05172022মঙ্গল
শিরোনাম:
স্পটলাইট

স্পটলাইট (1134)

ঢাকা, ২৫ এপ্রিল, ২০২২: পবিত্র রমজান মাসে সার্মথ্যবানরা যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়িয়ে অধিক পূন্য অর্জন করে থাকেন। কোথাও না গিয়ে, সুবিধাজনক সময়ে, নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সঠিক ব্যক্তির কাছে যাকাতের অর্থ পৌঁছে দেয়া আরো সহজ করতেই বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু সুবিধা। গ্রাহকরা এখন বিকাশ অ্যাপের ‘ডোনেশন’ আইকন অথবা সাজেশন অংশের ‘রমজানে প্রতিদিন’ অপশন থেকে বেশ কয়েকটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে যাকাত প্রদান করতে পারছেন। তাছাড়া ‘রমজানে প্রতিদিন’ অংশের ‘যাকাত ক্যালকুলেটর’ ব্যবহার করে যাকাতের পরিমান হিসাবও করে নিতে পারছেন অনায়াসে। https://ramadan.bkash.com/ -এই লিংক থেকেও ব্যবহার করা যাচ্ছে যাকাত ক্যালকুলেটর। যাকাত ক্যালকুলেটর: যাকাত দিতে হলে গ্রাহককে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের ‘সাজেশনস’ অংশ থেকে ‘রমজানে প্রতিদিন’ নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘যাকাতের হিসাব করতে ট্যাপ করুন’ অপশনে গেলেই পাওয়া যাবে ‘যাকাত ক্যালকুলেটর’। সেখান থেকে সহজেই স্বর্ণ/রূপার উপর যাকাত, ক্যাশ টাকা বা ব্যাংকে থাকা অর্থের উপর যাকাত, বিনিয়োগ/তহবিল/শেয়ারের উপর যাকাত, ব্যবসার উপর যাকাত, ইত্যাদি বিভিন্ন মানদন্ডের উপর গ্রাহকরা যাকাতের পরিমান হিসাব করতে পারছেন। এমনকি ঋণ বা দায় থাকলে সেটিও হিসাব-নিকাশ করে মোট প্রদেয় যাকাতের পরিমান বের করা যায় এই ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে। পাশাপাশি, কুরআনে যাকাত সম্পর্কে কী বলা আছে, ব্যক্তিগত যাকাত, ব্যবসায়িক যাকাত, যাকাতের হিসাব, যাকাতের অর্থ, কারা যাকাত পাওয়ার যোগ্য, কখন যাকাত দিতে হয়, নিসাব কী, ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত জানার সুযোগও রয়েছে এখানেই। যাকাত প্রদান পদ্ধতি: গ্রাহক যে প্রতিষ্ঠানে যাকাত দিতে চান তা নির্বাচন করে নাম, ইমেইল আইডি ও পরিমান দিয়ে সাবমিট করতে হবে। গ্রাহক চাইলে ‘পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক’ অপশনটি নির্বাচন করে নিজের পরিচয় গোপনও রাখতে পারেন। পরের ধাপে পিন নম্বর দিলে একটি প্রাপ্তি স্বীকার বার্তা স্ক্রিনে দেখতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেয়ার সুযোগও রয়েছে সেখানে। যাকাত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান: বর্তমানে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, ফুড ফর অল–খুকুমনি ফাউন্ডেশন, এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ ও মাস্তুল ফাউন্ডেশন-এ গ্রাহকরা যাকাত দিতে পারছেন বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে। গ্রাহক চাইলে সরাসরি https://ramadan.bkash.com/ - এই লিংকে ভিজিট করেও যাকাত প্রদান করতে পারেন। বিকাশের এই প্ল্যাটফর্ম যাকাত গ্রহীতা ও প্রদানকারীর দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছে। বিকাশের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় কয়েকটি ক্লিকেই যাকাত বা স্বেচ্ছা অনুদান খুব সহজেই পৌঁছে দিতে পারছেন যথার্থ মানুষের কল্যাণে। অসংখ্য মানুষ উপকৃত হন যাকাত পেয়ে – কেউ হয়ে ওঠেন স্বাবলম্বী, কারো নতুন স্বপ্নের শুরু হয়, কারো মৌলিক চাহিদা পূরণ হয়, আবার অনেক শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে তোলে যাকাত। তাই বিকাশ দিয়ে যাকাত আদায় করার মাধ্যমে জীবন পরিবর্তনের মহতি উদ্যোগে যুক্ত হতে পারেন সার্মথ্যবান গ্রাহকরা।
ঢাকা, ২৫ এপ্রিল, ২০২২: পবিত্র রমজান মাসে সার্মথ্যবানরা যাকাত আদায়ের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়িয়ে অধিক পূন্য অর্জন করে থাকেন। কোথাও না গিয়ে, সুবিধাজনক সময়ে, নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সঠিক ব্যক্তির কাছে যাকাতের অর্থ পৌঁছে দেয়া আরো সহজ করতেই বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু সুবিধা। গ্রাহকরা এখন বিকাশ অ্যাপের ‘ডোনেশন’ আইকন অথবা সাজেশন অংশের ‘রমজানে প্রতিদিন’ অপশন থেকে বেশ কয়েকটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে যাকাত প্রদান করতে পারছেন। তাছাড়া ‘রমজানে প্রতিদিন’ অংশের ‘যাকাত ক্যালকুলেটর’ ব্যবহার করে যাকাতের পরিমান হিসাবও করে নিতে পারছেন অনায়াসে। https://ramadan.bkash.com/ -এই লিংক থেকেও ব্যবহার করা যাচ্ছে যাকাত ক্যালকুলেটর। যাকাত ক্যালকুলেটর: যাকাত দিতে হলে গ্রাহককে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের ‘সাজেশনস’ অংশ থেকে ‘রমজানে প্রতিদিন’ নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘যাকাতের হিসাব করতে ট্যাপ করুন’ অপশনে গেলেই পাওয়া যাবে ‘যাকাত ক্যালকুলেটর’। সেখান থেকে সহজেই স্বর্ণ/রূপার উপর যাকাত, ক্যাশ টাকা বা ব্যাংকে থাকা অর্থের উপর যাকাত, বিনিয়োগ/তহবিল/শেয়ারের উপর যাকাত, ব্যবসার উপর যাকাত, ইত্যাদি বিভিন্ন মানদন্ডের উপর গ্রাহকরা যাকাতের পরিমান হিসাব করতে পারছেন। এমনকি ঋণ বা দায় থাকলে সেটিও হিসাব-নিকাশ করে মোট প্রদেয় যাকাতের পরিমান বের করা যায় এই ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে। পাশাপাশি, কুরআনে যাকাত সম্পর্কে কী বলা আছে, ব্যক্তিগত যাকাত, ব্যবসায়িক যাকাত, যাকাতের হিসাব, যাকাতের অর্থ, কারা যাকাত পাওয়ার যোগ্য, কখন যাকাত দিতে হয়, নিসাব কী, ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত জানার সুযোগও রয়েছে এখানেই। যাকাত প্রদান পদ্ধতি: গ্রাহক যে প্রতিষ্ঠানে যাকাত দিতে চান তা নির্বাচন করে নাম, ইমেইল আইডি ও পরিমান দিয়ে সাবমিট করতে হবে। গ্রাহক চাইলে ‘পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক’ অপশনটি নির্বাচন করে নিজের পরিচয় গোপনও রাখতে পারেন। পরের ধাপে পিন নম্বর দিলে একটি প্রাপ্তি স্বীকার বার্তা স্ক্রিনে দেখতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেয়ার সুযোগও রয়েছে সেখানে। যাকাত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান: বর্তমানে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, ফুড ফর অল–খুকুমনি ফাউন্ডেশন, এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ ও মাস্তুল ফাউন্ডেশন-এ গ্রাহকরা যাকাত দিতে পারছেন বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে। গ্রাহক চাইলে সরাসরি https://ramadan.bkash.com/ - এই লিংকে ভিজিট করেও যাকাত প্রদান করতে পারেন। বিকাশের এই প্ল্যাটফর্ম যাকাত গ্রহীতা ও প্রদানকারীর দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছে। বিকাশের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় কয়েকটি ক্লিকেই যাকাত বা স্বেচ্ছা অনুদান খুব সহজেই পৌঁছে দিতে পারছেন যথার্থ মানুষের কল্যাণে। অসংখ্য মানুষ উপকৃত হন যাকাত পেয়ে – কেউ হয়ে ওঠেন স্বাবলম্বী, কারো নতুন স্বপ্নের শুরু হয়, কারো মৌলিক চাহিদা পূরণ হয়, আবার অনেক শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে তোলে যাকাত। তাই বিকাশ দিয়ে যাকাত আদায় করার মাধ্যমে জীবন পরিবর্তনের মহতি উদ্যোগে যুক্ত হতে পারেন সার্মথ্যবান গ্রাহকরা।
ঢাকা, ১৯ এপ্রিল, ২০২২: পবিত্র রমজান মাসজুড়ে বিকাশ অ্যাপে মিলছে ইফতার-সেহরির সময়সূচি থেকে শুরু করে যাকাত ক্যালকুলেটর, বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে যাকাত দেয়ার সুযোগ, স্বাস্থ্য সচেতনতার পরামর্শ, রমজান ও ঈদ উপলক্ষ্যে কেনাকাটায় বিকাশের অফারসহ প্রয়োজনীয় নানা তথ্য। দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ তাদের কোটি গ্রাহকের জন্য রমজান মাসের এই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবাগুলোকে বিকাশ অ্যাপেই পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিকাশ অ্যাপের ‘রমজানে প্রতিদিন’ অংশে গ্রাহকরা পাচ্ছেন প্রতিদিনের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি এবং কাউন্টডাউন, রমজানে সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ, যাকাত ক্যালকুলেটর, বিকাশ এর মাধ্যমে যাকাত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম এবং অনুমোদিত সেসব প্রতিষ্ঠানে যাকাত প্রদানের সুবিধাও। এছাড়া, ঈদের কেনাকাটা, রেস্টুরেন্ট, হেলথ কেয়ারসহ রমজান উপলক্ষ্যে বিকাশের সব অফারগুলো একসাথে দেখতে পারছেন ‘বিকাশ অফারে স্বস্তির রমজান’ ব্যানার থেকে। ‘যাকাত ক্যালকুলেটর’ থেকে গ্রাহকরা যাকাত প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করতে পারছেন খুব সহজেই। একইসাথে, যেসব প্রতিষ্ঠানে যাকাত দেয়া যায় সেগুলোতে সরাসরি যাকাত দিতে পারছেন বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমেই। বর্তমানে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, ফুড ফর অল–খুকুমনি ফাউন্ডেশন, এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ ও মাস্তুল ফাউন্ডেশন-এ যাকাত প্রদান করতে পারছেন বিকাশ গ্রাহকরা। যাকাত দিতে হলে যে প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক যাকাত দিতে চান তা নির্বাচন করে নাম, ইমেইল আইডি ও পরিমান দিয়ে সাবমিট করতে হবে। গ্রাহক চাইলে ‘পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক’ অপশনটি নির্বাচন করে নিজের পরিচয় গোপনও রাখতে পারছেন। পরের ধাপে পিন নম্বর দিলে একটি প্রাপ্তি স্বীকার বার্তা স্ক্রিনে দেখতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও জেনে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সেখান থেকেই। এত সব তথ্য পেতে গ্রাহককে বিকাশ অ্যাপের ‘সাজেশনস’ অংশ থেকে ‘রমজানে প্রতিদিন’ আইকন নির্বাচন করতে হবে। গ্রাহক চাইলে সরাসরি ‘রমজানে প্রতিদিন’ ভিজিট করতে পারেন https://ramadan.bkash.com/ - এই লিংকে। বিকাশের এই প্ল্যাটফর্ম যাকাত গ্রহীতা ও প্রদানকারীর দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছে। বিকাশের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় কয়েকটি ক্লিকেই যাকাত হোক বা স্বেচ্ছা অনুদান, খুব সহজেই পৌঁছে দিতে পারছেন যথার্থ মানুষের কল্যাণে। অসংখ্য প্রান্তিক মানুষের সারা বছরের অপেক্ষার অবসান হয় যাকাত পেয়ে, কেউ বা যাকাতের অর্থ কাজে লাগিয়ে হয়ে ওঠেন স্বাবলম্বী, কারো নতুন স্বপ্নের শুরু হয় যাকাতের অর্থে, কারো মৌলিক চাহিদা পূরণ হয়, আবার অনেক শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে তোলে যাকাত। তাই বিকাশের মাধ্যমে যাকাত দিয়ে জীবন পরিবর্তনের এমন মহতি উদ্যোগে যুক্ত থাকতে পারেন যেকোনো সামর্থবান গ্রাহক।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক:প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ইতিহাস বলে, ধর্মীয় গোঁড়ামি কখনোই বাঙালির ওপর দীর্ঘমেয়াদে চেপে বসতে পারে নাই। আমাদের দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকই ধর্মপ্রাণ মুসলমান, কিন্তু ধর্মান্ধ নন। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরাই একসময় বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষার জন্য ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। যার ফলে, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টিতে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ। বিপরীতে মাত্র ৯টি আসন পেয়ে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায় ধর্মব্যবসায়ীরা। বাংলার মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে সরলপ্রাণ ও ধর্মপ্রাণ, কিন্তু ধর্ম প্রদর্শনকারী বা ধর্মব্যবসায়ী নয়।’ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা উল্লেখ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “আপনারা জানেন- দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রাম এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে যে চারটি স্তম্ভের ওপর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’।” তিনি বলেন, সবাই সবার নিজের ধর্ম পালন করবে, অন্যদের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে, ধর্ম নিয়ে কেউ সহিংসতা করবে না- এটাই হলো ধর্মনিরপেক্ষতার মূল কথা। এর সঙ্গে নৃতাত্ত্বিকভাবে চলে আসা বাঙালি সংস্কৃতির কোনো বিভেদ নেই। সাংস্কৃতিকভাবে আমরা অনেক সমৃদ্ধ জাতি। নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার আন্দোলন থেকেই বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সেই স্বাধীন দেশে নিজেদের সংস্কৃতি লালন করা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য প্রায় দুই যুগ সংগ্রাম করেছেন আমাদের পূর্বপুরুষরা, যে শোষণমুক্ত সাম্যভিত্তিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন ত্রিশ লাখ মানুষ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় আজ সেই দেশ ডিজিটাল রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। পূর্বপুরুষদের অনিঃশেষ ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, এই দেশে চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো প্রয়োজন। আবহমান বাংলার প্রধানতম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সবাই মিলেমিশে থাকা। শান্তি ও সমৃদ্ধির আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে শুরু হোক নতুন বছর। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলা ভাষা এবং হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটুক আমাদের নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। তিনি বলেন, ‘করোনামুক্ত দেশে আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনুক এবারের বৈশাখ। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই সম্প্রীতির পথে হাঁটতে শুরু করুক সবাই।’ তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বাঙালি শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করুন এবং একইসঙ্গে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন করুন। যারা এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়, তারা বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে এবং সংস্কৃতিকে ধারণ করে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে আসুন আমরা সবাই জাতি- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি।’ বাসস।
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বিএনপির আমলজুড়েই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে দেশ অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ। তিনি বলেন, ‘বিএনপির আমলজুড়েই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল দেশ। অথচ আজ (আওয়ামী লীগ সরকারের সময়) কেমন আছে গ্রামের মানুষ? ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ। প্রত্যন্ত গ্রামের হারিকেনটিও এখন চলে গেছে জাদুঘরে।’ রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সজীব ওয়াজেদ জয় আরো বলেন, ২০০৫ সালের রমজান মাস। কার্তিকের কাঠফাটা গরমে প্রাণান্তকর অবস্থা সাধারণ মানুষের। ঢাকা শহর জুড়ে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা। আর সারাদেশে তো বিদ্যুৎই থাকে না। এমনকি ইফতার, তারাবি ও সেহরির সময়েও বিদ্যুৎ না থাকায়- অবশেষে ক্ষুব্ধ হয় আপামর জনতা। তিনি বলেন, অথচ সেসময় শুধু খাম্বা বসিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। ফলে বিএনপি আমল জুড়েই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকটে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল দেশ। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসনামালে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির তুলনা সম্বলিত ভিডিওচিত্র পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ যখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা চার হাজার ৩০০ মেগাওয়াটে উত্তীর্ণ করেছিল, তারেক রহমানের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে বিএনপি আমলে তা কমে হয় মাত্র তিন হাজার ২০০ মেগাওয়াট। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের এই আমলে, খোদ ঢাকাতেও দিনের বেলা মোমবাতি জ্বালিয়ে নিয়মিত স্কুলের ক্লাস নিতে বাধ্য হয়েছেন শিক্ষকরা। বিদ্যুৎ না থাকায় পানি উত্তোলনও ব্যাহত হয়েছে শহরে, ফলে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে রাজধানীর সাধারণ জনগণ। জয় বলেন, এ সময় গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ না থাকায় চাষাবাদের জন্য ডিজেল চালিত সেচ পাম্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন কৃষকরা। সেই সুযোগে ডিজেল ও সারের দামও বাড়িয়ে দেয় ‘হাওয়া ভবন’ সিন্ডেকেট। তবে তারেক-মামুন গংদের লুটপাটের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় তীব্র প্রতিবাদ। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, শুধু বিদ্যুৎ চাওয়ার কারণেই ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে চাঁপাই নবাবগঞ্জের কানসাটে হত্যা করা হয় ২০ জন সরলপ্রাণ গ্রামবাসীকে। সেপ্টেম্বরে দেশের ৪০টি জেলার সাধারণ মানুষের ওপর একযোগে হামলা চালায় বিএনপি-জামায়াতের পেটোয়া বাহিনী। এভাবেই হত্যা ও খুনের রাজত্ব কায়েম করে দেশকে নৈরাজ্যের অন্ধকারে ডুবিয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে তারেক রহমান ও তার বন্ধুরা।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের পরপরই ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু। জয় শুক্রবার তার ফেইস বুক পোস্টে লিখেছেন, “বিচ্ছিন্নতাবাদের ফাঁদে না পড়ার জন্য আগবাড়িয়ে আক্রমণে যাননি বঙ্গবন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণে যাওয়ার পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তিনি। ওয়্যারলেসের বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সিতে সম্প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধুর সেই স্বাধীনতার ঘোষণা, যা চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানকারী বিদেশি জাহাজগুলোর ওয়্যারলেস এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের ওয়্যারলেস থেকে স্পষ্ট শোনা যায়।” জয় বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্ঠেই স্বাধীনতার ঘোষণাটি এম ভি সালভিস্তা, এম ভি মিনি লা ট্রিয়া, এম ভি ভি ভি গিরিসহ আরো বেশ কয়েকটি জাহাজের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করা হয়। তিনি বলেন, “এরপরেই বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানি সেনারা। কসাই টিক্কা খান পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে এবং সিদ্দিক সালিক তার বইতেও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা নিজের কানে শোনার কথা উল্লেখ করেছেন।” বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র জয় আরো বলেন, ইয়াহিয়া খান চেয়েছিল অপারেশন সার্চলাইটের নামে এক বীভৎস গণহত্যা চালাতে, যাতে বাঙালি জাতি আর কোনো দিন স্বাধীনতার কথা মুখেও না আনে। বেলুচিস্তানে গণহত্যা পরিচালানাকারি টিক্কা খানকে তাই বাংলাদেশে গণহত্যা চালানোর দায়িত্ব দেয়া হয়। জেনারেল টিক্কা খানের নির্দেশে ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে ঘুমন্ত বাঙালির ওপর হামলে পড়ে পাকিস্তানি সেনারা। জয় লিখেছেন, তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা সিদ্দিক সালিক জানান, “২৫ মার্চ দুপুরে মেজর জেনারেল খাদিম হুসেইনকে ফোন করে টিক্কা খান। সরাসরি জানায় “খাদিম, আজই করতে হবে কাজটা। খাদিম এই নির্দেশের জন্যেই অপেক্ষা করছিল। সঙ্গে সঙ্গে নিজের কর্মচারীদের ওই আদেশ পালনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেয় সে।” উইটনেস টু সারেন্ডার বইতে সিদ্দিক সালিক আরো লিখেছেন, "ক্র্যাকডাউনের সময় ঠিক করা হয়েছিল ২৬ মার্চ রাত ১টায়। কিন্তু ২৫ মার্চ সন্ধ্যার পর একজন কমান্ডার টিক্কা খানকে ক্র্যাকডাউনের সময় এগিয়ে আনার পরামর্শ দেয়। এরপর রাত সাড়ে ১১টায় পুরো শহরে হামলা চালায় পাকিস্তানি বাহিনী।” জয় বলেন, নিজস্ব সূত্রে বঙ্গবন্ধুও পাকিস্তানিদের এই পরিকল্পনার খবর জানতে পারেন। ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে টেলিফোনে সারা দেশে যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশনা দেন তিনি। সেদিনের ঘটনার ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুর সহকারী সাক্ষাৎকারে জানান, “পঁচিশ তারিখ সন্ধ্যার দিকে আমরা রিপোর্ট পাওয়া শুরু করলাম যে, সব ট্যাংক ক্যান্টনমেন্টে লাইন আপ করা হচ্ছে, আক্রমণ করার প্রস্তুতি চলছে। আমরা এটা বঙ্গবন্ধুকে রিপোর্ট করলাম। এরপর বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ ছিল খুবই সুস্পষ্ট। তিনি বললেন, যে মুহূর্তে তারা আক্রমণ শুরু করবে, সেই মুহূর্ত থেকে আমরা স্বাধীন।’
শুক্রবার, 25 মার্চ 2022 16:34

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

লিখেছেন
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : আজ ভয়াল ২৫ মার্চ। বাঙালি জাতির জীবনে ১৯৭১ সালের এইদিনের শেষে এক ভয়াল বিভীষিকাময় রাত নেমে এসেছিল। মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্ব পরিকল্পিত অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা অনুযায়ী বাঙালী জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাঙালীর স্বাধীনতার আকাক্সক্ষাা মুছে দেওয়ার চেষ্টায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গণহত্যা শুরু করেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। তারপর নয় মাসের সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে এসেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, যা এ বছরই ৫০ বছর পূর্ণ করল। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয় বাংলাদেশে। সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, গণহত্যা দিবসে শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে প্রতীকী ‘ব¬্যাক আউট’ পালন করা হবে। এ সময় সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। তবে, ২৬ মার্চ সন্ধ্যা থেকে আলোকসজ্জা করা যাবে। কেপিআই এবং জরুরি স্থাপনাগুলো ব¬্যাক আউটের আওতামুক্ত থাকবে। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল বিকেল ৩টায় ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটি আগামী ২৫ মার্চ, ২০২২শুক্রবার সকাল ১০ টায় মিরপুরে নুরি মসজিদ জল্লাাদখানা বধ্যভূমি এবং কেন্দ্রীয় কমিটি ও মহানগর দক্ষিন কমিটি সকাল ১১টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটি সূর্যাস্তের সময় জাসদ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গণশহীদদের স্মরণে আলোক প্রজ্জ্বলন করবে । একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি রাত ৮টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোক প্রজ্জ্বলন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে ব্যাপক গণহত্যা চালিয়ে বাঙালি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে, তারই নাম অপারেশন সার্চলাইট। এই অভিযানের নির্দেশনামা তৈরি করে পাকিস্তানের দুই সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা ও মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। এই নির্দেশনামার কোনো লিখিত নথি রাখা হয়নি। গণহত্যার সেই পুরো নির্দেশ মুখে মুখে ফরমেশন কমান্ডার বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানানো হয়। অনেক পরে, ২০১২ সালে, মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা আ স্ট্রেঞ্জার ইন মাই ওউন কান্ট্রি নামে একটি আত্মজীবনী প্রকাশ করেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস প্রকাশিত সে আত্মজীবনীতে প্রথমবারের মতো অপারেশন সার্চলাইট সম্পর্কে কিছু তথ্য প্রকাশিত হয়। অপারেশন সার্চলাইট কীভাবে পরিকল্পিত হয়, ১৯৭১ সালের সে স্মৃতিচারণা করে খাদিম হোসেন রাজা লিখেছেন, ‘১৭ মার্চ, সকাল প্রায় ১০টা বাজে। টিক্কা খান আমাকে ও মেজর জেনারেল ফরমানকে কমান্ড হাউসে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে খবর পাঠান। খবর পেয়ে আমরা দুজন টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করি। গিয়ে দেখি, সেখানে জেনারেল আবদুল হামিদ খানও রয়েছেন। টিক্কা খান আমাদের বলেন, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে শেখ মুজিবের সমঝোতা আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে না। প্রেসিডেন্ট চান আমরা যেন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি গ্রহন করি এবং সে অনুযায়ী একটা পরিকল্পনা তৈরি করি। এ ছাডা আর কোনো মৌখিক বা লিখিত নির্দেশনা আমরা পাইনি। আমাদের বলা হয়, পরদিন ১৮ মার্চ বিকেলে আমরা দুজন যেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ওই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করি।’ পরদিন সকালেই খাদিম হোসেন রাজা তাঁর কার্যালয়ে রাও ফরমান আলীকে নিয়ে বসেন। তাঁরাই গণহত্যার এ অভিযানের নাম দেন অপারেশন সার্চলাইট। মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট পেইন ২৫ মার্চ রাত সম্পর্কে লিখেছেন, ‘সেই রাতে ৭০০০ মানুষকে হত্যা করা হয়, গ্রেফতার করা হল আরো ৩০০০ লোক। ঢাকায় ঘটনার শুরু মাত্র হয়েছিল। সমস্ত পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে সৈন্যরা বাড়িয়ে চললো মৃতের সংখ্যা। জ্বালাতে শুরু করলো ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট। লুট আর ধ্বংস যেন তাদের নেশায় পরিণত হল। রাস্তায় রাস্তায় পড়ে থাকা মৃতদেহগুলো কাক-শেয়ালের খাবারে পরিণত হল। সমস্ত বাংলাদেশ হয়ে উঠলো শকুন তাড়িত শ্মশান ভূমি।’ পাইকারি এই গণহত্যার স্বীকৃতি খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেও রয়েছে। পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্কট সম্পর্কে যে শ্বেতপত্র পাকিস্তান সরকার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রকাশ করেছিল, তাতে বলা হয় : ‘১৯৭১ সালের পয়লা মার্চ থেকে ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত ১ লাখেরও বেশি মানুষের জীবননাশ হয়েছিল।’ ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়লাভ করা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের কাছে পাকিস্তানি জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের প্রক্রিয়া চলাকালে পাকিস্তানি সেনারা কুখ্যাত ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নাম দিয়ে নিরীহ বাঙালি বেসামরিক লোকজনের ওপর গণহত্যা শুরু করে। তাদের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সকল সচেতন নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা করা। এদিন দুপুরের পর থেকেই ঢাকাসহ সারাদেশে থমথমে অবস্থা বিরাজ করতে থাকে। সকাল থেকেই সেনা কর্মকর্তাদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। হেলিকপ্টারযোগে তারা দেশের বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করে বিকেলের মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসে ফিরে আসে। ঢাকার ইপিআর সদর দফতর পিলখানাতে অবস্থানরত ২২তম বালুচ রেজিমেন্টকে পিলখানার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে দেখা যায়। মধ্যরাতে পিলখানা, রাজারবাগ, নীলক্ষেত আক্রমণ করে পাকিস্তানি সেনারা। হানাদার বাহিনী ট্যাঙ্ক ও মর্টারের মাধ্যমে নীলক্ষেতসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দখল নেয়। সেনাবাহিনীর মেশিন গানের গুলিতে, ট্যাঙ্ক-মর্টারের গোলায় ও আগুনের লেলিহান শিখায় নগরীর রাত হয়ে উঠে বিভীষিকাময়। লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজীর জনসংযোগ অফিসারের দায়িত্বে থাকা সিদ্দিক সালিক-এর ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ গ্রন্থেও এ সংক্রান্ত একটি বিবরণ পাওয়া যায়। সিদ্দিক সালিক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জেনারেল নিয়াজীর পাশেই ছিলেন। বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে অনুগত পাকিস্তানি হিসাবে পাক সামরিক জান্তার চক্রান্ত তিনি খুব কাছে থেকেই দেখেছেন। ২৫ মার্চ, অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর মুহূর্ত নিয়ে তিনি লিখেন ‘নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সামরিক কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। এমন আঘাত হানার নির্ধারিত মুহূর্ত (এইচ-আওয়ার) পর্যন্ত স্থির থাকার চিহ্ন বিলুপ্ত হয়ে গেল। নরকের দরজা উন্মুক্ত হয়ে গেল।’ পাকিস্তানি হায়েনাদের কাছ থেকে রক্ষা পায়নি রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও। ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব ও জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, ড. মনিরুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৯ জন শিক্ষককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। ঢাবির জগন্নাথ হলে চলে নৃশংসতম হত্যার সবচেয়ে বড় ঘটনাটি। এখানে হত্যাযজ্ঞ চলে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান অপারেশন সার্চ লাইট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সকল পদক্ষেপ চূড়ান্ত করে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করে করাচি চলে যান। সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চ মধ্যরাতে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং যে কোন মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র লড়াই শেষে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণ বিজয় অর্জন করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : সজিব ওয়াজেদ জয় আজ নানা বঙ্গবন্ধুর সাথে ছোটবেলার কিছু স্মৃতিচারন করে বলেছেন, তাঁর সাথে খুব বেশি স্মৃতি মনে নেই। তবে একটি মজার ঘটনা এখনো তিনি ভুলতে পারেন নি। সজিব ওয়াজেদ জয় বলেন, একদিন তিনি নানার কাছে জিদ ধরলেন, বঙ্গবন্ধুর পাইপে একবার হলেও তিনি ফুঁ দেবেন। নাছোড়বান্দা নাতির এমন মনোভাব দেখে নানা বাধ্য হলেন তার হাতে পাইপ দিতে। পাইপ হাতে পেয়ে যে কান্ড ঘটালেন, তা দেখে নানী দু’জনের ওপর প্রচন্ড রেগে গেলেন। পাইপে টান দিতেই শুরু হলো কাশি। দমে দমে তার কাশি হতে লাগলো। সজিব ওয়াজেদ জয় আজ তাঁর ভ্যারিফাইড একাউন্ট ফেসবুক পোস্টে শিশুকালে নানার সাথে একটি ঘটনার স্মৃতিচারন করেন এভাবে। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেন, নানার সাথে তাঁর কিছু স্মৃতির মধ্যে এটি একটি। তিনি লিখেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে তাদের দিনগুলো ছিল হাসিখুশির। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে সব শেষ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় আরো বলেন, এরপরের ঘটনা আপনারা সবাই জানেন। এরপর আমার পরিবারে বেঁচে থাকা মা,বাবা ও খালাকে জীবনের সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে দীর্ঘ সময়। বাংলাদেশের মানুষের ভালবাসায় নানা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব চেপে বসে আমার মা’র কাঁধে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা পরিবারের সবাই আমার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহায়তা করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মদিনে আজ বাংলাদেশের ও দেশের মানুষের জন্য তাঁর ভাবনার কথাগুলোই বার বার মনে পড়ছে। তিনি বলেন, ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে ঘনিষ্ট ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) সদস্যদের যে কোন লক্ষ্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম ছাড়া লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব। আমি আশা করি আপনারা এই বিষয়ে সচেতন হবেন।’ প্রধানমন্ত্রী আজ বৃধবার সকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিমান বহরে ‘গ্রোব-১২০ টিপি’ প্রশিক্ষণ বিমান সংযোজন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যশোরে বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। ‘একজন পেশাজীবির প্রধান পরিচয় তার পেশাগত দক্ষতা,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখবেন, পেশাগত দক্ষতা ও সততার কোন বিকল্প নেই। আমি আশা করি, আপনারা এ ব্যাপারে সজাগ থাকবেন এবং নিজেদেরকে সেভাবেই গড়ে তুলবেন।’ শান্তির প্রতি তাঁর অঙ্গীকার পুণর্ব্যক্ত করে দেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়,’ উল্লেখ করে সরকার প্রধান কখনো কারো দ্বারা আক্রান্ত হলে দেশের স্বাধীনতা এবং স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আজকের দিনে আপনাদের গর্ব ও আনন্দের সঙ্গে দেশের আপামর জনগণও গর্বিত এবং আনন্দিত। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের বিনিময়ে সংগৃহীত এ মূল্যবান গ্রোব-১২০ টিপি প্রশিক্ষণ বিমানের উড্ডয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে আপনাদের হতে হবে অত্যন্ত যতœবান। অত্যন্ত যতেœর সঙ্গে ব্যবহার করবেন যাতে কোন রকম ক্ষতি না হয়। ক্ষতি হলে সেটা দেশের জন্য বড় ক্ষতি হবে। এটা মনে রাখতে হবে কারণ, এক একটা বৈমানিকের জীবন আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয় ১২টি গ্রোব-১২০ টিপি প্রশিক্ষণ বিমান। প্রধানমন্ত্রী নতুন অন্তর্ভূক্ত বিমানের মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট প্রত্যক্ষ করেন। তাঁকে কুচকাওয়াজের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে নতুন অন্তর্ভূক্ত বিমানের ওপর একটি ভিডিও চিত্র পরিবেশিত হয়। বিমান বাহিনীর মনোজ্ঞ অনুশীলন ও অবলোকন করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার প্রধান বলেন, ’৭৫ এর দীর্ঘ ২১ বছর পর ’৯৬ সালে সরকার গঠন করেই তিনি দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নের উদ্যোগ এবং বিমান বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, ’৭৭ সালে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে বিমান বাহিনীতে ক্যু’র অযুহাতে প্রায় ৬শ’ কর্মকর্তা এবং সৈনিককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যার ফলে বিমান বাহিনী ধ্বংসের দিকে চলে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে বিমান বাহিনীতে সংযোজন করা হয়েছে অত্যাধুনিক বিমান, হেলিকপ্টার, বিভিন্ন ধরনের র‌্যাডার, ক্ষেপণাস্ত্র¿ এবং প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম। স্থাপন করা হয়েছে নতুন নতুন ঘাঁটি, ইউনিট এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি বিমান বাহিনীর অবকাঠামোগত উন্নয়নও অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের বিমান, র‌্যাডার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী রক্ষণাবেক্ষণ এবং ওভারহলিংয়ের লক্ষ্যে নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার। এই সেন্টারের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী নিজস্ব প্রযুক্তি ও জনবলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বিমান ও হেলিকপ্টার ওভারহলিং করছে। শেখ হাসিনা বলেন, সম্প্রতি বিমান বাহিনীর উদ্যোগে প্রোটো টাইপ বিমান দেশেই তৈরি করার যে গবেষণা চলছে তা আমাদের আশাবাদী করেছে। মহাকাশ গবেষণা, বিমান বাহিনীর উন্নয়ন এবং বেসামরিক বিমান চলাচল সেক্টরকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন এন্ড অ্যারোস্পেস বিশ^বিদ্যালয়’। সরকার প্রধান বলেন, বিমান বাহিনীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নততর এবং যুগোপযোগী উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ সুনিশ্চিত করার জন্য আমরা ইতিপূর্বে সংযোজন করি অত্যাধুনিক ফ্লাই-বাই-ওয়্যার এবং ডিজিটাল ককপিট সম্বলিত ইয়াক-১৩০, কমব্যাট ট্রেইনার, কে-৮ ডব্লিউ জেট ট্রেইনার, এল-৪১০ ট্রান্সপোর্ট ট্রেইনার, এডব্লিউ-১১৯ কে এক্স হেলিকপ্টার ট্রেইনার এবং বিভিন্ন ধরনের সিমুলেটর। এরই ধারাবাহিকতায়, আজ বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে ১২টি গ্রোব-১২০ প্রশিক্ষণ বিমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরের মধ্যেই ২য় পর্যায়ে আরও কয়েকটি বিমান এই বাহিনীতে যুক্ত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়াও শিগগিরই বিমান বাহিনীতে আনম্যানড অ্যারিয়াল ভেহিকেল সিস্টেম, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, মোবাইল গ্যাপ ফিলার র‌্যাডার, কে-এইট ডব্লিউ এয়ারক্রাফট সিমুলেটর, এ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম যুক্ত হতে যাচ্ছে।
নিউজফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : আগামী নির্বাচন যেন অধিক অংশগ্রহণমূলক ও প্রকৃত অংশীদারত্বমূলক হয় সে লক্ষ্যে কমিশন সবার মতামত নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘আমরা অধিক অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচন চাই। এজন্য শিক্ষাবিদদের মতামত নিয়ে আরও ঋদ্ধ হবো।’ আজ রোববার বিকেলে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আয়োজিত সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসব বলেন। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের সংলাপের উদ্দেশ্যে ব্যক্ত করা হয়েছে। এই কমিশন নবগঠিত কমিশন। কমিশনের কাজ হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও লোকাল গর্ভমেন্ট নির্বাচন সম্পন্ন করা। ’ তিনি বলেন, সংলাপের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত মতামত ওঠে আসবে। সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে কী কী করণীয় হতে পারে, আপনাদের (শিক্ষাবিদ) মতামত নিয়ে আমরা অনেক কিছু আহরণ করতে পারবো, আরও ঋদ্ধ হবো।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা