09212018শুক্র
শিরোনাম:
স্পটলাইট

স্পটলাইট (819)

নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিজেদের বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে সামনের সব স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সব মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই অংশ হিসেবে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া এ নির্বাচনের মাঠ পর্যবেক্ষণে যাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদাসহ চার নির্বাচন কমিশনার। বুধবার সিইসি সাংবাদিকদের জানান, ১৯ নভেম্বর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পর আমরা সবাই রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন এলাকা পর্যবেক্ষণে যাবো। প্রার্থী, ভোটার, স্থানীয় নেতা, প্রশাসনের সবার সঙ্গে মিলিত হবো। যাতে সেখানে একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারি। গতকাল বৃহস্পতিবার ইসির যুগ্মসচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো চিঠিতে, রংপুর সিটি নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরে ১৫ দিন পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তাকে বদলি না করার জন্য নিদের্শনাও দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার, 10 নভেম্বর 2017 16:44

সৌদিতে এবার রাজকুমারী আটক

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক সৌদি আরবে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এবার রিম নামে এক রাজকুমারীকে আটক করা হয়েছে। সম্প্রতি আটক হওয়া ধনকুবের প্রিন্স আল-ওয়ালদ বিন তালালের মেয়ে রিম। বৃহস্পতিবার সৌদি সরকার এ রাজকুমারীকে আটক করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সৌদি সূত্র আরাবি২১ অনলাইনকে জানিয়েছে, সৌদি রাজপরিবারে এই প্রথম কোনো নারী সদস্যকে আটক করা হলো। প্রসঙ্গত, সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান দেশটিতে কথিত দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। গত শনিবার হঠাৎ করেই কথিত দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান হন যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান। ওইদিনই দেশটির ১১ জন প্রিন্স এবং বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রীসহ মোট ৩০ জনকে আটক করা হয়। দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হলেও বিশ্বের বহু বিশ্লেষক মনে করছেন, যুবরাজ মুহাম্মাদ নিজের ক্ষমতা নিরংকুশ করার জন্য এসব ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। নিজের ছেলেকে ক্ষমতায় বসাতে এবং তার ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করার জন্য রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে এসব করাচ্ছেন।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরে বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় ৩০তম অবস্থানে রয়েছেন। গত বছর তাঁর অবস্থান ছিল ৩৬তম। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস বুধবার এর ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করেছে। ফোর্বস তাঁকে ‘লেডি অব ঢাকা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, তিনি রোহিঙ্গা জনগণের সাহায্যের অঙ্গীকার করেন এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের জন্য ২ হাজার একর ভূমি বরাদ্দ করেন, যা মিয়ানমারের অং সান সু চির সম্পূর্ণ বিপরীত। এতে বলা হয়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশের গণহত্যার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বিপুল ব্যয় সত্ত্বেও তাঁর দেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে গৌরববোধ করছেন এবং ইতোমধ্যেই তাদের আইডেন্টিফিকেশন কার্ড এবং শিশুদের টিকাদান করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে সপ্তমবারের মত এবং মোট ১২ বার ফোর্বস’র তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর এঞ্জেলা মার্কেল। তালিকায় দ্বিতীয় ক্ষমতাবান হিসেবে রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এরপরই রয়েছেন মাইক্রোসফট মালিক বিল গেটস-এর স্ত্রী এবং বিল অ্যান্ড মিলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার মিলিন্ডা গেটস। ফেসবুক সিইও সিরিল স্যান্ডবার্গ এবং জেনারেল মোটরস সিইও মেরি বাররা। শীর্ষ দশের তালিকায় অন্যরা হলেন- ইউটিউব সিইও সুজান ভোজসিসকি (ষষ্ঠ), যুক্তরাষ্ট্রের ফিডিলিটি ইনভেস্টমেন্ট প্রেসিডেন্ট-সিইও আবিগাইল জনসন (সপ্তম) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন লাগার্দ (অষ্টম) স্পেনের সানটানডার গ্রুপ, ব্রানকো সানটানডার সভাপতি অ্যানা প্যাট্রিসিয়া বোটিন (নবম) এবং আইবিএম সিইও গিননি রোমেট্রি (দশম)। বিশ্বের ২৯টি দেশ থেকে রাজনীতি, ব্যবসা, টেকনোলজি, মানবহিতৈষীর মতো খাতগুলো থেকে ১০০ জন প্রভাবশালী নারী নির্বাচিত করা হয়। বাসস
সোমবার, 30 অক্টোবার 2017 07:29

মিয়ানমারের আচরণে হতাশ পররাষ্ট্র সচিব

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের আচরণে হতাশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক। দেশটির কাছ থেকে বাংলাদেশ প্রত্যাশিত ব্যবহার পাচ্ছে না বলে জানান তিনি। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, 'এ সংকট সমাধানে শর্টকার্ট কোনো পথ নেই। সমাধানের গতি বাড়াতে বহুপক্ষীয় চাপ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।' রোববার স্থানীয় একটি হোটেলে ইউএন উইমেন আয়োজিত কর্মশালায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালা সম্পর্কে পররাষ্ট্র সচিব জানান, মূলত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ১৩২৫ নিয়েই কর্মশালায় আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘের ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে জাতীয় অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। এরপর তা মন্ত্রিপরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, 'রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দু'দেশের মধ্যে আলোচনা ভালোভাবেই শুরু হয়েছিল। কিন্তু মিয়ানমারের কাছ থেকে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া বা সাড়া আসছে, তাতে বাংলাদেশ এই মুহূর্তে সন্তুষ্ট হতে পারছে না।' অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মিয়ানমার সফরে নভেম্বরের মধ্যে দু'দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়ে দু'পক্ষ একমত হয়েছে।' 'ওয়ার্কিং গ্রুপ' গঠন প্রক্রিয়াধীন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'যে কোনো দেশের মানুষ কোথাও আটকা পড়লে প্রথমেই যাচাই-বাছাই করার কথা বলা হয়। কারণ এ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নিয়ম এভাবেই করা হয়েছে।' পররাষ্ট্র সচিব জানান, অতীতের চেয়ে বতর্মানে সংকট সমাধানে নিঃসন্দেহে গতি অনেক বেশি। এখন আলোচনা ও প্রত্যাবাসন প্রতিক্রিয়া কতটা গতিশীল করা সম্ভব হয় সেজন্যই সব প্রচেষ্টা। শহীদুল হক বলেন, 'মিয়ানমারের ওপর চাপ বন্ধ হওয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ঠিক নয়। কারণ চাপ বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা এখন দেখা যাচ্ছে না। বরং বর্তমান বাস্তবতায় যে ধরনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দরকার, তার পদক্ষেপই নেওয়া হয়েছে। বহুপক্ষীয় চাপ বজায় রাখতে পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে, একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারণ তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রাখার কোনো বিকল্প নেই।' মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব—এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, 'আগে দেখতে হবে সেখানে কোন দেশ কী ধরনের অবস্থান নিচ্ছে। বাংলাদেশ চায়, সব দেশ মিলে শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত আসুক। সব দেশ একসঙ্গে কোনো সিন্ধান্ত নিলে তা চাপ সৃষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে। সংকট সমাধানে এই কার্যকর চাপই জরুরি।'
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক রাজনীতি করতে গিয়ে তাঁকে হামেশাই নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তা সে বিরোধীদের হোক বা কোনও দলীয় সমর্থকের! তিনি সে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে অভ্যস্ত। কিন্তু রাজনীতির বাইরে যে প্রশ্নটা বহু বার উঠেছে, সেই প্রশ্নটাই ফের করা হল একটি অনুষ্ঠানে। আর সেই প্রশ্ন কোনও রাজনীতিবিদের নয়, কোনও দলীয় সমর্থকের নয়, কোনও বিরোধীরও নয়। প্রশ্নটা তুলেছেন ভারতের অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার বিজেন্দ্র সিংহ। আর যাঁকে সেই প্রশ্নটা করেছেন, তিনি আর কেউ নন ভারতীয় রাজনীতির ‘মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর’, কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গাঁধী। নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন রাহুল। অনুষ্ঠানে স্পোর্টস ডেভেলপমেন্টের উপর আলোচনা চলছিল। দর্শকদের মধ্যে থেকে হঠাত্ বিজেন্দ্র উঠে রাহুলকে দুটো প্রশ্ন করেছিলেন। তাঁর মধ্যে দ্বিতীয় প্রশ্নটা রাহুলের কাছে ছিল ‘আউট অব দ্য রিং’! স্পোর্টস ডেভেলপমেন্টের উপর কথা ওঠায় রাহুলকে বিজেন্দ্র বলেন, “আমি অনেক সাংসদ, বিধায়ককে কোনও খেলায় অংশ নিতে দেখিনি। এসেছেন, ফিতে কেটে উদ্বোধন করেছেন। কিন্তু ম্যাচ খেলতে দেখা যায়নি।” এর পরই বিজেন্দ্র প্রশ্ন করেন, “আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তা হলে স্পোর্টসের ডেভেলপমেন্টের জন্য কী করবেন?” রাহুল উত্তর দিতে যাবেন, ঠিক সেই সময় দ্বিতীয় প্রশ্নটাও করেন বিজেন্দ্র। আর এটা তাঁর ঘনিষ্ঠ জন তো বটেই, সারা দেশের কাছে কোটি টাকার প্রশ্ন। সেই দ্বিতীয় প্রশ্নটি হল, রাহুল কবে বিয়ে করছেন? বিজেন্দ্র বলেন, “আমি ও আমার স্ত্রী প্রায়ই আলোচনা করি রাহুল ভাইয়া করে বিয়ে করছেন।” ‘এটা বহু পুরনো প্রশ্ন’— এই বলে রাহুল পাশ কাটানোর চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই কিন্তু বিজেন্দ্রও ছাড়বার পাত্র নন। তিনি ফের বলেন, “জবাব তো দিন। অনেক দিন ধরেই দেশবাসী এই উত্তরটার অপেক্ষায় রয়েছে!” এই ‘আপার কাট’ সামলানো রাহুলের পক্ষে একটু কঠিনই হয়েছিল বটে। তবে উত্তরও দিয়েছেন সুকৌশলে। যেমনটা আগেও করেছেন। এ বারও তিনি বলেন, “আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি। যে দিন হবে, হবে!” রাহুলের রাজনীতি কেরিয়ার নিয়ে অনকেই জানেন। কিন্তু তাঁর ‘স্পোর্টস এফিসিয়েন্সি’ নিয়ে হয়তো অনেকেই জানেন না। সেটা রাহুলও কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন ওই অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন, “হয়ত অনেকেই জানেন না, আমি প্রতি দিন এক ঘণ্টা করে শরীরচর্চা করি। আইকিডোতে আমার ব্ল্যাক বেল্টও রয়েছে। তবে এ সব কথা আমি জনসমক্ষে বলি না।” পাশাপাশি তিনি এটাও জানান, গত তিন-চার মাস ধরে তিনি ঠিক মতো শরীরচর্চা করতে পারছেন না। এর পরেও রাহুলকে ছাড়েননি বিজেন্দ্র। সব শুনে তিনি একটু ঠাট্টা করেই প্রশ্ন করেন, “ তা হলে সেই শরীরচর্চার কিছু ভিডিও আপলোড করছেন না কেন ? এতে তো অনেক মানুষই অনুপ্রাণিত হতে পারেন!” রাহুল হেসে প্রতিশ্রুতি দেন, “ঠিক আছে, তাই-ই হবে।আনন্দবাজার
মঙ্গলবার, 24 অক্টোবার 2017 11:00

আমরা কারো চেয়ে কম নই: জয়

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, পদ্ম সেতু নিয়ে কম ষড়যন্ত্র হয়নি। বিশ্বব্যাংক সহযোগিতার কথা বললেও পরে তারা সরে গেছে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করে যাচ্ছি। আমরা কারো চেয়ে কম নই। বিদেশের সঙ্গে আমরা সমানে সমান। সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে 'রাজনীতিতে সত্য-মিথ্যা: পদ্মা সেতুর অভিজ্ঞতা' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ পর্যায় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে ড. ইউনূস হিলারি ক্লিনটনকে অনুরোধ করেন বিশ্বব্যাংক যেন বাংলাদেশকে শাস্তি দেয়। ফলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে সরে গেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাথা নত করেননি। আমেরিকান অ্যাম্বেসির একজন প্রতিনিধি আমাকে হাসতে-হাসতে দুইবার ট্যাক্স নিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন, বলেছিলেন তোমার ট্যাক্সের অডিট হতে পারে। আমিও হাসতে হাসতে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। কারণ সৎ মানুষের ভয় কিসের, সৎ থাকলে আত্মবিশ্বাস বেশি থাকে। সৎ থাকার সুবিধা হচ্ছে কাউকে ভয় করতে হয় না। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান, সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য বিদেশিদের সার্টিফিকেট প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি। জয় বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। অতএব আমরা কোনো অংশে কম নই, কোনো দিকে থেকে কম নই। দেশের উপর আস্থা ও ভরসা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের দেশের ওপর আত্মবিশ্বাস কখনো হারাবেন না। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক ফরাসউদ্দিন, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক এ আরাফাত প্রমুখ।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আনিত তথাকথিত ‘দূর্নীতি’র মিথ্যা অভিযোগের সমুচিত জবাব দিয়েছে তাঁর সরকার। যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে তিন সপ্তাহের সফর শেষে দেশে ফেরার পর বিমান বন্দরে সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা নিজস্ব অর্থে পদ্মাসেতু নির্মাণ করছি। যারা আমাদের এই পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে মিথ্যা অপবাদ এবং বাংলাদেশের সামর্থ্যকে হেয় করার চেষ্টা করেছিল আমরা তাদের সমুচিত জবাব দিয়েছি।’ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সদ্য সমাপ্ত ৭২তম অধিবেশনে তাঁর সফল অংশগ্রহণের জন্য এক সংবর্ধনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আবারো বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তিন সপ্তাহের সফর শেষে দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে এই সংবর্ধনার আয়োজন করে । নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মত বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ সরকারের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একে কেন্দ্র করে তাঁর সরকার এবং পরিবারকে নিয়ে কুৎসা রটনা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বার্থান্বেষী মহল একে কেন্দ্র করে আমাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ দেয়ার চেষ্টা করে এবং অতি উৎসাহী মহল জনগণকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।’ তিনি বলেন, অনেকেই মনে করে যখন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা এমন অভিযোগ করছে, কাজেই এটি সত্যি হতে পারে। কিন্তুু আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে, এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই আমার এই দেশে আসা, নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও সংবর্ধনায় বক্তৃতা করেন। তিনি এবং তাঁর পরিবার পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থার মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপনের সময় কেমন মানসিক যন্ত্রণায় সময় অতিবাহিত করেছেন সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই আমাদের এমনভাবে দেখতে আরম্ভ করে যেন আমরা না যেন কি অন্যায় করে ফেলেছি।’ শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাটি সে সময় অপপ্রচার শুরু করে এবং দুর্নীতির অভিযোগে পদ্মাসেত ুপ্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়, দুর্নীতির তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করে তারা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তখন বলেছি প্রকল্পে কোন দুর্নীতি হয়নি। আর যদি হয়ে থাকে তাহলে তা প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু তারা এই অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়। অথচ, যিনি বাংলাদেশের দুর্নীতির বিষয়ে সে সময় সবচেয়ে সরব ছিলেন তার নিজেরই ৪০ হাজার পৃষ্টার দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ পেয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই তখন বিশ্বাস করতে পারেনি সরকার নিজস্ব অর্থে এই সেতু নির্মাণে সক্ষম হবে,মন্ত্রী সভার অনেকের মধ্যেও তখন সে বিশ্বাস ছিল না। কিন্তুু আমার প্রতিজ্ঞা ছিল, নিজস্ব অর্থেই পদ্মাসেতু নির্মাণ হবে। অনেকেই তখন আশংকা প্রকাশ করেছিল, যেহেতু পদ্মাসেতু এলাকার সাথে তার নির্বাচনী এলাকা সম্পর্কিত সেহেতু তার নির্বাচনী আসনের কি হবে, তখন আমি বলেছিলাম, আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে বা নির্বাচনে বিজয়ের জন্য এটা করছি না,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন সত্যের জয় অনিবার্য। আর এটা শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোর দিন তিনি এবং তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থানকালিন বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘রাত ৩ টায় ব্রিজের প্রথম স্প্যান বসানোর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবার সংবাদ পেয়ে আমরা আনন্দে কেঁদে ফেলি।’ প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশের দক্ষিণ জনপদকে যুক্তকারি এই সেতু নির্মানে তাঁকে অকুন্ঠ সমর্থনের জন্য দেশে-বেদেশে অবস্থানকারি সকল বাংলাদেশীদের অভিনন্দন জানান। নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণে সমর্থ হওয়ায় তাঁর সরকার দেশ ও জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের চেয়ে বড়ো আর কিছু একজন রাজনীতিকের জীবনে হতে পারে না। আর এটাই সব থেকে বড়ো উপহার, যা আমি অর্জন করেছি।’ প্রধানমন্ত্রী এ সময় পদ্মাসেতুর প্রথম স্প্যান সফলভাবে সংযোজন সম্পন্ন হওয়ায় মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে শোকরিয়া জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন আর আমরা চাই সমগ্র বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ সবসময় মাথা উঁচু করে চলবে। এদিন রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও বিস্তরিত খোলামেলা কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের ওপর যুদ্ধ পর্যন্ত চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী । রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়াটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ গ্রহণ করায় এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও বিষয়টির ওপর পড়েছে এবং মিয়ানমারও আলোচনা করতে আগ্রহী হয়েছে। সরকার প্রধান বলেন, ‘আরো বেশ কিছু ঘটনা ছিল যেটা হয়তো এখন বিস্তারিত বলবো না, আমাদের একেবারে প্রতিবেশী, তারা একটা পর্যায়ে এমন একটা ভাব দেখালো যে আমাদের সঙ্গে যেন যুদ্ধই বেঁধে যাবে। আমি আমাদের সেনাবাহিনী বর্ডার গার্ড- সকলকে সতর্ক করে বললাম, ‘কোন রকম উস্কানিতে তারা যেন বিভ্রান্ত না হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নির্দেশ না দেই। তারা এরকম একটা ঘটনা ঘটাতে চাইবে এবং অনেকেই আছে এখানে নানারকমের উস্কানি দেবে বা এমন একটা অবস্থা তৈরি করতে চাইবে যেটা অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরাবে। বিদেশে যাবার পূর্বেই যেকোন ধরনের অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব সম্পর্কে সকলকে সতর্ক করে যান উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেদিকে আমরা খুবই সতর্ক ছিলাম। জনগণ জানে আমাদের সশ¯্রবাহিনী আমাদের বিজিবি পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় যারা সংগঠন করেন এবং অন্যান্য প্রত্যেককেই আমরা এ ব্যাপারে সতর্ক করি। যা যা দরকার তার আগাম ব্যবস্থা আমি করে দিয়ে গিয়েছিলাম।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাই হোক আমি এটুকুই বলব, বাংলাদেশ এই আশ্রয়টা দিয়ে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। শুধু তাই নয়, আমরা বললাম প্রয়োজনে আমরা একবেলা খাব, আর অন্য বেলার খাবারটা ওদেরকে দিয়ে দেব এবং আমরা কিন্তুু সেটা করে যাচ্ছি। আর আজকে বাংলাদেশ যদি এই অবস্থানটা না নিত, তাহলে হয়তো আন্তর্জাতিক সম্পদায়েরও দৃষ্টিটা এভাবে আকর্ষণ করতে পারতো না। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়াটা সম্পূর্ণই মানবিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ মানুষের জন্য। আর বিপন্ন মানুষকে আশ্রয় দেয়া মানুষের দায়িত্ব।’ তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখলাম মিয়ানমারে যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার হয়েছে, যেভাবে গণহত্যা, পাশবিক অত্যাচার হয়েছে, তাতে ছোট শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পায়নি। খুব স্বাভাবিকভাবে তাদেরকে আমাদের তাদেরকে আশ্রয় দিতে হলো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর বহুদেশে এধরনের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, কিন্তু আমরা দেখেছি বিশ্বে অনেকেই দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। আশ্রয় দিতে চায়নি। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ছোটবেনি শেখ রেহানাকে সঙ্গে করে কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির পরিদর্শনের স্মৃতিচারন করে বলেন, ‘সে সময় রেহানাও আমার সঙ্গে ছিল সে বললো ১৬ কোটি মানুষকেতো ভাত খাওয়াচ্ছো আর ৫-৭ লাখ লোক, তাদেরকে আশ্রয় দিতে পারবে না। খাওয়াতে পারবে না।’ এই যে কথাটা- সত্য কথা বলতে কি এটা একটা আত্ম বিশ্বাসের ব্যাপার। প্রধানমন্ত্রী সেখানে ত্রাণকার্য পরিচালনার উল্লেখ করে বলেন, কে কখন আমাদের কি সাহায্য দেবে তার জন্য কিন্তু আমরা অপেক্ষা করিনি। আমাদের দলের নেতা-কর্মী, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড সকলেই একটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা যারা সহযোগিতা করছে তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সকলেই সহযোগিতা করছে। সকলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি এটাই শুধু চিন্তা করেছি ১৯৭১ সালের কথা। আজকের অনেকের সে সময় জন্মই হয়নি। তারা জানে না সে সময়কার ভয়াবহতার কথা। প্রধানমন্ত্রী এ সময় নিজেকে ভুক্তভোগী উল্লেখ করে তাঁদের গ্রাম, দাদা-দাদী, নানা-নানীর ঘর বাড়ি সহ পাকিস্তানী হানাদারদের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া এবং হত্যাযজ্ঞের দুঃসহ স্মৃতি স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আমাদের সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে তিন কোটি সাড়ে তিন কোটি মানুষের ঘর-বাড়ি জালিয়ে দিয়ে তাদের নি:স্ব করে দেয়া হয়েছিল। প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। তিনি বলেন, কাজেই আমাদের যখন এমন একটি অভিজ্ঞতা রয়েছে তারপর যখন আমরা বিপন্ন মানবতা দেখলাম আমি মনে করলাম এসব আশ্রয়হীন মানুষকে আশ্রয় দেয়া জাতিয়ভাবে আমাদের কর্তব্য। এ সময় শরনার্থীদের কাছে যথাযথভাবে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রশাসন এবং তাঁর দলের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কেও আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। ‘যারা বিপন্ন মানুষ আগে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে-’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদের সেই রাজনীতিই শিখিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের কিন্তুু একটি স্বভাবজাত প্রবণতা আছে- দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, এটিই আমাদের রাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের যা আছে তা দিয়েই আমরা শুরু করেছি এবং এখনো একটি বিরাট দায়িত্ব আমাদের এবং আমি ধন্যবাদ জানাই মিয়ানমার সরকার আন্তর্জাতিক চাপে এবং যেভাবেই হোক তারা অন্তত এগিয়ে এসেছে, আলোচনা শুরু করেছে। আমি মনে করি এটাও একটি বিশেষ দিক, আন্তর্জাতিক চাপ আছে।এ অবস্থায় আলোচনার মধ্যদিয়ে আমরা এটার সমাধান করতে পারবো। তিনি বলেন, এই যে আপনারা সমাজের বিশিষ্ট জনেরা আজ এখানে আছেন- আসলে যখন একটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তখন সিদ্ধান্ত সঠিক কি ভুল সেটা ঠিক করার চাইতেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। যখন দেখি সিদ্ধান্ত সঠিক এবং এজন্য মানুষের সমর্থনটা পাচ্ছি সেটা কিন্তুু আমাদের মানসিক শক্তি জোগায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ছিলাম ওখানে (দেশের বাইরে) কিন্তুু প্রতিদিনই আমার সংগে যোগাযোগ ছিল। অফিসের কাজও বাদ দেইনি। আর এখনতো ডিজিটাল বাংলাদেশ তাই অনলাইনেও ফাইল সই করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী এ সময় মিয়ানমারের আগত নাগরিকদের তালিকা করা, বায়োমেট্রিক রেজিষ্ট্রেশনের তাঁর সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন। এরআগে, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ১৪ দলীয় জোট, বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়াবিদ গণ, মিডিয়া ব্যাক্তিত্ববৃন্দ, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জন প্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম,এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জ্বল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ দিলু, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম এবং ইকবাল সোবহান চৌধুরী,জনপ্রশাসনপ্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি,যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা’র (বাসস) চেয়ারম্যান রাহাত খান, দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারোয়ার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন,জেষ্ঠ সাংবাদিক আবেদ খান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, বাংলাদেশ ওয়ান ডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা,শিল্পী হাশেম খান, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু),সাম্যবাদি দল,তরিকত ফেডারেশনসহ ১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, শিল্পী, গায়কসহ গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার, 03 অক্টোবার 2017 08:52

লাস ভেগাস কনসার্টে গুলি: কে এই হামলাকারী?

লিখেছেন
< > নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক আমেরিকার লাস ভেগাসে রুট নাইনটি ওয়ান নামের তিনদিনের কান্ট্রি মিউজিক ফেস্টিভালে ২২০০০ মানুষ জমায়েত হয়েছিল। গান চলাকালে হঠাৎ-ই শোনা যায় স্বয়ংক্রিয় বন্দুকের আওয়াজ। নেভাডার বাসিন্দা স্টিফেন প্যাডক নামের এক বন্দুকধারী পাশের মান্দালে বে হোটেলের ৩২ তলা থেকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়ে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। মান্দালে বে হোটেলটি ছিল উন্মুক্ত কনসার্ট অনুষ্ঠানের পাশেই। আর সেখান থেকেই নির্বিচারে গুলি চালায় নেভাডার বাসিন্দা ৬৪ বছর বয়স্ক স্টিফেন প্যাডক । পুলিশের অভিযানের সময় সে আত্মহত্যা করে বলে জানা যায়। হোটেলটির ৩২ তলার সেই কক্ষে আরও ১৬টি আগ্নেয়াস্ত্রের খোঁজ পায় পুলিশ। সেই সাথে তার বাসায় ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরকের সন্ধান মিলেছে। আর তার গাড়িতে পাওয়া গিয়েছে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-এর মতো রাসায়নিক। জানিয়েছেন শহরটির শেরিফ। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক কর্মখান্ডে জড়িত থাকার তথ্য নেই। তার সাবেক একজন প্রতিবেশী জানান, তিনি একজন পেশাদার জুয়ারি । নেভাডার বাসিন্দা স্টিফেন প্যাডক পাশের হোটেল থেকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়ে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানান, হামলাকারীর মানসিক সমস্যার ইতিহাস ছিল বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে। হামলাকারীর ভাই এরিক প্যাডক তার ভাইয়ের এমন ঘটনায় জড়িত থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন যে, তাদের কোনও ধারনাই নেই কেন সে এমনটি ঘটিয়েছে। কনসার্টে গুলি বর্ষণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯জনে। আহত অন্তত ৫২৭জন। এমন ঘটনা পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবিলা করবে বলে, উল্লেখ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিস্টার ট্রাম্প বলছেন, " এটা সাক্ষাত শয়তানের কাজ। এফবিআই এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটিজ এটি নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসনও তাদের সাহায্য করছে।" তদন্তকারীরা এই ঘটনার সাথে কোনও আন্তর্জাতিক উগ্রবাদী সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার না করলেও, ইসলামিক স্টেট বা আইএস গোষ্ঠী এর দায় স্বীকার করেছে। আইএস বলছে যে, এই হত্যাকারী স্টিফেন প্যাডক ছিল ধর্মান্তরিত মুসলিম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুধবার লাস ভেগাস সফরে যাবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।বিবিসি বাংলা < >
শনিবার, 30 সেপ্টেম্বর 2017 09:37

মিস বাংলাদেশ জান্নাতুল নাঈম

লিখেছেন
বিনোদন প্রতিবেদক বিশ্বের সুন্দরীদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকবেন বাংলাদেশের মেয়ে জান্নাতুল নাঈম। এবার ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হয়েছেন তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রী হলে এই প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ নভেম্বর চীনের সানাইয়া শহরে অনুষ্ঠেয় ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন জান্নাতুল নাঈম। ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে অন্তর শোবিজ ও অমিকন এন্টারটেইনমেন্ট। বাংলাদেশে এবারই প্রথম ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। গত আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৫ হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্য থেকে কয়েকটি ধাঁপে বাছাই করা হয়েছে সেরা ১০ জনকে। এই ১০ জন হলেন রুকাইয়া জাহান, জান্নাতুল নাঈম, জারা মিতু, সাদিয়া ইমান, তৌহিদা তাসনিম, মিফতাহুল জান্নাত, সঞ্চিতা দত্ত, ফারহানা জামান, জান্নাতুল হিমি এবং জেসিকা ইসলাম। আজ গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেন তাঁরা। ‘লাভেলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের বিচারক ছিলেন বিবি রাসেল, জুয়েল আইচ, শম্পা রেজা, চঞ্চল মাহমুদ, রুবাবা দৌলা মতিন ও সোনিয়া কবির। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শিনা চৌহান। অনুষ্ঠানের একসঙ্গে গান গেয়েছেন দুই ভাই হৃদয় খান ও প্রত্যয় খান। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আনিকা। শীর্ষ ১০ প্রতিযোগী ক্যাটওয়াকের পাশাপাশি জনপ্রিয় গানে ঠোঁট মিলিয়েছেন ও নেচেছেন। ছিল চিত্রনায়ক নিরবের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে এনটিভি।
বৃহস্পতিবার, 28 সেপ্টেম্বর 2017 15:04

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে মোদীর শুভেচ্ছা

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইটারে দেয়া পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন আজ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের এই দিনে মধুমতি নদী বিধৌত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। টুইটারে দেয়া পোস্টে মোদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা