09212018শুক্র
শিরোনাম:
স্পটলাইট

স্পটলাইট (819)

নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যার কথার স্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। গত বছরের শেষ দিকে থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ ও নিপীড়ন চালানোর পর এই প্রথম হত্যাযজ্ঞ চালানোর তথ্য স্বীকার করলো সেনাবাহিনী। যদিও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন ও নির্যাতনের কথা বলে আসছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার কিংবা সেনাবাহিনী বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। খবর ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও নিউজউইকের গতকাল বুধবার সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়ের ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, রাখাইনের একটি গ্রামের গণকবরে পাওয়া ১০ জনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়রা। নিহতরা বৌদ্ধদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন। তাদের প্রতিহত করতে পাল্টা হামলা চালালে তারা নিহত হন। তাদেরকে ‘বাঙ্গালি সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করে সেনাবাহিনী। রাখাইনের ইন দিন গ্রামে একটি সমাধিস্থলে পাশে গত ডিসেম্বরে গণকবরটির সন্ধান মেলে। বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, এটা সত্য যে নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়রা তাদের হত্যার কথা স্বীকার করেছে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং যারা আইনের অপব্যবহার করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। এই ঘটনা তখনই ঘটে যখন বৌদ্ধরা হুমকির সম্মুখীন হন এবং তাদের উস্কানি দেওয়া হয়। বার্তা সংস্থা এএফপি’র বরাত দিয়ে জিও নিউজ জানায়, সেনাপ্রধানের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ইন দিন গ্রামে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়। একজন রাখাইনকে হত্যার পর নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিচার্ড হরসে বলেন, এটা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তাক লাগানো স্বীকারোক্তি। মিয়ানমার সেনাপ্রধান এবং দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি বারবারই বলেছেন, রোহিঙ্গাদের হত্যা ও নির্যাতনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টির জন্য তারা রোহিঙ্গা জঙ্গিদের ওপর দায় চাপিয়ে আসছেন। এর ফলে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশপ্রতিবেদক মাদক নির্মূলে জাতীয় সংলাপ প্রয়োজন। কারণ জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। মঙ্গলবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এমপি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সংলাপে সবাই যদি মনে করেন, মাদক দেশের এক নম্বর সমস্যা, তা হলে কঠোর হতে হবে। কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য মাদক ব্যবসায়ীদের দেখামাত্র গুলি করার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ডিএনসি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তা মাদক নির্মূলে ডিএনসিতে লোকবল বাড়ানো, সদস্যদের অস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম দেওয়ার কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এসব বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানান, মন্ত্রী হিসেবে এসবের সঙ্গে একমত হলেও মাদক নির্মূলে নাগরিক হিসেবে তার ভিন্নমত রয়েছে। গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'মাদক নির্মূলের জন্য এক লাখ পুলিশ সদস্য নিয়োগ করলেও কাজ হবে না। এর জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করতে হবে। শিকড় পর্যন্ত উৎপাটন করতে হবে। যদি মাদক বন্ধ করতে চান তা হলে জড়িতদের মধ্যে কে কার সন্তান, কে ছাত্র, কার পরিচয় কী- এসব দেখলে হবে না। মাদক নির্মূলে একটাই কথা- শুট অন সাইট (দেখামাত্র গুলি)।' বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মাদক নির্মূলে এমন করেছে জানিয়ে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর বলেন, এটা করতে পারলে সব ঠিক হয়ে যাবে। গডফাদার, বাহক সবাই কেঁপে উঠবে। অবশ্য তা করতে হলে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তিনি বলেন, তা না হলে কাদের দিয়ে মাদক নির্মূল করবেন? যাদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করবেন, রোগ তো সেখানেই। গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদক নির্মূল করা না গেলে সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়। এই সরকার জঙ্গি দমন করতে পেরেছে, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করেছে, মাদক নির্মূলও করতে পারবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুন্‌শী বলেন, অনেক সমস্যা রয়েছে। এসবের মধ্যেই মাদক নির্মূলে লড়াই করতে হবে। নিদ্রাহীন কাজ করতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী বলেন, মাদক সম্রাট বা গডফাদারদের কাছাকাছি যাওয়া যাচ্ছে না। তাই মাদক নির্মূল করা যাচ্ছে না। ডিএনসির ১৭শ' জনবল দিয়ে তা সম্ভব নয়। সব সংস্থা মিলে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। সেটা শুরুও হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে ঘৃণা করতে হবে। মাদক নির্মূলে জনবল বৃদ্ধি এবং কপবাজার ও টেকনাফে বিশেষ অঞ্চল গড়ার কাজ চলছে। অনুষ্ঠানে কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ৭০ হাজার কারাবন্দির মধ্যে অন্তত ২৩ হাজার মাদকে যুক্ত। তাদের কেউ হয় মাদক ব্যবসায়ী, না হয় মাদকসেবী। তাই মাদক নির্মূলে বিভিন্ন অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিজি জামাল উদ্দিন জানান, ইয়াবা ব্যবসায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে তারা আইন তৈরির কাজ করছেন। সিসাকে মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ২০১৮ সালে ডিএনসির ১৮টি লক্ষ্যমাত্রার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে চলতি বছর অন্তত ৫০ জন মাদক গডফাদারকে গ্রেফতারের ঘোষণা দেন ডিজি। জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সদস্য ড. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, দেশে ৭০ লাখ মাদকসেবী রয়েছে। তাদের ৮০ থেকে ৯০ ভাগই তরুণ। নারীরাও মাদকে আসক্ত হচ্ছে। গত ১০ বছরে অন্তত ২০০ অভিভাবক তাদের মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে খুন হয়েছেন বলেও তথ্য দেন তিনি। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে নির্মূল অধিদপ্তর করতে হবে। দুঃসাহসিক অভিযান চালাতে হবে। তা না হলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। অনুষ্ঠানে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকসহ ডিএনসির কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। এর আগে প্রধান অতিথি বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি অতিথিদের নিয়ে অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রদর্শনী ও মেলা ঘুরে দেখেন।
শুক্রবার, 29 ডিসেম্বর 2017 19:54

সু চি'র পদত্যাগ চান এখন বোনোও

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক অং সান সু চি গৃহবন্দি থাকার সময় মুক্তির দাবিতে বিশ্বজনমত গঠনে সরব বোনোও এখন তার পদত্যাগ চাইছেন। রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিপীড়ন-হত্যার জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চি'র পদত্যাগ দাবি করেছেন রক ব্যান্ড ইউটু'র এই তারকা। ২০০০ সালে সু চিকে নিয়ে 'ওয়াক অন' শিরোনামে একটি গান বেঁধেছিলেন বুনো। দু'বছরের মাথায় ওই গানটি জিতেছিল গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। বুনো এমনকি গানটি বাজানোর সময় ভক্তদের সু চি'র মুখোশ পরার আহ্বান জানাতেন। কিন্তু এই রক তারকা এখন বলছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট ও সেখানে রক্তপাতের ছবি দেখে তার বিবমিষা হচ্ছে। 'রোলিং স্টোন' সাময়িকীকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বুনো বলেন, 'আমি সত্যিই অসুস্থ বোধ করছি। কারণ সব প্রমাণ যেদিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করছে তা দেখে আমি সত্যিই বিশ্বাস করতে পারছি না। কিন্তু সেখানে আসলেই জাতিগত নির্মূল অভিযান চলছে। এটা সত্যি সত্যি ঘটছে এবং তাকে (সু চি) পদত্যাগ করতে হবে কারণ তিনি জানেন এটা ঘটছে। তার তো অন্তত এটা নিয়ে আরও বেশি কথা বলা উচিত। আর যদি তার কথা কেউ না শোনে, সেক্ষেত্রেও তার পদত্যাগ করা উচিত।' জাতিসংঘসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠন ইতোমধ্যে বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলছে জাতিগত নিধনযজ্ঞ। নব্বই'র দশকে সু চি মিয়ানমারে গণতন্ত্রের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার সময় বিশ্বজুড়ে অনেক তারকা তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। তার পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন করেছিলেন তারা। ২০১৫ সালে অং সান সুচি মিয়ানমারের ক্ষমতায় আসায় তার সমর্থকরা হন দারুণভাবে উল্লসিত। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর তীব্র নিপীড়ন শুরুর পর তাদের মোহভঙ্গ ঘটে। তাদের অনেকেই সু চি'র ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হন। চলতি মাসের শুরুতেই আরেক আইরিশ পপ তারকা বব গেলডফ একই রকমভাবে সু চি'র কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেছিলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি'র ভূমিকার প্রতিবাদে তিনি 'ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব ডাবলিন' পুরস্কার ফিরিয়ে দেবেন। কারণ সু চি'কেও এই একই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এরপর অবশ্য সু চি'কে দেয়া এই পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেয় ডাবলিন সিটি। সূত্র: বিবিসি
রবিবার, 24 ডিসেম্বর 2017 09:20

বিশ্বের সবচেয়ে ভীতিকর দেশ মিয়ানমার

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক বিশ্বের চলতি বছরের ভীতিকর দেশ মিয়ানমার। ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনোমিস্ট সংক্ষিপ্ত এই তালিকা প্রকাশ করেছে। চলতি বছর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারকে ভীতিকর দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে বড়দিন উপলক্ষে ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ প্রকাশ করে আসছে সাময়িকীটি। এবারের ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ এর হওয়ার শক্তিশালী অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে ৬ লাখের বেশি পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। ইকোনোমিস্ট বলেছে, বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করেছে। দারিদ্র্যতার হারও কমেছে। কান্ট্রি অব ইয়ার হয়েছে ফ্রান্স।
শনিবার, 16 ডিসেম্বর 2017 13:34

জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মহান বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নেমেছে। শনিবার সকালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর পরই জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অগণিত মানুষের ঢল নামে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, সিপিবি, বাসদ, জাসদ, গণফোরাম, যুক্তফ্রন্ট, জাকের পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যিলায় ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আসেন। স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী একটি ট্রেন যমুনা সেতু পার হওয়ার সময় ট্রেনটির সামনে আকস্মিকভাবে পড়ে যায় একটি কুকুর। স্বভাবতই যারা এই দৃশ্য দেখছিলেন, তারা ভাবছিলেন কুকুরটি সম্ভবত ট্রেনে কাটা পড়বে। কারণ কুকুরের ডানে-বামে কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। বাঁচতে হলে কুকুরকে দৌড়াতে হবে চলন্ত ট্রেনের সামনের দিকে। শেষ পর্যন্ত প্রাণ বাঁচানোর তীব্র আকাঙক্ষায় চলন্ত ট্রেনের সামনের দিকে দৌড়াতে শুরু করল সেই কুকুর। আর সেই দৃশ্য ভিডিও করতে শুরু করলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের লোকমটিভ মাস্টার আসাদুজ্জামান। এ ঘটনা ঘটে গত এপ্রিল মাসে। তবে সম্প্রতি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ভিডিও। যা বুধবার বিবিসি বাংলা অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। জানা যায়, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস নামে ওই ট্রেনটি সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ঢাকার পথে আসছিল। সকাল ৭টার পরে এই দৃশ্যের অবতারণা হয়। কুকুরটি প্রথমে ৪০-৪৫ কিলোমিটার বেগে দৌড়াচ্ছিল, আর ব্রিজে নির্ধারিত বিশ কিলোমিটার গতিতে চলছিল ট্রেন। কুকুরটি দৌড়াতে দৌড়াতে হাফিয়ে উঠলে তার দৌড়ে গতি কমে যায়। তখন মাস্টার আসাদুজ্জামান ট্রেনের গতি কমিয়ে ১৫ কিলোমিটার বেগে নিয়ে আসেন। যাতে কুকুরটি প্রাণে বাঁচতে পারে। আসাদুজ্জামান বলেন, কুকুরটি খুব বেশি বুদ্ধিমান ছিল। সে এক মুহূর্তের জন্যও থামেনি। এক পর্যায়ে কুকুরটির জিহবা এক হাতের মত বের হয়ে গেলেও সে দৌড়ানো থামায়নি শেষ পর্যন্ত ১৫ মিনিট দৌড়ে প্রায় ৫ কিলোমাটার দূরত্ব অতিক্রম করে প্রাণে বেঁচে যায় কুকুরটি।
ভারতীয় সেনার ইতিহাসে রয়েছে অনেক গল্প, যা সত্যিই দেশবাসীকে গর্বিত করে। তবে প্রত্যেক বছর নৌসেনা দিবস পালিত হলেও, অনেকেই হয়ত জানেন না যে ৭১-এর যুদ্ধের সময় পাক নেভির হাত থেকে ভারতের নৌবাহিনীকে কে বাঁচিয়েছিল। ভাইস অ্যাডমিরাল নীলকান্ত কৃষ্ণণের কথা আজও অন্তরালেই রয়েছে গিয়েছে। পাক নৌবাহিনীর সাবমেরিন ‘গাজি’র হাত থেকে আইএনএস বিক্রান্তকে উদ্ধার করেছিলেন ইনিই। ইস্টার্ন নাভাল কমান্ডের তৎকালীন প্রধান কৃষ্ণণ আসলে পাঠিয়েছিলেন আইএনএস রাজপুত। যেটা দেখে পাকিস্তান ভুল করে ভেবেছিল রাজপুত নয়, বিশাখাপত্তনমের উপকূলে রয়েছে আইএনএস বিক্রান্ত। কিন্তু আসলে কয়েক হাজার মাইল দূরে আন্দামানে নিরাপদে ছিল আইএনএস বিক্রান্ত। ভারতকে আচমকা আক্রমণ করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। আর সেই উদ্দেশেই ১৪ নভেম্বর অ্যাটাক সাবমেরিন আইএনএস গাজী নিয়ে এগিয়ে আসে পূর্ব পাকিস্তানের চট্টগ্রামে। আইএনএস বিক্রান্তকে ধ্বংস করাই ছিল উদ্দেশ্য। করাচি থেকে ২২০০ নটিক্যাল মাইল এগিয়ে এসেছিল পিএনএস গাজী। আর সেই তথ্য গোপন সূত্রে এসে পৌঁছেছিল ভারতের কাছে। গাজী ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। আমেরিকায় তৈরি ওই সাবমেরিনের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া মোটেই সহজ ছিল না। এইরকম পরিস্থিতিতে কৃষ্ণণ ডেকে পাঠান আইএনএস রাজপুতের ক্যাপ্টেন লেফট্যানেন্ট কমান্ডার ইন্দ্র সিং-কে। কিছুদিনের মধ্যেই আইএনএস রাজপুতের মেয়াদ শেষ হয়ে আসছিল। তবু শেষ মিশনে যেতে বলা হয় ওই রণতরীকে। তিনি বলেন ভাইজাগ থেকে ১৬০ মাইল এগিয়ে যেতে হবে, যাতে শত্রুপক্ষের সাবমেরিনের ধারনা হয় যে আইএনএস বিক্রান্ত কাছেই আছে। আর চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে প্রচুর খাবার, সবজি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন কৃষ্ণন। এরপর পাকিস্তান পুরোপুরি আক্রমণের লক্ষ্য নেয়। তখন এক গোপন স্থানে বিক্রান্তকে লুকিয়ে যেতেনির্দেশ দেন কৃষ্ণণ। ৩ ডিসেম্বর শুরু হয় যুদ্ধ। ওইদিন মধ্যরাতেই গাজীর যে অংশে টর্পেডো বামাইন রাখা ছিল সেখানে বিস্ফোরণ হয়। ডুবে যায় পিএনএস গাজী। যুদ্ধ শুরুর আগেই শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের সাবমেরিন। ৬ ডিসেম্বর একের পর এক এয়ারস্ট্রাইক হয় আইএনএস বিক্রান্ত থেকে। আর এই আক্রমণ জয় এনে দিয়েছিল ভারতকে। এভাবেই ভারতকে জয় এনে দিয়েছিলেন কৃষ্ণন। ১৯৮২-তে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কার্যত উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পর্ণো ছবি রাখার অভিযোগ উঠেছে। তার সরকারি কম্পিউটারে এই ছবি পাওয়া গেছে। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক এক গোয়েন্দা এই তথ্য জানিয়েছেন। এ নিয়ে নতুন করে সংকটে পড়লেন থেরেসা মে। খবর সিএনএনের। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাবেক গোয়েন্দা নেইল লুইস জানান, ২০০৮ সালে এক অভিযানে উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেমিয়ান গ্রিনের সরকারি কম্পিউটারে কয়েক হাজার পর্ণো ছবি পাওয়া যায়। নেইল বলেন, এত পরিমাণ পর্ণো ছবি দেখে আমি নিজেও হতবাক হয়েছিলাম। আর এটা যে গ্রিনের মাধ্যমেই কম্পিউটারে ঢুকেছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এই তথ্য থেরেসা মে এবং গ্রিণকে নতুন সমালোচনার মধ্যে ফেলছে। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সমস্যার মধ্যে আছে থেরেসা মে’র সরকার। এরই মধ্যে গ্রিনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক কেইট ম্যাল্টবাইয়ের এক অভিযোগ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। যদিও গ্রিণ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত মাসেই সানডে টাইমসে এক প্রতিবেদনে গ্রিনের কম্পিউটারে পর্ণো ছবি পাওয়ার তথ্য জানানো হয়। কিন্তু গ্রিন তা অস্বীকার করেন। তার এই অস্বীকারে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নেইল। তিনি জানান, আমি নিজেই কম্পিউটার তল্লাশি করে এসব পর্ণো ছবি পেয়েছিলাম। তবে এবার গ্রিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লির জন্য কংক্রিটের মূল স্থাপনা নির্মাণের উদ্বোধন করে স্বপ্নপূরণের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের জন্য সত্যি আনন্দের। কারণ আমরা পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল কাঠামোটা নির্মাণ শুরু করছি। অর্থাৎ আমরা পরমাণুবিশ্বে প্রবেশ করলাম। ’ গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে প্রকল্প এলাকার যে জায়গায় নিউক্লিয়ার রি-অ্যাক্টর তৈরি হবে, সেখানে অস্থায়ী মঞ্চে কর্নিক দিয়ে নিজ হাতে সিমেন্ট লাগিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। পরে তিনি একটি ফলকও উন্মোচন করেন। এরপর তিনি সেখানে সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে পারমাণবিক নিরাপত্তার ওপর আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) গাইডলাইন অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করছি। ’ পরমাণু বর্জ্যের বিষয়ে তিনি জানান, প্রকল্পের সব পরমাণু বর্জ্য রাশিয়া নিয়ে যাবে। এ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে এরই মধ্যে চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ২০ মিনিটের বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পেছনের ইতিহাস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘এই স্বপ্নের শুরু হয়েছিল তদানীন্তন পাকিস্তান আমলে ১৯৬১ সালে। জমি অধিগ্রহণের বেশ কিছু কাজ তখন সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তান সরকার হঠাৎ করে কাজ বন্ধ করে দিয়ে প্রকল্পটি পশ্চিম পাকিস্তানে সরিয়ে নিয়ে যায়। ’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তিনি একটি প্রকল্প গ্রহণ করেন। সে সময় একটি পর্যায়ে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পান দেশের বিশিষ্ট পরমাণুবিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া (শেখ হাসিনার স্বামী)। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করার পর সে কাজ আর এগোয়নি। ’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘এরপর দীর্ঘদিন কোনো সরকারই এ নিয়ে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম হাতে নিই। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পন্ন করতেই সরকারের পাঁচ বছর চলে যায়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর অন্য অনেক প্রকল্পের মতো তারা রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পটিও বন্ধ করে দেয়। ’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর পরে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর আমরা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করি। আইএইএর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রেখে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বিশাল অঙ্কের টাকার দরকার ছিল। বন্ধু রাষ্ট্র রাশিয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। এ জন্য আমি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ রাশিয়ান ফেডারেশনের সরকার ও সে দেশের বন্ধুপ্রতিম জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে খরচ অনেক বেশি হলেও একবার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ হওয়ার পরে সেখান থেকে অতি অল্প খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। ’ দেশের যেকোনো উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার শতকরা ১০ ভাগ মেটানো সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ’ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে। ’ তিনি বলেন, ‘কারো কাছে হাত পেতে নয়, ভিক্ষা করে নয়, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই। ’ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে রাশিয়ান স্টেট নিউক্লিয়ার এনার্জি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখেচভ, আইএইএর মহাপরিচালক দো হি হান, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক সৌকত আকবর প্রমুখ বক্তব্য দেন। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মাতীরের রূপপুরে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি স্মারক ডাকটিকিটও অবমুক্ত করেন। বাংলাদেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে রাশিয়ার সহায়তায়। অনুষ্ঠানের ফাঁকে রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখেচভের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।
মঙ্গলবার, 28 নভেম্বর 2017 20:46

রোবট নারী ‘সোফিয়া’ এবার বাংলাদেশে

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক হংকং এর একটি কোম্পানি 'হ্যান্সন রোবোটিক্স' 'সোফিয়া' নামের যে রোবটটি তৈরি করেছে সেই নারী রোবট 'সোফিয়া' এবার বাংলাদেশে আসছে। বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৫ ডিসেম্বর রাত ১২টায় বাংলাদেশে পৌঁছার কথা রয়েছে সোফিয়ার। পরদিন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবে সোফিয়া। 'সোফিয়া' ইংরেজীতে কথা বলে। প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, সোফিয়া আগামী ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া দেশের বৃহত্তম তথ্য-প্রযুক্তি সম্মেলন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধনী দিনেই উপস্থিত থাকবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। সঙ্গে থাকবেন তার নির্মাতা ড. ডেভিড হ্যানসন। এর আগে 'সোফিয়া'কে সৌদি আরব নাগরিকত্ব দেয়ার পর সেখানে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। এই রোবট একজন সৌদি নারীর চেয়েও বেশি অধিকার ভোগ করছে কিনা সেটা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে। সৌদি আরবের রিয়াদ নগরীতে গত অক্টোবর মাসে এক অনুষ্ঠানে এই রোবটটি প্রদর্শন করা হয়েছিল। প্রদর্শনীতে উপস্থিত শত শত প্রতিনিধি রোবটটি দেখে এতটাই মুগ্ধ হন যে সেখানে সাথে সাথেই এটিকে সৌদি নাগরিকত্ব দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন একজন সৌদি নারীর তুলনায় কিভাবে 'সোফিয়া' এত বেশি অধিকার ভোগ করছে। রোবট নারী 'সোফিয়া'র ছবি এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার হয়। বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী বলছেন, সোফিয়াকে নিয়ে তাদের দুইটি সেশন হবে। তিনি বলছিলেন "প্রথম সেশনে আমাদের পলিসি মেকার যারা বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাঁরা এবং সাংবাদিকদের সাথে তার একটা ইন্টার‍্যাকশন (মিথস্ক্রিয়া) করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দ্বিতীয় সেশনে আমাদের যারা তরুণ অ্যাপ ডেভেলপার, গেম ডেভেলপার, সফটওয়্যার ডেভেলপার, উদ্ভাবক এদের সাথে আলাপ হবে। এছাড়া আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে ড. ডেভিড হ্যানসন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন"।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা