04062020সোম
স্পটলাইট

স্পটলাইট (917)

বিশেষ প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ দেখা দিলে জনগণকে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এবং কোন গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ৩১ দফা নির্দেশনা প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে অবশ্য পালনীয় হিসেবে ৩১ দফা নিদের্শনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এ সকল নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- এই ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, করোনা উপসর্গ দেখা দিলে লুকিয়ে না রেখে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ, ত্রাণকার্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তালিকা করে তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছানো, উৎপাদন অব্যাহত রাখার স্বার্থে জমি পতিত ফেলে না রাখা, নববর্ষে সকল জনসমাগম বর্জন করা, বাজার মনিটরিং,গণমাধ্যম কর্মীদের যথাযথ দায়িত্ব পালন এবং গুজব ছড়ানো প্রতিরোধসহ জনগণ এবং প্রশাসনের জন্য ৩১ দফা নির্দেশনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৃহস্পতিবার রাতে বাসসকে এ তথ্য জানান। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৩১ দফা নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- ১) করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বা¯Íবায়ন করতে হবে। ২) লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ৩) ব্যক্তিগত সুরÿা সামগ্রী (পিপিই) সাধারণভাবে সকলের পরার দরকার নেই। চিকিৎসা সংশিøষ্ট সকলের জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ৪) কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সকল চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, এ্যাম্বুলেন্স চালকসহ সংশিøষ্ঠ সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। ৫) যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে আছেন, তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে। ৬) নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ৭) নদীবেস্টিত জেলাসমূহে নৌ-এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে। ৮) অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে হবে। ৯) পরিচ্ছন্নতা নিশ্চত করা। সারাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। ১০) আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় এ দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সকল সরকারি কর্মকর্তাগণ যথাযথ ও সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন- এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ১১) এাণ কাজে কোন ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। ১২) দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক যেন অভুক্ত না থাকে। তাদের সাহায্য করতে হবে। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে। ১৩) সোশ্যাল সেফটিনেট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১৪) অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেন স্থবির না হয়, সে বিষয়ে যথাযথ নজর দিতে হবে। ১৫) খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কোন জমি যেন পতিত না থাকে। ১৬) সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে। যাতে বাজার চালু থাকে। ১৭) সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে । ১৮) জনস্বার্থে বাংলা নববর্ষের সকল অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে যাতে জনসমাগম না হয়। ঘরে বসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নববর্ষ উদযাপন করতে হবে। ১৯) স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজের সকল ¯Íরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহŸান জানাচ্ছি। প্রশাসন সকলকে নিয়ে কাজ করবে। ২০) সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ২১) জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসন ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে দুঃস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবেন। ২২) সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন: কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর, রিক্সা/ভ্যান চালক, পরিবহন শ্রমিক, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, পথশিশু, স্বামী পরিত্যক্তা/বিধবা নারী এবং হিজড়া স¤প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখাসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ২৩) প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২৪) দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সকল সরকারি কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আহŸান জানাচ্ছি। ২৫) নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও নিয়মিত বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ২৬) আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করবেন না। খাদ্যশস্যসহ প্রয়োজনীয় সকল পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ২৭) কৃষকগণ নিয়মিত চাষাবাদ চালিয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। ২৮) সকল শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখবেন। ২৯) শিল্প মালিকগণ শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন। ৩০) গণমাধ্যম কর্মীরা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ৩১) গুজব রটানো বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। গুজবে কান দিবেন না এবং গুজবে বিচলিত হবেন না।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক: যতদিন প্রয়োজন ততদিন সেনাবাহিনী মাঠে থেকে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, 'যতদিন প্রয়োজন ততদিন সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করবে। এটা সরকার নির্ধারণ করবে। সরকার যেদিন বলবে সেদিন আমরা চলে আসবো।' করোনা মোকাবিলায় সেনা সদস্য বাড়ানো হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে জেনারেল আজিজ বলেন, যত প্রয়োজন তত সেনা সদস্য কাজ করবে। তবে অযথা প্যানিক সৃষ্টি করার দরকার নেই। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাসকে যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আমরা সৈনিক, তাই আমরা যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। শুধু সেনাবাহিনী নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সিভিল প্রশাসন ও অন্যান্য সকলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তার নেতৃত্বে কাজ করছি। আগামীতেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ করবো।'
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ অধিকতর বেগবান এবং কার্যকরী করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এই তহবিলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল পদবীর সদস্যদের একদিনের বেতনের পাশাপাশি সেনা কল্যাণ সংস্থা, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী লিমিটেড, বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্ট লিমিটেড ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষ থেকে সর্বমোট ২৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় সকল নৌ সদস্যদের এক দিনের বেতন এবং নৌকল্যাণ ফাউন্ডেশন, খুলনা শিপইয়ার্ড, নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ড ও চট্টগ্রাম ড্রাই ডক হতে সর্বমোট ৪ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা এবং সকল বিমান সেনাদের এক দিনের বেতন বাবদ ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে প্রদান করা হয়েছে । আইএসিপআর।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: রোনা আক্রান্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, প্রিন্স চার্লস এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানককের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী (বিদেশ ও কনমওয়েলথ বিষয়ক) লর্ড আহমেদ অব উইম্বলডন শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শেখ হাসিনাকে ফোন করলে তিনি তাদের খোঁজ খবর নেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আওতায় আর্থিক সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব করেছেন। টেলিফোনে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী এবং যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।’ প্রধানমন্ত্রী এ সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, প্রিন্স চার্লস এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানককের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের বিস্তাররোধে ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। এছাড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তার সরকরের পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্রিটিশ
বিশেষ প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলাও একটা যুদ্ধ। সকলের প্রচেষ্টায় এ যুদ্ধে আমরা জয়ী হবো, ইনশাআল্লাহ। আজ বুধবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা শত্রুর মোকাবিলা করে বিজয়ী হয়েছি। করোনাভাইরাস মোকাবিলাও একটা যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আপনার দায়িত্ব ঘরে থাকা। আমরা সকলের প্রচেষ্টায় এ যুদ্ধে জয়ী হবো, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আজ সমগ্র বিশ্ব এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে। তবে যেকোন কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমাদের সরকার প্রস্তুত রয়েছে। আমরা জনগণের সরকার। সব সময়ই আমরা জনগণের পাশে আছি। আমি নিজে সর্বক্ষণ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। 'দুর্যোগের সময়ই মনুষত্যের পরীক্ষা হয়। এখনই সময় পরস্পরকে সহায়তা করার; মানবতা প্রর্দশনের। বাঙালি বীরের জাতি। নানা দুর্যোগে-সঙ্কটে বাঙালি জাতি সম্মিলিতভাবে সেগুলো মোকাবিলা করেছে।' তিনি বলেন, আবারও বলছি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সকলে যাঁর যাঁর ঘরে থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
নিউজ ফ্ল্যাশ ডেস্ক: সেনাবাহিনী কর্তৃক কোয়ারেন্টিন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগের জন্য ইতোপূর্বে প্রদত্ত সকল নম্বরের পরিবর্তে শুধুমাত্র ০১৭৬৯০৪৫৭৩৯ ( ০১৭৬৯০৪৫৭৩৯) নম্বরে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলো। আইএসপিআর।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক দেশে করোনা ভাইরাসে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো তিন জনে। আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এই তথ্য জানান। তিনি জানান, নতুন করে আরও ছয় জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত রোগী ৩৩ জন। নতুন ছয় রোগীর মধ্যে পুরুষ তিনজন, নারী তিন জন।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক করোনাভাইরাসে দেশে নতুন করে আরও ৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে দেশে এখন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ জনে দাঁড়াল। আক্রান্তদের মধ্যে ৫ জন সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে হাসপাতাল ছেড়েছেন এবং এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন। রাজধানীর মহাখালীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এসব তথ্য জানান। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা গত ২৪ ঘন্টায় ৬৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করিয়েছি। সর্বমোট ৫৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ২৭ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত করেছি। এদের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন এবং ৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এদের মধ্যে আগেই ৩ জন সুস্থ হয়েছিলেন, নতুন আরো ২ জন আজ বাড়ি চলে যাচ্ছেন।’ ডা. ফ্লোরা বলেন, ‘নতুন যে ৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন, এদের ২ জন বিদেশ ফেরত এবং ১ জন আগের একজন রোগি থেকে আক্রান্ত হয়েছেন। এই ৩ জনের মধ্যে ২ জন নারী ও ১ জন পুরুষ। ১ জনের বয়স ৪০ এর ঘরে, আরেক জনের বয়স ৩০ এর ঘরে, অপরজনের বয়স ২০ এর ঘরে। এদের একজনের ডায়াবেটিস ও হাঁপানী রয়েছে। শারীরিকভাবে ৩ জনেরই লক্ষণ উপসর্গ মৃদু, অর্থাৎ তারা ভাল আছেন। ২৭ জনের মধ্যে এখন ২০ জনের সংক্রমণ রয়েছে। এই ২০ জনের মধ্যে ১ জনের কিডনী সমস্যা রয়েছে। তাকে ডায়ালাইসিস নিতে হয়। তিনি এই অবস্থায়ই রয়েছেন। আর বাকি যারা রয়েছেন তাদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক, অর্থাৎ তারা ভাল আছেন।” চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চিকিৎসক-নার্সদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তাদের জন্য নিরাপত্তা পোশাক হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা পোশাক ও পরীক্ষা কীট সংগ্রহ করা হয়েছে।
শনিবার, 21 মার্চ 2020 14:53

করোনা: বাংলাদেশে আরেক জনের মৃত্যু

লিখেছেন
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবদেক: বাংলাদেশে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এছাড়া নতুন করে আরও চারজনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ নিয়ে দেশে মোট দুজন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হলো। এছাড়াও আজ আরো চারজন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করেছে আইইডিসিআর। এ নিয়ে মোট আক্রান্তে র সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪ জন।
নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক দেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও তিন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যদিয়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছ ২০ জনে। শুক্রবার মহাখালীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এতথ্য জানিয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হওয়া এই তিন ব্যক্তির একজন নারী ও দুইজন পুরুষ। এদের মধ্যে একজনের বয়স ৭০ বছরের বেশি; তাকে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা