11192018সোম
স্পটলাইট

স্পটলাইট (825)

মঙ্গলবার, 20 ফেব্রুয়ারী 2018 11:34

বিএনপিতে কী একজন নেতাও নেই: শেখ হাসিনা

লিখেছেন
বিশেষ প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করার মতো একজন নেতাও কি পাওয়া গেল না! বিএনপির নেতৃত্বে কী এতই দৈন্যদশা। দলটির চেয়ারপাসনের কি দেশের কোনো নেতার প্রতি এতটুকু ভরসা নেই? তিনি বলেন, দেশে কাউকেই পাওয়া গেল না, অথচ বিদেশে থাকা পলাতক এক আসামীকে চেয়ারপারসন করতে হলো। দেশে থাকা একজন নেতারও কি চেয়ারপারসন হওয়ার যোগ্যতা নেই? প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ১/১১ সরকারের সময়ে গ্রেফতার হওয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি তখন গ্রেফতার হওয়ার পর পরই জিল্লুর রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছি। আমার আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে কাউকেই এ দায়িত্ব দেইনি। যোগ্যতা অনুযায়ীই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটিতে চারদিনের সরকারি সফর করেন।তার ওই সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট এফ হংবো'র আমন্ত্রণে ইফাদের বার্ষিক পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি পোপ ফ্রান্সিসের আমন্ত্রণে ভ্যাটিকান সিটির হলি সি সফর করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী পোপ ও ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারি অব স্টেট কার্ডিনাল পিয়েত্র পারোলিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন
রবিবার, 18 ফেব্রুয়ারী 2018 10:40

মিয়ানমার জেনারেলের ওপর কানাডার নিষেধাজ্ঞা

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক রাখাইনে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিধন অভিযান চালানোর দায়ে মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তার ওপর টার্গেটেড নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কানাডা। রোহিঙ্গা নিপীড়নে ‘তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা’ রাখায় মেজর জেনারেল মং মং সোয়ের বিরুদ্ধে এই নিষেধজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শুক্রবার কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছেন। এর আগে গত ডিসেম্বরে মিয়ানমারের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, কানাডার ‘দ্য জাস্টিস ফর ভিকটিমস অব করাপ্ট ফরেন অফিসিয়াল অ্যাক্ট’ এর আওতায় মিয়ানমারের জেনারেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। এর ফলে তিনি কানাডায় কোনো আর্থিক লেনদেন বা সেখানে ভ্রমণ করতে পারবেন না। এছাড়া জব্দ করা হবে দেশটিতে থাকা তার সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টও। ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিপীড়নের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, আর মেজর জেনারেল মং মং সোয়ে ছিলেন এই নিপীড়নের অন্যতম হোতা। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া এই মানবতাবিরোধী অপরাধ কানাডা নীরব দাঁড়িয়ে দেখতে পারে না। রোহিঙ্গাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, অধিকার ও সম্মানের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়া সংখ্যালঘু নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর পাশে সহমর্মিতা নিয়ে দাঁড়াবো আমরা। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং বেসামরিক সরকারকে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
বৃহস্পতিবার, 15 ফেব্রুয়ারী 2018 21:17

প্রধানমন্ত্রী শনিবার দেশে ফিরছেন

লিখেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে যাত্রাবিরতির পর শনিবার দেশে ফিরবেন। প্রধানমন্ত্রী ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটিতে ৪ দিনব্যাপী সরকারি সফর শেষে বৃহস্পতিবার সকালে রোম থেকে দুবাই এসে পৌঁছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সেখান থেকে টেলিফোনে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)-এর রাজধানী আবুধাবিতে যাত্রাবিরতির পর শনিবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরে আসবেন। তিনি বলেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি বিমান বৃহস্পতিবার সকালে আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইউএই’তে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটিতে ৪ দিনব্যাপী সরকারি সফর শেষ করে স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টা) আবুধাবির উদ্দেশে রোমের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। বাসস
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে উচ্চ আদালতে সাংবাদিকদের একমাত্র সংগঠন ল' রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ)। সোমবার দুপুরে প্রধান বিচারপতির খাসকামড়ায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের সদস্যরা। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, 'আমিও একসময় সাংবাদিক ছিলাম।' শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে নারী সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে প্রধান বিচারপতি বলেন, 'সাংবাদিকতায় নারীরাও এগিয়ে আছেন, এটা ভালো দিক।' এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, এলআরএফের সভাপতি আশুতোষ সরকার, সাবেক সভাপতি এম. বদি-উজ-জামান, বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মাশহুদুল হক, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম পান্নু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে এলআরএফের নেতারা প্রধান বিচারপতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের প্রায়ই সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক কোর্টে সাংবাদিকদের প্রবেশেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, তথ্য পাওয়ার ব্যাপারে সাংবাদিকদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন তিনি। জানা গেছে, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত থাকাকালে দৈনিক সংবাদের আদালত প্রতিবেদক ছিলেন।
বৃহস্পতিবার, 25 জানুয়ারী 2018 17:21

তাদের আচরণ দেখে গাধার কথা মনে পড়ে যায়

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক সংসদে সুধীসমাজের কড়া সমালোচনা করে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মাঝে মাঝে সুশীলদের আচরণ দেখে গাধার কথা মনে পড়ে যায়। তাঁরা আমাদের দেশের জনগণের কাছে যেতে পারেন না। ভোটের রাজনীতিতে তাঁরা অচল। ভোটের রাজনীতি করতে হলে জনগণের ভোট পেতে হয়। ভোট পেয়ে এই সংসদে বসতে হয় ও সরকার গঠন করতে হয়। কিন্তু এই একটা শ্রেণি আছে, তারা কিন্তু জনগণের কাছে যেতে চায় না। তারা ক্ষমতার বাঁকা পথ খোঁজে।’ গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘কিছু লোক সব সময় থাকেন যদি অবৈধভাবে বা মার্শাল ল জারির মাধ্যমে কোনো পক্ষ ক্ষমতায় আসে আর সেই সুযোগে যদি তাঁদের গুরুত্ব বাড়ে। আর ক্ষমতাধররা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য কিছু লোককে খুঁজে নেন। আর কিছু লোক আছেন নিজেদের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতে প্রস্তুত থাকেন। তাঁরা গায়ে সাইনবোর্ড লাগিয়ে বসে থাকেন ‘ইউজ মি’ অর্থাৎ আমাকে ব্যবহার করো। এটা খুবই লজ্জার।’ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি ও বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মো. ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সুধীসমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গাধার গল্প শোনান। গল্পে তিনি বলেন, সার্কাস পার্টিতে একটা মেয়েকে দড়ি ধরে ঝুলিয়ে সার্কাস দেখায়। মেয়েটাকে কিছু ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সে কিছুতেই পারছে না। যখন কিছুতেই করতে পারছে না, তার শিক্ষক বা তার মালিক ক্ষেপে গিয়ে বলল, তুমি যদি এরপর না পার, ওই যে সার্কাস পার্টিতে একটা গাধা বসে আছে, ওই গাধার সঙ্গে তোমাকে বিয়ে দেব। ওই কথা শোনার পর গাধা খুব আশায় বসে থাকে। মেয়েটা কখন দড়ি ছিঁড়ে পড়বে, আর তার সঙ্গে বিয়ে হবে। এভাবে দিনের পর দিন চলে যায়। গাধাটা একসময় অথর্ব হয়ে যায়। কিন্তু সে বসেই থাকে, সে আর কোথাও যায় না। কিন্তু দড়িও ছিঁড়ে না, গাধার বিয়েও আর হয় না। গল্প শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তবে আমি কাউকে গাধা বলছি না। আমাদের দেশের মানুষ সবাই জ্ঞানী, গুণী, শিক্ষিত, অনেক শিক্ষিত, উচ্চ ডিগ্রিধারী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। আন্তর্জাতিক অনেক কাজ তাঁরা করেন। তাঁদের আমি গাধা বলছি না, তবে তাঁদের আচরণ দেখে খুব স্বাভাবিকভাবে ওই গাধার কথা মনে পড়ে।’ শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের দেশের জন্য দুর্ভাগ্য, কিছু লোক আছে চোখে দেখেও দেখে না, কানেও শোনে না। যারা চোখ থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির তারা সরকারের কোনো উন্নয়নই দেখতে পায় না। গানেই তো আছে ‘হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ।’ তাদের ব্যাপারে কোনো কথা বলে লাভ নেই। আমাদের লক্ষ্য একটাই—মানুষ ভালো আছে কি না?” তিনি আরো বলেন, ‘আমি জানি না সুশীলের ব্যাখ্যাটা কী, অর্থ কী বা কিভাবে কোন তত্ত্বের ভিত্তিতে তাঁরা সুধী, সেটা তখন দেখা দেয় যখন তাঁরা কোনো কিছু দেখেনও না শোনেনও না, বোঝেনও না। তাঁরা সুশীল না অসুশীল তা আমি জানি না।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা শ্রেণি আছে তাদের খুব আকাঙ্ক্ষা ক্ষমতায় যাবার। তাদের আকাঙ্ক্ষা একটা পতাকা পাবার। তবে তারা জনগণের কাছে যেতে চায় না।’ ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। তবে একটা কথা আছে। কবি বলেছেন, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল একলা চলরে...একবার নয় বারবার বলেছেন একলা চল, একলা চল, একলা চলরে। তবে একজনকে তো হাল ধরতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘গাড়ি একজনই চালায়, তবে সঠিকভাবে চালাতে হবে। নৌকা গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একজন মাঝি লাগে। সেই মাঝি যদি সঠিকভাবে চালিয়ে নিয়ে যেতে চায় বা পারে তাহলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পারে। আর যদি সঠিকভাবে না চালাতে পারে তাহলে কিন্তু মাঝখানে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি দেশ পরিচালনা তো আর কেউ এককভাবে করতে পারে না। তবে হ্যাঁ, একজনকে তো উদ্যোগ নিয়ে, ভালো-মন্দ সবকিছুর দায়িত্ব নিয়েই চলতে হয়।’ সরকারের অর্জনগুলোকে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল গঠনমূলক বক্তব্য রেখেছে, আলোচনা করছে। অন্তত বিএনপি থাকতে, যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন যে খিস্তি-খেউড় হতো, যেসব আলাপ-আলোচনা হতো কান পেতে শোনা যেত না। এখন সেসব নেই। অত্যন্ত গণতান্ত্রিক মনোভাব নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করছে বিরোধী দল। সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে।’ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভুর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে কারিগরি শিক্ষা ও কম্পিউটার শিক্ষার বিস্তার, শিল্পায়ন ও জনশক্তি রপ্তানি এবং ন্যাশনাল সার্ভিসের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ তাঁর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমৃদ্ধির পথ যাত্রায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন। বাংলাদেশের পরিবেশের পরিবর্তন ও জলবায়ু সংক্রান্ত হুমকির মোকাবেলা করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করা। এজন্য উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে উন্নত দেশসমূহকে আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আজ বুধবার সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। শেখ হাসিনা আরো বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের দ্বারা উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আসন্ন সমস্যার প্রতি আরো মনোযোগ দিতে হবে। চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগী দেশ ও সংস্থাসমূহসহ ব্যক্তিখাতের অংশীদারিত্বকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, মহাপরিচালক এবং সিইও অব ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওএফআইডি) সুলেমান জাসির আল হার্বিশ, বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেট ডিক্সন, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-র ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েনচাই জ্যাং, জাপানের মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের উপ মহাপরিচালক মিনরু মসুজিমা এবং রেনজি তেরিঙ্ক, রাষ্ট্রদূতগণ এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বৈদেশিক সম্পদ বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আজম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থার সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যার কথার স্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। গত বছরের শেষ দিকে থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ ও নিপীড়ন চালানোর পর এই প্রথম হত্যাযজ্ঞ চালানোর তথ্য স্বীকার করলো সেনাবাহিনী। যদিও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন ও নির্যাতনের কথা বলে আসছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার কিংবা সেনাবাহিনী বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। খবর ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও নিউজউইকের গতকাল বুধবার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়ের ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, রাখাইনের একটি গ্রামের গণকবরে পাওয়া ১০ জনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়রা। নিহতরা বৌদ্ধদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন। তাদের প্রতিহত করতে পাল্টা হামলা চালালে তারা নিহত হন। তাদেরকে ‘বাঙ্গালি সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করে সেনাবাহিনী। রাখাইনের ইন দিন গ্রামে একটি সমাধিস্থলে পাশে গত ডিসেম্বরে গণকবরটির সন্ধান মেলে। বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এটা সত্য যে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়রা তাদের হত্যার কথা স্বীকার করেছে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং যারা আইনের অপব্যবহার করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। এই ঘটনা তখনই ঘটে যখন বৌদ্ধরা হুমকির সম্মুখীন হন এবং তাদের উস্কানি দেওয়া হয়। বার্তা সংস্থা এএফপি’র বরাত দিয়ে জিও নিউজ জানায়, সেনাপ্রধানের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ইন দিন গ্রামে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়। একজন রাখাইনকে হত্যার পর নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিচার্ড হরসে বলেন, এটা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাক লাগানো স্বীকারোক্তি। মিয়ানমার সেনাপ্রধান এবং দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি বারবারই বলেছেন, রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির জন্য তারা রোহিঙ্গা জঙ্গিদের ওপর দায় চাপিয়ে আসছেন। এর ফলে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশপ্রতিবেদক মাদক নির্মূলে জাতীয় সংলাপ প্রয়োজন। কারণ জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। মঙ্গলবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এমপি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সংলাপে সবাই যদি মনে করেন, মাদক দেশের এক নম্বর সমস্যা, তা হলে কঠোর হতে হবে। কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য মাদক ব্যবসায়ীদের দেখামাত্র গুলি করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ডিএনসি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তা মাদক নির্মূলে ডিএনসিতে লোকবল বাড়ানো, সদস্যদের অস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম দেওয়ার কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এসব বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানান, মন্ত্রী হিসেবে এসবের সঙ্গে একমত হলেও মাদক নির্মূলে নাগরিক হিসেবে তার ভিন্নমত রয়েছে। গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'মাদক নির্মূলের জন্য এক লাখ পুলিশ সদস্য নিয়োগ করলেও কাজ হবে না। এর জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করতে হবে। শিকড় পর্যন্ত উৎপাটন করতে হবে। যদি মাদক বন্ধ করতে চান তা হলে জড়িতদের মধ্যে কে কার সন্তান, কে ছাত্র, কার পরিচয় কী- এসব দেখলে হবে না। মাদক নির্মূলে একটাই কথা- শুট অন সাইট (দেখামাত্র গুলি)।' বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মাদক নির্মূলে এমন করেছে জানিয়ে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর বলেন, এটা করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে। গডফাদার, বাহক সবাই কেঁপে উঠবে। অবশ্য তা করতে হলে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, তা না হলে কাদের দিয়ে মাদক নির্মূল করবেন? যাদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করবেন, রোগ তো সেখানেই। গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদক নির্মূল করা না গেলে সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়। এই সরকার জঙ্গি দমন করতে পেরেছে, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করেছে, মাদক নির্মূলও করতে পারবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুন্‌শী বলেন, অনেক সমস্যা রয়েছে। এসবের মধ্যেই মাদক নির্মূলে লড়াই করতে হবে। নিদ্রাহীন কাজ করতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী বলেন, মাদক সম্রাট বা গডফাদারদের কাছাকাছি যাওয়া যাচ্ছে না। তাই মাদক নির্মূল করা যাচ্ছে না। ডিএনসির ১৭শ' জনবল দিয়ে তা সম্ভব নয়। সব সংস্থা মিলে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। সেটা শুরুও হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে ঘৃণা করতে হবে। মাদক নির্মূলে জনবল বৃদ্ধি এবং কপবাজার ও টেকনাফে বিশেষ অঞ্চল গড়ার কাজ চলছে। অনুষ্ঠানে কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ৭০ হাজার কারাবন্দির মধ্যে অন্তত ২৩ হাজার মাদকে যুক্ত। তাদের কেউ হয় মাদক ব্যবসায়ী, না হয় মাদকসেবী। তাই মাদক নির্মূলে বিভিন্ন অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিজি জামাল উদ্দিন জানান, ইয়াবা ব্যবসায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে তারা আইন তৈরির কাজ করছেন। সিসাকে মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ২০১৮ সালে ডিএনসির ১৮টি লক্ষ্যমাত্রার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে চলতি বছর অন্তত ৫০ জন মাদক গডফাদারকে গ্রেফতারের ঘোষণা দেন ডিজি। জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সদস্য ড. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, দেশে ৭০ লাখ মাদকসেবী রয়েছে। তাদের ৮০ থেকে ৯০ ভাগই তরুণ। নারীরাও মাদকে আসক্ত হচ্ছে। গত ১০ বছরে অন্তত ২০০ অভিভাবক তাদের মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে খুন হয়েছেন বলেও তথ্য দেন তিনি। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে নির্মূল অধিদপ্তর করতে হবে। দুঃসাহসিক অভিযান চালাতে হবে। তা না হলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। অনুষ্ঠানে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকসহ ডিএনসির কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। এর আগে প্রধান অতিথি বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি অতিথিদের নিয়ে অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রদর্শনী ও মেলা ঘুরে দেখেন।
শুক্রবার, 29 ডিসেম্বর 2017 19:54

সু চি'র পদত্যাগ চান এখন বোনোও

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক অং সান সু চি গৃহবন্দি থাকার সময় মুক্তির দাবিতে বিশ্বজনমত গঠনে সরব বোনোও এখন তার পদত্যাগ চাইছেন। রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিপীড়ন-হত্যার জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চি'র পদত্যাগ দাবি করেছেন রক ব্যান্ড ইউটু'র এই তারকা। ২০০০ সালে সু চিকে নিয়ে 'ওয়াক অন' শিরোনামে একটি গান বেঁধেছিলেন বুনো। দু'বছরের মাথায় ওই গানটি জিতেছিল গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। বুনো এমনকি গানটি বাজানোর সময় ভক্তদের সু চি'র মুখোশ পরার আহ্বান জানাতেন। কিন্তু এই রক তারকা এখন বলছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট ও সেখানে রক্তপাতের ছবি দেখে তার বিবমিষা হচ্ছে। 'রোলিং স্টোন' সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বুনো বলেন, 'আমি সত্যিই অসুস্থ বোধ করছি। কারণ সব প্রমাণ যেদিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করছে তা দেখে আমি সত্যিই বিশ্বাস করতে পারছি না। কিন্তু সেখানে আসলেই জাতিগত নির্মূল অভিযান চলছে। এটা সত্যি সত্যি ঘটছে এবং তাকে (সু চি) পদত্যাগ করতে হবে কারণ তিনি জানেন এটা ঘটছে। তার তো অন্তত এটা নিয়ে আরও বেশি কথা বলা উচিত। আর যদি তার কথা কেউ না শোনে, সেক্ষেত্রেও তার পদত্যাগ করা উচিত।' জাতিসংঘসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠন ইতোমধ্যে বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলছে জাতিগত নিধনযজ্ঞ। নব্বই'র দশকে সু চি মিয়ানমারে গণতন্ত্রের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার সময় বিশ্বজুড়ে অনেক তারকা তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। তার পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন করেছিলেন তারা। ২০১৫ সালে অং সান সুচি মিয়ানমারের ক্ষমতায় আসায় তার সমর্থকরা হন দারুণভাবে উল্লসিত। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর তীব্র নিপীড়ন শুরুর পর তাদের মোহভঙ্গ ঘটে। তাদের অনেকেই সু চি'র ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হন। চলতি মাসের শুরুতেই আরেক আইরিশ পপ তারকা বব গেলডফ একই রকমভাবে সু চি'র কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেছিলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি'র ভূমিকার প্রতিবাদে তিনি 'ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব ডাবলিন' পুরস্কার ফিরিয়ে দেবেন। কারণ সু চি'কেও এই একই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এরপর অবশ্য সু চি'কে দেয়া এই পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেয় ডাবলিন সিটি। সূত্র: বিবিসি
রবিবার, 24 ডিসেম্বর 2017 09:20

বিশ্বের সবচেয়ে ভীতিকর দেশ মিয়ানমার

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক বিশ্বের চলতি বছরের ভীতিকর দেশ মিয়ানমার। ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনোমিস্ট সংক্ষিপ্ত এই তালিকা প্রকাশ করেছে। চলতি বছর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারকে ভীতিকর দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে বড়দিন উপলক্ষে ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ প্রকাশ করে আসছে সাময়িকীটি। এবারের ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ এর হওয়ার শক্তিশালী অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে ৬ লাখের বেশি পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। ইকোনোমিস্ট বলেছে, বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করেছে। দারিদ্র্যতার হারও কমেছে। কান্ট্রি অব ইয়ার হয়েছে ফ্রান্স।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা