09222018শনি
শিরোনাম:
স্পটলাইট

স্পটলাইট (819)

নিজস্ব প্রতিবেদক

Untitled-5গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশগুলো প্রত্যাখ্যান করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ জন সিনেটর ও কংগ্রেসম্যান। একই আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বের খ্যাতনামা রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানসহ ৪০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।


শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে লেখা বিশিষ্টজনদের খোলা চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সদস্যরা সরকারকে বিপদে ফেলার উদ্যোগ নিচ্ছেন। এটা বাংলাদেশি জনগণ ও এর মিত্রদের সম্পর্ককে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি লেখা দুটি পৃথক খোলা চিঠিতে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের অন্যতম হলেন সিনেটর বারবারা বক্সার, মাইকেল জে এনজি, টিম জনসন, কংগ্রেসম্যান জোসেফ ক্রাউলি, মাইকেল এম হোন্ডা, বেটি ম্যাককুলাম, জিম ম্যাকডরমেট প্রমুখ।


অন্যদিকে বিশিষ্টজনদের তালিকায় রয়েছেন নোবেল বিজয়ী আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিসেন্ত ফক্স, নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রো হার্লেম ব্রান্ডল্যান্ড, পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো টলেডো, ইউএন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ট্রেড টার্নার, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেডেলিন অলব্রাইট প্রমুখ।
সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানরা খোলা চিঠিতে বলেছেন, এই কমিশনের সুপারিশগুলো বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে গ্রামীণ ব্যাংকের ভূমিকাকে বিপদে ফেলতে পারে।


এতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ গ্রামীণ ব্যাংকের কাছে অনেক সুবিধা পেয়েছে। লাখ লাখ দরিদ্র মানুষের জীবনমানের উত্তরণ ঘটিয়ে তাদের দারিদ্র্য বিমোচন করতে সহায়তা করছে গ্রামীণ ব্যাংক। এই ব্যাংকের ঋণগ্রহীতার ৯৭ শতাংশই নারী, যাঁদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন হচ্ছে, যা সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণে বাধ্য করেছে। কিন্তু এই নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যতের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশগুলোর মৌলিকভাবে বৈপরীত্য রয়েছে।
ঋণগ্রহীতা সদস্যদের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশের সমালোচনা করা হয়েছে ওই চিঠিতে। গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারি শেয়ার বাড়ানো এবং একে টুকরা টুকরা করার সুপারিশগুলোকে ‘ধ্বংসাত্মক’ হিসেবে মনে করেন সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানরা।


চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সুপারিশগুলোর কোনো একটি বাস্তবায়ন করা হলে তা দুর্ভাগ্যজনক হবে। এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে নারী ঋণগ্রহীতা ও শেয়ারধারীদের অবমূল্যায়ন করা হবে; যাঁরা এই ব্যাংকের সাফল্য এনে দিয়েছেন, যাঁরা তিন দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে সুরক্ষা করেছেন।’
অপর খোলা চিঠিতে প্রায় একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন ৪০ জন খ্যাতনামা ও বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁদের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আপনি (শেখ হাসিনা) ও অর্থ মন্ত্রণালয় চাইলে কমিশনের সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করতে পারে।’


উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশিষ্টজনেরা আরও বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সদস্যরা সরল বিশ্বাসে কাজ করছেন না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, কমিশনের অর্ধেক সদস্যই দীর্ঘসময় ধরে তাঁদের কাজে অনুপস্থিত ছিলেন।

 

বুধবার, 14 আগস্ট 2013 00:27

ঝুলে রইল আশরাফুলের ভাগ্য

লিখেছেন

 
 
বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় মোহাম্মদ আশরাফুলসহ নয়জনের নামে অভিযোগপত্র দিয়েছে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ও নিরাপত্তা ইউনিট (আকসু)। মঙ্গলবার আকসু এসেছিল প্রতিবেদন জমা দিতে। আশরাফুলের ভাগ্যে কী ঘটে সবার চোখ ছিল সেদিকেই। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো না। শুধু অভিযুক্তদের সংখ্যা প্রকাশেই শেষ হলো এদিনের সংবাদ সম্মেলন। একই সঙ্গে ঝুলে রইল আশরাফুলের ক্রিকেট ভাগ্য।


আশরাফুল যে দোষী তা এখন নিশ্চিত। তার শাস্তি কতদিনের হবে সেটাই দেখার বিষয়। শাস্তি যাই হোক এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান তা মেনে নিয়ে আবারও ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছা জানালেন। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি।

খুব শিগগিরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে। সেখানেই বিচার হবে অভিযুক্তদের খেলোয়াড়দের। চাইলে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের আবেদনও করতে পারবেন অভিযুক্তরা।

আপাতত ট্রাইব্যুনাল গঠন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে আশরাফুলকে। মঙ্গলবার রেডিসন ওয়াটার গার্ডেনে আইসিসির র্শীষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বৈঠক শেষে সংবাদিকদের জানান,‘আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে বিসিবির ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যারা ফিক্সিংয়ের সাথে সরাসরি জড়িত তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। ক্রিকেট তো বটেই, বিসিবি ও আইসিসির কোনো কার্যক্রমেও তারা অংশ নিতে পারবে না।’

শাস্তির ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এমনটি উল্লেখ করেন আইসিসি প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বলেন,‘খেলোয়াড়, কোচ ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের ব্যাপারেও একই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ট্রাইবুনাল গঠনের পর শাস্তির বিধান চালু হবে।’

বিসিবি সভাপতি বলেন,‘যদি কোনো ক্রিকেটার, দর্শক, সম্প্রচারকারী, উদ্যোক্তা বা অন্য কেউ অপরাধের সাথে জড়িত থাকে তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সততা রক্ষায় তা প্রতিরোধ করবে বিসিবি।’

 

ডেস্ক: রাজনীতিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের চেয়ে এগিয়ে তারেক রহমান। জয়কে রাজনীতিতে নবিশ বলেই মনে হয়েছে। কিন্তু তারেক রহমানের কার্যক্রম উৎসাহপূর্ণ। তার মা বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে উদগ্রীব। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে এসব কথা লিখেছে লন্ডনের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ইকোনমিস্ট। শুক্রবার প্রকাশিত এ প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘বাংলাদেশস্‌ ভোলাটাইল পলিটিক্স: দ্য ব্যাটলিং বেগমস’।

এতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পুত্র ও তার রাজনৈতিক উত্তরসূরি সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার আগে জুলাইয়ের তিন সপ্তাহ রাজনীতিতে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় তাকে রাজনীতিতে নবিশ বলেই মনে হয়েছে। রাজনীতিতে তার উত্তরাধিকার সূত্রের প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান। তার কার্যক্রম উৎসাহপূর্ণ। তিনি যেন আগামীকালই লন্ডন থেকে বিমানে চড়ে বসবেন। তার মায়ের স্বাস্থ্য ভাল নেই। তিনি তার বড় সন্তানের কাছে ক্ষমতা তুলে দিতে উদগ্রীব। কিন্তু বাংলাদেশে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ মোকাবিলা করছেন তারেক। আগামী নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় যদি আওয়ামী লীগ রাজি না হয় তাহলে তারেক রহমান সোজা জেলে যেতে পারেন। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা এখন এমনই গুরুত্বপূর্ণ যে তা গুরুতর সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি করতে পারে। আওয়ামী লীগও নাছোড়বান্দার মতো লড়াই করবে। কিন্তু নির্বাচনে যদি তারা পরাজিত হন তাহলে বিএনপি তার দুর্নামগ্রস্ত উত্তরাধিকার ও মিত্র জামায়াতকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারে। অবশ্য যদি তত দিনে তাদের ফাঁসি না হয়। কারণ বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন দলগুলোর এই এক অপরিবর্তনীয় ঐতিহ্য যে, তারা বিরোধীদের প্রায় সকল ঘোষণাই বাতিল করে দেয়। ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাজনীতির দুল্যমান দোলক ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে শেখ হাসিনা ও তার সরকারের কাছ থেকে। পবিত্র ঈদুল ফিতরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার মধ্যে ঈদ কার্ড বিনিময় হলেও তাদের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার কোন লক্ষণ নেই বললেই চলে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের দু’ নেত্রীকে ‘যুধ্যমান মহিলা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বলা হয়, তারা দু’জন রাজনৈতিক পরিবারতন্ত্রের দ্বন্দ্বে লিপ্ত দু’ শীর্ষ প্রধান। একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, তিনি সবেমাত্র তার দেশের রাজধানীতে দু’টি তারবার্তা পাঠিয়েছেন। প্রথম তারবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজিত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে। দ্বিতীয় তারবার্তায় জানিয়েছেন, যুধ্যমান বেগমদের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার অর্জনের পরিকল্পনা সম্পর্কে।


আসন্ন নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দল অনুপস্থিত থাকবে বলে মনে হচ্ছে। ১লা আগস্ট ঢাকার হাইকোর্ট রুল জারি করেছে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় দল জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। কারণ, তাদের গঠনতন্ত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ঊর্ধ্বে স্থান দেয়া হয়েছে সৃষ্টিকর্তাকে। আদালত জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছে। নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এতে আওয়ামী লীগের বিজয়ী হওয়ার পথ হয়তো নিশ্চিত করবে বলে ধরা হচ্ছে। কারণ, বিরোধী দল বিএনপির নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র জামায়াত।


আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারবে কিনা তা নিয়ে ক্রমাগত সন্দিগ্ধ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশে নির্বাচিত কোন সরকার দ্বিতীয় মেয়াদে কখনও বিজয়ী হতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামীর যেসব সদস্য স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৃশংসতা ঘটিয়েছিল বা এতে সহযোগিতা করেছিল, তাদের অপরাধ তদন্ত করে বিচারে দাঁড় করানো হয়। এ বছরের শুরুর দিকে এ নিয়ে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ কিন্তু জনপ্রিয় আদালতের রায়ে ধর্মনিরপেক্ষ আওয়ামী লীগ সতেজ হয়ে ওঠে বলে মনে হয়। জামায়াতের প্রায় সব নেতাকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই শাস্তি দেয়া হতে পারে। সেই শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড। এর প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দল এ বিচারকে ইসলামবিরোধী শক্তি ও ধার্মিকদের মধ্যে লড়াই বলে অভিহিত করে। এর ফলে মার্চে রাজধানীতে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের পথ সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয়বার যখন তারা রাজধানীতে বিক্ষোভ করে তখন নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের হাতে নিহত হন তাদের প্রায় ৫০ জন। এখানে আসা যুবকরা গ্রামে একটি বার্তা বহন করে নিয়ে গেছেন। তা হলো ওই সমাবেশে হত্যা করা হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। এতে সারাদেশে সরকারের জনপ্রিয়তা ধ্বংসের দিকে গেছে। তারপর থেকে চাঙ্গা হয়েছে বিএনপি। এ অবস্থায় জুন ও এপ্রিলে মেয়র নির্বাচনে প্রচণ্ড ধাক্কা খায় আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল গাজীপুরকে ধরা হয় আওয়ামী লীগের সবচেয়ে নিরাপদ ঘাঁটির একটি। সেখানেও তারা হেরে যায় মেয়র নির্বাচনে। এই অবস্থার পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। তারা ৪০ লাখ গার্মেন্ট কর্মীর বেতন কাঠামো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এই গার্মেন্ট শ্রমিকরা অনেক কারখানা নিরাপদ না হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ। তারা ক্ষুব্ধ মে মাসে সাভারে রানা প্লাজা ভয়াবহভাবে ধসে যাওয়ার পর ১১২৯ জনের স্বজনকে দেয়া ক্ষতিপূরণ নিয়ে। বেতন বাড়ানোর মাধ্যমে অনেক ভোটারের মন জয় করা যেতে পারে। কিন্তু কারখানার মালিকরা এমন চুক্তি বা পরিকল্পনার বিরোধী বলেই মনে হচ্ছে।
দলীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার অবস্থানও দলের জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারে। তার দলের এক-তৃতীয়াংশ এমপি তাদের ওপর আক্রমণের ভয়ে এলাকায় যান না। দুরাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোন উদাহরণ নেই। বিশ্বাসযোগ্য প্রার্থীদের বেছে নিলে তাদের দলে বিভক্তি দেখা দিতে পারে।

রবিবার, 11 আগস্ট 2013 11:05

নাফিসের বাবা শয্যাশায়ী

লিখেছেন

নাফিসের বাবা শয্যাশায়ী

 

ঢাকা: দোষ স্বীকার করার পরেও এতো বেশি সাজা হবে এমনটি ভাবেননি নাফিস। তার পরিবারের লোকজনও এমনটি আশা করেননি। রায় শুনেই তার বাবা অসুস্থ হয়ে এখন পর্যন্ত শয্যাশায়ী। এমনকি খাওয়া-দাওয়াও ছেড়ে দিয়েছেন।  

শনিবার সন্ধ্যায় তার পরিবারের   তথ্য দেন নাফিসের বড় বোন ফারিয়েল বিলকিস।  

জঙ্গি সংগঠনকে সহযোগিতা বোমা হামলায় নিউইয়র্কে ফেডারেল রিজর্ভ ব্যাংক উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে বাংলাদেশি যুবক রেজওয়ানুল আহসান নাফিসের ৩০ বছর সাজা হয়।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ৩০ বছরের সাজার রায় দেন আমেরিকার ফেডারেল কোর্ট। রায় শুনেই টেলিভিশনে কারাদণ্ডের খবর শোনার পর নাফিসের বাবা মা কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জ্ঞান ফেরানো হয়। নাফিসের বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বাইরের কোনো মানুষের সঙ্গে কথাও বলেননি নাফিসের বাবা। নাফিসের বড় বোন ফারিয়েল বিলকিস জানান, কথা বলার মতো অবস্থা নেই তার বাবার।

বিলকিস বলেন, দোষ স্বীকার করার পরেও শাস্তি এতো বেশি হবে তা ভাবেননি নাফিস। আর আমরাও এমনটি আশা করিনি। রায়ে পুরো পরিবার আশাহত। এমনকি বাবা শয্যাশায়ী, কারোর সঙ্গে কথা বলার অবস্থা তার নেই। মানসিকভাবেও একবারেই ভেঙ্গে পড়েছেন তিনি।

তিনি জানান, দোষ স্বীকার করায় তার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলেরও সুযোগ নেই। আর সাজা কমানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন নাফিসের আইনজীবী হেইডি সিজার।

বিলকিস বলেন, নাফিসের আইনজীবী জানিয়েছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সাজার মেয়াদ কমানোর বিষয়টি আইনজীবী আদালতকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু আদালত তা শোনার পরেও রায় দিয়েছেন। আমরাও ভাগ্যে রয়েছে বলেই আদালত রায় দিয়েছেন বলে মনে করছি।

রায় নিয়ে পরিবারের মন্তব্য কি এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রায়ের আগেই নাফিস বোমা হামলায় ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পরে আমেরিকার আইন অনুযায়ী আদালতে কোনো ধরনের আপিল করার কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করে আর লাভ হবে না। আমরা এটাকে তার ভাগ্য বলেই ধরে নিয়েছি।

বিলকিস বলেন, কারাগারে নাফিস ভালো আচরণ করলে ১৫ শতাংশ সাজা মাফ পাবেন। আইনজীবী আশা প্রকাশ করে -মেইলে তথ্য দেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কূটনৈতিক ৎপরতা চালিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে যদি নাফিসের সাজা কমানো যায়, সে লক্ষ্যে দূতাবাসের সঙ্গে পরিবারের পক্ষে যোগাযোগ করা হবে বলেও জানান বিলকিস। তবে, তার বাবা সুস্থ হয়ে উঠলে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

 

শুক্রবার, 02 আগস্ট 2013 10:35

শ্বশুরবাড়িতে শেখ হাসিনা

লিখেছেন

পীরগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠের জনসভা মঞ্চে নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী ও সজীব ওয়াজেদ জয়।

একমাত্রছেলেসজীবওয়াজেদজয়েরজন্মদিনেনিজহাতেপোলাওরান্নাকরেছেনপ্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনা

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীজয়েরজন্মদিনশনিবার।এবারেরজন্মদিনমায়েরসরকারিবাড়িগণভবনেঘরোয়াপরিবেশেউদযাপনকরছেনতিনি

জয়েরফেইসবুকপাতায়সন্ধ্যাসোয়া৬টারদিকেতোলাএকটিছবিতেদেখাযায়, প্রধানমন্ত্রীরান্নাঘরেরান্নাকরছেন।তিনিএকহাতেকাঠেরখুন্তিদিয়েএকটিপাতিলেমাংসনাড়ছেন, অন্যহাতেওইপাতিলেরআরেকটিঅংশধরেরেখেছেন

সাদাশাড়িরওপরএকটিরান্নারঅ্যাপ্রোনগায়েজড়ানোপ্রধানমন্ত্রীখোঁপাকরাচুলআটকেরেখেছেনদুটিক্লিপদিয়ে

ছবিরক্যাপশনেজয়লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রীআমারজন্যমোরগ-পোলাওরান্নাকরছেন।আমিযতপোলাওখেয়েছি, তাররান্নাইসবচেয়েসেরা।

মাপ্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনা, স্ত্রীক্রিস্টিনওভারমায়ারমেয়েএবংবোনসায়মাহোসেনপুতুলেরসঙ্গে৪২তমজন্মদিনপালনকরছেনজয়

গণভবনসূত্রজানায়, দিনভরব্যস্ততারমধ্যেইদুপুরেরপরছেলেসহপরিবারেরসদস্যদেরজন্যরান্নাকরেনশেখহাসিনা।তবেতিনিনিজেইফতারেরসময়গণভবনেছিলেননা।

প্রধানমন্ত্রীশনিবারজাতীয়প্রেসক্লাবেবাংলাদেশফেডারেলসাংবাদিকইউনিয়নএবংঢাকাসাংবাদিকইউনিয়নেরইফতারঅনুষ্ঠানেঅংশনেন।

১৯৭১সালেমুক্তিযুদ্ধেরসময়অবরুদ্ধঢাকায়জন্মহয়জয়ের, বিজয়েরপরতারনামরাখেননানাবঙ্গবন্ধুশেখমুজিবুররহমান

জন্মদিনউপলক্ষেপ্রধানমন্ত্রীপুত্রজয়নিজেরঅফিসিয়ালফেইসবুকপাতাচালুকরেছেনএবংতাতেসবাইকেধন্যবাদওজানিয়েছেন

জয়বলেছেন, দেশেপরিবারেরসদস্যবন্ধুদেরসঙ্গেজন্মদিনউদযাপনসত্যিইচমকার

স্ত্রী, মেয়েএবংবোনভাগ্নিরাসঙ্গেথাকলেওখালাশেখরেহানাখালাতভাই-বোনেরঅভাববোধকরছেনবলেওজানিয়েছেনজয়

 

 

শনিবার, 27 জুলাই 2013 00:37

বাঁচানো গেল না

লিখেছেন

চার ঘণ্টার চেষ্টার পর রাত ৯টার দিকে র‌্যাকার দিয়ে নালা থেকে গরুটি জীবিত উদ্ধার করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। উদ্ধারের পাঁচ মিনিট পরই গরুটি মারা যায়।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা