08192019সোম
স্পটলাইট

স্পটলাইট (855)

Muhammad Yunus
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা :

‘নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে, ড. ইউনূস’র জাতীয় নির্বাচন ও রাজনীতি প্রসঙ্গে দেয়া এমন বক্তব্যের জবাবে জাসদ সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে আমরা সম্মান করি। তিনি দীর্ঘদিন পর ঘোমটা খুলে রাজনীতিতে এসেছেন। এজন্য আমরা তাকে অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। উনি ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনের সময় রাজনৈতিক দল গঠণের ঘোষণা দিয়ে রাজনীতির মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু দুদিনের ব্যবধানে তিনি মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এবার আশা করবো তিনি রাজনীতির মাঠ ছেড়ে চলে যাবেন না।


গতকাল শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কাকিলাদহ এলাকায় বিচারপতি রাধা বিনোদ পাল মডেল ভিলেজ স্মৃতি ফলক ও চক্ষু শিবির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, উনার মত সম্মানিত মানুষ রাজনীতি করছেন দেখে ভাল লাগছে। এখন ড. ইউনূসের সঙ্গে আমরাও রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলবো। ইনু বলেন, বিরোধী দলের নেতা সংলাপে যাবেন বলে জাতিসংঘের মহাসচিবকে জানিয়েছেন। এই সংলাপেই ঠিক হবে কোন সরকার বা কার অধীনে নির্বাচন হবে। তিনি বলেন, আশা করি খালেদা জিয়া বান কি মুনকে দেয়া অঙ্গীকার রাখবেন।


তথ্যমন্ত্রী আগামী সংসদ অধিবেশনে নির্বাচনকালিন সরকার সর্ম্পকে বলেন, উভয় পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে যদি কোন বিল উত্থাপন করার সুযোগ থাকে তাহলে সেই বিল সরকার উত্থাপন করবে। কিন্তু একতরফা বিল উত্থাপন করে বিরোধী দলীয় নেত্রীকে রাজনৈতিক চক্রান্ত করার সুযোগ দেয়া হবে না। তবে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় ঐক্যমতের ভিত্তিতে কোন বিল উত্থাপনের প্রয়োজন হলে সেটা করা হবে।


তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরপেক্ষ ও সবাইকে নিয়ে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গীবাদ ও তেতুল হুজুরদের ত্যাগ করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য এগিয়ে আসবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। জাস্টিস রাধা বিনোদ পাল মডেল কলেজ মাঠে আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব শমসের আলী মল্লিক। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, নারী জোটের আহবায়ক আফরোজা হক রীনাসহ অনেকে।

 
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদনে তৃণমূলের বিরোধিতার মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেছেন কবীর সুমন।
শুক্রবার লোকসভা প্রাঙ্গণে মমতাকে ‘ভিশনলেস’ আখ্যায়িত করে তৃণমূলের এই সাংসদ তার দল এবং নেত্রীর সমালোচনা করে সাংবাদিকদের বলেন, “ছিটমহলের মানুষগুলো পরিচয়হীনভাবে অবর্ননীয় কষ্টের মধ্যে আছে। তা থেকে তাদের মুক্তি দেয়ার সুযোগ এসেছিলো। কিন্তু ভিশনলেস মমতা ব্যানার্জির জন্য সেটা সম্ভব হলো না।”
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা- বাসস এ খবর জানিয়েছে।
 কেন, কোন যুক্তিতে এই বিরোধিতা করা হলো তা সুমনের ‘বোধগম্য নয়’ জানিয়ে দুই বাংলাতেই সমান জনপ্রিয় এই গায়ক তার সমালোচনার ধারা অব্যাহত রেখে আরো বলেন, “আমার দল বাংলাদেশের সাথে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদনের জন্যে রাজ্য সভায় বিল উত্থাপনে বাধা দেয়ায় আমি ব্যথিত ও লজ্জিত। কেন কোন যুক্তিতে এই কাজ করা হয়েছে আমার বোধগম্য নয়।”
“আমার ইচ্ছা করছে সংসদ থেকে পদত্যাগ করি, কিন্তু নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করলে নির্বাচন করা এবং গাদা গাদা টাকা খরচ- এই ভেবে করছি না।”
জীবনমুখী বাংলা গানের শিল্পী হিসেবে পরিচিত সুমন চট্টপাধ্যায় ২০০০ সালের ২৩ শে জুন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে বিয়ে করে কবীর সুমন নাম নেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশেও সুমনের গান দরুন জনপ্রিয়।


নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক :

ফেসবুকে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। শুক্রবার রাতে এরকম আরেকটি স্ট্যাটাস দিলেন তিনি। জানালেন, আগামীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো ও দাম কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
 
আরও যা লেখা আছে স্ট্যাটাসে:
 
বাংলাদেশে ইন্টারনেট সংযোগের দাম নিয়ে আমি অনেক অনুরোধ পেয়েছি। আমাদের সরকার আসার পর থেকেই এই বিষয়টিতে আমরা মনোযোগ দিয়েছি। আর এই নিয়ে আমার ভবিষ্যতেও কিছু পরিকল্পনা আছে যা আওয়ামী লীগ পুননির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে ।
 
২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন ইন্টারনেটের প্রতি মেগাবাইটের দাম ছিল ৮০ হাজার টাকা। গত চার বছরে ওই দাম কমিয়ে আমরা ১৮ হাজারে নামিয়ে এনেছি। তবে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো খুচরা গ্রাহকদের জন্য দাম তেমন কমায়নি। তারা ইন্টারনেটের গতি বাড়িয়েছে, কিন্তু দাম এখনো বেশি।

থ্রিজ এবং ফোরজি’র জন্য ইন্টারনেটের দাম আরো কমানোই আমার পরিকল্পনা। ফলে দ্রুত গতির ইন্টারনেট পাওয়া সহজ হবে, বাড়বে ইন্টারনেট ব্যবহাকারীও। ব্যবহারকারী বাড়লে দামও কমবে। সেবাদাতাদের জন্য সর্বোচ্চ মূল্যও বেঁধে দেয়ার পরিকল্পনা করছি।

আওয়ামী লীগ পুনঃনির্বাচিত না হলে এই পরিকল্পনাগুলোর কোনোটিই বাস্তবায়ন করতে পারবে না। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরিতে আমরা বিস্ময়কর অগ্রগতি অর্জন করেছি, তবে এখনো অনেক কাজ বাকি। বাংলাদেশকে পুরোপুরি ডিজিটাল করতে নৌকায় ভোট দিন।
 

নিজস্ব প্রতিবেদক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার মিরপুরে ইউনূস সেন্টারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রধান কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানান নোবেল বিজয়ী ইউনূস বলেন, রাজনৈতিক কারণে দেশে অশান্তির কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে। কারো ইচ্ছার কারণে এ অশান্তি ঘনিয়ে আসলে দেশের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না।

দেশের মানুষ অশান্তি চায় না মন্তব্যে করে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন হতে হবে।

এ কারণে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় আসারও আহ্বান জানান এ নোবেল বিজয়ী।

বিরোধী দলীয় নেতাকে আগে সংলাপের জন্য ডাকলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত রোববার সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে জানিয়ে দিয়েছেন সংবিধান থেকে তার সরকার ‘এক চুলও’ নড়বে না।

অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়াও বলেছেন, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন তার দল মানবে না।

এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমাঝোতায় আনার উদ্যোগ নেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সমাঝোতার কোনো রাস্তা আমার হাতে নেই।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, আগামীতে যারাই ক্ষমতায় আসুক তাদের ওয়াদা করতে হবে যে ক্ষমতায় আসার পর তারা লুটপাট, দুর্নীতি, গুম বা  হত্যা করবে না। ভোটাররা তাদেরকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে যারা কথায় কথায় ধমক দেবে না।

১৯৯৬ সালে বিচারপতি হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ইউনূস ২০০৭ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ‘নাগরিক শক্তি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিয়েও পরে পিছিয়ে যান।


বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রার্থীতা বাতিলের ক্ষমতা ছেড়ে দিতে নির্বাচন কমিশনের আইন সংশোধনের উদ্যোগ প্রসঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এ আইন সকল রাজনৈতিক দল মেনে নিয়েছে; তাই এ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে পরিবর্তন করার কোনো মানে হয় না।

আগামী নির্বাচনের পর সবার সঙ্গে আলোচনা করে তা পরিবর্তন করা যেতে পারে বলে মত দেন তিনি।

গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের তদন্ত ও তাদের সুপারিশ প্রসঙ্গে সাবেক এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, দুস্কৃতিকারীরা  দেশে একটি অঘটন ঘটাতে চায়। কিন্তু তা ঘটানোর আগেই আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে কোনো অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা কারো নাই।

সমঝোতা প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী কীভাবে বলেন- একচুলও নড়বেন না!

কোনো রাজনৈতিক নেতা যখন এমন কথা বলেন, তখন তা ‘স্বৈরতন্ত্রকেও’ হার মানায় বলে মন্তব্যে করেন এককালের এ আওয়ামী লীগ নেতা।

‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়’ উল্লেখ করে কাদের সিদ্দকী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াও আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্ভব নয়।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতির ভাষায়, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কেন্দ্রিক দুটি রাজনৈতিক বলয় ‘সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি থেকে’ অনেক দূরে। তাই নির্বাচনে ‘নিরপেক্ষ রেফারি’ দরকার।

গ্রামীণ ব্যাংকের পাশে থাকার কথা বলে কাদের সিদ্দিকী বলেন, দেশে যখন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি খাতে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে গ্রামীণ ব্যাংককে ১৯ টুকরো করার অপচেষ্টা করছে সরকার। আমরা গর্ব করার মতো দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠানের অখন্ডতার পক্ষে।

 


   লি জুন  
এনএফ  ডেস্ক :
একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুখোমুখি সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুন।
বুধবার ঢাকার র‌্যাডিসন হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।

চীনের নৌবাহিনীর চিকিৎসা জাহাজ ‘পিস আর্ক’-এর শুভেচ্ছা সফর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লি জুন বলেন, ‘আমি মনে করি, দুই নেত্রী মুখোমুখি আলোচনায় বসলে এ সংকট সমাধানে অনেক সহায়তা করবে। এ অবস্থায় পৌঁছাতে উভয় দল পরস্পরের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারে।’

আপনি এই আলোচনার উদ্যোগ নেবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে লি জুন বলেন, ‘আমি আপনাদের বলতে পারি, ইতিমধ্যেই আমি তাঁদের আলোচনায় বসানোর জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা চালিয়েছি। এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তাঁদের আলোচনায় বসানোর জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা করে যাব।’

ভবিষ্যতে চীন এই অবস্থান থেকে সরে যাবে কি না সাংবাদিকদের সেই প্রশ্নের জবাবে লি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আমার উত্তর হলো, না।’

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই হবে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না দাবি করে নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে বিএনপি।


    

মঙ্গলবার, 20 আগস্ট 2013 08:51

‘তুলার বিকল্প হবে পাটের আঁশ’

লিখেছেন


http://d30fl32nd2baj9.cloudfront.net/media/2013/08/19/09_jute-dna_190813.jpg1/ALTERNATES/w300/09_Jute+DNA_190813.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশি পাটের জিনবিন্যাস উন্মোচনের পর এবার তুলার বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী সোনালী আঁশ উদ্ভাবনে কাজ করছেন বাংলাদেশের গবেষকরা।

গতকাল সোমবার পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিজেআরআই) আয়োজিত এক সাংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক কামাল উদ্দিন বলেন, ‘পাটকে তুলার বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করতে যে বাধা আছে তা আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। এ বাধা দূর করাই এখন আমাদের কাজ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তোষা পাটের পর এবার দেশি পাটের ‘জীবনরহস্য’ উন্মোচন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে এর আগে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা তোষা পাট এবং ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামে ফসলের ক্ষতিকারক এক ধরনের ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করে বিশ্বে সাড়া ফেলেন।

দেশি পাট নিয়ে তাদের গবেষণার সাফল্যের বিস্তারিত জানাতেই সোমবার বিজেআরআইয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের পর কামাল উদ্দিন নিউজফ্ল্যাশকে বলেন, সুতা তৈরির জন্য প্রতিবছর মোট চাহিদার ৯৭ ভাগ তুলা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আমদানির এই পরিমাণের দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।

সুতা উৎপাদনের উপযোগী পাটের আঁশ উদ্ভাবন করা গেলে তুলা আমদানির পরিমাণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন কামাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, এখন ৫০ শতাংশ তুলার সঙ্গে ৫০ শতাংশ পাটের আঁশ মিশিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি হচ্ছে। পাটের জিনোম সিকোয়েন্স হাতে পাওয়ায় এ গবেষণায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

বিজেআরআইর গবেষক মাকসুদুল আলম দেশি পাটের জাত ‘সিভিএল-১’ এর জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছেন। কৃষকদের কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং  উচ্চ ফলনশীল এ জাতটি ১৯৭৭ সালে অবমুক্ত করে বিজেআরআই।

সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ সুতায় বোনা শাড়ি ও থান কাপড় সাংবাদিকদের দেখানো হয়, যাতে অর্ধেক তুলা ও অর্ধেক পাটের আঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। 

মাকসুদুল আলমের পাশাপাশি গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক মনিরুল ইসলাম, বিজেআরআই পরিচালক আসাদুজ্জামান এবং গবেষক সামিউল হাসান এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

মাকসুদুল আলম বলেন, দুই বছর আগে আমরা তোষা পাটের জীবননকশা উন্মোচন করেছিলাম। এবছর আমরা দেশি পাটের জীবননকশা উন্মোচন করতে পেরেছি।

পাটের ওপর পাঁচটি মৌলিক পেটেন্টের জন্য আবেদন করার কথা জানিয়ে এই বিজ্ঞানী বলেন, “বাংলাদেশকে আর বিশ্ব অবহেলা করতে পারবে না।”

মাকসুদুল আলম জানান, ‘বেসিক অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ অন জুট’ প্রকল্পের আওতায় তিনজন আইনজীবী পেটেন্টের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করছেন।

 নিজস্ব প্রতিবেদক 

 দেশি পাটের জন্মরহস্য আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে দেশি পাট আরও উন্নত করা যাবে।

আজ রোববার গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই সুখবর জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম এটি আবিষ্কার করেন। তিনি দাবি করেন, পাটের পুরোপুরি জন্মরহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এর আগে বিজ্ঞানীরা তোষা পাটের জন্মরহস্য উন্মোচন করেন। এবার দেশি পাটেরও জন্মরহস্য আবিষ্কার করলেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সোনালি আঁশ দেশের মানুষের জীবনে সোনালি হাসি ফিরিয়ে আনবে। তিনি এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের আমলে সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে আমরা সরকার গঠন করি। তখন থেকেই জনগণ বুঝতে পারে যে সরকার হলো সেবক।’ তিনি বলেন, ‘চার বছর আট মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি। দেশ কীভাবে এগিয়ে যাবে, সেজন্য ২০২১-রূপকল্প তৈরি করা হয়। কারণ, সে বছর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী হবে। সে সময় বাংলাদেশ অন্তত মধ্যম আয়ের একটি দেশ হবে, এই ছিল লক্ষ্য। অনেক ক্ষেত্রেই সে লক্ষ্যের দিকে সফল হয়েছে সরকার।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের সময়ে বিদ্যুত্, খাদ্য, দ্রব্যমূল্য, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা খাতে উন্নয়নের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য বাড়েনি। বরং অনেক ক্ষেত্রে কমেছে। দেশ এখন খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘লোডশেডিং কমে গেছে। এখন কেবলমাত্র লোডশেডিং করা হয় যাতে মানুষ এ সমস্যার কথা ভুলে না যায় সেজন্য। বিদ্যুতের ঘাটতি না থাকলেও সামনে এ কারণে লোডশেডিং কিছুটা বাড়ানো হবে। গ্রামেগঞ্জে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার প্রমাণ হলো যে এখন ঘরে ঘরে গৃহকর্মী পাওয়া যায় না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীসহ সারা দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা জনগণ নিজেরাই দেখতে পাচ্ছে।’ তবে বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অবশ্য অনেকে আবার সব দেখেও দেখতে চান না। কারণ এসব উন্নয়ন আওয়ামী লীগ করেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

