11232019শনি
মঙ্গলবার, 07 জুন 2016 22:37

২০ ওষুধ কোম্পানিকে উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

লিখেছেন 
আইটেম রেট করুন
(0 ভোটসমূহ)
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক গুড মেনুফ্যাকচারিং প্রাক্টিস (জিএমপি) নীতিমালা অনুসরণ করে মানসম্মত ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওষুধ উৎপাদন বন্ধে সাতদিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কোম্পানিগুলোর লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসনের পরিচালকসহ চারজনকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত। কোম্পানিগুলো হল, এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল, এভার্ট ফার্মা, বিকল্প ফার্মাসিউটিক্যাল, ডলফিন ফার্মাসিউটিক্যাল, ড্রাগল্যান্ড, গ্লোব ল্যাবরেটরিজ, জলপা ল্যাবরেটরিজ, কাফমা ফার্মাসিউটিক্যাল, মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ন্যাশনাল ড্রাগ, নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যাল, রিমো কেমিক্যাল, রিদ ফার্মাসিউটিক্যাল, স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যাল, স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টার ফার্মাসিউটিক্যাল, সুনিপুণ ফার্মাসিউটিক্যাল, টুডে ফার্মাসিউটিক্যাল, ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল এবং ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে গত রোববার জিএমপি নীতিমালা অনুসরণ না করে মান সম্মত ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি কোম্পানির লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। মনজিল মোরসেদ সেদিন জানান, ২০১৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ভেজাল এবং নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটিতে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মো. সাহাবুদ্দিন কবীর চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী।
পড়া হয়েছে 197 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: মঙ্গলবার, 07 জুন 2016 22:43