11182019সোম
স্পটলাইট

স্পটলাইট (865)

শুক্রবার, 03 ফেব্রুয়ারী 2017 23:49

গুলিবিদ্ধ সমকাল সাংবাদিকের মৃত্যু

লিখেছেন
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মনিরামপুরে বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুল মারা গেছেন। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় আনার পথে তিনি মারা যান। সাংবাদিক শিমুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছোট ভাই মো. আজাদ। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দুপুর ১২টায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে আসলে তার অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। এ সময় দ্রুত সিরাজগঞ্জের হাটিকুমড়ুল এলাকার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক হাফিজ রহমান মিলন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।গুলিবিদ্ধ সমকাল সাংবাদিকের মৃত্যু এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজাদপুরের আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মেয়র হালিমুল হক মিরুর ছোট ভাই হাফিজুল হক পৌর শহরের কালীবাড়ি মোড়ে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি বিজয় মাহমুদকে মারধর করেন। ওই খবর ছড়িয়ে পড়লে বিজয়ের সমর্থক, কলেজছাত্ররা ও মহল্লার লোকজন একযোগে বেলা তিনটার দিকে মেয়রের বাসায় হামলা চালান। হামলাকারীদের লক্ষ্য করে হালিমুল হক মিরু তার শর্টগান থেকে গুলি ছোড়েন। এসময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন হাকিম। সংঘর্ষের সময় তার মাথা ও মুখে গুলি লাগে। তাকে প্রথমে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার, 31 জানুয়ারী 2017 10:30

হুমকির মুখে মার্কিন মূল্যবোধ: ওবামা

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নির্বাহী আদেশের কড়া সমালোচনা করেছেন সদ্য সাবেক হওয়া প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ট্রাম্পের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরে দেয়া প্রথম বিবৃতিতে তিনি বলেন, মার্কিন মূল্যবোধ হুমকির মুখে পড়েছে। ট্রাম্পের সমালোচিত নির্বাহী আদেশের সমালোচনা করে দেয়া ওবামার বিবৃতি পাঠ করেন তার মুখপাত্র কেভিন লুইস। বারাক ওবামাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট কাউকে কারো বিশ্বাস বা ধর্মের কারণে বৈষম্য করা ধারণার মৌলিকভাবে বিরোধী। শুধু তাই নয় এই নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদেরও সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। ওবামা বলেন, যখন মার্কিন মূল্যবোধ সংকটের মধ্যে পড়বে তখন অবশ্য নাগরিকরা সমবেত ও সংগঠিত হয়ে তাদের বক্তব্য নির্বাচিত প্রতিনিধির কানে পৌছাবে যা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এই আদেশের বিরোধিতায় উৎসাহ বোধ করছেন তিনি। টেলিগ্রাফ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী টুঙ্গিপাড়ার ভ্যান চালক ইমাম শেখের মনের বাসনা পূরণ হয়েছে। তার অব্যক্ত মনের আশা পূরণ করায় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন ইমাম শেখ। প্রধানমন্ত্রী রিকশা ভ্যানে চেপে শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় নিজ এলাকা ঘুরে দেখেন। হাস্যোজ্জ্বল শেখ হাসিনা কোলে নাতিকে নিয়ে বসেন ভ‌্যানের সামনের দিকে; অন‌্য পাশে ভাগ্নে ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক। পেছন দিকে বসেন রাদওয়ানের মেয়ে ও স্ত্রী পেপি সিদ্দিক।চাকরি পেলেন প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী সেই ভ্যান চালক প্রধানমন্ত্রী যে ভ্যানে চেপে পৈত্রিক এলাকা ঘুরে দেখেন তার চালক ইমাম শেখ। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া উপজেলার পাটগাতী সরদার পাড়া গ্রামে। ১৭ বছর বয়সী ইমাম ভ্যান চালান দুই বছর ধরে। পঞ্চম শ্রেণিতে আটকে যায় ইমামের পড়াশোনা। এখন জীবনযুদ্ধ চলে ভ্যান চালিয়ে; যা আয় হয় তা দিয়েই চলে সংসার। তার বাবা আব্দুল লতিফ শেখ মানসিক রোগী, মা গৃহিণী। ইমাম শেখরা দুই ভাই, তিন বোন। ইমামের বড় ভাই সাদ্দাম শেখ ঢাকায় সম্প্রতি চাকরি পেয়েছেন; এখনও বেতন পাননি। বোন রেক্সনা ও সোহাগী আক্তারের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট বোন নাদিরা বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। শনিবার ইমাম শেখ সাংবাদিকদের বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীকে বারবার একটি চাকরি দেয়ার কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমার ভ্যানে চড়ে ঘুরবেন- এমনটা কোনোদিনও কল্পনা করতে পারিনি। এ আনন্দে শেষ পর্যন্ত আর মনের কথা বলতে পারিনি।' অবশেষে ইমাম শেখের মনের আশা পূরণ হলো। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে তার চাকরি হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইমামের ভ্যান চলে যাচ্ছে যাদুঘরে। ইমামের বাবা মানসিক রোগী আব্দুল লতিফ শেখের চিকিৎসা ও ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে বিমান বাহিনীর যশোর ক্যান্টনমেন্টের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটির স্কোয়ার্ডন লিডার হারুন-উর-রশিদ টুঙ্গিপাড়ার সরদারপাড়া গ্রামে ইমাম শেখের বাড়িতে গিয়ে ইমাম শেখের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন। এরপর তিনি ইমাম শেখের অসুস্থ পিতার চিকিৎসা ও ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন ইমামের মা শাহানূর বেগমের হাতে। এ সময় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটির স্কোয়ার্ডন এ্যাসিট্যান্ট লিডার দেলোয়ার হোসাইনসহ বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফা, টুঙ্গিপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি বিএম গোলাম কাদের স্বাক্ষী হিসেবে ইমাম শেখের নিয়োগ পত্রে স্বাক্ষর করেন। দুপুর ১২টার দিকে ইমাম শেখ ব্যাগ ব্যাগেজ ও ভ্যান নিয়ে বিমান বাহিনীর গাড়িতে করে যশোরের উদ্দেশে রওনা দেন। বিমান বাহিনীর যশোর ক্যান্টনমেন্টের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটির স্কোয়ার্ডন লিডার হারুন-উর-রশিদ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইমামকে বিমান বাহিনীতে চাকরি দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তার নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ভ্যান আমরা যশোর নিয়ে যাচ্ছি। পরে এ ভ্যান যাদুঘরে পাঠানো হবে।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন শহরে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে নিজের অসন্তোষ গোপন রাখার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেননি পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। ওয়াশিংটনে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, হোয়াইট হাউস উড়িয়ে দেওয়ার কথা অনেক ভেবেছি আমি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। নারীদের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অশালীন বক্তব্য বা কথিত 'পুরুষতান্ত্রিক আচরণের' প্রতিবাদ জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হচ্ছে। নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশাসনের অধীনে দেশটির নারীদের অধিকার নষ্ট হবে এমন আশঙ্কায় ওয়াশিংটনজুড়ে বিক্ষোভ হয় যেখানে যোগ দেন হাজার হাজার নারী। শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি বিক্ষোভ সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের পপ-সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা বলেছেন, "হোয়াইট হাউস উড়িয়ে দেওয়ার কথা অনেক ভেবেছি আমি"। বিক্ষোভে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ম্যাডোনা বলেন, আমরা একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়ছি বলে মনে হচ্ছে। এই নির্বাচনের ভালোর জয় হয়নি। তবে শেষে ভালোরই জয় হবে। বিক্ষোভ সমাবেশকে বিদ্রোহের শুরু বলে আখ্যায়িত করে বিখ্যাত গায়িকা ম্যাডোনা বলেন, 'আমরা পিছে ফিরে যাবো না"। ট্রাম্পের অভিষেক বক্তব্য নিয়ে ম্যাডোনা বলেন, যে তিনি খুবই ক্ষুব্ধ। আমি হোয়াইট হাউস পতনের কথাও ভেবেছি"-বলেছিলেন ম্যাডোনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে সমর্থন করেছিলেন ম্যাডোনা। হিলারির সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নেন তিনি। অভিষেক গ্রহণের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলছে বিক্ষোভ। বিশ্বজুড়ে ছয়শোরোও বেশি ট্রাম্পবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিবিসি।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক 'ঘরের খবর পরকে জানাতে নেই' -এটা বুঝতেই চাইতেন না সোনালি রাকেশ গাঙ্গুরডে। সারাক্ষণ এটা-সেটা শেয়ার করতেন ফেসবুকে। এমনকি, দাম্পত্যের নানান ব্যাপারও। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন স্বামী রাকেশ বালাসাহেব গাঙ্গুরডে। প্রাথমিক মনমালিন্য গড়ায় তুমুল ঝগড়ায়। এক পর্যায়ে সোনালিকে খুন করে রাকেশ নিজেও আত্মহত্যা করেন! ভারতের পুনে শহরে গত বুধবার এ ঘটনা ঘটেছে। চার বছর আগে সোনালিকে বিয়ে করেছিলেন রাকেশ। পেশায় আইটি ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন রাকেশ। আর স্ত্রী সোনালি সামলাতেন সংসার। প্রথমে সব কিছুই ঠিক ছিল। কিন্তু সন্তান হওয়া নিয়ে সমস্যা হয় দু’জনের মধ্যে। আর সেই সমস্যা দিন দিন মাথাচাড়া দিচ্ছিল। এই সমস্যাই বিরোধ সৃষ্টি করে রাকেশ ও সোনালির মধ্যে। এই অশান্তির মধ্যেই দিন কাটছিল পুণের ওই দম্পতির। এই অশান্তিতে অনুঘটক হিসেবে ঢুকে পড়ে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ। স্ত্রী সোনালি দাম্পত্যের সব সমস্যাকে ফলাও করতেন সোশ্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে। রীতিমতো তা নিয়ে আলোচনা করতেন বন্ধুদের সঙ্গে। স্ত্রীর এই কাজ পছন্দ হয়নি রাকেশের। স্ত্রীকে বুঝিয়ে যখন কোনো কাজ হয়নি, তখনই তাকে চরম শাস্তি দিলেন রাকেশ। সোনালির শ্বাসরোধ করে হত্যা করলেন, নিজেও হলেন আত্মহাতী। তাদের দেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়। সেখানেই রাকেশ জানিয়েছেন, স্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়ায় অতি সরব হওয়ার কথা। নিজেদের দাম্পত্য সম্পর্কে প্রায় সব কথাই ফেসবুকের বন্ধুদের বলে বেড়াতেন সোনালি।
বুধবার, 18 জানুয়ারী 2017 10:36

বিবাহবার্ষিকীর উপহার কিডনি!

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক জন্মদিন কিংবা বিবাহ বার্ষিকীর মতো বিশেষ দিনগুলোতে প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন। অনেকেই প্রিয় মানুষটির সাথে সারা জীবন থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়ে থাকেন। অনেক প্রেমিক যুগল মনের মানুষটিকে হৃদয় খুলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত দেন। বাস্তবে ক’জন মানুষ তাদের সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারে সে প্রশ্নসাপেক্ষ। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার এক ব্যক্তি ২০তম বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীকে উপহার হিসেবে দিচ্ছেন নিজের একটি কিডনি। স্ত্রী ক্যান্ডি দীর্ঘদিন ধরে পলিসিস্টিক কিডনি রোগে ভুগছিলেন। দুই বছর ধরে নিয়মিত ডায়ালেসিস নিতে হয় তাকে। ক্যান্ডির শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাওয়ার কারণে কিডনি প্রতিস্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছিল। স্বামী স্কট চাফিয়ান গত ছয় বছর ধরে স্ত্রীকে কিডনি দেয়ার প্রস্তাব দিয়ে আসলেও কোন ভাবেই তাকে রাজি করাতে পারছিলেন না। আগামী ২৫ জানুয়ারি তাদের ২০তম বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে স্ত্রীকে একটি উপহার দিতে চান তিনি। তবে শর্ত জুড়ে দেন, যাতে কোনভাবেই তার সেই উপহার প্রত্যাখ্যান না করেন স্ত্রী। এভাবেই বেশ কৌশলে রাজি করান স্ত্রীকে। বিবাহ বার্ষিকীর ঠিক একদিন আগে ২৪ জানুয়ারি স্ত্রীকে সেই উপহারটি দিতে যাচ্ছেন স্কট। তাদের এই আবেগময় হৃদয় বিদারক প্রেমের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক সাড়া ফেলেছে।-সিএনএন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে কারও চাকরি যাবে না। সবাইকেই এ কথা বলেছি। তবে যদি কারও সরাসরি রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকে, সেটা মেনে নেওয়া হবে না। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। বেসরকারি ব্যাংকের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকা না- থাকার বিষয়ে তো কোনো নীতিমালা নেই- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যে আরাস্তু খান বলেন, ‘হ্যাঁ, সবাই তো ভোট দেন। যে-কেউ যে-কাউকে ভোট দিতে পারেন। কেউ চাইলে বিএনপিকেও ভোট দিতে পারেন। ব্যাংকে সঠিকভাবে কাজ করলে কারও কোনো সমস্যা নেই। ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ সম্পূর্ণভাবে ঐক্যবদ্ধ। কারও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। খুঁজে খুঁজে কারও চাকরি খাওয়ার ইচ্ছা নাই। এটা খুবই ভাল ব্যাংক। পারফরমেন্সও ভাল। তবে করও সরাসরি রাজনৈতিক সম্পৃক্তরা মেনে নেওয়া হবে না। পলিটিক্যাল লোকদের চিহ্নিত করা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, কথাটি সঠিক নয়। আরাস্তু খান বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন ব্যাংকটির অবস্থা কী। আমি বলেছি ব্যাংকটি খুবই ভালো চলছে। এর ফিন্যান্সিয়াল অবস্থা খুবই ভালো। ২ হাজার ৩ কোটি টাকা গত বছরের প্রফিট। তাদের ২৭ শতাংশ রেমিট্যান্স। নন-পারফরম্যান্স লোন সাড়ে ৩ শতাংশ। ডিপোজিট টু ইনভেস্টমেন্ট রেশিও ৮৮ শতাংশ। ভেরি ইমপ্রেসিভ নাম্বার। খুবই ভালো অবস্থা ব্যাংকের।’ গত ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান আরাস্তু খান ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আরাস্তু খান। সেখানে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকে সব গ্রাহকের আমানতের সুরক্ষা দেওয়া হবে।
শুক্রবার, 06 জানুয়ারী 2017 23:34

লিটনের কবরের পাশে অভুক্ত টাইগার-কালু

লিখেছেন
গাইবান্ধা সংবাদদাতা ঘাতকের গুলিতে নিহত সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের মৃত্যুর পর থেকেই তার অতি প্রিয় দুটি বিদেশি অ্যালসেশিয়ান কুকুর বিষণ্ন হয়ে শুয়ে আছে প্রভুর কবরের পাশে। কেউই ওদের কিছুই খাওয়াতে পারছে না। এমপি লিটন ওই কুকুর দুটির নাম রেখেছিল টাইগার ও কালু। নিজেই ওদের খাবার দিতেন এবং পরিচর্যা করতেন। অত্যন্ত প্রভুভক্ত ওই কুকুর দুটি সারারাত লিটনের এই বিশাল বাড়ি পাহারা দিয়ে রাখতো। কিন্তু প্রভুর মৃত্যুর পর থেকেই বিষণ্ন এই প্রাণী দুটি এখন নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়ে মরতে বসেছে। এ যেন মানুষের সাথে প্রাণীর এক অনন্য ভালোবাসা।
ঢাকা : উত্তর কোরিয়া, চিন, জাপান বা ভারত নয়। এবার শক্তি প্রদর্শনের দৌড়ে যোগ দিল বাংলাদেশ। মিসাইলের সফুল উৎক্ষেপণ করল তারা। এই মিসাইল উৎক্ষেপণের খবর আগেই চাউর হয়েছিল। সেই খবর এবার সত্যি হল। সপ্তাহ খানেক আগে শোনা গিয়েছিল এয়ার ডিফেন্স এফএম ১৫ নামে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করতে পারে ঢাকা। মঙ্গলবার সত্যিই এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করল বাংলাদেশ। কক্সবাজারে নিদানিয়া এডি ফায়ারিং রেঞ্জে এই মিসাইল উৎক্ষেপণের সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান, জেনারেল আবু বেলাল মহম্মদ শফিউল হক। এছাড়াও ছিলেন সে দেশের বায়ুসেনার উচ্চপদস্থ কর্তারা। এই ক্ষেপণাস্ত্র দিনের আলো ও অন্ধকারে সমানভাবে লক্ষ্য খুঁজে নিতে সক্ষম। তবে এই মিসাইল উৎক্ষেপণের সঙ্গেই শুরু হয়েছে বিতর্কও। প্রশ্ন উঠছে, এত গুরুত্বপূর্ণ উৎক্ষেপণের খবর আগে থেকে কী করে সংবাদমাধ্যমের কাছে পৌঁছে গেল। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।‌‌
গাইবান্ধা সংবাদদাতা গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে আশংকাজনক অবস্থায় দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এমপির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও তার কোল্ডস্টোরেজের ম্যানেজার অনিল সাহা ও এমপির শ্যালক আবু নাসের মিরান জানান, সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন তার দ্বিতল বাসভবনের নিচ তলার বৈঠক খানায় বসে ৫-৬ জন নেতাকর্মীকে নিয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় তিন যুবক হ্যালমেট পরা অবস্থায় একটি মোটর সাইকেলে তার বাসার সামনে আসে। তাদের একজন বাসার বাইরে আঙিনায় স্টার্ট দেওয়া মোটর সাইকেলে বসে অবস্থান করছিল। অপর দুইজন এমপি লিটনের সাথে জরুরি কথা বলার অজুহাতে ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে আকস্মিকভাবে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। লিটন মাটিতে লুটিয়ে পড়েই অচেতন হয়ে যান। এসময় দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে মোটর সাইকেলে চড়ে পালিয়ে যায়। লিটনের স্ত্রী স্মৃতির বড় ভাই বদিউল কারিমিন বাদল জানান, দুর্বৃত্তদের ঘরে প্রবেশ এবং গুলি করার সময় এমপি লিটনের স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক খুরশিদ জাহান স্মৃতি রান্না ঘরে ব্যস্ত ছিলেন। গুলির আওয়াজ শুনে তিনি ছুটে এসে তার স্বামীকে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা এমপিকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। দুটি গুলি তার বুকের দু’পাশে এবং অপরটি উঁরুতে বিদ্ধ হয়। এ সময় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে বাড়ির এবং আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তারা মোটর সাইকেল নিয়ে তিনজন যুবককে পালাতে দেখেন কিন্তু তাদের হাতে রিভলভার থাকায় কেউ সামনে যেতে সাহস করেনি। তারা দ্রুত রাস্তায় উঠে বামনডাঙ্গা-নলডাঙ্গা সড়ক ধরে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, ওই সময় অন্ধকার থাকায় কাউকে চেনা যায়নি। এছাড়া এমপির বাড়িতে পৌঁছানোর পর থেকে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে পালানোর সময় পর্যন্ত হামলাকারীরা মাথা থেকে হ্যালমেটও খোলেনি।