08192019সোম
স্পটলাইট

স্পটলাইট (855)

নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক ইংল্যান্ডে ১২ বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজগৌরি পাওয়ার বুদ্ধিমত্তায় পেছনে ফেলেছে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ও স্টিফেন হকিংকেও! ম্যানচেস্টারে গত মাসে ব্রিটিশ মেনসা সোসাইটির নেয়া আইকিউ বা বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষায় ১৬২ স্কোর করেছে রাজগৌরি যা হকিং ও আইনস্টাইন থেকেও ২ বেশি। দুর্দান্ত এই স্কোরের পর তাকে মেনসায় যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। চেশায়ারের বাসিন্দা রাজগৌরি ওই এক শতাংশর মধ্যে যারা মেনসা টেস্টে জিনিয়াস বেঞ্চমার্কে অংশগ্রহণ করে যা হচ্ছে ১৪০। অথচ রাজগৌরি পেয়েছেন ১৬২! মেনসা জানিয়েছে, রাজগৌরি সারা বিশ্বে এই স্কোর করা ২০ হাজার জনের এক জন। রাজগৌরি তার কীর্তি সম্পর্কে বলেন, আমি টেস্টের আগে কিছুটা নার্ভাস ছিলাম কিন্তু এত ভালো করতে আমার ভালো লেগেছে। অভিজাত মেনসা আইকিউ সোসাইটি তার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তাকে সদস্য হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। রাজগৌরির বাবা ড. সুরুজকুমার পাওয়ার বলেন, আমার মেয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যেভাবে তাকে সহায়তা করে সেটা না পেলে এটা কখনো সম্ভব হত না। আলথ্রিনচাম গ্রামার স্কুল ফর গার্লসের শিক্ষার্থী রাজগৌরি। তার অংকের শিক্ষক অ্যান্ড্রু ব্যারি বলেন, সবাই অনেক খুশি। সে সবার খুব প্রিয় শিক্ষার্থী এবং তার কাছ থেকে সবাই বড় কিছু প্রত্যাশা করে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক খালি পায়ে কক্সবাজারের ইনানী সৈকত ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সৈকতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধনের পর সৈকতে নেমে যান প্রধানমন্ত্রী। খালি পায়ে কিছুক্ষণ সেখানে হাঁটেন তিনি। এ সময় তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখাচ্ছিল। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনিসহ সামরিক- বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে সুপরিসর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজে চড়ে কক্সবাজার পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে নামার পর প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্প্রসারিত রানওয়েতে ১৬২ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ চলাচলের উদ্বোধন করেন। বিমানবন্দরের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ইনানীতে যান। সেখানে কক্সবাজার-টেকনাফ ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ উদ্বোধন করেন তিনি। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। তিনি সেখান থেকে আরও ৯টি মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এ ছাড়া কিছু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক মিশেলের সাথে প্রেম ও বিয়ের আগে শিলা মিয়োশী জ্যাগার নামে এক নারীর প্রেমে পড়েছিলেন বারাক ওবামা । ওবামার প্রস্তাব গ্রহণ করলে মিস মিয়োশীই হতেন ফার্স্ট লেডি। আশির দশকের মাঝামাঝি যখন শিকাগোতে মি. ওবামা বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে জড়িত ছিলেন, প্রেমের শুরু হয় সেসময়। ডাচ-জাপানি বংশোদ্ভূত শিলা মিয়োশীর প্রতি ওবামা এতটাই অনুরক্ত হয়ে পড়েন যে সম্পর্ক শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন মিস মিয়োশী। বারাক ওবামার নতুন এক জীবনী গ্রন্থে না-জানা এই প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশিত হয়েছে। 'মেকিং অব বারাক ওবামা' শিরোনামে বইটি লিখেছেন ডেভিড গ্যারো। এই জীবনী গ্রন্থের বিভিন্ন অংশ আজ লন্ডনের দৈনিক মেট্রো সহ ব্রিটেন ও আমেরিকার নানা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। কেন ওবামাকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ? মিজ মিয়োশী বলেন, তার বয়স তখন ২৩ এবং তার বাবা-মা চাননি এত অল্প বয়সে তাদের মেয়ের বিয়ে হোক। বিয়ের প্রস্তাবে বিফল হলেও সম্পর্ক টিঁকে ছিল আরো কিছু দিন। আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ নানা ইস্যুতে জাতিসংঘে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে ভারত নেপালে ঋতুস্রাবের সময় মেয়েদের ঘর ছাড়তে হয় কেন? শিলা মিয়োশীল সাথে কথিত প্রেমের সম্পর্ক শেষ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মিশেলের প্রেমে পড়েন ওবামা তারপর ওবামা যখন হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়ার সুযোগ পেলেন, তখন শিলা মিয়োশীকে দ্বিতীয়বার বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। কিন্তু আবারও প্রত্যাখ্যাত হন। কেন দ্বিতীয়বারও ওবামাকে না করলেন তিনি? শিলা মিয়োশী বলেন, তাদের সম্পর্ক সেসময় অনেকটাই আলগা হয়ে পড়েছিলো। ফলে তিনি আর উৎসাহ পাননি। শিলা মিয়োশীর বয়স এখন ৫৩। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তিনি বলেন, বারাক ওবামা তখন থেকেই রাজনীতি নিয়ে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ছিলেন এবং তখনই তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার বাসনা তৈরি হয়েছিলো। শিলা মিয়োশীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক চুকে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে ওবামার সাথে দেখা হয় স্ত্রী মিশেলের। তিনি তখন মিশেল রবিনসন। জীবনী গ্রন্থে দাবি করা হয়েছে, মিশেলের সাথে সম্পর্ক শুরুর পরও কয়েক বছর শিলা মিয়োশীর সাথে যোগাযোগ রেখেছিলেন বারাক ওবামা। বিয়ের আগের এই প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বারাক ওবামা এখনও মুখ খোলেননি।
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চল পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'আগামী ফসল ঘরে না উঠা পর্যন্ত একটি মানুষও না খেয়ে থাকবেনা। এ ব্যাপারে আমরা অত্যন্ত সজাগ।' তিনি বলেন, 'আমাদের হাতে প্রচুর খাদ্য মওজুদ রয়েছে। আমরা দুর্গত মানুষের পাশে আছি। যতদিন প্রয়োজন, ততদিন ভিজিএফ সহ সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তবে ভিক্ষা করে খাদ্য আনবো না। প্রয়োজনে খাদ্য আমদানি করবো।' রবিবার জেলার শাল্লা উপজেলার সাহেদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'ভিজিএফ কর্মসূচী ইউনিয়ন পর্যন্ত পৌছার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী ফসলের জন্য কৃষকদের সার, বীজ, কৃষি উপকরণ বিনা মূল্যে বিতরণ করবো। ইতিমধ্যে কৃষি ঋণের সুদ অর্ধেক মওকুফ করা হয়েছে।' তিনি এনজিওদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'তারা যেন দুর্গতদের ঋণের টাকার জন্য চাপ না দেয়।' 'প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে' উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, 'প্রকৃতিকে ব্যবহার করতে হবে। দুর্যোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে বাচতে হবে। হাওর রক্ষা বাধ নির্মাণে গাফিলতি প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।' প্রধানমন্ত্রী রবিবার সকালে হেলিকপ্টার যোগে শাল্লা সহ পার্শ্ববর্তী ক্ষতিগ্রস্ত হাওর পরিদর্শন করেন। এসময় তার সফর সঙ্গী হিসাবে ছিলেন, 'কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুল আলম হানিফ।' সকাল ১০টা ৫মিনিটে বিশাল ছায়ার হাওরের পাশে স্কুলমাঠে হেলিকপ্টার অবতরণ করলে তাকে পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, অর্থ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, ড. জয়া সেন এমপি, সংরক্ষিত আসনের এমপি শাহানা রব্বানী, পীর ফজলুর রহমান এমপি, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড.নাজমুনারা খানুম, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম স্বাগত জানান।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও তার সরকারের নীতি-নির্ধারণের প্রতিবাদ করেছেন খোদ আমেরিকানসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ। অনেক প্রতিবাদকারীর ভিড়ে আমেরিকান এক নারীর ট্রাম্পবিরোধী ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ নজরে আসে সবার। ওই নারীর নাম স্ট্যাসি জ্যাকব। শনিবার ট্রাম্প শাসনামলের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রতিবাদী এই নারী কার্যক্রম তুলে ধরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। ২০১৫ সালে তিনি ভারতে চেন্নাইয়ে পোশাক কারখানায় ভ্রমণে এসে ছয় গজ (১২ হাত) শাড়ির প্রেমে পড়ে যান। আরামদায়ক এ পোশাকটি তার মন কাড়ে। পরে শাড়ি পরা বিভিন্ন ছবি তুলে তিনি ইনস্ট্যাগ্রামে পোস্ট করেন। পরবর্তী সেই শাড়ি দিয়েই তার দেশের প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন কার্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান স্ট্যাসি জ্যাকব। বিভিন্ন সময় শাড়ি পরা প্রতিবাদ সংবলিত ছবি 'স্টাজো১২ (stajo12)' নামে একটি আইডি থেকে পোস্টও করেন। শাড়িতে মার্কিন নারীর ট্রাম্পবিরোধী প্রতিবাদ ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে চলতি বছর ২১ জানুয়ারি ট্রাম্পে শপথগ্রহণের দিন শিকাগো শহরের সড়কে নীল রংয়ের সূতি শাড়ি পরে এবং হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান। শাড়িতে মার্কিন নারীর ট্রাম্পবিরোধী প্রতিবাদ ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম প্রবেশে সাতটি প্রধান মুসলিম দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। তখন শাড়ি পরা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে প্রতিবাদে সোচ্চার হোন জ্যাকব। শাড়িতে মার্কিন নারীর ট্রাম্পবিরোধী প্রতিবাদ ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিবেশী দেশ কেক্সিকান সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে প্রস্তাব করলে এই পোশাকে প্রতিবাদ জানান। শাড়িতে মার্কিন নারীর ট্রাম্পবিরোধী প্রতিবাদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কর ফেরত ঘোষণা প্রত্যাখ্যান এবং ধনীদের জন্য কর কর্তনের প্রস্তাবের প্রতিবাদে এ সাজ নেন জ্যাকব।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক অন্য কোনো দেশের প্রধান বিচারপতিরা 'প্রকাশ্যে এত উম্মা প্রকাশ করেন না' মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, 'কোনো দুঃখ-কষ্ট থাকলে তা পাবলিকলি না বলে সেগুলো নির্বাহী বিভাগকে জানান। আমরা হয়তো সেগুলো সুরাহা করার চেষ্টা করতে পারবো।' হবিগঞ্জে প্রধান বিচারপতির দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সচিবালয়ের নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিচারকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। তাই বিচার কাজে আরও গতি এসেছে। এরপরও যদি বিচারকদের কোনো সমস্যা থাকে তা পাবলিকলি (জনসম্মুখে) না বলে সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে তা সমাধানের আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, 'আমার কথা হচ্ছে, নিশ্চয়ই উনি প্রয়োজনে কথা বলেন, আমি এটা অস্বীকার করছি না।' তিনি বলেন, 'আপনারা অনেক উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশ ও প্রতিবেশী দেশ দেখেছেন। কোনো দেশে বিচারকাজ ছাড়া প্রধান বিচারপতি এত উষ্মা, এত কথা পাবলিকলি বলেন না।' মঙ্গলবার হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, 'সব সরকারের আমলেই বিচার বিভাগের ওপর বিমাতা সুলভ আচরণ করা হচ্ছে। প্রশাসন কোনো সময়ই চায়নি বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে চলুক।' প্রধান বিচারপতির ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার আইনমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন। আগামী ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, 'আমার কাছে মনে হয়েছে যে কথাটা এখানে এসেছে সেটা হচ্ছে সৎ মা সুলভ আচরণ। সৎ মা সুলভ আচারণ যদি এই সরকারের মধ্যে থাকত, তাহলে প্রধানমন্ত্রী এই সব জিনিসগুলো বিচারপতিদের জন্য করতেন না। এই সরকার বিচার বিভাগের সঙ্গে সৎ মা সুলভ আচরণ করে সেটা যদি কেউ বলেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।' তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার সরকার বিচার কাজে কখনাই হস্তক্ষেপ করে না এবং ভবিষ্যতে কখনোই হস্তক্ষেপ করবে না। বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত এক সাংবাদিক মন্ত্রীর কাছে জানতে চান প্রধান বিচারপতি বলেছেন, প্রশাসন বিচার বিভাগকে স্বাধীন হতে দিতে চায় না। বিচার বিভাগের সঙ্গে নির্বাহী বিভাগের সঙ্কটটা আসলে কোথায়? জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি যদি তার ওই বক্তব্যের কারণটা বলতেন, তাহলে অনেক 'সুবিধা' হত। এরপর বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের সময় বিচারকদের বেতন বৃদ্ধিসহ বিচার বিভাগের জন্য নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাইকোর্টের বিচারকদের বেতন ৪৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। অন্যান্য সুবিধা যোগ করলে এই পরিমাণ এক লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হবে। আপিল বিভাগের বিচারকদের বেতন ৫৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। সুবিধাদিসহ মোট আর্থিক পরিমাণ হবে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি। প্রধান বিচারপতির বেতন ৫৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হয়েছে। নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতনও বাড়ানো হয়েছে। আনুষঙ্গিক সুবিধাদি যা একজন বিচারপতির মর্যাদা রক্ষার জন্য দরকার, সেটা দেওয়া হয়েছে। এটা হচ্ছে অবকাঠামো বৃদ্ধির প্রথম পদক্ষেপ।
সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা রাতে পৃথিবী কেমন দেখা যায় তা নিয়ে সম্প্রতি একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তাতেই পাওয়া যাচ্ছে, মহাকাশ থেকে দেখা রাতের বাংলাদেশের অসাধারণ ছবি। নাসার প্রকাশিত রাতের পৃথিবীর স্যাটেলাইট ছবি ‘নাইট লাইটস’ হিসেবে পরিচিতি। প্রতিটি দশকে একবার নাসা এই ছবি প্রকাশ করে থাকে। পৃথিবীজুড়ে মানুষের আবাসের গতি-প্রকৃতির ধারণা পাওয়া যায় এসব ছবিতে। অতীতের রাতের ছবির সঙ্গে বর্তমান বা কাছাকাছি সময়ের ছবি মিলিয়ে বুঝতে পারা যায়, এক দশক আগে কেমন ছিল মানুষের বসতি। যেমন- এবার নাসার প্রকাশিত রাতের পৃথিবীর ছবিতে ২০১৬ সালের মাস ও তারিখ অনুসারে ছবি পাওয়া যাচ্ছে। এখন চাইলে যে কেউ ২০১২ সালের রাতের ছবি মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন কেমন পরিবর্তন হয়েছে। এখন পর্যন্ত এক দশকে একবার এমন ছবি প্রকাশ করলেও নাসার বিজ্ঞানীরা পরিকল্পনা করছেন আগামীতে তা আরও দ্রুত প্রকাশ করার জন্য। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন, বার্ষিক বা মাসিক কিংবা দৈনিক এই ছবি প্রকাশ করার কথা। নাসা বিজ্ঞানীরা এটা করতে সফল হলে তা আবহাওয়ার পূর্বাভাস, প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত পদক্ষেপ এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতিও এড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। নাসার গোদার্দ স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিজ্ঞানী মিগুয়েল রোমানের নেতৃত্বে একটি গবেষণা দল এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তারা একটি নতুন সফটওয়ার ও অ্যালগরিদম উন্নয়নের কাজ করছেন যা দিয়ে সর্বোচ্চ মানের ছবি পাওয়া যাবে। চলতি বছরের শেষের দিকে রোমানের টিম আশা করছেন বিশ্ববাসীকে এমন ছবি দিতে পারবেন, যা হবে অনেক স্পষ্ট ও সহজেই কাজে লাগানো যাবে। তথ্যসুত্র-বাংলা ট্রিবিউন
বাসস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এটি ছিল এক বিরল দৃষ্টান্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তাঁরই কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অংশ হিসেবে আজ এখানে অনুষ্ঠিত অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি) সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনা সভায় এই বিরল ঘটনাটি ঘটে। অটিজম এবং নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার সংক্রান্ত তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে রাজকীয় ব্যাংকুয়েট হলে তিনদিনব্যাপী এই সম্মেলন আজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে গেস্ট অব অনার হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা এবং অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ডব্লিউএইচও’র (হু) চ্যাম্পিয়ন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। হু’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক অফিসের আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম খেত্রপাল সিং আলোচনা অনুষ্ঠানে কো-চেয়ার ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভি অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাসাও শেরিং তোবগায়ে ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বিশ্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃিষ্টতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভূটানের প্রধানমন্ত্রী অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অটিজম বিষয়ে হু’র চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং সূচনা ফাউন্ডেশন, এ্যাবিলিটি ভুটান সোসাইটি (এবিএস) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব আঞ্চলিক অফিসের টেকনিকেল সহায়তায় তিনদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে উদ্বোধনী ও সমাপনি অনুষ্ঠানসহ কয়েকটি টেকনিকেল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে সরকারি নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কর্মীরা আলোচনায় অংশ নেবেন।
