07092020বৃহঃ
শিরোনাম:
স্পটলাইট

স্পটলাইট (952)

মঙ্গলবার, 14 এপ্রিল 2020 10:17

তোমাকে শুভেচ্ছা জানাবোই

লিখেছেন
সিদ্দিকুর রহমান: শুভ নববর্ষে ‘তোমাকে’ শুভেচ্ছা জানাবোই যতোই ভয়ংকর আতংকে দিন কাটুক আমার। কোথাকার কোন করোনা এসে গোটা বিশ্বকে বন্দী করেছে ঠিকক শুধু তোমার জন্য আমি বেরুবোই- সতের কোটি মানুষের দেশটির দিকেও ওর থাবা চীনের মৃত্যুপুরী করোনা শহর উহানেও দৈত্যেরমতো ফের যানবাহন ছুটছে আর সারা দুনিয়ার সব দুয়ার বন্ধ। হাসপাতালে লাখো লাশের মিছিলে কাঁদছে আমেরিকা,ব্রিটেন,ইতালী,বাংলাদেশসহ কতোদেশ। করোনা, তোমার ভয়ে আজ বিশ্বমোরলরাও কাঁপছে কোথাও বারুদের গন্ধ নেই,ক্ষেপনাস্রের নোজগুলো আকাশের দিক নয়,যেন মাটি ছূয়েছে। দাম্ভিকতা বিহীন এমন বিশ্ব কেউ দেখবে ভেবেছে? ঢাকার আকাশেও বিমান চলার শব্দ নেই,থেমে আছে গোটা দেশ, এক অচেনা শত্রুর ভয়ে- যুদ্ধাবস্থার মতো প্রাণরক্ষায় আবালবৃদ্ধবনিতা জরষর হয়ে ঘরে- কতো কস্টে পহেলা বৈশাখের দিনেও বাঙ্গালীরা উৎসব রেখে ঘরবন্দী সত্যিই, এ এক আশ্চর্য ইতিহাস আমাদের- এমন ভয়ার্ত সময়ে তোমাকে শুভেচ্ছা জানাবোই কোন এক উদ্বেলিত ভোরে ফের দেখা হবে আমাদের!
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনী করোনাভাইরাস প্রতিরোধকল্পে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত নীতিমালা অনুসরন করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব উদ্যোগে বিমান বাহিনীর একটি বেল-২১২ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) সহ চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী ঢাকা হতে খুলনায় নেয়া হয় এবং সেগুলো খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। আইএসপিআর। এছাড়া, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থান জীবাণুমুক্ত রাখতে জীবাণুনাশক ছিটানো, বিমান বাহিনীর সকল ঘাঁটি ও ইউনিটের যান-বাহনসমূহকে ডিসইনফেকশন করা, বিমান বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষার জন্য ডিসইনফেকশন পয়েন্ট পরিচালনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, বিমান বাহিনী তাদের নিজস্ব এলাকায় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মসজিদে অতিরিক্ত জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ সহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক দিক নির্দেশনা প্রদান করছে। করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিট এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির (বাফওয়া) সেবামূলক কার্যক্রমের আওতায় মানবিক সহায়তা হিসেবে ঘাঁটি ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহের নিন্ম আয়ের পরিবারসমূহের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও স্যানিটাইজার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। কোভিড-নাইনটিন থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে বাড়িতে ফেরার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, “পরিস্থিতি যেকোন দিকেই যেতে পারতো।” বিবিসি বাংলা। পঞ্চান্ন বছর বয়সী মি. জনসন করোনাভাইাসে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর ঠিক এক সপ্তাহ আগে গত রবিবার তাকে লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর আগে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর দশ দিন তিনি নিজেই ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে নিজেকে আর সকলের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলেন। সেটাও তিনি ঘোষণা করেছিলেন টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম কয়েকদিন তিনি সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন কিন্তু হঠাৎ করেই সোমবার দুপুরের পর থেকে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকলে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আইসিইউতে তিন রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। পরে অবস্থার উন্নতি হলে বৃহস্পতিবার আবার তাকে সাধারণ ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়। আজ রোববার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মি. জনসন টুইটারে পোস্ট করা আরেকটি ভিডিওতে বলেছেন, “বেঁচে থাকা কিম্বা মরে যাওয়া, যেকোন কিছুই হতে পারতো।” তিনি বলেছেন, হাসপাতালের ফ্রন্ট লাইনে হাসপাতালের কর্মীরা কতোটা সাহসের সঙ্গে কাজ করছেন সেটা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। মি. জনসন জানিয়েছেন দুজন নার্স তাকে সার্বক্ষণিক সেবা দিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের জেনি এবং পর্তুগালের লুইস তার বেডের পাশে ৪৮ ঘণ্টা অবস্থান করেছেন। এই সময়টাকে তিনি উল্লেখ করেছেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে। ভিডিওতে তিনি আরো কয়েকজন হাসপাতাল কর্মীর নাম উল্লেখ করে তাদের সবাইকে ধন্যাবদ জানান। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সুস্থ হয়ে এমন এক দিনে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে গেলেন যেদিন ব্রিটেনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের প্রধান একজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা স্যার জেরেমি ফারার হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন যে ইউরোপের মধ্যে ব্রিটেনের পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী জনসন বলেছেন, জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বা এনএইচএসের কর্মীরা প্রাণঘাতী ভাইরাসের কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “তাদের সাহস, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধকে ধন্যবাদ জানাই। আর এসব কারণেই এনএইএস কখনো পরাজিত হবে না।” মি. জনসনকে আইসিইউতে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল কিন্তু তাকে ভেন্টিলেটর দিতে হয়নি। ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, প্রধানমন্ত্রী আরো কিছু দিন কাজের বাইরে থাকবেন আর এসময়টা তিনি প্রধানমন্ত্রীর কান্ট্রি রেসিডেন্স চেকার্সে কাটাবেন। “তার মেডিকেল টিমের পরামর্শ অনুসারে প্রধানমন্ত্রী এখনই তার কাজে ফিরছেন না।” কাজে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ এই সরকারি বাড়িতে থাকবেন বরিস জনসন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক জানিয়েছেন, ডাক্তারদের পরামর্শেই তিনি আবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে ফিরে আসবেন। গাইজ এন্ড সেন্ট টমাস হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী ড. ইয়ান অ্যাবস বলেছেন: “ এই কৃতিত্ব হাসপাতালের পুরো টিমের অসাধারণ পেশাদারিত্বের। প্রধানমন্ত্রীকে যে ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, সাধারণ রোগীকেও এই একই ধরনের চিকিৎসা দেওয়া অব্যাহত থাকবে।” প্রধানমন্ত্রী জনসনের বান্ধবী ক্যারি সিমন্ডসও সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আর দু’মাস পরেই তার সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা রয়েছে। টুইটারে তিনি এক পোস্টে লিখেছেন: “যারা সহযোগিতা করেছেন ও সুস্থতা কামনা করে বার্তা দিয়েছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমি খুবই ভাগ্যবান।” গত সপ্তাহের কিছু সময়কে তিনি তার জীবনের “এক অন্ধকার সময়” বলে উল্লেখ করেছেন। ক্যারি সিমন্ডসেরও করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে তিনি নিজেকে সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন কিন্তু তার কোন টেস্ট হয়নি এখনও।
শনিবার, 11 এপ্রিল 2020 19:36

খুনী মাজেদের ফাঁসি কার্যকর

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি এই মাত্র কার্যকর করা হয়েছে। কারা অধিদফতরের একটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার বিকেলে ফাঁসি কার্যকরের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। বিকেলে ফাঁসির মঞ্চে ইট-বালির বস্তা ঝুলিয়ে মহড়া সম্পন্ন করেছেন জল্লাদরা। ওই সূত্রটি আরও জানায়, আজ রাতেই ফাঁসি কার্যকর হতে পারে। সব প্রস্তুতি রয়েছে, ফাঁসি কার্যকর সময়ের ব্যাপার মাত্র। এর আগে শুক্রবার রাতে মাজেদের পরিবারের পাঁচজন সদস্য তার সঙ্গে ৩০ মিনিট সাক্ষাৎ করেন। গত বুধবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন মাজেদ। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার তার আবেদন নাকচ করে দেন। ওই দিনই তার মৃত্যু পরোয়ানার ফাইল রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এই ফাইল কারা কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে। এরপর কারাবিধি ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার আসামি ক্যাপ্টেন (চাকরিচ্যুত) আব্দুল মাজেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে তার স্বজনরা কেরাণীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে শেষ দেখা করেছেন। মাজেদের স্ত্রীসহ পাঁচজন দেখা করার জন্য কারাগারে যান। কারা সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে কারা কর্তৃপক্ষ মাজেদের পরিবারের সদস্যদের কাছে মোবাইলে ফোন করে শেষ দেখা করার তথ্য জানায়। সন্ধ্যার পর মাজেদের স্ত্রীসহ পাঁচজন দেখা করার জন্য কারাগারে যান। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে জল্লাদের একটি দল। যেকোনো সময় কার্যকর হতে পারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আব্দুল মাজেদের মৃত্যুদণ্ড। এটি কার্যকর হলে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম ফাঁসি হবে। তবে শুক্রবার রাতে ফাঁসি কার্যকর করার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য মিলেনি। শনিবার অথবা রবিবার ফাঁসি কার্যকরের সম্ভাবনা বেশি বলেও জানায় সূত্রটি। কারা কর্তৃপক্ষ বলেছে, আসামির ফাঁসি কার্যকর করতে ১০ সদস্যের একটি জল্লাদ টিম গঠন করেছে। জল্লাদ টিমে রয়েছেন শাজাহান, আবুল, তরিকুল, সোহেলসহ ১০ জন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, কারা কর্তৃপক্ষ আসামির স্বজনদের ফোন করে দেখা করতে বলেছে। এটাই শেষ দেখা। বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত মাজেদ ২৩ বছর ধরে পলাতক থাকলেও ৬ এপ্রিল মধ্যরাতে রিকশায় ঘোরাঘুরির সময় তাকে মিরপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। পরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে সিটিটিসি। এরপর মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ৮ এপ্রিল মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানোর পর সব দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান আব্দুল মাজেদ। প্রাণভিক্ষার আবেদনটি নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতি বাতিল করে দেয়ার পর সেই চিঠিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছায়। কারাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলবে।
বৃহস্পতিবার, 09 এপ্রিল 2020 10:51

মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। বঙ্গভবন সূত্র নিউজ ফ্ল্যাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আব্দুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদনটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় হয়ে বুধবার বঙ্গভবনে পৌঁছায়। এরপরই তা খারিজ করে দেন প্রেসিডেন্ট । এটি নাচক হওয়ায় কারা কর্তৃপক্ষের সামনে দণ্ড কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকছে না। এর আগে মৃত্যুর পরোয়ানা হাতে পেয়ে পড়ে শোনানোর পর প্রেসিডেন্টের কাছে প্রাণভিক্ষা চান আব্দুল মাজেদ। উল্লেখ্য, রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে মাজেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রভাব থেকে অর্থনীতিকে বাঁচাতে মোট পাঁচটি প্যাকেজে প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার সকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে এসব কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মপরিকল্পনার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় এ টাকা দেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। নতুন ৪টিসহ মোট ৫টি প্যাকেজে আর্থিক সহায়তার পরিমাণ হবে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা যা জিডিপি’র প্রায় ২.৫২ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্যাকেজসমূহ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে আমাদের অর্থনীতি পুনরায় ঘুরে দাঁড়াবে এবং আমরা কাক্সিক্ষত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাছাকাছি পৌঁছতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্ভাব্য এই বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক সংকট হতে উত্তরণের জন্য রপ্তানি খাতের পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের প্রতি আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। এক্ষেত্রে আমি সকলকে দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’ সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা বাংলাদেশের মানুষ ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে আশ্চর্য এক সহনশীল ক্ষমতা এবং ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে যে জাতি মাত্র ৯ মাসে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছে - সে জাতিকে কোন কিছুই দাবিয়ে রাখতে পারবে না।’ প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজগুলো হলো- প্যাকেজ-১: ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা দেওয়া, ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পসুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেওয়ার লক্ষ্যে ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি ঋণ সুবিধা প্রণয়ন করা হবে। ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনসের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংশ্লিষ্ট শিল্প/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব তহবিল হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাবদ ঋণ দেওয়া। এ ঋণ সুবিধার সুদের হার হবে ৯ শতাংশ। প্রদত্ত ঋণের সুদের অর্ধেক অর্থাৎ ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ঋণ গ্রহিতা শিল্প/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিশোধ করবে এবং অবশিষ্ট ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে দেবে। প্যাকেজ-২: ক্ষুদ্র (কুটির শিল্পসহ) ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা প্রদান: ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্পসুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল প্রদানের লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি ঋণ সুবিধা প্রণয়ন করা হবে। ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনসের ভিত্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব তহবিল হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাবদ ঋণ দেবে। এ ঋণ সুবিধার সুদের হারও হবে ৯ শতাংশ। ঋণের ৪ শতাংশ সুদ ঋণ গ্রহিতা শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিশোধ করবে এবং অবশিষ্ট ৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে দেবে। প্যাকেজ-৩: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত এক্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট ফান্ডের (ইডিএফ) সুবিধা বাড়ানো: ব্লক টু ব্লক এলসির আওতায় কাঁচামাল আমদানি সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইডিএফের বর্তমান আকার ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে। ফলে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অতিরিক্ত ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ইডিএফ তহবিলে যুক্ত হবে। ইডিএফ-এর বর্তমান সুদের হার LIBOR + ১.৫ শতাংশ (যা প্রকৃত পক্ষে ২.৭৩%) হতে কমিয়ে ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে। প্যাকেজ-৪: প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট রিফাইন্যান্স স্কিম (Pre-shipment Credit Refinance Scheme) নামে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকার একটি নতুন ঋণ সুবিধা চালু করবে। এ ঋণ সুবিধার সুদের হার হবে ৭ শতাংশ। প্যাকেজ-৫: আগেই রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন/ভাতা পরিশোধ করার জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার একটি আপৎকালীন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিশেষ প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ দেখা দিলে জনগণকে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এবং কোন গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ৩১ দফা নির্দেশনা প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে অবশ্য পালনীয় হিসেবে ৩১ দফা নিদের্শনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এ সকল নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- এই ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, করোনা উপসর্গ দেখা দিলে লুকিয়ে না রেখে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ, ত্রাণকার্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তালিকা করে তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছানো, উৎপাদন অব্যাহত রাখার স্বার্থে জমি পতিত ফেলে না রাখা, নববর্ষে সকল জনসমাগম বর্জন করা, বাজার মনিটরিং,গণমাধ্যম কর্মীদের যথাযথ দায়িত্ব পালন এবং গুজব ছড়ানো প্রতিরোধসহ জনগণ এবং প্রশাসনের জন্য ৩১ দফা নির্দেশনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৃহস্পতিবার রাতে বাসসকে এ তথ্য জানান। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৩১ দফা নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- ১) করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বা¯Íবায়ন করতে হবে। ২) লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ৩) ব্যক্তিগত সুরÿা সামগ্রী (পিপিই) সাধারণভাবে সকলের পরার দরকার নেই। চিকিৎসা সংশিøষ্ট সকলের জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ৪) কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সকল চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, এ্যাম্বুলেন্স চালকসহ সংশিøষ্ঠ সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। ৫) যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে আছেন, তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে। ৬) নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ৭) নদীবেস্টিত জেলাসমূহে নৌ-এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে। ৮) অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে হবে। ৯) পরিচ্ছন্নতা নিশ্চত করা। সারাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। ১০) আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় এ দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সকল সরকারি কর্মকর্তাগণ যথাযথ ও সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন- এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ১১) এাণ কাজে কোন ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। ১২) দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক যেন অভুক্ত না থাকে। তাদের সাহায্য করতে হবে। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে। ১৩) সোশ্যাল সেফটিনেট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১৪) অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেন স্থবির না হয়, সে বিষয়ে যথাযথ নজর দিতে হবে। ১৫) খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কোন জমি যেন পতিত না থাকে। ১৬) সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে। যাতে বাজার চালু থাকে। ১৭) সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে । ১৮) জনস্বার্থে বাংলা নববর্ষের সকল অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে যাতে জনসমাগম না হয়। ঘরে বসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নববর্ষ উদযাপন করতে হবে। ১৯) স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজের সকল ¯Íরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহŸান জানাচ্ছি। প্রশাসন সকলকে নিয়ে কাজ করবে। ২০) সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ২১) জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসন ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে দুঃস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবেন। ২২) সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন: কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর, রিক্সা/ভ্যান চালক, পরিবহন শ্রমিক, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, পথশিশু, স্বামী পরিত্যক্তা/বিধবা নারী এবং হিজড়া স¤প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখাসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ২৩) প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২৪) দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সকল সরকারি কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আহŸান জানাচ্ছি। ২৫) নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও নিয়মিত বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ২৬) আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করবেন না। খাদ্যশস্যসহ প্রয়োজনীয় সকল পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ২৭) কৃষকগণ নিয়মিত চাষাবাদ চালিয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। ২৮) সকল শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখবেন। ২৯) শিল্প মালিকগণ শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন। ৩০) গণমাধ্যম কর্মীরা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ৩১) গুজব রটানো বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। গুজবে কান দিবেন না এবং গুজবে বিচলিত হবেন না।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: যতদিন প্রয়োজন ততদিন সেনাবাহিনী মাঠে থেকে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, 'যতদিন প্রয়োজন ততদিন সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করবে। এটা সরকার নির্ধারণ করবে। সরকার যেদিন বলবে সেদিন আমরা চলে আসবো।' করোনা মোকাবিলায় সেনা সদস্য বাড়ানো হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে জেনারেল আজিজ বলেন, যত প্রয়োজন তত সেনা সদস্য কাজ করবে। তবে অযথা প্যানিক সৃষ্টি করার দরকার নেই। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাসকে যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আমরা সৈনিক, তাই আমরা যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। শুধু সেনাবাহিনী নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিভিল প্রশাসন ও অন্যান্য সকলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তার নেতৃত্বে কাজ করছি। আগামীতেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ করবো।'
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ অধিকতর বেগবান এবং কার্যকরী করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই তহবিলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল পদবীর সদস্যদের একদিনের বেতনের পাশাপাশি সেনা কল্যাণ সংস্থা, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেড, বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট লিমিটেড ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষ থেকে সর্বমোট ২৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় সকল নৌ সদস্যদের এক দিনের বেতন এবং নৌকল্যাণ ফাউন্ডেশন, খুলনা শিপইয়ার্ড, নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ড ও চট্টগ্রাম ড্রাই ডক হতে সর্বমোট ৪ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা এবং সকল বিমান সেনাদের এক দিনের বেতন বাবদ ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে প্রদান করা হয়েছে । আইএসিপআর।