিনটি কুঠুরি রয়েছে, যেখানে প্রাচীন কালের সন্ন্যাসীরা থাকতেন। এখানেই একটি শিলালেখর সন্ধান পান প্রত্নতাত্ত্বিকরা, যাতে ‘গিয়র্গি’ নামের এক ব্যক্তির নাম পাওয়া যায়। অনুমান করা হয়, এই গিয়র্গিই ছিলেন এই সন্ন্যাসী-আবাসের রক্ষী। আজ এই পিলারে বাস করেন মাক্সিম। তিনি তাঁর সন্ন্যাস-শপথ গ্রহণের পরেই এখানে চলে আসেন। এখানেই এক ছোট কুঁড়ে বানিয়ে তাতে তিনি বাস করতে শুরু করেন। মাক্সিমের ধারণায়, মিনার শীর্যের এই নির্জনবাস তাঁকে ঈশ্বরের কাছাকাছি রেখেছে। কেবল রসদ আনতে তিনি নীচে নামেন। সপ্তাহে দু’বার তাঁকে নীচে নামতে হয়। নীচে নামার জন্য একটা লোহার সিঁড়ি রয়েছে। মাক্সিম তাঁর নির্জনবাসের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় তরুণদের মানসিক সমস্যার সমাধানে সাহায্যও করেন।
বুধবার, 07 জুন 2017 09:06

ছুটিতে কোথায় যাবেন

এই গরমের ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে যাবেন, ইতিমধ্যেই তার একটা ছক কষে ফেলেছেন। অনেকে আবার এখনও ভাবছেন যে কোথায় যাওয়া যায়। এদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে সুখবর। এই ছুটিতে চাইলেই আপনি বিদেশ পাড়ি দিতে পারেন। Bali, Kuala Lumpur or Bangkok— choose your Summer Destination গরমের ছুটিতে বিদেশভ্রমণ গরমের ছুটি পড়ল বলে। এই সময়ে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়লেই হল। কিন্তু হচ্ছেটা কোথায়? ছুটিটা ম্যানেজ করে নিলেও খরচের চিন্তাটা কিন্তু থেকেই যায়। লম্বা ছুটি ম্যানেজ হলেই, আম আদমি আগে থেকে প্ল্যান-প্রোগ্রাম করে রাখে। ঘুরতে যাওয়ার আগে অফিসের ব্যস্ততার মধ্যেও সুযোগ পেলেই চিরুনি তল্লাশি চালায় নেট জুড়ে। কোথায় কী অফার দিচ্ছে, কম খরচায় সব থেকে ভাল পরিষেবা দিচ্ছে কোন সংস্থা— এই সব কিছুর দিকে নজর থাকে আম আদমির। আর গরমের এই লম্বা ছুটির আগে হন্যে হয়ে খোঁজার পরিমাণটাও যেন বেড়ে যায়। আর গন্তব্য যদি বিদেশ হয়, তাহলে তো কথাই নেই। এক্ষেত্রে সব থেকে বেশি মাথাব্যথা থাকে বিমান ভাড়া নিয়ে। এবার এই মাথাব্যাথা থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই। সমাধান নিয়ে হাজির এয়ার এশিয়া। কি, বুঝতে পারলেন না? তাহলে বিষয়টি খোলসা করেই বলা যাক। গরমের ছুটি পড়তে আর বেশিদিন বাকি নেই। এই ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে যাবেন, ইতিমধ্যেই তার একটা ছক কষে ফেলেছেন। অনেকে আবার এখনও ভাবছেন যে কোথায় যাওয়া যায়। এদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে সুখবর। এই ছুটিতে চাইলেই আপনি কুয়ালা-লামপুর, ইন্দোনেশিয়া বা ব্যাংকক থেকে ঘুরে আসতে পারেন। কেন না এয়ার এশিয়া বিমানের টিকিটে দিচ্ছে অবিশ্বাস্য ছাড়। ইন্দোনেশিয়া ইন্দোনেশিয়া অর্থাৎ দ্বীপের দেশ। গোটা দেশটি জুড়ে রয়েছে প্রায় ১৭,০০০ এরও বেশি দ্বীপ। আর ইন্দোনেশিয়ার কথা বললে, প্রথমেই মনে পড়ে বালির কথা। সমুদ্র যারা ভালবাসেন, তাঁদের কাছে বালির বিকল্প খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ওয়াটার অ্যাডভেঞ্চারের অন্যতম সেরা ঠিকানা এই বালি। সারা বছরই বালির় সমুদ্রতটগুলিতে ওয়াটার সার্ফিং, প্যারাসেলিং, ব্যানানা বোটিং থেকে স্কুবা ডাইভিং-এর মতো বিভিন্ন ওয়াটার স্পোর্টসের রমরমা দেখা যায়। আর এই জলকেলির কোনওটারই অভিজ্ঞতা যদি আপনার আগে না থাকে, তাহলেও চিন্তার কোনও কারণ নেই। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা আপনাকে হাতে ধরে প্রশিক্ষণ দেবে। (ছবি সৌজন্যে: Pinterest) শুধু সমুদ্রই নয়। বালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যও আপনাকে মুগ্ধ করবে। গোটা বালি জুড়ে প্রায় ২৮০-রও বেশি প্রজাতির পাখি দেখা যায়। আর সারা বছর এখানকার আবহাওয়াও থাকে অত্যন্ত মনোরম। বিকেলে সূর্যাস্ত, বালির সমুদ্রতটগুলিতে যেন আলাদা মাত্রা যোগ করে। এর সঙ্গেই রয়েছে বালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। জর্জিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতি ছ’মাসে এখানকার প্রাচীন মন্দিরগুলিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা হয়। আর বালিতে গেলে এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী না থাকলে অনেক কিছুই মিস করবেন আপনি। এই গরমের ছুটিতে বালির সৌন্দর্য্য উপভোগ করে আসতেই পারেন আপনি। মালেশিয়া যেতে পারেন মালেশিয়াতেও। আসলে ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে মালেশিয়া মানেই জঙ্গল আর জঙ্গল। রোজের ব্যস্ত রুটিনকে স্রেফ ভুলে গিয়ে, এই গরমে যদি সবুজের বুকে হারিয়ে যেতে চান, তাহলে মালেশিয়া আপনার জন্য উপযুক্ত জায়গা। বর্নিও-র রেনফরেস্ট আর সমুদ্রতট আপনার যাবতীয় ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে। শুধু জঙ্গলই নয়, মালেশিয়ায় গিয়ে এক মিশ্র অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে পারবেন আপনি। এগিয়ে চলা সময়, ঐতিহ্য, ব্যস্ততা এবং আধুনিকতা— এই সব কিছুর মিশেল পাবেন রাজধানী কুয়ালা-লামপুরের মাটিতে। (ছবি সৌজন্যে: www.mcgroup.com) এই কুয়ালা-লামপুরকে 'উৎসবের আখরা' বললেও ভুল বলা হবে না। সারা বছরই এখানে উৎসবের মেজাজ লেগে থাকে। বহু বছর ধরে যা চলে আসছে। পাশাপাশি আধুনিক শহরের এই আধুনিকতার মধ্যেও, এখানকার কালচারাল মিউজিয়ামগুলি শহরের প্রাচীন ইতিহাসকে ধরে রেখেছে। কুয়ালা-লামপুরে সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। এই পর্যটকদের একটা বড় অংশ বার বার মালেশিয়ায় বেড়াতে আসেন শুধুমাত্র এখানকার পরিবেশ উপভোগ করার জন্য। ব্যাংকক তাইল্যান্ডের রাজধানী হল ব্যাংকক। ১৭৮২-তে চকরি সাম্রাজ্যের রাজা রামার আমলে এই শহরটি রাজধানীর মর্যাদা পায়। শহরটিকে ব্যাংকক নামে জানলেও এই শহরের আসল নাম ক্রুং থেপ। যার অর্থ দেবদূতের শহর। এখানকার মানুষও অবশ্য তাই বিশ্বাস করেন। (ছবি সৌজন্যে: www.travelandleisure.com) ব্যাংককে একবার গেলে আপনি প্রেমে পড়ে যেতে বাধ্য। এখানকার সৌন্দর্য্য আপনাকে সম্মোহিত করে দেবে। ব্যাংকক-সহ গোটা তাইল্যান্ড জুড়েই রয়েছে প্রচুর বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা এবং স্মৃতিসৌধ। সর্বদা যেন এক অদ্ভুত শান্তি বিরাজ করছে এই বৌদ্ধ মন্দিরগুলিতে। ধীরে ধীরে ব্যাংককের অন্দরে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে চাও ফ্রায়া নদী। এই নদীর তীরেই এই শহরটি গড়ে উঠেছে। প্রাচীন ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে আধুনিকতার যেন এক অদ্ভুত মেলবন্ধন হয়েছে এখানে। এই শহরের রাজপথ সর্বদাই ব্যস্ত। আর সন্ধে হলেই আলোর খেলা আপনাকে মুগ্ধ করে দেবে। জলপথও কিছু কম যায় না। গোটা ব্যাংকক জুড়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি ‘ভাসমান বাজার’। ছোট ছোট কাঠের নৌকো করে সেখানে ফল-সবজি বিক্রি করেন স্থানীয়রা। যা এই শহরের অন্যতম আকর্ষণ। এ ছাড়াও, ব্যাংককের খাদ্য তো আছেই। যার গন্ধ নাকে এলে কিংবা যা চোখে দেখলে, আপনার জিভে জল আসতে বাধ্য। আর এখানকার ‘তাই ম্যাসাজ’ তো পৃথিবী বিখ্যাত। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে পা রাখার মজাই আলাদা। আর আপনার পাসপোর্টের উপরে যদি বিদেশের স্ট্যাম্প লাগাতে চান, তবে এটাই হল সঠিক সময়। কেননা এরকম বিপুল ছাড় তো আর সচরাচর পাওয়া যায় না। তাহলে আর দেরি কেন? পাসপোর্ট-ভিসা রেডি রাখুন। ছুটি পেলেই ব্যাগ প্যাক করে বিদেশ পাড়ি। এমনিতেই সোশ্যাল মিডিয়ায়, আপনার প্রতিবেশি কিংবা অফিসের সহকর্মীদের ঘুরতে যাওয়ার ছবি দেখতে দেখতে আপনি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছেন। এবার কিন্তু সময়টা আপনার। বিদেশ ঘুরে আসুন আর আপনার যাত্রার সেই ছবি দেখিয়ে বাকিদের চমকে দিন। এই সুযোগ মিস করবেন না যেন। অফার প্রযোজ্য সীমিত সময়ের জন্য। বিস্তারিত জানতে এবং টিকিট বুক করতে ক্লিক করুন এখানে। আপনার যাত্রা শুভ হোক।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সোমবার পুয়ের্তো রিকো থেকে সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিল এই ছোট বিমানটি। ফের বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের উপরে রহস্যজনক ভাবে হারিয়ে গেল একটি বিমান। প্রায় তিরিশ ঘণ্টা তল্লাশির পরে নিখোঁজ যাত্রীদের কোনও খোঁজ পাওয়া না গেলেও, হারিয়ে যাওয়া ছোট বিমানটির কিছু অবশেষ পেয়েছে উদ্ধারকারী দল। যত সময় যাচ্ছে, ততই দুই শিশু-সহ চার নিখোঁজ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সোমবার পুয়ের্তো রিকো থেকে সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিল এই ছোট বিমানটি। বিমানে মোট চারজন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন এবং চার বছরের দু’টি শিশুও ছিল। নিউ ইয়র্কের একটি নামকরা ইভেন্ট প্ল্যানিং ফার্ম-এর সিইও জেনিফার ব্লুমিন তাঁর দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে বিমানে রওনা দিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ৫২ বছর বয়সি এক ব্যক্তিও ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার আগে বিমানটির সম্ভাব্য গতিপথ। গ্রাফিক্স- অভিজিৎ বিশ্বাস মার্কিন কোস্ট গার্ড-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময়ই রহস্যজনকভাবে বিমানটি হারিয়ে যায়। এর পরে প্রায় ৮২০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিমান এবং যাত্রীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। দীর্ঘ তল্লাশির পরে বাহামাসের এলিউথেরা থেকে পূর্বদিকে প্রায় ১৫ মাইল দূর নিখোঁজ বিমানটির মতো একই ধরনের ছোট বিমানের কিছু অবশেষ এবং যন্ত্রাংশ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। বারমুডা ট্রাইঅ্যাঙ্গল সম্পর্কে চমকে দেওয়ার মতো ৮টি তথ্য মায়ামির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি ওড়ার তিন ঘণ্টার মধ্যেই সেটির সঙ্গে তাদের র‌্যাডার এবং রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মার্কিন কোস্টগার্ড-এর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যে সময়ে বিমানটি ওই এলাকা দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল, তখন সেখানকার আবহাওয়াও প্রতিকূল ছিল না। সবমিলিয়ে, ফের একবার বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠল।
ঊনিশশো নব্বইয়ের দশক ধরে কক্সবাজার ভ্রমণকারীরা সমুদ্র সৈকতের তীর ধরে নির্মাণাধীন যে পাকা সড়কটি দেখে আসছেন, অবশেষে সেটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কক্সবাজারের কলাতলী সৈকত থেকে দেশের শেষ প্রান্ত টেকনাফ পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেরিন ড্রাইভ আজ উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলা হচ্ছে, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত জুড়ে থাকা এই রাস্তাটিই এখন পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ। এর শুরুটা হয়েছিল কক্সবাজারকে একটি বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য করে তোলার উদ্দেশ্যেই। একই উদ্দেশ্যে সম্প্রসারণ করা হয়েছে কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়েও। সেখানে শনিবার প্রথম অবতরণ করল আন্তর্জাতিক গন্তব্যে চলাচল করা একটি বোয়িং বিমান। এটিতে করেই শেখ হাসিনা শহরটিতে পৌঁছান। পরে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করারও। এমনিতেই জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হবার মত যথেষ্ট বৈশিষ্ট্য কক্সবাজারের রয়েছে। তার উপর নানা রকম উন্নয়ন পরিকল্পনা সবসময়েই লেগেই আছে কক্সবাজারকে ঘিরে। বলা যায় বাংলাদেশে পর্যটন খাত নিয়ে যাবতীয় চিন্তা, পরিকল্পনা, ব্যয় - সব হয় কক্সবাজার কেন্দ্র করেই। এমনকি গত বছর প্রায় পুরোটা জুড়েই বাংলাদেশে যে পর্যটন বর্ষ পালন করা হয় তার কেন্দ্রবিন্দুতেও ছিল এই কক্সবাজার। কিন্তু তাতেও বিদেশী পর্যটকেরা আকৃষ্ট হচ্ছেন কই? মেরিন ড্রাইভটি উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, "টুরিস্টরা কিন্তু ঘুমাতে আসে না। তারা যেটা চায়, সারাদিন ঘুরবে বেড়াবে, সন্ধ্যের সময় কিছু অ্যামিউজমেন্ট করবে। এই জায়গায় প্রচণ্ড ঘাটতি আছে।" "এর থেকেও কম অবকাঠামো সুবিধা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে পৃথিবীর অনেক দেশে," বলেন অধ্যাপক আহমেদ। আরো পড়ুন: 'রোগা মডেল' নিষিদ্ধ ফরাসী বিজ্ঞাপনে এই ব্যাপারটি উপলব্ধি না করবার জন্য তিনি দায়ী করছেন সরকারি নীতি নির্ধারক ও ট্যুর অপারেটর কোম্পানিগুলোকে। কিন্তু ট্যুর অপারেটররা বলছেন, ইচ্ছে থাকা সত্বেও অনেক ক্ষেত্রেই পর্যটক-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা যাচ্ছে না ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে। কক্সবাজারের স্থানীয় অধিবাসী এমএম সাদেক লাবু, যিনি নিজেও স্থানীয় ট্যুর অপারেটরদের একজন নেতা, তিনি বলেছেন, "বিদেশিরা যে ধরনের সুবিধা চায় সেগুলো আমরা দিতে পারি না। যেমন ধরেন তারা বিকিনি পরে সমুদ্রে নামতে পারবে, মুক্তভাবে চলাফেরা করবে, তারা নিরাপদ এলাকা চায়, এই জিনিসগুলো আমরা এখনো দিতে পারিনি।" মুসলিমপ্রধান দেশ হওয়ায় নাইট লাইফ বা পর্যটকদের জন্য নিশিযাপন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা যাচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে কয়েকজন পর্যটক Image caption কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে কয়েকজন পর্যটক অবশ্য এজন্য সরকার কিছু কিছু সুনির্দিষ্ট জোন বা বিদেশী পর্যটক-বান্ধব এলাকা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মজিব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিদ্যমান ধর্মীয় ও সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে আইনের মধ্য থেকেও দেশী-বিদেশী পর্যটকদের জন্য বাংলাদেশী পর্যটন গন্তব্যগুলোতে নিশিযাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। সেখানে দেশীয় ফোক ও বাউল সংস্কৃতিকে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে পরামর্শ অধ্যাপক আহমেদ। এসব করে কিছু কিছু ট্যুর অপারেটর সাফল্যও পেয়েছে বলে উল্লেখ করছেন তিনি।
মার্কিন বিমানসংস্থার ফ্লাইটে আবার যাত্রী হেনস্থার ঘটনা ঘটল। এবারে অভিযোগ আরও গুরুতর। এক নারী যাত্রীর ওপর চড়াও হয়েছেন আমেরিকান এয়ারলাইন্সের এক বিমান কর্মী। ছোট দুই শিশুকে নিয়ে বিমানে উঠেছিলেন ওই নারী। অভিযোগ, তার কাছ থেকে প্র্যামটি (শিশুকে বসিয়ে ঠেলে নিয়ে যাওয়ার গাড়ি কেড়ে নেন ওই কর্মী। এমনকি ওই নারীর গায়ে হাতও তোলেন। জখম হতে পারত শিশু দুটিও। এখানেই শেষ নয়। দুই শিশুসহ ওই নারীকে নামিয়েও দেয়া হয় বিমান থেকে। খবর এএফপির। শুক্রবার রাতে সানফ্রান্সিসকো থেকে ডালাস যাচ্ছিল বিমানটি। কিন্তু ওড়ার মুখে বিনা কারণেই ওই যাত্রীর ওপর চোটপাট শুরু করেন অভিযুক্ত বিমান কর্মী। কথা কাটাকাটি হতে হতে এক সময় হঠাৎই ওই নারীর সঙ্গে থাকা বাচ্চাদের প্র্যামটি কেড়ে নেন ওই কর্মী। দুই যমজ সন্তানকে নিয়ে তখন দিশাহারা ওই যাত্রী ভেঙে পড়েন কান্নায়। থাকতে না পেরে প্রতিবাদ করেন এক সহযাত্রী। ওই বিমানকর্মীকে বলেন, ‘আপনি যদি এটা আমার সঙ্গে করতেন, আমি আপনাকে মেরে শুইয়ে দিতাম। আর একটু হলে আপনি একটা বাচ্চাকে আঘাত করতেন।’ এতেও দমে না গিয়ে ওই কর্মী বলেন, ‘আপনি পুরো ঘটনাটি জানেন না।’ হয়রানির এখানেই শেষ নয়। এর পরে দুই শিশুসহ ওই নারীকে বিমান থেকেই নামিয়ে দেয়া হয়। তাদের ফেলে রেখেই বাকি যাত্রীদের নিয়ে ডালাস উড়ে যায় বিমানটি। গোটা ঘটনাটি রেকর্ড করেন সুরাইন আদ্যন্তয় নামে আর এক যাত্রী। দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি। শনিবার সকালের মধ্যে প্রায় চার হাজার বার শেয়ার হয়েছে এটি। চাপের মুখে পড়ে এই ঘটনার নিন্দা করেছে মার্কিন বিমান সংস্থাটি। একটি বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘ভিডিওতে ওই মহিলার সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা একেবারেই আমাদের আদর্শের বিরোধী। আমরা যাত্রীদের সঙ্গে এই রকম ব্যবহার সমর্থন করি না।’ বিমান সংস্থাটি জানাচ্ছে, ওই কর্মীকে কাজ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছে বিমান সংস্থাটি। শুরু হয়েছে তদন্ত।
শ্রীনগর : চলতি বছরে আগামী ২৯ জুলাই। হেলিকপ্টারের চড়ে অমরনাথ যাওয়ার অনলাইনের টিকিট বুকিং শুরু হবে আগামী ২৫ তারিখ থেকে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই এই টিকিট বুক করা যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন শ্রী অমরনাথ যাত্রা শ্রাইন বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ উমঙ্গ নেরুলা। ৪০ দিনের এই যাত্রা শেষ হবে ৭ আগস্ট শ্রাবণ পূর্ণিমার দিন। এই বছরে হিন্দুদের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র অমরনাথ৷ এই স্থানটি হিন্দুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র স্থান হিসাবে বিবেচিত হয়৷ এই তীর্থস্থানে দূরদূরান্ত থেকে আসেন তীর্থযাত্রীরা৷ তাদের সুবিধার্থেই এই মন্দিরে রয়েছে বিশেষ হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা৷ এসএসবি-এর চিফ এক্সিকিউটিভ বলেন, ইউটি এয়ার ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং গ্লোবাল ভেক্ট্রা হেলিকর্প লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি করেন৷ যেখানে এই দুটি হেলিকপ্টার সংস্থা তীর্থযাত্রীদের নীলগর্থ থেকে পঞ্চতরণী যাওয়া আসার ব্যবস্থা করবে৷এর পাশাপাশিই হিমালয়ান হেলি সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড তীর্থযাত্রীদের হেলিকপ্টার সংস্থাটি পহেলগাঁও থেকে পঞ্চতরণী নিয়ে আসার ব্যবস্থা করবে এই সংস্থাটি৷ অন্য বছর অমরনাথের যাত্রার শেষ হয় ৪৮ দিনে। গত বছরের তুলনায় ৮ দিন কমে হবে অমরনাথ যাত্রা। যাত্রায় অংশ নিতে পারবেন না তেরো কম বয়সের শিশুরা। এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে ৭৫ বছরের বেশী বয়স্করা এবং ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বারা।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর হাতিরঝিলে নগরবাসীর চিত্তবিনোদনের জন্য গ্রান্ড মিউজিক্যাল ড্যান্সিং ফাউন্টেইন এবং এ্যাম্ফিথিয়েটার উদ্বোধন করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনকালে বলেন, গ্রান্ড মিউজিক্যাল ড্যান্সিং ফাউন্টেইন ও এ্যাম্ফিথিয়েটার হচ্ছে নগরবাসী ও দেশবাসীকে তার নববর্ষের উপহার। এই এ্যাম্পিথিয়েটার ও ড্যান্সিং ফাউন্টেশনের দর্শক ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ২ হাজার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক ও ঢাকা ওয়াসার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত্ বলে নির্মাতারা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচ্ছন্ন রাখায় যত্নবান হওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এ্যাম্ফিথিয়েটারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রকল্প পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাঈয়ী মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, এ্যাম্ফিথিয়েটার নির্মাণ কৌশল দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে এটি দেখতে পাপড়িসহ ফুলের মতো, বৃত্তাকার কাঠামো এবং ডিজাইন কালারফুল। পাশাপাশি ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের বর্ণিল ফোয়ারা নির্মাণ করা হচ্ছে এবং এই কাঠামো এমন পরিবেশ তৈরি করবে যে দর্শকদের মনে হবে মঞ্চটি পানির ওপর ভাসছে। বর্ণিল ঝরনায় সময়-নিয়ন্ত্রিত সাউন্ড ওয়েভ এবং মিউজিক্যাল ট্রাক একটি ত্রিমাত্রিক কাঠামো তৈরি করেছে। গণভবনে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহাম্মদ শফিউল হক বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন।
ইচ্ছার সেই চারাগাছটাই আজ মহীরুহ। ডানা নেই তো কী? উড়তে চেয়েছিলেন তিনি। স্বপ্নের ডানায় ভর করে। ছোট থেকেই লালন করতেন আকাশে ওড়ার ইচ্ছেটা। আজ তিনিই দেশের কনিষ্ঠতম বিমান চালকের শিরোপা নিয়ে খবরের শিরোনামে। শুধু তাই নয়, দেশের প্রথম মহিলা হিসাবে এ বার মিগ-২৯ জেট বিমানের ‘স্টিয়ারিং’ও থাকবে তাঁরই হাতে। তিনি আয়েশা আজিজ। ২১ বছরের ফুটফুটে কাশ্মীরি কন্যা। ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন ককপিটে বসবেন। বিমানের নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাঁর হাতে। প্রথাগত পড়াশোনা শেষ হতেই তাই যোগ দেন বম্বে ফ্লাইং ক্লাবে। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই হাতে পান স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স। ২০১২ সালে দু’মাসের অ্যাডভান্সড স্পেস ট্রেনিং কোর্স করতে নাসা-তেও পাড়ি দিয়েছিলেন কাশ্মীরের বারামুলা জেলার এই মেয়ে। আরও পড়ুন: নেপচুন না কি প্লুটো যাচ্ছিলেন ইনি? ‘ওলা’ বিল পাঠাল ১৪৯ কোটি! কর্মাশিয়াল লাইসেন্স পাওয়ার পর ফেসবুকে এই ছবিই পোস্ট করেছেন আয়েশা সম্প্রতি দেশের কনিষ্ঠতম পাইলট হিসাবে কর্মাশিয়াল লাইসেন্সও পেয়েছেন আয়েশা। ফেসবুকে পোস্টও করেছেন সেই ছবি। দেশের কনিষ্ঠতম পাইলটের তকমা পেয়ে কী বলছেন আয়েশা? তাঁর ইচ্ছা খুব শীঘ্রই মিগ-২৯-এর ককপিটে বসার। রাশিয়ার সকুল এয়ারবাসে এই বিমান চালাতে চান তিনি। রাশিয়ান যুদ্ধ বিমান মিগ-২৯ চালানোর জন্য রুশ এজেন্সির সঙ্গেও কথাবার্তা শুরু করে দিয়েছেন আয়েশা। এখন অপেক্ষা সেই শুভ দিনের। ‘‘শব্দের চেয়েও দ্রুত গতিতে মহাকাশের এক্কেবারে ধারে চলে যেতে চাই আমি। মিগ ২৯-ই আমার পরবর্তী এক্সপিডিশন,’’— উজ্জ্বল চোখে বললেন আয়েশা আজিজ। আনন্দবাজার পত্রিকা।