বাসস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এটি ছিল এক বিরল দৃষ্টান্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তাঁরই কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অংশ হিসেবে আজ এখানে অনুষ্ঠিত অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি) সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনা সভায় এই বিরল ঘটনাটি ঘটে। অটিজম এবং নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার সংক্রান্ত তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে রাজকীয় ব্যাংকুয়েট হলে তিনদিনব্যাপী এই সম্মেলন আজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে গেস্ট অব অনার হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা এবং অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ডব্লিউএইচও’র (হু) চ্যাম্পিয়ন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। হু’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক অফিসের আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম খেত্রপাল সিং আলোচনা অনুষ্ঠানে কো-চেয়ার ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভি অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাসাও শেরিং তোবগায়ে ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বিশ্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃিষ্টতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভূটানের প্রধানমন্ত্রী অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অটিজম বিষয়ে হু’র চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং সূচনা ফাউন্ডেশন, এ্যাবিলিটি ভুটান সোসাইটি (এবিএস) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব আঞ্চলিক অফিসের টেকনিকেল সহায়তায় তিনদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে উদ্বোধনী ও সমাপনি অনুষ্ঠানসহ কয়েকটি টেকনিকেল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে সরকারি নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কর্মীরা আলোচনায় অংশ নেবেন।
শনিবার, 15 এপ্রিল 2017 23:56

পরমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া!

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক বিশ্বজুড়ে সংবাদ মাধ্যমে যখন উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে ঠিক তখনই পরমাণু হামলা চালাতে প্রস্তুত বলে হুমকি দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। যুক্তরাষ্ট্রকে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ না নিতে সতর্ক করেছেন তিনি। গতকাল শনিবার উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল সাং এর ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন কিম জং উন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা করছে চীন। খবর বিবিসি ও সিএনএনের। উত্তর কোরিয়ার সামরিক কর্মকর্তা চো রেয়ং হায়ে বলেছেন, যেকোনো পরমাণু হামলার বিপরীতে আমরা আমাদের নিজস্ব কায়াদায় পাল্টা পরমাণু আঘাত করবার জন্য প্রস্তুত। গতকাল পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে ট্যাংক এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামের বড় ধরনের প্রদর্শনী করা হয় নিজেদের বর্তমান সামরিক শক্তি তুলে ধরবার জন্য। ওই সামরিক প্রদর্শনীতে সাবমেরিন থেকে উেক্ষপণযোগ্য ব্যালাস্টিক মিসাইল প্রথমবারের মত জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়। বিশ্বের যেকোনো জায়গায় লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করার উদ্দেশ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার সম্ভব। উত্তর কোরীয় যুদ্ধবিমান আকাশে ১০৫ সংখ্যাটি ফুটিয়ে তোলে। এই মিসাইলের পাল্লা ১ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরো দু’টি নতুন আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র ও প্রথাগত লাঞ্চারসহ কুচকাওয়াজে প্রদর্শিত হয়। গত এক বছর ধরে সব দেশের চোখ রাঙানিকে উড়িয়ে দিয়ে একতরফাভাবে পরপর পরমাণু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছেন স্বৈরাচারী কিম। মহাশক্তিধর প্রতিবেশি চীনও তাকে সংযত করতে পারেনি। উত্তর কোরিয়াকে দমন করার হুংকার ছাড়তেই ফের ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়েন কিম। বুঝিয়ে দেন, আমেরিকাকে থোড়াই কেয়ার করেন তিনি। সমপ্রতি দেশের পূর্ব উপকূলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালান তিনি। ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপান সাগরে আঘাত হানে। এটি কেএন-১৫ মডেলের মাঝারি পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা জানায়। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৮৯ কিলোমিটার পর্যন্ত যে কোরো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। যুদ্ধের আশঙ্কা চীনের শুক্রবার চীনের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আর ‘যুদ্ধ’ লেগে গেলে কোনো পক্ষই তাতে জয়ী হবে না বলেও উল্লেখ করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সরাসরি যুদ্ধ না বললেও সেরকম আশঙ্কাই করছে চীন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। মনে হচ্ছে যে কোন সময় একটা সংঘাত দেখা দেবে। তিনি উত্তেজনাকর ও উস্কানিমূলক হুমকি দেয়া থেকে বিরত থাকার জন্যও সব পক্ষের প্রতি আহবান জানান। মূলত উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তাগুলো থেকেই যুদ্ধের ইঙ্গিত পাচ্ছে চীন। কোরীয় উপত্যকায় আরেকটি পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতির জের ধরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সামপ্রতিক সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এর আগে জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর যুক্তরাষ্ট্র বলেছিলো উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে তারা একাই ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। সর্বশেষ এখন পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতিতে নৌবাহিনীর জাহাজ কোরীয় উপত্যকায় অবস্থান নেয়ার পর সোচ্চার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তারই জের ধরে ওই অঞ্চলে এখন যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখছে চীন, যে দেশটি দীর্ঘকাল ধরে উত্তর কোরিয়াকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এদিকে সমপ্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট বার্তায় বলেছেন একা ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্র ভীত নয়। তিনি বলেন, চীন সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নিলে ভালো। নাহলে তাদের ছাড়াই আমরা সমস্যার সমাধান করবো। ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন হচ্ছে কারণ তারা ভাবছে উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রে পরমাণু হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করছে। এদিকে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আরো কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পটভূমিতে ধারণা করা হচ্ছে শনিবার ষষ্ঠবারের মতো পরমাণু বোমার বা আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে উত্তর কোরিয়া। তবে উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার প্রতি আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখাচ্ছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জড়িত একটি প্রতিষ্ঠান যে কোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ হতে পারে সতর্ক করে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেস এর সিনিয়র ফেলো অ্যাডাম মাউন্ট বলেন, শনিবারের সামরিক সরঞ্জামের প্রদর্শণীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। তারা দেখিয়ে দিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেও হামলা চালাতে সক্ষম এবং সেটাই তাদের উদ্দেশ্য। ক্যালিফোর্নিয়ার জেমস মার্টিন সেন্টার ফর ননপ্রোলিফারেশন স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্স অ্যাসোসিয়েট মেলিসা হ্যানহাম বলেন, ভূমি এবং যুদ্ধবিমান থেকে উেক্ষপনযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র প্রদর্শণ করেছে উত্তর কোরিয়া। ভূমি থেকে উেক্ষপনযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র কেএন-১৫ নামে পরিচিত। আর যুদ্ধবিমান থেকে উেক্ষপনযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র কেএন-১১ নামে পরিচিত। কেএন-১৫ ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে গোপনে এবং সহজেই হামলা চালানো সম্ভব।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা