11232019শনি
স্পটলাইট

স্পটলাইট (867)

বৃহস্পতিবার, 21 নভেম্বর 2019 17:47

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত

লিখেছেন
বিশেষ প্রতিনিধি যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে দেশের সকল সেনানিবাস, নৌ ঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদসমূহে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আইএসপিআর। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মোঃ আবদুল হামিদ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হাসিনা সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে পৃথক পৃথকভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পুস্পস্তবক অর্পণকালে শহীদদের স্মরণে বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এর আগে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে এসে পৌঁছলে তাঁদেরকে স্বাগত জানান তিন বাহিনী প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। মুক্তিযুদ্ধে শাহাদত বরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মরণে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ (General Aziz Ahmed), নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল আবু মোজাফ্ফর মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব চৌধুরী (Aurangzeb Chowdhury), এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত ( Masihuzzaman Serniabat) নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে গমন করেন। সেখানে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং মহাপরিচালকবৃন্দ। সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং নির্ধারিত সংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান করেন। তিনি তাদের হাতে সম্মানী চেক এবং উপহার তুলে দেন। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ০৯ জন সেনা, ০২ জন নৌ এবং ০৩ জন বিমান বাহিনী সদস্যদের ২০১৮-২০১৯ সালের শান্তিকালীন পদকে ভূষিত করা হয়। সংবর্ধনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, ‘‘————–’’ (ভাষণের ফটোকপি সংযুক্ত)। ০৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের নিকট আত্মীয়সহ প্রায় ১০১ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীগণ সংবর্ধনায় যোগ দেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব আ.ক.ম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, আরসিডিএস, পিএসসি (অবঃ), সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার সহ উর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন (প্রচারের পূর্বে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে)। পরে প্রধানমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সাথে চা চক্রে মিলিত হন। এর পরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আজ নৌবাহিনী প্রধান নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা প্রদান করেন। এছাড়া, বিমান বাহিনী প্রধান ২২ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে বিমান বাহিনীর এবং সেনাবাহিনী প্রধান ২৫ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে সেনাবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা/তাঁদের পরিবারবর্গের সম্মানার্থে পৃথক পৃথক সংবর্ধনার আয়োজন করবেন।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক সংযুক্ত আরব আমিরাত পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সেখানকার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুবাই এয়ার শো-২০১৯ এর ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আবুধাবির যুবরাজ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ ইঙ্গিত দেন। খবর বাসসের। বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শিগগিরই তার দেশের শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে যুবরাজ নাহিয়ান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আপনার পরবর্তী আমিরাত সফরকালে আপনাকে এ প্রশ্নটি আর করতে হবে না। তিনি বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আগের চেয়ে বেশি ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ারও ইঙ্গিত দেন। সাক্ষাত শেষ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, যুবরাজ বাংলাদেশ থেকে চাল আমদানিরও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি উদ্বৃত্ত চাল উৎপাদনকারী দেশ। বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের চাল উৎপাদন করছে। আমরা বিভিন্ন দেশে চাল রপ্তানি করছি। যুবরাজ বলেন, তারা বাংলাদেশ থেকে সেরা মানের চাল আমদানি করতে চায়। তার দেশ তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের চাল দেখার জন্য বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে। বৈঠককালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার, 15 নভেম্বর 2019 09:05

শেখ হাসিনাকে খেলা দেখতে মোদির আমন্ত্রণ

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক আগামী ২২ নভেম্বর কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠেয় দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচ দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার নরেন্দ্র মোদি এই আমন্ত্রণ জানান। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। টেস্ট ম্যাচের প্রথমদিনে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উপস্থিত থাকতে পারেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, টাইগারদের সঙ্গে ভারতের ম্যাচটি দেখতে ২২ নভেম্বর সকালে কলকাতায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঐদিন রাতেই ঢাকায় ফিরবেন। শুধু একদিনের জন্য ভারতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এই ম্যাচ দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগেই আমন্ত্রণ জানান ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি বাংলাদেশ-ভারত মধ্যকার ইডেন টেস্ট ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে উদ্যোগ নিয়েছেন। দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচকে ঘিরে তিনি আয়োজনে কোনো কমতি রাখছেন না। এটিকে নিছক একটি টেস্ট ম্যাচ নয় বরং কূটনীতি ও সংস্কৃতির মিশেলও রাখতে চাইছেন তিনি। টেস্টের এই মঞ্চে ভারতের বিভিন্ন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকবেন। এই প্রথম ভারত এবং বাংলাদেশ গোলাপি বলে টেস্ট ম্যাচ খেলবে। এতো আয়োজনের খবর ইতিমধ্যে জেনে গেছে ভারতীয়রা। এই টেস্ট ম্যাচের জন্য অনলাইনে ছাড়া টিকিটের বিক্রিতে তাই ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
রবিবার, 10 নভেম্বর 2019 10:44

বুলবুল :মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক ঘূর্ণিঝড় বুলবুল দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। মংলা ও পায়রার ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী উপকূলীয় অঞ্চলে তিন নম্বর সংকেত ও নদীবন্দরে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ আজ রবিবার সকাল দশটায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। মোংলা ও পায়রার ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার করা হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রামের ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত প্রত্যাহার। উপকূলে তিন নম্বর সংকেত। আর নদী বন্দরে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছ। এক নম্বর সতর্ক সংকেত যখন দেখানো হবে, তখন লঞ্চ চলতে পারবে। এখন নয়। তবে ফেরি চলতে সমস্যা নেই। বুলবুল সুন্দরবন উপকূলে প্রবেশ করে আজ রবিবার ভোর পাঁচটায়। গত ২৪ ঘন্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সাতক্ষীরায় ১৪৪ মিলিমিটার। আর সেখানে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ৮১ কিলোমিটার। খুলনার কয়রায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৯৩ কিলোমিটার। পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১১৭ কিলোমিটার ছিল বাতাসের গতিবেগ। আর বৃষ্টি হয়েছে ১৩১ মিলিমিটার। আবহাওয়ার বুলেটিনে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে আজ সারা দিন বৃষ্টি হবে। বুলবুলের অবস্থান এখন বাগেরহাট খুলনা এলাকায়। বাতাসের গতিবেগ এখন ৮০ কিলোমিটার থেকে ১০০ কিলোমিটার।
বৃহস্পতিবার, 31 অক্টোবার 2019 17:37

জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যুদন্ড বহাল

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদন্ডের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হেসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১০ জুলাই এ আপিলের ওপর শুনানি শেষে সিএভি (রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ) রাখা হয়। আসামিপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন যুক্তিতর্ক উপ¯’াপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত ৮ জুন আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীনের পেপারবুক উপ¯’াপনের মধ্য দিয়ে এ শুনানি শুরু হয়েছিল। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুন্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেহ রংপুর অঞ্চলে ১২৫৬ ব্যক্তিকে গণহত্যা-হত্যা, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক, নির্যাতন ও গুরুতর জখম এবং শতশত বাড়ি-ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের মতো নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় এটিএম আজহারের বি দ্ধে। এসব অভিযোগের মধ্যে ১ নম্বর বাদে বাকি পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে ট্রাইব্যুনালের রায়ে। সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ে অভিযোগ) ছাড়াও তিনি যে আলবদর কমান্ডার ছিলেন, তাও প্রমাণিত হয়েছে রায়ে। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি ১১৩ যুক্তিতে আজহারকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৯০ পৃষ্ঠার মূল আপিলসহ ২৩৪০ পৃষ্ঠার আপিল দাখিল করা হয়। এটি ৮ম মামলা যা আপিলে সুরাহা হবে।
ফেনী সংবাদদাতা অধ্যক্ষের যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ করায় ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। হত্যাকান্ডে সাত মাসের মাথায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশীদ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। দন্ডিত আসামিদের মধ্যে সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা ছিলেন এই হত্যাকান্ডের হুমুকদাতা। মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সহসভাপতি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীন এবং সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মাকসুদ আলম হত্যাকান্ড বাস্তবায়নে আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। আসামি কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ও জাবেদ হোসেন ছিলেন নুসরাতের সহপাঠী। একসঙ্গেই তারা আলিম পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তাদেরও সর্বোচ্চ সাজার রায় এসেছে আদালতে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাদীপক্ষের কৌঁসুলি এম শাহজাহান সাজু এই রায়কে বলেছেন দৃষ্টান্তমূলক। ৬২ কার্যদিবস শুনানির পর এই রায় দেওয়া হচ্ছে, যাকে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘নজিরবিহীন’ বলেছেন। নুসরাতের পরিবারের সদস্যরারও এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত আসামিদের সাজা কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। নুসরাতের ভাই ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান দ্রুত বিচার নিশ্চিত করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, এই রায়ে তারা সন্তুষ্ট নন, রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন। এ মামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা যেটা প্রত্যাশা করেছিলাম সেটাই হয়েছে। আমরা পেশাদারিত্বের সাথে মেধা দিয়ে কাজ করেছি। প্রত্যেকের পরিবারে নুসরাত আছে, আমরা সে ভাবনা নিয়েই কাজ করেছি। সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে এবার আলিম পরীক্ষা দিচ্ছিলেন নুসরাত। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। ওই ঘটনায় নুসরাতের মা মামলা করার পর গত ২৭ মার্চ পুলিশ গ্রেপ্তার করে অধ্যক্ষ সিরাজকে।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক সারা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলগুলোতে তল্লাশির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফর উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আ‌ইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে বলবো- যখন এ ঘটনা একটা জায়গায় ঘটেছে, দেখা গেছে ওখানে এক রুম নিয়ে বসে জমিদারি চালানো, প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল সব জায়গায় সার্চ করার দরকার। তিনি বলেন, কোথায় কী আছে না আছে খুঁজে বের করতে হবে। এ ধরনের কারা মাস্তানি করে বেড়ায়, কারা এ ধরনের ঘটনা ঘটায় সেটা দেখতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল, শুধু ঢাকা না, সারা বাংলাদেশে প্রত্যেকটা জায়গায় সার্চ করা হবে এবং দেখা হবে সেই নির্দেশটা আমি দিয়ে দেবো। এখানে আপনাদের মাঝে বলে দিচ্ছি সেটা আমরা করবো।
শুক্রবার, 04 অক্টোবার 2019 13:08

শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান দুবাইয়ে গ্রেফতার

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক বহুল আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন আতœগোপনে ছিলেন। তার গ্রেফতারের খবর নিশ্চিত করেছেন ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরের বাংলাদেশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম। তিনি বলেন, গত বুধবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারপোল। শিগগিরই তাকে দেশে ফেরত আনার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র তৈরি করা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়ার সময় জিসানের কাছে ভারত ও ডোমেনিকান দুইটি পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। গ্রেফতারকৃত জিসানের ছবি ঢাকায় পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। সেই ছবির সঙ্গে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে থাকা জিসানের নতুন ছবির হুবহু মিল রয়েছে। সেই সূত্র ধরে আমরা নিশ্চিত হয়েছি দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তিই জিসান। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, জিসানের কাছে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট ছিল। ওই পাসপোর্টে তার নাম আলী আকবর চৌধুরী। ২০০১ সালের নভেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম ঘোষণা করে। ওই তালিকায় জিসানের নাম ছিল না। মালিবাগ, মগবাজার, খিলগাঁও এলাকার আলোচিত এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ঢাকায় একাধিক হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। ২০০২ সালে মালিবাগে হোটেল সানরাইজ হোটেলে ডিবির দুই ইন্সপেক্টরকে সরাসরি হত্যা করে জিসান আলোচনা আসে। এরপর থেকে জিসান আত্মগোপন করে। ২০০৫ সালে জিসান ভারতে আত্মগোপন করে। সেখানে ২০০৯ সালে একবার কলকাতা পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল। পরে ছাড়া পেয়ে কলকাতায় বসে ঢাকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রন করে। বছর দুয়েক আগে থেকে জিসান ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে দুবাই চলে যায়। সেখানে ঢাকা থেকে অনেক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তার বৈঠক হয়। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে ম্যারিনা বে স্যান্ডস হোটেলে ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, যুবলীগ নেতা খালেদা মাহমুদ ভূঁইয়া ও জিসানের বৈঠক হয়। সেখানে ক্যাসিনো থেকে জিসান ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ পুরস্কার গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী ইউএন প্লাজার ইউনিসেফ ভবনের ল্যাবুইসে হলে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) প্রদত্ত এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। ইউনিসেফ’র নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড.একে আব্দুল মোমেন এবং ইউনিসেফে’র শুভেচ্ছা দূত এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার এবং বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। পুরস্কার গ্রহণকালে এটি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী ইউনিসেফকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেশের জনগণ বিশেষ করে দেশের সকল শিশু এবং সমগ্র বিশ্বের শিশুদের প্রতি তিনি তা উৎসর্গ করেন এবং বলেন, ‘বাস্তবিক অর্থে বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে দেশের সকল শিশুর এবং সমগ্র বিশ্বের শিশুদেরই এই স্বীকৃতি প্রাপ্য।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সম্মান আমার একার জন্য নয়, এটি সমগ্র বাংলাদেশের কেননা বাংলাদেশের জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই আমি তাঁদের সেবা করার সুযোগটা পেয়েছি। সেই সুযোগের জন্যই আমার এই পুরস্কার লাভ।’ প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিজ নিজ এলাকার বিদ্যালয়গুলো যেগুলোতে অতীতে তারা লেখাপড়া করেছেন সেগুলোর উন্নয়নে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। দেশের লাখ লাখ তরুণ তাঁদের দক্ষতার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে আমাদের জীবন এবং জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন সাধনে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই স্বীকৃতি বাংলাদেশে একটি দায়িত্বপূর্ণ এবং জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ এবং অর্থনীতি বিনির্মাণে আমাদের দৃঢ় পদক্ষেপের পরিচায়ক।’ জাতি গঠনে তরুণদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির যেকোনো প্রয়োজনের মুহূর্তে আমাদের যুব সমাজ অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা পালন করে এসেছে।’ দেশের যুব সমাজকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাজে লাগানোয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতাই এটা প্রথম অনুধাবন করেছিলেন যে, তরুণ-যুবাদের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে না পারলে উন্নতি করা সম্ভব হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা একটি জ্ঞান সমৃদ্ধ তরুণ প্রজন্ম গড়ে তোলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যারা যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম হবে এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহযোগিতা করবে। যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তার সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রম বাজারে প্রবেশ করছে। আমরা এসব তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে তাঁদের জন্য যথাযথ জ্ঞান এবং দক্ষতা বৃদ্ধির নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তাঁদেরকে আমরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠাতেও উৎসাহিত করছি।’ তিনি বলেন,‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্থানীয় এবং বৈশ্বিক চাহিদার কথা মাথায় রেখেই কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে যুগোপযোগীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকার দেশের একশ’টি উপজেলায় কারিগরি বিদ্যালয় এবং কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল উপজেলাতেই এ ধরনের বিদ্যালয় এবং কলেজ স্থাপন করা হবে। কেউ পিছিয়ে থাকবে না, এমন নীতির ভিত্তিতে সরকারের পরিকল্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বেকার এবং অদক্ষ যুবকদের মানব সম্পদে রূপান্তরিত করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।’ প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষ করে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং একইসঙ্গে শিশু এবং নারীদের উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতা প্রদানের জন্য ইউনিসেফকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ইউনিসেফ বরাবরই বাংলাদেশের জন্য সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।' ইউনিসেফ’র নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর তার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের চমকপ্রদ উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সময়োপযোগী জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের প্রশংসা করেন। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আগত প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদানের জন্যও বাংলাদেশের প্রশংসা করেন ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক। অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তৃতায় ইউনিসেফ’র শুভেচ্ছা দূত সাকিব আল হাসান বলেন, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই বাংলাদেশ তার সকল নীতির কেন্দ্রে শিশুদেরকে স্থান দিয়েছে , একইসঙ্গে শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তাদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করে চলেছে এবং বিদ্যালয়সমূহে লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করেছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কাজে সামনে থেকে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। এটি সত্যিই চমকপ্রদ যে, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণ সমাজের দক্ষতা উন্নয়নে তার অবদানের জন্য ইউনিসেফ’র স্বীকৃতি লাভ করেছেন। সরকারের অত্যন্ত ভাল নীতি এবং কর্মসূচিসমূহ আগামীতে বাংলাদেশের আরও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি,সমতা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভূমিকা রাখবে।’ দেশের নেতা হিসেবে এই অসামান্য স্বীকৃতি অর্জন করায় সাকিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি প্রাণঢালা অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন তিনি
বিশেষ প্রতিনিধি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাংলাদেশ বিমানে ভ্রমন করার বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আকাশপথে চলাচলের সময় যে রুটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট আছে, সেসব ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ বিমানে ভ্রমণ করতে হবে। মঙ্গলবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনাল থেকে বিমান বাংলাদেশের নতুন বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধনকালে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এরআগে প্রধানমন্ত্রী উড়োজাহাজটিতে আরোহণ করেন এবং ককপিটসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন বিমানে উঠলে গর্বে বুক ভরে যায়। আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সরকারি অফিসাররা যে যেখানেই যান, বাংলাদেশ বিমানেই যেতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বোয়িং এর কাছ থেকে আরও দুটো বিমান কেনার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এই দুটো বিমান আমরা রেডি পেয়েছি। যারা বোয়িং এর কাছ বিমান কেনার অর্ডার দিয়েছিল, তারা এদুটো এখন নিচ্ছে না। আমরা কিনতে পার্,ি আমাদের হাতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, বিমান বোয়িং থেকে এতোগুলো উড়োজাহাজ কিনছে, সেখানে বিমানকে আমেরিকায় যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘দশটি ড্রিমলাইনারের নাম আমি দিয়েছি, যাতে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সবাই পরিচিত হতে পারেন।’ পণ্য রফতানির জন্য দুটো কার্গো বিমান কেনা ও কার্গো ভিলেজ গড়ে তোলার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে বাংলাদেশ। পৃথিবীর বহু দেশ দ্রæত প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও তাদের মূল্যস্ফীতি বেশি হয়। আমরা প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ধরে রাখতে পেরেছি। প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগসহ আমাদের অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হয়েছে। তারপরও আমরা আমাদের দেশে চমৎকার একটা পরিবেশ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি।’ এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছে ‘রাজহংস’। অত্যাধুনিক এই উড়োজাহাজটির যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডিমলাইনার উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়ালো চারটিতে। ২০০৮ সালে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য ২১০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এর আগে এর মধ্যে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, দু’টি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮০০ যুক্ত হয়েছে। বাকি চারটি ড্রিমলাইনারের ২০১৮ সালে বাংলাদেশ বিমানের বহরে ‘আকাশবীণা’ ও ‘হংসবলাকা’ এবং চলতি বছরে যুক্ত হয় ‘গাঙচিল’। আর মঙ্গলবার সংযোজন হলো ড্রিমলাইনার ‘রাজহংসে’র। বিমানের চারটি ড্রিমলাইনারের নাম-ই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজ ড্রিমলাইনার একটানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে পারে। অন্য উড়োজাহাজের চেয়ে এর জ্বালানি খরচও ২০ শতাংশ কম। ড্রিমলাইনার ‘রাজহংসে’র ২৭১টি আসনের মধ্যে ২৪টি বিজনেস ক্লাস এবং ২৪৭টি ইকোনমি ক্লাসের আসন। বিজনেস ক্লাসের আসনগুলো ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত রিক্লাইন্ড এবং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড সুবিধা রয়েছে। অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৩ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময়ও ওয়াইফাই সুবিধা নিতে পারবেন যাত্রীরা।