12132017বুধ
ক্রমে সেই যুবক তাঁকে স্পর্শ করে। সিয়ান এক শীতল অথচ আন্তরিক তরঙ্গ অনুভব করেন। তিনি বুঝতে পারেন, এই যুবক জীবিত পৃথিবীর কেউ নয়। এক দূরবর্তী কটেজে নির্জনবাস করছিলেন ২৬ বছরের সুন্দরী সিয়ান জেমসন। আর সেখানেই ঘটেছে এমন এক ঘটনা, যাকে তিনি জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেমিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে লন্ডনের একঘেয়ে জীবনে বীতশ্রদ্ধ হয়ে সিয়ান একা ওয়েলসের একটি কটেজে বাস করতে শুরু করেন। তাঁর দাবি, সেখানেই এক ১৯ শতকীয় প্রেতপুরুষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। এই কটেজের ফায়ারপ্লেসের উপরেই তিনি প্রথম এই প্রেতকে দেখতে পান। সিয়ান বলেছেন, বিচ্ছেদের পর থেকে তাঁর চেতনায় তাঁর প্রেমিক ছাড়া অন্য কারওর প্রসঙ্গই ছিল না। কিন্তু প্রেতকে দেখার পর থেকে তাঁর মনে হতে শুরু করে, তিনি যেন নতুন জীবন শুরু করলেন। আসলে ওই কটেজে বেশ কিছু পুরনো পেন্টিং ছিল। তার মধ্যে একটি এক অতি সুদর্শন যুবকের পোর্ট্রেট। প্রতিকৃতির নীচে ১৮২০ সালের উল্লেখ ছিল। ওয়েসলের গ্রামীণ প্রকৃতির মাঝখানে চমৎকার দিন কাটছিল সিয়ানের। কিন্তু এক রাতে তিনি এক অস্বস্তিকর স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্নটির প্রকৃতি বেশ খানিকটা যৌনতা মাখা। ঘুম ভেঙে তাঁর মনে হয়, তিনি যেন আবার প্রমে পড়েছেন। প্রায় প্রতি রাতেই এর পরে চলতে থাকে ইরোটিক স্বপ্নের মিছিল। কয়েক মাস এই ভাবে কাটে। তার পরে একদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে তিনি টের পান, এক সুদর্শন যুবক তাঁর পাশে শুয়ে রয়েছে। তার পরনে ঢিলে সাদা শার্ট, আর পুরনো কায়দার ব্রিচেস। প্রথমে তাঁর মনে হয়, তিনি স্বপ্নই দেখছেন। কিন্তু ক্রমে সেই যুবক তাঁকে স্পর্শ করে। সিয়ান এক শীতল অথচ আন্তরিক তরঙ্গ অনুভব করেন। তিনি বুঝতে পারেন, এই যুবক জীবিত পৃথিবীর কেউ নয়। এবং বিদ্যুচ্চমকের মতো তাঁর মনে পড়ে, এই যুবক আসলে ওই কটেজে দেখা পোট্রেটের মানুষটিই। প্রবল আবেগে ভেসে যান সিয়ান। তারপরেই তিনি শারীরিক ভাবে মিলিত হন ওই যুবকের সঙ্গে। মিলনের কালেই তিনি অলৌকিক ভাবে টের পান ওই যুবকের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। তিনি জানতে পারেন, যুবকের নাম রবার্ট। আর ১০০ বছর আগে সে জীবিত ছিল। কেমন ছিল অশরীরীর সঙ্গে মিলন? সিয়ান জানিয়েছেন বিস্তারিত। তাঁর কথায়, যুবকের শরীরের ভার তিনি অনুভবই করেননি। আর কথাবার্তা? সিয়ানের মতে, যাবতীয় কথোপকথন হয়েছিল চিন্তাতরঙ্গ মারফত। প্রসঙ্গত, সিয়ান নিজে পরলোক ও প্রেতের অস্তিত্বে বিশ্বাসী। এর পরে বেশ কয়েক বার রবার্টের সঙ্গে তাঁর মিলন ঘটে। রবার্ট কে, জানার জন্য বিস্তর শ্রম করেছেন সিয়ান। গুগলেও খোঁজ করেছেন। কিন্তু কোনও জায়গা থেকেই সদুত্তর আসেনি। পরে বন্ধুদের এই ঘটনার কথা বললে, তাঁরা তাঁকে পাগল বলে হাসাহাসি করেন। বেশি চিজ খেয়ে পেট গরম হেয়ছে বলে জানান অনেকে। এই ঘটনার কথা শুনে সাইকোথেরাপিস্ট টিনা র‌্যাডজিসজেউইক জানিয়েছেন, এই ধরনের অভিজ্ঞতা বিরল নয়। এর আগেও অনেকে দাবি করেছেন এমন অভিজ্ঞতা। এটি আসলে ঘুম থেকে ওঠার ঠিক আগের মুহূর্তে দেখা এক বিশেষ ধরনের হ্যালুসিনেশন। এই ধরনের ভ্রান্তিবিলাস এমনিতে খুবই বিশদ হয়। দ্রষ্টা একে সত্য বলেই ভাবতে থাকেন। এর মূলে কাজ করে অবসাদ। তাঁর যুক্তি অনুসারে, সদ্য প্রেম-বিচ্ছিন্ন সিয়ান এতটাই অবসাদগ্রস্ত ছিলেন যে, তিনি ওই কটেজের পোট্রেটটিকে নিয়ে অবচেতনে অতিমাত্রায় ভাবেন। যার ফল দাঁড়ায় এই মিলন-মায়া। এবেলা।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক পর্যটন মৌসুমে আকাশ পথে ভ্রমণকে আরো সাশ্রয়ী এবং অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে বাংলাদেশ বিমান মাত্র দেড় হাজার টাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটের ভাড়া ঘোষণা করেছে। এই অফার আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। এই অফারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুপরিসর বোয়িং-৭৭৭ এবং বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটে ওয়ানওয়ে মাত্র দেড় হাজার টাকায় যাত্রীরা ভ্রমণ করতে পারবেন। যাত্রী সাধারণের জন্য রির্টান টিকেটের ক্ষেত্রে ভাড়া দ্বিগুণ হবে। এই অফার আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, উক্ত ভাড়ার উপর ০২ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের জন্য ৯০% এবং ০২-১২ বছর পর্যন্ত বয়সীদের জন্য ২৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা আছে। বিমানের সকল সেলস সেন্টার, ট্রাভেল এজেন্ট থেকে নগদ/ক্রেডিট কার্ড/ বিকাশ/ রকেট এবং বিমান ওয়েব সাইট থেকে ক্রেডিট কার্ড/ রকেট এর মাধ্যমে টিকিট ক্রয়ের সুবিধা থাকছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ২৮টি এবং ঢাকা-সিলেট রুটে ৩৫টি ফ্লাইট বোয়িং উড়োজাহাজের মাধ্যমে পরিচালনা করছে। এই অফার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বিমান ওয়েব সাইট www.bviman-airlines.com –এ ভিজিট অথবা ফোন নম্বর ০২-৮৯০১৬০০#২৭১০ ও ০২-৯৫৬০১৫১-৫৯ #১৬১ তে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
শুক্রবার, 27 অক্টোবার 2017 17:51

সহবাসের প্রস্তাব পর্ন তারকার

ব্রিটেনের পর্ন তারকা রেবেকা মোর নিজের সেক্স সফরের কথা ঘোষণা করে সকলকে চমকে দিয়েছেন৷ রেবেকা জানিয়েছেন, এই সফরে যে কেউ রেবেকার সঙ্গে তার গাড়ির পিছনের অংশে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে পারে৷ রেবেকা নিজের দেশের লোকেদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, যে কেুই তার সঙ্গে সহবাস করতে পারেন৷ যদিএ রেবেক এহেন ঘোষণায় যেমন লোকে অবাক হয়েছেন তেমনই কিছু লোকে একে দেহব্যবসা ছাড়া অন্য কিছুই ভাবতে পারছেন না৷ রেবেকা তার এই সেক্স সফরে কয়েক ডজন অজ্ঞাক ব্যক্তির সঙ্গে সহবাস করবেন৷ আগামী শুক্রবার এই সেক্স সফর শুরু করতে চলেছেন রেবেকা৷ তার এই সফরে তার সঙ্গে সহবাস করার জন্য এখনও পর্যন্ত প্রায় দু’হাজার লোক আবেদন করেছেন৷ এতে পুরুষ ছাড়াও বেশ কিছু মহিলা ও দম্পতিরাও আবেদন জানিয়েছেন৷ আসলে রেবেকার এই সেক্স সফর একটি অ্যাডাল্ট চ্যানেলের অংশ৷ এতে রেবেকা প্রায় ৩০ জন প্রতিযোগির সঙ্গে সহবাস করবেন৷ রেবেকা জানিয়েছে, চ্যানেলের সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি খুব খুশি৷ যদিও রেবেকার এই সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ জলঘোলা শুরু হয়েছে ব্রিটেনে৷ স্থানীয় নাগরিক ও ব্রিটিশ সাংসদরা ইতিমধ্যেই এর প্রতিবাদ শুরু করেছেন৷ সকলেই এই সফরকে কলঙ্ক বলে নামকরণ করেছেন এবং তাদের মতে এটা একধরণের দেহব্যবসা৷
পর্যটনে অমিত সম্ভাবনাময় জেলা মৌলভীবাজার। সেখানে পর্যটনকে কেন্দ্র করে গত এক দশকে পাঁচতারা মানের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ এবং দুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা নামের দুটি হোটেল ও শতাধিক ছোট বড় কটেজ তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আনুমানিক হিসাবে দর্শনীয় স্থানগুলোতে প্রতিবছর বেড়াতে আসে প্রায় ২ লাখ দেশি-বিদেশি পর্যটক। তাদের আকৃষ্ট করতে রয়েছে সবুজে ছাওয়া উঁচু-নিচু টিলা, সবুজ বনানী, হরেক রকমের পাখপাখালি, চা বাগান, লেক, হাওর, ঘন জঙ্গল, খনিজ গ্যাসকূপ, আনারস, লেবু, পান, আগর, রাবার বাগান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি আর ঐতিহাসিক স্থানগুলো। পর্যটকদের আনাগোনায় সারা বছরই জেলার দোকানপাটগুলোতে কেনাকাটা ভালো হয়। জেলায় আছে ৯২টি চা বাগান। ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০০ একর জমির ৮৫ হাজার ১৪০ একরে গড়ে তোলা এই চা বাগানগুলোতে বার্ষিক প্রায় সাড়ে ৪ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হয়। চা বাগানের নৈসর্গিক সৌন্দর্য, শ্রমিকদের পাতা তোলার কৌশল, কারখানায় চা উৎপাদন প্রক্রিয়া এ সব কিছুই যেন পর্যটককে মুগ্ধতায় ভরিয়ে দেয়। চা বাগানগুলো দেখে মনে হয় কোনো শিল্পী যেন সুনিপুণ হাতে মনের মাধুরী মিশিয়ে স্তরে স্তরে সবুজকে সাজিয়ে রেখেছেন, কখনো মনে হয় সাগর যেন সবুজ ঢেউ দিচ্ছে; আবার কখনো মনে হয় পাহাড়ের ঢালে সবুজ গালিচা বিছানো মাঠ। প্রতিটি চা বাগানে আছে দৃষ্টিনন্দন বাংলো। বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ রয়েছে এই জেলায়। পর্যটক আকর্ষণের জন্য জেলায় যেসব দর্শনীয় স্থান রয়েছে এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলো বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই), চা জাদুঘর, চা কন্যা ভাস্কর্য, সাতরঙা সুপেয় চা, ডিনস্টন সিমেট্রি, মাধবপুর লেক, ভাড়াউড়া লেক, রাজঘাট লেক, হরিণছড়া লেক, সাতগাঁও লেক, আগর-আতর, রাবার বাগান, খাসিয়া পানের বাগান, বাংলা পানের বরজ, শীতলপাটি, হাকালুকি হাওর, হাইল হাওর, বাইক্কা বিল, কাউয়াদিঘি হাওর, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবছড়া ও পাথারিয়া পাহাড়, জলপ্রপাতের মধ্যে—মাধবকুণ্ড, পরিকুণ্ড, হামহাম জলপ্রপাত, ফুল ঢালনী ঝেরঝেরি ও ইটাহরী ফুলবাগিচা জলপ্রপাত, ঐতিহাসিক দিঘিগুলোর মধ্যে—কমলা রানীর দিঘি (ঘরগাঁও, রাজনগর), কালীদিঘি বা বেগদালি দিঘি (ঘরগাঁও, রাজনগর), দেওয়ান দিঘি, (টেংরা, রাজনগর), জামাল খাঁর দিঘি (রাজনগর), খোঁজার দিঘি (গয়গড়, মোস্তফাপুর), রাজচন্দ্রের দিঘি (সাধুহাটি, মৌলভীবাজার), হিয়ালী দিঘি (সম্পাশী, মৌলভীবাজার), দত্তের দিঘি (মোস্তফাপুর, মৌলভীবাজার), নবাব দিঘি (পৃথিমপাশা, কুলাউড়া), বড়দা ঠাকুরের দিঘি (নাছনি, ব্রাহ্মণবাজার, কুলাউড়া), ছয়ছিরি দিঘি (রহিমপুর, কমলগঞ্জ), রাজদিঘি (পতনউষার, কমলগঞ্জ), কুলাউড়ার গগন টিলা, শ্রীমঙ্গলের ওফিং হিল, বড়লেখার মাধবছড়ার কেরোসিন টিলা, কুলাউড়া-জুড়ীর লাঠি টিলা, কমলগঞ্জের মোকাম টিলা, কালেঞ্জী খাসিয়া টিলা, গারো টিলা ও আদমপুর বনবীট টিলা। নৃগোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে—খাসিয়া, গারো, সাঁওতাল, ওঁরাও, ভূঁইয়া, নায়েক, গড়, কাহার, গঞ্জু, অলমিক, পাসি, হাজরা, দোসাদ, ননিয়া, রবিদাস, পরাধান, বাউরি, পান, পবর, তেলেগো, ভূমিজ, ঘাসি, হাজং, বড়াইক, তাতি, লোহার, তুরি, মহালি, কিসান, নাগিসিয়া, রাজগন্দ, মালপাহাড়িয়া, খারওয়ার ও খবিয়া। ক্ষুদ্রজাতির মধ্যে রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি, উৎসব ও ভাষা। মণিপুরি, খাসিয়া, সাঁওতাল, টিপরা ও গারো সম্প্রদায়ের স্বতন্ত্র জীবনাচার এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন ও সংস্কৃতি দেখলে ক্ষণিকের জন্য হলেও পর্যটকদের পাহাড়ি হয়ে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে মন চাইবে। মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলায় ছড়িয়ে আছে বহু স্মৃতিজাগানিয়া শতাধিক পুরাকীর্তি ও ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে পর্যটকের মন হারিয়ে যাবে ইতিহাসের অন্য এক খেরোপাতায়। মৌলভীবাজার শহরের তিন মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে গয়ঘর নামক গ্রামে মধ্যযুগের ঐতিহাসিক নিদর্শন পাঠান বীর খাজা ওসমানের দিঘি, গড়, দুর্গ ১৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত উপমহাদেশের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর অন্যতম খোজার মসজিদ। মৌলভীবাজার শহরের দরগামহল্লায় ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রহ)-এর মাজার। সদর উপজেলার জগত্সী গ্রামে দোল গোবিন্দ আশ্রম। জেলা শহরের পশ্চিমবাজার মনু নদীর জাহাজঘাট। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাগাবালা ইউনিয়নে কামরূপ রাজ ভগদত্তের উপরাজধানী দিনারপুর ভগ্নাবশেষ। প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কুলাউড়ার পৃথিমপাশা নবাববাড়ী, মসজিদের ফুলেল নকশা ও ইমামবাড়া পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় স্থান। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৪০০ বছরের পুরনো শ্রীশ্রী নিমাই শিববাড়ী। শ্রীমঙ্গলের কালাপুরের শতাব্দী প্রাচীন রাধা গোবিন্দের মন্দির। বিলাস নদীর লঞ্চঘাট। লাউয়াছড়ার জাতীয় উদ্যানে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ উদ্ভিদ ও প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৪ প্রজাতির উভচর, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৬ প্রজাতির পাখি এবং ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস। বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত। বনের মধ্যে কিছু সময় কাটালেই উল্লুকের ডাকাডাকি শুনতে পাওয়া যায়। বর্তমানে ৭টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা, ৬৭টি ইউনিয়ন ও ২১৩৪টি গ্রাম নিয়ে মৌলভীবাজার জেলার বিস্তৃতি।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক প্যারিস থেকে লস এঞ্জেলেসগামী এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমানের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা- বিবিসির খবরে জানা যাচ্ছে, বিমানটি ওই সময় আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে যাচ্ছিল। বিবিসি আরো জানাচ্ছে, এয়ারবাস এ-৩৮০ ফ্লাইট এএফ-৬৬ মডেলের বিমানটি গত শনিবার পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের আকাশে এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়। বিমানের চারটি ইঞ্জিনের একটি বিকল হয়ে গেলেও এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু মারাত্মকভাবে জীবন হারিয়ে ফেলার শঙ্কায় ছিলেন এর যাত্রীরা। এমনকি অবতরণের পরও তাদের মধ্যে এই আতঙ্ক বিরাজমান ছিল। এয়ার ফ্রান্সের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা- এএফপি’কে জানিয়েছেন, বিমানটিতে ২৪ জন ক্রুসহ ৪৯৬ যাত্রী ছিলেন। ফ্যান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ওই ইঞ্জিনটি কাজ করছিল না বলেও জানান তিনি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিবিসি।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গন্তব্য দোহার সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের আরেকটি সংযোগ বাড়ছে আজ থেকে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কাতারের রাজধানী শহরটিতে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। প্রাথমিকভাবে সংস্থাটি সপ্তাহে চারদিন ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে দোহা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। ঢাকা-দোহা রুটে ওয়ানওয়ের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ২৪ হাজার ৩৫০ ও রিটার্ন ভাড়া ৪০ হাজার ২০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-দোহা রুটে ওয়ানওয়ের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ২৫ হাজার ৩১৭ ও রিটার্ন ভাড়া ৪১ হাজার ১৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব ধরনের ট্যাক্স ও সারচার্জ ভাড়ায় অন্তর্ভুক্ত থাকছে। প্রাথমিকভাবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট সোম, বুধ, শুক্র ও রোববার ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৬টায় এবং চট্টগ্রাম থেকে ৭টা ৩০ মিনিটে দোহার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এবং স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩০ মিনিটে দোহা পৌঁছাবে। এছাড়া ফিরতি ফ্লাইট দোহা থেকে সোম, বুধ, শুক্র ও রোববার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম ও ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে এবং পরদিন সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম ও সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ডিজিএম (মার্কেটিং সাপোর্ট অ্যান্ড পিআর মো. কামরুল ইসলাম জানান, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ঢাকা-দোহা-ঢাকা ও চট্টগ্রাম-দোহা-চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। ১৬৪ আসনের উড়োজাহাজে আটটি বিজনেস ক্লাস ও ১৫৬টি ইকোনমি ক্লাসের আসন রয়েছে। তিনি বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, বরিশাল, রাজশাহী রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে আকাশসেবা সংস্থাটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে কাঠমান্ডু ছাড়াও ঢাকা থেকে কলকাতা, মাস্কাট, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে কলকাতা ও মাস্কাট রুটেও ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। শিগগিরই আবুধাবি, জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মাম, দুবাই, হংকং, গুয়াংজু, দিল্লি, চেন্নাইসহ অন্যান্য রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কামরুল ইসলাম জানান, নভেম্বরের মধ্যে আরো দুটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এবং আগামী বছরের শুরুতে আরো দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস যাত্রা শুরু করে। গত তিন বছরে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে প্রায় ৩১ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে সংস্থাটি, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। প্রতি সপ্তাহে ইউএস-বাংলার তিন শতাধিক ফ্লাইটের মধ্যে ৯৮ শতাংশের বেশি যথাসময়ে উড্ডয়ন করে বলে জানান তিনি।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক অভ্যন্তরীণ যেকোন রুটে যাত্রীদের সব ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের ফটো আইডি কার্ড দেখাতে হবে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) সকল স্থানীয় এয়ারলাইন্সকে এই নির্দেশনা দিয়েছে। সিএএবি ৩০ জুন এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে যে যাত্রীদের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান ভ্রমণের সময় অবশ্যই তাদের টিকেটসহ ফটো আইডি কার্ড চেক-ইন-কাউন্টারে দেখাতে হবে। এতে বলা হয় সনাক্তকরণের জন্য বৈধ পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা সংশ্লিষ্ট সংগঠন কর্র্তৃক ইস্যুকৃত ছবিসহ আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে। ইতোপূর্বে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণের জন্য একজন যাত্রীর দরকার হত পাসপোর্ট, আর অভ্যন্তরীণ রুটের জন্য তাকে টিকেট প্রদর্শনের মাধ্যমেই বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করতে হতো। প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে থাকা শিশুদের ফটো আইডি কার্ড লাগবেনা। বাংলাদেশ বিমানের একজন মুখপাত্র জানান, নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই সকল বিমান রুটে এ আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক শতাধিক আরোহী নিয়ে আন্দমান সাগরে বিধ্বস্ত হওয়া মিয়ানমারের সামরিক বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে দেশটির দক্ষিণ উপকূলের শহর মাইয়েক থেকে ইয়াঙ্গুন রওনা হওয়ার পর এটি নিখোঁজ হয় বলে বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এএফপি বলছে, দুপুরে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির সন্ধানে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর জাহাজ তল্লাশি চালাচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে এর কিছু খণ্ডিত অংশ মিলেছে। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, উড্ডয়নের ২৯ মিনিট পর দাভেই শহরের ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। নিখোঁজ হওয়ার আগ মুহূর্তে বিমানটি আন্দামান সাগড়ের ওপর দিয়ে উড়ছিল। তখন উড়োজাহাজটি ১৮ হাজার ফুট ওপরে ছিল। সামরিক বাহিনীর বিমানটিতে ১২০ আরোহীর মধ্যে সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্য ছিলেন ১০৬ জন এবং ১৪ জন ক্রু ছিলেন। সেনা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১২ জনেরও বেশি ছিল শিশু। বিধ্বস্ত বিমানের আরোহীদের সবাই নিহত হয়েছেন কিনা- এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও কিছু জানানো হয়নি। মাইয়েকের পর্যটন কর্মকর্তা নাইং লিং জ বলেন, দাওয়াই শহর থেকে ২১৮ কিলোমিটর দূরে সাগরে ওই বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তাও এএফপিকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। তল্লাশি চলছে।
বেশি দিনের কথা নয়, ১৯৯০ সালেই এই নিঃসঙ্গ প্রাকৃতিক মিনারের চূড়ায় নির্মিত হয়েছে একটি মনাস্টারি। এখানে বাস করেন মাক্সিম কাভতারাদজে নামক এক সন্ন্যাসী। একা। ১৯৯০ সালে এখানে মঠ নির্মিত হলেও জর্জিয়ার ইমেরেতি অঞ্চলের কাতাস্‌খি পিলারেরে ইতিহাস কিন্তু ২০০০ বছরের প্রাচীন। ৪০ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট প্রকৃতির খেয়ালে তৈরি এই মিনারটি একদা এই অঞ্চলের পৌত্তলিক ধর্মাবলম্বী সন্ন্যাসীরা ব্যবহার করতেন ধ্যান-অভ্যাসের জন্য। সেই সময়ে এই মনোলিথকে উর্বরাশক্তির দেবতার প্রতিভূ মনে করা হতো। ওই অঞ্চলে খ্রিস্টধর্ম বিস্তৃত হলে ৬-৮ খ্রিস্টাব্দে একটি চার্চ নির্মিত হয় মিনার শীর্ষে। আজ সেখানে সামান্য ধ্বংসাবশেষ ছাড়া তার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। বিংশ শতকে বিশেষজ্ঞরা এই মিনারকে পর্যবেক্ষণ করেন। ১৯৪৪ সালে কাতাস্‌খি পিলার প্রথম জরিপ করা হয়। দেখা যায়, পুরনো চার্চের অবশেষ ছাড়াও এই মিনারের চূড়োয় তিনটি কুঠুরি রয়েছে, যেখানে প্রাচীন কালের সন্ন্যাসীরা থাকতেন। এখানেই একটি শিলালেখর সন্ধান পান প্রত্নতাত্ত্বিকরা, যাতে ‘গিয়র্গি’ নামের এক ব্যক্তির নাম পাওয়া যায়। অনুমান করা হয়, এই গিয়র্গিই ছিলেন এই সন্ন্যাসী-আবাসের রক্ষী। আজ এই পিলারে বাস করেন মাক্সিম। তিনি তাঁর সন্ন্যাস-শপথ গ্রহণের পরেই এখানে চলে আসেন। এখানেই এক ছোট কুঁড়ে বানিয়ে তাতে তিনি বাস করতে শুরু করেন। মাক্সিমের ধারণায়, মিনার শীর্যের এই নির্জনবাস তাঁকে ঈশ্বরের কাছাকাছি রেখেছে। কেবল রসদ আনতে তিনি নীচে নামেন। সপ্তাহে দু’বার তাঁকে নীচে নামতে হয়। নীচে নামার জন্য একটা লোহার সিঁড়ি রয়েছে। মাক্সিম তাঁর নির্জনবাসের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় তরুণদের মানসিক সমস্যার সমাধানে সাহায্যও করেন।
বুধবার, 07 জুন 2017 09:06

ছুটিতে কোথায় যাবেন

এই গরমের ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে যাবেন, ইতিমধ্যেই তার একটা ছক কষে ফেলেছেন। অনেকে আবার এখনও ভাবছেন যে কোথায় যাওয়া যায়। এদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে সুখবর। এই ছুটিতে চাইলেই আপনি বিদেশ পাড়ি দিতে পারেন। Bali, Kuala Lumpur or Bangkok— choose your Summer Destination গরমের ছুটিতে বিদেশভ্রমণ গরমের ছুটি পড়ল বলে। এই সময়ে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়লেই হল। কিন্তু হচ্ছেটা কোথায়? ছুটিটা ম্যানেজ করে নিলেও খরচের চিন্তাটা কিন্তু থেকেই যায়। লম্বা ছুটি ম্যানেজ হলেই, আম আদমি আগে থেকে প্ল্যান-প্রোগ্রাম করে রাখে। ঘুরতে যাওয়ার আগে অফিসের ব্যস্ততার মধ্যেও সুযোগ পেলেই চিরুনি তল্লাশি চালায় নেট জুড়ে। কোথায় কী অফার দিচ্ছে, কম খরচায় সব থেকে ভাল পরিষেবা দিচ্ছে কোন সংস্থা— এই সব কিছুর দিকে নজর থাকে আম আদমির। আর গরমের এই লম্বা ছুটির আগে হন্যে হয়ে খোঁজার পরিমাণটাও যেন বেড়ে যায়। আর গন্তব্য যদি বিদেশ হয়, তাহলে তো কথাই নেই। এক্ষেত্রে সব থেকে বেশি মাথাব্যথা থাকে বিমান ভাড়া নিয়ে। এবার এই মাথাব্যাথা থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই। সমাধান নিয়ে হাজির এয়ার এশিয়া। কি, বুঝতে পারলেন না? তাহলে বিষয়টি খোলসা করেই বলা যাক। গরমের ছুটি পড়তে আর বেশিদিন বাকি নেই। এই ছুটিতে কে কোথায় ঘুরতে যাবেন, ইতিমধ্যেই তার একটা ছক কষে ফেলেছেন। অনেকে আবার এখনও ভাবছেন যে কোথায় যাওয়া যায়। এদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে সুখবর। এই ছুটিতে চাইলেই আপনি কুয়ালা-লামপুর, ইন্দোনেশিয়া বা ব্যাংকক থেকে ঘুরে আসতে পারেন। কেন না এয়ার এশিয়া বিমানের টিকিটে দিচ্ছে অবিশ্বাস্য ছাড়। ইন্দোনেশিয়া ইন্দোনেশিয়া অর্থাৎ দ্বীপের দেশ। গোটা দেশটি জুড়ে রয়েছে প্রায় ১৭,০০০ এরও বেশি দ্বীপ। আর ইন্দোনেশিয়ার কথা বললে, প্রথমেই মনে পড়ে বালির কথা। সমুদ্র যারা ভালবাসেন, তাঁদের কাছে বালির বিকল্প খুঁজে পাওয়া মুশকিল। ওয়াটার অ্যাডভেঞ্চারের অন্যতম সেরা ঠিকানা এই বালি। সারা বছরই বালির় সমুদ্রতটগুলিতে ওয়াটার সার্ফিং, প্যারাসেলিং, ব্যানানা বোটিং থেকে স্কুবা ডাইভিং-এর মতো বিভিন্ন ওয়াটার স্পোর্টসের রমরমা দেখা যায়। আর এই জলকেলির কোনওটারই অভিজ্ঞতা যদি আপনার আগে না থাকে, তাহলেও চিন্তার কোনও কারণ নেই। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা আপনাকে হাতে ধরে প্রশিক্ষণ দেবে। (ছবি সৌজন্যে: Pinterest) শুধু সমুদ্রই নয়। বালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যও আপনাকে মুগ্ধ করবে। গোটা বালি জুড়ে প্রায় ২৮০-রও বেশি প্রজাতির পাখি দেখা যায়। আর সারা বছর এখানকার আবহাওয়াও থাকে অত্যন্ত মনোরম। বিকেলে সূর্যাস্ত, বালির সমুদ্রতটগুলিতে যেন আলাদা মাত্রা যোগ করে। এর সঙ্গেই রয়েছে বালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। জর্জিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতি ছ’মাসে এখানকার প্রাচীন মন্দিরগুলিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা হয়। আর বালিতে গেলে এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী না থাকলে অনেক কিছুই মিস করবেন আপনি। এই গরমের ছুটিতে বালির সৌন্দর্য্য উপভোগ করে আসতেই পারেন আপনি। মালেশিয়া যেতে পারেন মালেশিয়াতেও। আসলে ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে মালেশিয়া মানেই জঙ্গল আর জঙ্গল। রোজের ব্যস্ত রুটিনকে স্রেফ ভুলে গিয়ে, এই গরমে যদি সবুজের বুকে হারিয়ে যেতে চান, তাহলে মালেশিয়া আপনার জন্য উপযুক্ত জায়গা। বর্নিও-র রেনফরেস্ট আর সমুদ্রতট আপনার যাবতীয় ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে। শুধু জঙ্গলই নয়, মালেশিয়ায় গিয়ে এক মিশ্র অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে পারবেন আপনি। এগিয়ে চলা সময়, ঐতিহ্য, ব্যস্ততা এবং আধুনিকতা— এই সব কিছুর মিশেল পাবেন রাজধানী কুয়ালা-লামপুরের মাটিতে। (ছবি সৌজন্যে: www.mcgroup.com) এই কুয়ালা-লামপুরকে 'উৎসবের আখরা' বললেও ভুল বলা হবে না। সারা বছরই এখানে উৎসবের মেজাজ লেগে থাকে। বহু বছর ধরে যা চলে আসছে। পাশাপাশি আধুনিক শহরের এই আধুনিকতার মধ্যেও, এখানকার কালচারাল মিউজিয়ামগুলি শহরের প্রাচীন ইতিহাসকে ধরে রেখেছে। কুয়ালা-লামপুরে সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। এই পর্যটকদের একটা বড় অংশ বার বার মালেশিয়ায় বেড়াতে আসেন শুধুমাত্র এখানকার পরিবেশ উপভোগ করার জন্য। ব্যাংকক তাইল্যান্ডের রাজধানী হল ব্যাংকক। ১৭৮২-তে চকরি সাম্রাজ্যের রাজা রামার আমলে এই শহরটি রাজধানীর মর্যাদা পায়। শহরটিকে ব্যাংকক নামে জানলেও এই শহরের আসল নাম ক্রুং থেপ। যার অর্থ দেবদূতের শহর। এখানকার মানুষও অবশ্য তাই বিশ্বাস করেন। (ছবি সৌজন্যে: www.travelandleisure.com) ব্যাংককে একবার গেলে আপনি প্রেমে পড়ে যেতে বাধ্য। এখানকার সৌন্দর্য্য আপনাকে সম্মোহিত করে দেবে। ব্যাংকক-সহ গোটা তাইল্যান্ড জুড়েই রয়েছে প্রচুর বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা এবং স্মৃতিসৌধ। সর্বদা যেন এক অদ্ভুত শান্তি বিরাজ করছে এই বৌদ্ধ মন্দিরগুলিতে। ধীরে ধীরে ব্যাংককের অন্দরে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে চাও ফ্রায়া নদী। এই নদীর তীরেই এই শহরটি গড়ে উঠেছে। প্রাচীন ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে আধুনিকতার যেন এক অদ্ভুত মেলবন্ধন হয়েছে এখানে। এই শহরের রাজপথ সর্বদাই ব্যস্ত। আর সন্ধে হলেই আলোর খেলা আপনাকে মুগ্ধ করে দেবে। জলপথও কিছু কম যায় না। গোটা ব্যাংকক জুড়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি ‘ভাসমান বাজার’। ছোট ছোট কাঠের নৌকো করে সেখানে ফল-সবজি বিক্রি করেন স্থানীয়রা। যা এই শহরের অন্যতম আকর্ষণ। এ ছাড়াও, ব্যাংককের খাদ্য তো আছেই। যার গন্ধ নাকে এলে কিংবা যা চোখে দেখলে, আপনার জিভে জল আসতে বাধ্য। আর এখানকার ‘তাই ম্যাসাজ’ তো পৃথিবী বিখ্যাত। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতে পা রাখার মজাই আলাদা। আর আপনার পাসপোর্টের উপরে যদি বিদেশের স্ট্যাম্প লাগাতে চান, তবে এটাই হল সঠিক সময়। কেননা এরকম বিপুল ছাড় তো আর সচরাচর পাওয়া যায় না। তাহলে আর দেরি কেন? পাসপোর্ট-ভিসা রেডি রাখুন। ছুটি পেলেই ব্যাগ প্যাক করে বিদেশ পাড়ি। এমনিতেই সোশ্যাল মিডিয়ায়, আপনার প্রতিবেশি কিংবা অফিসের সহকর্মীদের ঘুরতে যাওয়ার ছবি দেখতে দেখতে আপনি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছেন। এবার কিন্তু সময়টা আপনার। বিদেশ ঘুরে আসুন আর আপনার যাত্রার সেই ছবি দেখিয়ে বাকিদের চমকে দিন। এই সুযোগ মিস করবেন না যেন। অফার প্রযোজ্য সীমিত সময়ের জন্য। বিস্তারিত জানতে এবং টিকিট বুক করতে ক্লিক করুন এখানে। আপনার যাত্রা শুভ হোক।