 

শনিবার, 17 আগস্ট 2013 09:16

মজীনা-পুতুল সাড়ে তিন ঘন্টা বৈঠক

লিখেছেন
 
মজীনা-পুতুল সাড়ে তিন ঘন্টা বৈঠক
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটা থেকে রাত আটটা পযর্ন্ত এ বৈঠক চলে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারেক আহমেদ সিদ্দিকীও উপস্থিত ছিলেন।
 
মাকির্ন রাষ্ট্রদূতের ঢাকাস্থ বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘন্টা ধরে চলে।
 
বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়াও দেশের চলমান কিছু ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে কথা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে।
 
সাম্প্রতিক একটি ঘটনা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পুতুল ও মজীনার এ বৈঠক বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেও সূত্র উল্লেখ করেছে।
 
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওইদিন রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণের সঙ্গে বৈঠক করেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল । বৈঠকটি ভারতের রাষ্ট্রদূতের ঢাকাস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।  

বৈঠকে পুতুল ও শরণের মধ্যে দেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সার্বিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।


 
নিজস্ব প্রতিবেদক

Untitled-5গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশগুলো প্রত্যাখ্যান করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ জন সিনেটর ও কংগ্রেসম্যান। একই আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বের খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানসহ ৪০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।


শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে লেখা বিশিষ্টজনদের খোলা চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সদস্যরা সরকারকে বিপদে ফেলার উদ্যোগ নিচ্ছেন। এটা বাংলাদেশি জনগণ ও এর মিত্রদের সম্পর্ককে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি লেখা দুটি পৃথক খোলা চিঠিতে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের অন্যতম হলেন সিনেটর বারবারা বক্সার, মাইকেল জে এনজি, টিম জনসন, কংগ্রেসম্যান জোসেফ ক্রাউলি, মাইকেল এম হোন্ডা, বেটি ম্যাককুলাম, জিম ম্যাকডরমেট প্রমুখ।


অন্যদিকে বিশিষ্টজনদের তালিকায় রয়েছেন নোবেল বিজয়ী আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিসেন্ত ফক্স, নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রো হার্লেম ব্রান্ডল্যান্ড, পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো টলেডো, ইউএন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ট্রেড টার্নার, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেডেলিন অলব্রাইট প্রমুখ।
সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানরা খোলা চিঠিতে বলেছেন, এই কমিশনের সুপারিশগুলো বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে গ্রামীণ ব্যাংকের ভূমিকাকে বিপদে ফেলতে পারে।


এতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ গ্রামীণ ব্যাংকের কাছে অনেক সুবিধা পেয়েছে। লাখ লাখ দরিদ্র মানুষের জীবনমানের উত্তরণ ঘটিয়ে তাদের দারিদ্র্য বিমোচন করতে সহায়তা করছে গ্রামীণ ব্যাংক। এই ব্যাংকের ঋণগ্রহীতার ৯৭ শতাংশই নারী, যাঁদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন হচ্ছে, যা সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণে বাধ্য করেছে। কিন্তু এই নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশগুলোর মৌলিকভাবে বৈপরীত্য রয়েছে।
ঋণগ্রহীতা সদস্যদের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশের সমালোচনা করা হয়েছে ওই চিঠিতে। গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারি শেয়ার বাড়ানো এবং একে টুকরা টুকরা করার সুপারিশগুলোকে ‘ধ্বংসাত্মক’ হিসেবে মনে করেন সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানরা।


চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সুপারিশগুলোর কোনো একটি বাস্তবায়ন করা হলে তা দুর্ভাগ্যজনক হবে। এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে নারী ঋণগ্রহীতা ও শেয়ারধারীদের অবমূল্যায়ন করা হবে; যাঁরা এই ব্যাংকের সাফল্য এনে দিয়েছেন, যাঁরা তিন দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে সুরক্ষা করেছেন।’
অপর খোলা চিঠিতে প্রায় একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন ৪০ জন খ্যাতনামা ও বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আপনি (শেখ হাসিনা) ও অর্থ মন্ত্রণালয় চাইলে কমিশনের সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করতে পারে।’


উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশিষ্টজনেরা আরও বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সদস্যরা সরল বিশ্বাসে কাজ করছেন না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কমিশনের অর্ধেক সদস্যই দীর্ঘসময় ধরে তাঁদের কাজে অনুপস্থিত ছিলেন।

 

বুধবার, 14 আগস্ট 2013 00:27

ঝুলে রইল আশরাফুলের ভাগ্য

লিখেছেন

 
 
বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় মোহাম্মদ আশরাফুলসহ নয়জনের নামে অভিযোগপত্র দিয়েছে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ও নিরাপত্তা ইউনিট (আকসু)। মঙ্গলবার আকসু এসেছিল প্রতিবেদন জমা দিতে। আশরাফুলের ভাগ্যে কী ঘটে সবার চোখ ছিল সেদিকেই। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো না। শুধু অভিযুক্তদের সংখ্যা প্রকাশেই শেষ হলো এদিনের সংবাদ সম্মেলন। একই সঙ্গে ঝুলে রইল আশরাফুলের ক্রিকেট ভাগ্য।


আশরাফুল যে দোষী তা এখন নিশ্চিত। তার শাস্তি কতদিনের হবে সেটাই দেখার বিষয়। শাস্তি যাই হোক এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তা মেনে নিয়ে আবারও ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছা জানালেন। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি।

খুব শিগগিরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে। সেখানেই বিচার হবে অভিযুক্তদের খেলোয়াড়দের। চাইলে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের আবেদনও করতে পারবেন অভিযুক্তরা।

আপাতত ট্রাইব্যুনাল গঠন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে আশরাফুলকে। মঙ্গলবার রেডিসন ওয়াটার গার্ডেনে আইসিসির র্শীষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বৈঠক শেষে সংবাদিকদের জানান,‘আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে বিসিবির ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যারা ফিক্সিংয়ের সাথে সরাসরি জড়িত তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। ক্রিকেট তো বটেই, বিসিবি ও আইসিসির কোনো কার্যক্রমেও তারা অংশ নিতে পারবে না।’

শাস্তির ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এমনটি উল্লেখ করেন আইসিসি প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বলেন,‘খেলোয়াড়, কোচ ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের ব্যাপারেও একই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ট্রাইবুনাল গঠনের পর শাস্তির বিধান চালু হবে।’

বিসিবি সভাপতি বলেন,‘যদি কোনো ক্রিকেটার, দর্শক, সম্প্রচারকারী, উদ্যোক্তা বা অন্য কেউ অপরাধের সাথে জড়িত থাকে তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সততা রক্ষায় তা প্রতিরোধ করবে বিসিবি।’

 

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা