10162019বুধ
মঙ্গলবার, 17 সেপ্টেম্বর 2019 18:41

সরকারি কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ বিমানে চড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

লিখেছেন 
আইটেম রেট করুন
(0 ভোটসমূহ)
ফাইল ছবি ফাইল ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাংলাদেশ বিমানে ভ্রমন করার বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আকাশপথে চলাচলের সময় যে রুটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট আছে, সেসব ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ বিমানে ভ্রমণ করতে হবে। মঙ্গলবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনাল থেকে বিমান বাংলাদেশের নতুন বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধনকালে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এরআগে প্রধানমন্ত্রী উড়োজাহাজটিতে আরোহণ করেন এবং ককপিটসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন বিমানে উঠলে গর্বে বুক ভরে যায়। আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সরকারি অফিসাররা যে যেখানেই যান, বাংলাদেশ বিমানেই যেতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বোয়িং এর কাছ থেকে আরও দুটো বিমান কেনার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এই দুটো বিমান আমরা রেডি পেয়েছি। যারা বোয়িং এর কাছ বিমান কেনার অর্ডার দিয়েছিল, তারা এদুটো এখন নিচ্ছে না। আমরা কিনতে পার্,ি আমাদের হাতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, বিমান বোয়িং থেকে এতোগুলো উড়োজাহাজ কিনছে, সেখানে বিমানকে আমেরিকায় যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘দশটি ড্রিমলাইনারের নাম আমি দিয়েছি, যাতে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সবাই পরিচিত হতে পারেন।’ পণ্য রফতানির জন্য দুটো কার্গো বিমান কেনা ও কার্গো ভিলেজ গড়ে তোলার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে বাংলাদেশ। পৃথিবীর বহু দেশ দ্রæত প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও তাদের মূল্যস্ফীতি বেশি হয়। আমরা প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ধরে রাখতে পেরেছি। প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগসহ আমাদের অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হয়েছে। তারপরও আমরা আমাদের দেশে চমৎকার একটা পরিবেশ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি।’ এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছে ‘রাজহংস’। অত্যাধুনিক এই উড়োজাহাজটির যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডিমলাইনার উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়ালো চারটিতে। ২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য ২১০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এর আগে এর মধ্যে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দু’টি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ যুক্ত হয়েছে। বাকি চারটি ড্রিমলাইনারের ২০১৮ সালে বাংলাদেশ বিমানের বহরে ‘আকাশবীণা’ ও ‘হংসবলাকা’ এবং চলতি বছরে যুক্ত হয় ‘গাঙচিল’। আর মঙ্গলবার সংযোজন হলো ড্রিমলাইনার ‘রাজহংসে’র। বিমানের চারটি ড্রিমলাইনারের নাম-ই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজ ড্রিমলাইনার একটানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে পারে। অন্য উড়োজাহাজের চেয়ে এর জ্বালানি খরচও ২০ শতাংশ কম। ড্রিমলাইনার ‘রাজহংসে’র ২৭১টি আসনের মধ্যে ২৪টি বিজনেস ক্লাস এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাসের আসন। বিজনেস ক্লাসের আসনগুলো ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড সুবিধা রয়েছে। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৩ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময়ও ওয়াইফাই সুবিধা নিতে পারবেন যাত্রীরা।
পড়া হয়েছে 28 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 20 সেপ্টেম্বর 2019 19:38

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা