06062020শনি
স্পটলাইট

স্পটলাইট (941)

নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজফ্ল্যাশ ডটকম
 আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, “যেকোনো দেশের উন্নতির জন্য স্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রয়োজন। রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে কোনো দেশ উন্নতি করতে পারে না।”

শনিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
 
মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, “রাজপথে বিক্ষোভ করে কোনো সরকারকে সরানো হলে যারা ক্ষমতায় যাবে তাদের ক্ষেত্রেও একই পরিণতি হবে।”

মাহাথির বলেন, “মুসলিম উম্মাহকে তার আত্মরক্ষার জন্য জ্ঞান ও বিজ্ঞানে উন্নতি করতে হবে। তাহলেই কাঙ্খিত উন্নতি করা যাবে।”
 
শনিবার সকাল ১০টার দিকে মাহাথির মোহাম্মদ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স-ইউআইটিএস-র দ্বিতীয় সমাবর্তনে যোগ দিতে তিনি বাংলাদেশে আসেন।


শুক্রবার, 14 মার্চ 2014 17:32

জাকারবার্গ হতাশ হয়ে ফোন করলেন ওবামাকে

লিখেছেন

নিউজফ্ল্যাশ ডটকম ডেস্ক           
ওবামা ও জাকারবার্গ মুখোমুখি ফেসবুকে মার্কিন গোয়েন্দাদের নজরদারি নিয়ে হতাশ জাকারবার্গ। এই হতাশার কথা জানাতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে টেলিফোন করেন। গত বৃহস্পতিবার ফেসবুকে দেওয়া তাঁর পোস্টে এ কথা লিখেছেন জাকারবার্গ।
সম্প্রতি বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দাগিরি নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে টেলিফোন করেছিলেন ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
।ফেসবুকে এক ব্লগ পোস্টে জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘আমি হতাশ ও বিভ্রান্ত।’
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাগিরি সম্পর্কে জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে ইন্টারনেটে চ্যাম্পিয়ন হতে হবে, হুমকি নয়।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) বিরুদ্ধে গোপনে ইন্টারনেটে ম্যালওয়্যার ছড়ানো ও চরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে। ফেসবুক সার্ভারের ছদ্মবেশে সাধারণ ব্যবহারকারীদের পিসিতে ম্যালওয়্যার সংক্রমণ ঘটানোর এই অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে এনএসএ।
তবে বিবিসি এক খবরে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মী স্নোডেন ফেসবুকের ছদ্মবেশে গোয়েন্দাগিরির বিষয়টি ফাঁস করেছেন। গোয়েন্দারা ‘টারবাইন’ নামে একটি গোপন কর্মসূচির আওতায় ওই ম্যালওয়্যার সংক্রমণের ঘটনা ঘটায় এনএসএ। এ তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর জাকারবার্গ ওবামাকে ফোন করেন। অবশ্য এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইন্টারনেটে গোয়েন্দাগিরিতে ফেসবুক ব্যবহার করা হচ্ছে   - এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন মার্ক জাকারবার্গ।
গতকাল লেখা ব্লগে জাকারবার্গ লেখেন, ‘বিশ্ব যখন অধিক জটিল হচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশের সরকারকে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে হচ্ছে, তখন ইন্টারনেটে বিশ্বাস রাখার গুরুত্ব আরও বেশি বেড়ে গেছে।’

জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘ইন্টারনেট আমাদের সবার সম্মিলিত স্থান। আমরা এখানে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি। এটা আমাদের সুযোগ বাড়ায়। শেখার সক্ষমতা বাড়ায়। আমাদের কথা বলার সুযোগ করে দেয়। আমাদের শক্তিশালী করে তোলে এবং একত্র করে নিরাপদ রাখে।’

ইন্টারনেটকে আরও শক্তিশালী করতে এটি নিরাপদ করে তুলতে হবে বলেও মত দিয়েছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও জাকারবার্গ ও ওবামার কথোপকথনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

গোয়েন্দাদের ইন্টারনেটে গোপন নজরদারি ঠেকাতে গুগল, অ্যাপল, মাইক্রোসফট, টুইটার, এওএল, লিংকডইন ও ইয়াহু মিলে ‘রিফর্ম গভর্নমেন্ট সার্ভিলেন্স’ নামে একটি জোট গঠন করেছে। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে বারাক ওবামা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। মার্কিন প্রশাসনকে গোয়েন্দা নজরদারির বিষয়টি স্বচ্ছ ও পুনর্গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

এর আগে বারাক ওবামাকে একটি খোলা চিঠি লিখেছিল বিশ্বের আটটি প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠান। গোপনে নজরদারির বিষয়টি পুনর্গঠন করার জন্য লেখা এই খোলা চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ও প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানানো হয়েছিল। ওবামাকে লেখা সেই খোলা চিঠিতে ইন্টারনেটের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক কর্মী অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন মার্কিন গোয়েন্দাদের গোপন নজরদারির তথ্য ফাঁস করার পর বিষয়টি সবার নজরে আসে। স্নোডেনের ফাঁস করা তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্ভার কেবল হ্যাকড থেকে শুরু করে ফোন রেকর্ড, নেটওয়ার্ক হ্যাকিংসহ নানা পদ্ধতিতে গোপন নজরদারি করে মার্কিন গোয়েন্দারা।

মঙ্গলবার, 11 মার্চ 2014 23:31

বিশ্বব্যাংক থেকে মাগনা ঋণ নেই না: জয়

লিখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক , নিউজফ্ল্যাশ ডটকম
বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে মাগনা ঋণ নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা কী করব সেটা বড় কথা। বিশ্বব্যাংকের অভ্যাস টাকা দিয়ে শর্ত জুড়ে দেওয়া। বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। আমরাও ফকিরের দেশ না। বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে আমরা মাগনা ঋণ নেই না। শোধ করি। আমরা যা চাই, সেটাই করব।’

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সম্মেলনকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরের হাইটেক পার্কে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন প্রসঙ্গে জয় এই মন্তব্য করেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছি, তখন কেউ কল্পনা করতে পারেনি এতে কী কী সেবা আসবে।  মাত্র পাঁচ বছরে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে এত উন্নয়ন হবে, আমরা কল্পনা করতে পারিনি। ইতিমধ্যে ই-তথ্যসেবা ও মোবাইলে টাকা পাঠানোর মতো সুবিধা মানুষ ভোগ করছে।’
জয় আরও বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য তথ্য ও প্রযুক্তি (আইটি) শিল্পকে উন্নয়ন করা। ২০ হাজার ব্যক্তিকে আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ব্যবসা করা না। বরং সহযোগিতা করা। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে অনেক প্রযুক্তিশিল্প গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো কল সেন্টার। তবে আমাদের পরবর্তীতে প্রযুক্তিশিল্প হবে মোবাইল অ্যাপস। এরপর আরও উন্নত প্রযুক্তি আসবে। সব পরিকল্পনা ঠিক থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি সম্ভব হবে।’

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘বর্তমানে মানুষ অনেক সুবিধা পাচ্ছে। এর মধ্যে ই-টেন্ডারিং, ই-ফাইলিং রয়েছে। ই-টেন্ডারিংয়ের ফলে এখন টেন্ডারবাজি কমে গেছে। ই-ফাইলিং হলে সরকারি জটিলতা ও দুর্নীতি কমে যাবে। এর মাধ্যমে শুধু দেশকে এগিয়ে নেওয়াই হবে না, দুর্নীতিও কমবে।’

 তিনি বলেন, আইটি খাতের উন্নয়ন হলে সরকারের আয় বাড়বে। এতে করে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতনও বাড়ানো হবে।

জয় বলেন, ‘গ্রাম এলাকায় আইটি ক্ষেত্রে কাজ করে তরুণ প্রজন্ম অনেক বেশি টাকা আয় করতে পারবে। তাদের পরিবারকে টেনে তুলতে পারবে। সবাই মিলে আমরা এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারি।’

মতবিনিময় সভা ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন। এ ছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সজীব ওয়াজেদকে ধারণা দেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালকেরা। 

মঙ্গলবার, 11 মার্চ 2014 00:30

প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা

লিখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজফ্ল্যাশ ডটকম
সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগকে অকারণে মুখোমুখি দাঁড় করানোর প্রচেষ্টাকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের মর্যাদার জন্য ক্ষতিকর উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছেন দেশের ১৬টি পত্রিকার সম্পাদকেরা।
সোমবার ওই বিবৃতিতে তাঁরা উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাননীয় প্রধান বিচারপতির আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আমরা মনে করি দেশে গণতন্ত্র বিকাশে বিচার বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিক সমাজ এ ব্যাপারে সচেতন। বাংলাদেশের গণমাধ্যম বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। এই স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে সংবাদমাধ্যম দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ, বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও বিচারপতি এ টি এম আফজালের সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের দেওয়া একটি পর্যবেক্ষণের প্রতি আমরা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ১৯৯৩ সালে সলিম উল্লাহ বনাম রাষ্ট্র মামলায় আদালত বলেছেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আমাদের সংবিধানে স্বীকৃত। আদালতের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা হলে তাঁকে তা মেনে নিতে হবে। [সূত্র: ৪৪ ডিএলআর (এডি) (১৯৯২) ৩০৯]। সংবিধানের ৩৯  (২) (খ) অনুচ্ছেদে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দানের কথা বলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক। তাই গণমাধ্যম দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের এই ধারা সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট থাকবেন।’

সম্পাদকেরা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে প্রথম আলোর একটি উপ-সম্পাদকীয় লেখার জন্য পত্রিকার সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে কেন শাস্তি দেয়া হবে না এবং কারণ দর্শানোর জন্য রুল জারি করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এ-সংক্রান্ত দুটি বিবৃতি ছাপানোর জন্য রোববার আরও দুটি পত্রিকা সমকাল ও নয়া দিগন্ত-এর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আদালত রুল দেন এবং বিবৃতিদাতা সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী বুধবার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।’

এতে আরও বলা হয়, ‘আমরা লক্ষ করেছি যে হাইকোর্টে এই মামলা শুনানিকালে কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। সাংবাদিকদের সততা নিয়ে ঢালাওভাবে অসত্য অভিযোগ এনে গোটা গণমাধ্যমকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছেন। আমরা এ ধরনের উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

একই সঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘একই সঙ্গে আমরা লক্ষ করছি যে সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগকে অকারণে মুখোমুখি দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা চলছে, যা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের মর্যাদার জন্য ক্ষতিকর। আমরা উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাননীয় প্রধান বিচারপতির আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন গোলাম সারওয়ার, সম্পাদক দৈনিক সমকাল; রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, সম্পাদক দ্য নিউজ টুডে; মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রধান সম্পাদক দৈনিক মানবজমিন; মাহফুজ আনাম, সম্পাদক, দ্য ডেইলি স্টার; আলমগীর মহিউদ্দিন, সম্পাদক নয়া দিগন্ত; মোয়াজ্জেম হোসেন, সম্পাদক দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস; ইমদাদুল হক মিলন, সম্পাদক কালের কণ্ঠ; নূরুল কবীর, সম্পাদক নিউ এইজ; এম শামসুর রহমান, সম্পাদক দি ইন্ডিপেনডেন্ট; জাফর সোবহান, সম্পাদক ঢাকা ট্রিবিউন; শাহজাহান সরদার প্রধান সম্পাদক, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ; খন্দকার মুনীরুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সংবাদ; নঈম নিজাম, সম্পাদক বাংলাদেশ প্রতিদিন; আবু হাসান শাহরিয়ার, সম্পাদক আমাদের সময়; মোজাম্মেল হক, সম্পাদক দৈনিক করতোয়া ও তসলিমউদ্দিন চৌধুরী, সম্পাদক, দৈনিক পূর্বকোণ।

নিউজফ্ল্যাশ ডটকম ডেস্ক :
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ রোববার দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন পরিদর্শন করেছেন।
কক্সবাজার-টেকনাফ উপদ্বীপের শেষ প্রান্ত থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে এই দ্বীপটি অবস্থিত। বাসস।
একটি সামরিক হেলিকপ্টারে তিনি যান ৮ কিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপটিতে পৌঁছান। এখানে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান নৌ-বাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব। রাষ্ট্রপতি দেশের অন্যতম প্রধান আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট এই প্রবাল দ্বীপের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করেন।
দ্বীপটিতে রাষ্ট্রপতির প্রায় ৩ ঘণ্টা অবস্থানকালে নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা দ্বীপটি সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় তাঁকে অবহিত করেন।
পরে রাষ্ট্রপতি ইনানি বিচ থেকে বঙ্গোপসাগরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য কক্সবাজার জেলায় ইনানি সি বিচে যান।
ইনানি বিচ থেকে রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব ইহসানুল করিম টেলিফোনে বাসস'কে একথা জানান।
ইনানি সি বিচে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুইয়া। রাষ্ট্রপতি রাতে ইনানি বে রিসোর্টে অবস্থান করবেন এবং সোমবার ঢাকায় ফিরবেন।
এর আগে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রামে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জহুরুল হক ঘাটিতে যাত্রাবিরতি করেন।
ঢাকা ফেরার আগে রাষ্ট্রপতির রামু উপজেলায় বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে।
 
 


নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজফ্ল্যাশ ডটকম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, তারা বলেন- গোপালিরা নাকি কপালি হয়। হায়রে কপালি। আওয়ামী লীগই নির্বাচনের ট্রেন লাইন থেকে পড়ে গেছে। তাই গোপালিকে এখন ক্রেন দিয়ে টেনে তুলতে হবে।

রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়নে আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, সরকার রাষ্ট্রের  সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করেছে। বিচার বিভাগের কোন স্বাধীনতা নেই। এখানে সব চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। প্রশাসন বলছে কিছু নেই। সেখানেও দলীয়করণ করা হয়েছে। র‌্যাব-পুলিশকে আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মীর মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য সরকার বিরোধী দলের ওপর জুলুম নির্যাতন চালাচ্ছে। তবে যতোই জুলুম চালাবে মানুষ ততোই বিপক্ষে যাবে।

৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সরকার বলেÑ আমরা ট্রেন মিস করেছি। আমরা তো বলি- সেদিন কোন ভোটই হয়নি। আমাদের আহ্বানে জনগণ ভোটকেন্দ্রেই যায়নি। জনগণ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে।

এ সময় তিনি একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ছবি দেখিয়ে বলেন, সেদিন জনগন নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। ভোট কেন্দ্রে মানুষের বদলে গেছে একটি কুকুর। সরকারের উচিত সে কুকুরকে খুঁজে বের করে পুরস্কার দেয়া।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তাই এ সরকার অবৈধ। এ সংসদও অবৈধ। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও নেই একটি জাতীয় নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে কোন প্রদ্বিন্ধিতাই ছিল না। যে নির্বাচনে ৫৭টি কেন্দ্রে কোন ভোটই পড়েনি। বিদেশীরাও ঘুরে ঘুরে দেখেছে দেশে কোথাও নির্বাচন হয়নি। তাহলে তারা কীভাবে নিজেদের নির্বাচিত দাবি করে? প্রতিদ্বন্ধীই পেল না নির্বাচন কোথায় হলো? ভোটকেন্দ্রে কোন ভোট পড়েনি। ১৯-দলীয় জোটের মানুষ ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন বলেই ভোটকেন্দ্রে মানুষ যাননি। এটা হলো নীরব প্রত্যাখ্যান।

খালেদা জিয়া বলেন, আমরা নির্বাচনে না গিয়ে সঠিক কাজটি করেছি। আওয়ামী লীগের অধীনে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না তা দেশবাসী ৫ই জানুয়ারি দেখিয়ে দিয়েছে। আমরা নির্বাচনের ট্রেন বিএনপি মিস করেনি। আওয়ামী লীগ ভুল ট্রেনে উঠেছে। তাই ট্রেন লাইন থেকে পড়ে গেছে। এখন সেই ট্রেনকে ক্রেন দিয়ে তুলতে হবে।

খালেদা জিয়া বলেন, জোর করে ক্ষমতায় বসে তারা সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দিচ্ছে আর বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের জেলে দিচ্ছে। দেশে মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। সারা পৃথিবী একথা বলছে। বহু মানুষ গুম-খুন হয়েছে। সন্ত্রাসের কারণে মানুষ ঠিকতে পারছে না। কোন সন্ত্রাসীকে ধরা হচ্ছে না। মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের। সরকার ৩০ জন ফাঁসির আসামিকে ছেড়ে দিয়েছে। 

খালেদা জিয়া বলেন, উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে কেউ ভোট দিতে যাচ্ছে না। এজন্য কেন্দ্র দখল করে পোলিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার মিলে সিল মারছে। সিল মেরে ভোটের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এই হল নির্বাচন। এটিকে কি কোন নির্বাচন বলা যায়?

বিদ্যুতর দাম না বাড়াতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কার স্বার্থে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হচ্ছে? দলীয় লোকজনকে কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট দেয়া হয়েছে, তাদের ভর্তুকি দেয়ার জন্য।

খালেদা জিয়া বলেন, সম্প্রতি মিয়ানমারে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন- তিস্তার পানি দিতে পারবে না। তিস্তা চুক্তি হবে না। তিনি বলেন, দেশে সীমান্ত হত্যা অবাধে চলছে। কিন্তু সরকার কোন প্রতিবাদ করতে পারছে না। জনবিচ্ছিন্ন দুর্বল সরকার প্রতিবাদ করবেই বা কি করে?

তিনি বলেন, চুক্তি করে করিডোর দেয়া হচ্ছে কিন্তু ভারত থেকে আমরা কি পেয়েছি? আওয়ামী লীগকে সমর্থণ ছাড়া ভারত আমাদের আর কিছুই দেয়নি। তিনি বলেন, তিস্তার পানি পাবো না, সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না আমরা কিছুই পাবো না। পানি না পেলে করিডোর চুক্তি হতে পারে না।

শুক্রবার, 07 মার্চ 2014 23:46

হতাশ সানি !

লিখেছেন

প্রতিবেদক, নিউজফ্ল্যাশ ডটকম
আগামী ছবি মুক্তির আগে নিজেকে নিয়ে হঠাৎ হতাশা ব্যক্ত করতে দেখা যাচ্ছে সানি লিওনকে। এ সময়ে নিজের মুখশ্রী আর শরীর নিয়ে তিনি বলছেন নানান কথা ।  দিন দিন বলিউডে নিজের পায়ের মাটি শক্ত করতে চলেছেন সানি ৷ আর  সেই মাটি নিয়েই যত গল্প ৷

 বার বার সংবাদ মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে সানি জানিয়েছেন, তিনি অভিনেত্রী হতে চান ৷ তিনি চান বলিউডের অন্যান্য নায়িকার সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে ৷ কিন্তু সানির মতে, ভারতীয় দর্শকরা কিছুতেই তাকে সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না ৷ এখনও তিনি পর্নতারকা ট্যাগটা ওঠাতে পারেনি নিজের পরিচিতি থেকে ৷ আর সেখান থেকেই সমস্যা শুরু ৷ তাই তার নতুন ছবি ‘রাগিনি এমএমএস টু’-এর রিলিজের আগে প্রোমোশনে নেমে তিনি সুর বদলে, লোকের সুরেই গান গাইছেন ৷

সবখানেই সোজাসাপটা বলছেন , আমার চেহারা তো নয় , শরীরটাই সুন্দর ৷ তাই আমার মুখ, আমার অভিনয় জনপ্রিয় নয়, জনপ্রিয় আমার শরীর ! অবশ্য হতাশ সানির পাশে দাঁড়িয়েছেন  প্রযোজক একতা কাপুর ৷ একতার মতে, ‘রাগিনি এমএমএস টু’-এ সানির অভিনয় দেখে বদলে যাবে তার  প্রতি লোকের দৃষ্টিভঙ্গি ৷ সি ইজ পারফেক্ট ব্লেন্ড অফ বিউটি অ্যান্ড ইন্টিলিজেন্স ৷


নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজফ্ল্যাশ ডটকম
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার ঢাকা আসছেন ইসলামি সম্মেলন সংস্থা ওআইসির মহাসচিব আইয়াদ বিন আমিন মাদানি। নতুন মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম ঢাকা সফর। শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আইয়াদ বিন আমিন মাদানির সফরকালে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলও তাঁর সঙ্গে থাকবে। ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হকের সাথে রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করবেন।
এ ছাড়াও তিনি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও দেখা করতে পারেন বলে জানা গেছে।

Click here
 
নিউজফ্ল্যাশ ডটকম :
বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অসামান্য সফল্যের কথা উল্লেখ করে মায়ানমারের বিরোধী দলীয় নেতা ও নোবেল বিজয়ী অং সান সূচী বলেন, মায়ানমারের বাংলাদেশ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। বাসস।
তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দারিদ্র বিমোচন, গরীব মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘আমি তাঁর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পাই’।
আজ বিকালে মায়ানমারের বিরোধী দলীয় নেতা ও সংসদীয় কমিটির চেয়ারপারসন এবং শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সুচি তার পার্লামেন্ট অফিসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতকালে এসব মন্তব্য করেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল সাংবাদিকদের একথা জানান।
সূচী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তিনি দু’জনেই নিজ নিজ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন।
মায়ানমারের বিরোধী দলীয় নেতা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ভাগ্য উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি তার কাজে অনুপ্রেরণা জোগায়।
এ প্রসঙ্গে তিনি ‘একটি বাড়ি, একটি খামার’ ও ‘ঘরে ফেরা’ কর্মসূচী এবং মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণ ও উপবৃত্তি প্রদান কর্মসূচী ‘যে কোন দেশের জন্য অনুকরণীয়’ দৃষ্টান্ত হিসাবে বিবেচিত হবে বলে উল্লেখ করেন।
এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকার গ্রামীণ মহিলাদের সঞ্চয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে উল্লেখ করে বলেন, "আমরা গ্রামীণ নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।
সূচি বলেন, তিনিও তার নির্বাচনী এলাকায় শিশুদের জন্য ‘সেভিং বক্স’ চালু করেছেন, যাতে তারা সঞ্চয়ী হতে শিখে।
এর আগে, মায়ানমারের বিরোধী নেতা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার পার্লামেন্ট ভবনে স্বাগত জানান ও আলিঙ্গন করেন। পরে শেখ হাসিনা তার সফরসঙ্গী ও পরিবারের সদস্যদের সু চি’র সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী মায়ানমারের স্পিকার শুয়ে মানের সঙ্গে তার দফতরে দু'দেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। শেখ হাসিনা বর্তমানে মায়ানমারের রাজধানী নে পি ত’ এ তৃতীয় বিমসটেক সম্মেলন উপলক্ষে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন।
মায়ানমারের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মায়ানমারের রাষ্ট্রপতি ও তার স্ত্রীর দেয়া নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যান্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।





নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য হিসাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দায়িত্ব পেলেন নৃ-বিজ্ঞানের অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।

সিনেটের দেয়া উপাচার্য প্যানেল থেকে তাকেই ওই পদে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।   

নিয়োগ পাওয়ার খবরে অধ্যাপক ফারজানা বলেন, ‘আমি দায়িত্ব পেয়েছি। আমরা দল-মত নিবিশেষে সকলে মিলে জাহাঙ্গীরনগরকে একিটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তুলব।’

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়, অধ্যাপক ফারজানাকে চার বছরের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

একই আদেশে অধ্যাপক এম এ মতিনকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল হোসেনকে দেয়া হয়েছে উপ উপাচার্যের দায়িত্ব।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী নিউজফ্ল্যাশ ডটকমকে বলেন, “এই প্রথম কোনো নারী দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পেলেন।”

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজদ্দিন আহমেদের স্ত্রী অধ্যাপক আনোয়ারা বেগম এর আগে বেসরকারি অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করলেও রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এর আগে কোনো নারী উপাচার্য পায়নি। 

অধ্যাপক ফারজানা এমন এক পদে দায়িত্ব পেলেন- যে পদ নিয়ে গত দুই বছরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বার বার শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। গত বছরের অধিকাংশ সময়ই কার্যত অচল ছিল সাভারে অবস্থিত দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়টি।

২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ হত্যার বিচার দাবি এবং ঢালাওভাবে শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির উপাচার্য পদ ছাড়েন। ওই বছরের ২০ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন।

অধ্যাপক কবির উপাচার্য পদ ছাড়লেও ২০১২ সালের ২০ জুলাই উপাচার্ প্যানেল নির্বাচনে লড়ে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন। ফলে রাষ্ট্রপতি দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা অধ্যাপক আনোয়ারকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দিলেও সিনেটের কর্তৃত্ব কার্যত অধ্যাপক কবিরের হাতেই থেকে যায়।

এরপর বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষকদের লাগাতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ ডিসেম্বর পুলিশ পাহারায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়েন অধ্যাপক আনোয়ার। ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেই গত ১৩ জানুয়ারি পদত্যাগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে জ্যেষ্ঠ উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এম এ মতিনকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেয় সরকার। ৩০ দিনের মধ্যে সিনেটের বিশেষ সভা ডেকে উপাচার্য প্যানেলে নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়।

সে অনুযায়ী গত ২০ ফেব্র“য়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভোটাভুটির মাধ্যমে অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম, অধ্যাপক আবুল হোসেন ও অধ্যাপক আমির হোসেনের নাম প্রস্তাব করে।

ভোটাভুটিতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল হোসেন ও নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ফারজানা ৪০ ভোট এবং অর্থনীতির অধ্যাপক আমির ৩৩ ভোট পান। পরে লটারির মাধ্যমে ফারজানা ইসলামকে প্রথম ঘোষণা করা হয়।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা