09212020সোম
শনিবার, 21 জুন 2014 08:27

গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপত্তায় বিদেশী ক্রেতার সহায়তা

ড. আনু মাহমুদ

বাংলাদেশ থেকে কয়েক বছর ধরে তৈরি পোশাক ক্রয় ও আমদানির মাধ্যমে লাভবান হয়েছে বিশ্বের কয়েকটি কোম্পানী। কিন্তু তারা যতটা লাভবান হয়েছে, সেভাবে এখানকার গার্মেন্টসের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। বাংলাদেশেও কিছু কিছু গার্মেন্টস মালিকের মধ্যে এ বিষয়ে তেমন দায়িত্বশীলতা লক্ষ্য করা যায়নি। গত মাসে সাভারে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সহস্রাধিক  শ্রমিকের  মৃত্যু হয়েছে। এ                

মর্মান্তিক ঘটনাটি ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। এখন থেকে বিদেশী ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানায় নিরাপত্তা বিধানে সহায়তা করবে বলে জানা গেছে। খবরটি নিঃসন্দেহে আমাদের গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মঙ্গলবার্তা। কারণ, এই প্রথম বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় পোশাক কোম্পানি এখানকার গার্মেন্ট কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি চুক্তিতে পৌঁছতে সম্মত হয়েছে। এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। যদি তা হতো, তা হলে রানা প্লাজার মতো এমন ঘটনা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তবে বিদেশী কোম্পানিসমূহ এক্ষেত্রে শুধু সম্মত হলেই চলবে না; গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিদেশী ক্রেতা ও গার্মেন্টস মালিকদের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ প্রয়োজন। বাংলাদেশে গার্মেন্ট কারখানায় সবচেয়ে সস্তায় শ্রমিক পাওয়া যায়। এখান থেকে তৈরি পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে বিদেশী কোম্পানিগুলো নানাবিধ সুবিধা ভোগ করে। তৈরি পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বর্তমানে চীনের পরেই অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ইতোপূর্বে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে তেমন মনোযোগ দেয়া হয়নি। এখন থেকে বিশ্বের নামী ও দামী কোম্পানিগুলো এখানকার গার্মেন্ট কারখানায় নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শ্রমিকদের কল্যাণে বিদেশী কোম্পানি ও গার্মেন্টস মালিকদের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ গার্মেন্টস শিল্পের উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। তবে বিষয়টি সর্বক্ষণিকভাবে মনিটরিং দরকার।

এখানকার মালিকরা বিপুলভাবে লাভবান হয়েছেন বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঠকিয়ে। শ্রমিকরাই গার্মেন্টস শিল্পের মূল ভিত্তি। তাদের কল্যাণে সম্ভাব্য সবকিছু করা দরকার। সব কারখানায় স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও প্রতিটি ফ্লোরে অগ্নিনির্বাক ব্যবস্থার পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। তাদের সন্তানদের সুশিক্ষার জন্য শিক্ষা এলাকায় মানসম্মত স্কুল দরকার বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতনস্কেল জরুরী।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, কানাডার বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সামনে ভোক্তারা বাংলাদেশ থেকে পোশাক না কিনতে বিক্ষোভ করছে। তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন বা কোন ক্ষেত্রে আমদানিকারক দেশের সরকার এ প্রচারণায় সরাসরি অংশ নিচ্ছে। সেখানকার ভোক্তারা আর সস্তায় কাপড় পরতে চায় না। আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠনগুলো বলছে, রক্তের বিনিময়ে সস্তা কাপড় আর আমরা পরতে চাই না। কানাডায় একটি চেইনশপের সামনে পোস্টার ঝুলিয়ে তাতে লেখা হয়েছে, ‘এখানে এমন কিছু নেই, যা বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে, কিন্তু কানাডায় তৈরি অনেক পণ্য এখানে আছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত পণ্য আমদানি সুবিধা না দিতে ওবামা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন প্রভাবশালী এক সংবাদপত্রের রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশটির শ্রমিক সংগঠন, ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের চাপে ওবামা প্রশাসন বাংলাদেশ থেকে শুল্কমুক্ত পণ্য আমদানির বিষয়টি চিন্তা করতে পারেন। ইতোমধ্যে পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের ২৫ জন সদস্য। এই প্রচারণা ও তোড়জোড় আমাদের পোশাক শিল্পের জন্য কি ফল বয়ে আনতে পারে, তা পোশাক উৎপাদক ও রফতানিকারকদের যেমন না বোঝার বিষয় নয়, তেমনি সরকারেরও না বোঝার মত বিষয় নয়। যে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে দেশের রফতানি আয়ের তিন-চতুর্থাংশের বেশি অর্জিত হয়ে থাকে, সেই শিল্পে সংকট নেমে এলে অর্থনীতিও সংকটাপন্ন হবে। এছাড়া সরাসরি প্রায় ৪০ লাখসহ সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতগুলোতে প্রায় এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে শিল্পকে কেন্দ্র করে। এখন কর্মসংস্থান পোশাক শিল্পনির্ভর হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, এই ক্ষেত্রে বহুগুণে কর্মসংস্থান বিস্তৃত হয়েছে। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন ব্যাপক হয়ে উঠেছে। তৈরি পোশাক শিল্প এখন মূলত সমাজ-সম্পৃক্ত। এই শিল্পের এ ভূমিকা সহসাই শেষ হয়ে যাবে, এমন মনে হচ্ছে না।

জাতির জীবনে পোশাক শিল্পের এই ভূমিকা ও গুরুত্বের নিরিখে চলমান নেতিবাচক প্রচারণার মোকাবিলা করতে হবে। সেইসঙ্গে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রমও চালিয়ে যেতে হবে। বিরাট সংখ্যক শ্রমিকের বেকার হয়ে যাওয়ার যে কোন আশংকা থেকে বেরিয়ে আসার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অপরিহার্য। সাম্প্রতিককালে ভবনধস, অগ্নিকাণ্ডসহ নানা দুর্ঘটনায় শ্রমিকদের প্রাণহানী পোশাক শিল্পের জন্য নাজুক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। পোশাক কারখানাগুলোর কমপ্লায়েন্সসহ শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়গুলোর সঙ্গে বিশেষভাবে জড়িত রয়েছে পোশাকের মূল্যের প্রসঙ্গটিও। 

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, পোশাক শিল্প মূলত উচ্চমজুরির কারণে উন্নত দেশগুলো থেকে ক্রমান্বয়ে উন্নয়নশীল দেশে সরে এসেছে। এক পর্যায়ে তা বাংলাদেশেও আসতে থাকে। সস্তা মজুরি ও অতিরিক্ত শ্রমশক্তি এ সুযোগ গ্রহণে বাংলাদেশের সহায়ক হয়। বাংকগুলোর আর্থিক দায় গ্রহণ ও সরকারের নানা নীতি-সহায়ক এবং স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা-এসবই পোশাক শিল্প লাভ করেছে। তবে এক গবেষণার বরাত দিয়ে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, কোটাব্যবস্থা উঠে যাবার পর ২০০৫ সাল থেকে প্রতিযোগিতা উন্মুক্ত হয়ে পড়ে এবং এ পর্যায়ে বাংলাদেশের সাফল্য বেশি। এতে স্পষ্ট, বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থান থেকে প্রথম স্থানে উঠতে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, কর্ম পরিবেশ, শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মজুরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অগ্রগতি ঘটেনি।

পোশাক শিল্প বর্তমানে যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে, তা শুধু এই শিল্পের মালিক-শ্রমিক, সরকারসহ স্থানীয় পর্যায়ের নয়, তৈরি পোশাকের আমদানিকারক, ক্রেতা ভোক্তা, আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন ও সিভিল সোসাইটির সদস্যদেরও বিবেচনায় নিতে হবে। মূলত স্বল্পমূল্যের কারণেই যে বাংলাদেশে এই শিল্পে পরিবেশ, শ্রমিক নিরাপত্তা ও মজুরির বিষয়গুলো এখনও যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গভাবে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না, তা বুঝতে হবে। এই বিষয়টির সুরাহা হওয়া উচিৎ। বিদেশে ভোক্তারা সস্তায় কাপড় পরতে চান না বলে যে প্রচারণা ও বিক্ষোভ চালাচ্ছেন, তার সূত্র ধরেই বাংলাদেশকে এই ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে হবে। এব্যাপারে পোশাক রফতানিকারক, সরকার, এনজিও বা লবিং এজেন্ট ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে। বাংলাদেশবিরোধী যে কোন প্রচারণার প্রতিবাদে সেসব দেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। সাভার ট্রাজেডি যেমন পরিস্থিতি বিরূপ করে তুলেছে, তেমনি পোশাক শিল্পের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার যথার্থ সম্প্রসারণের সুযোগও নিয়ে এসেছে। বিষয়টি ইউরোপ-আমেরিকায় তাজা থাকতে থাকতেই সংশ্লিষ্টদের উপযুক্ত কর্ম-উদ্যোগ ও দক্ষ লবিং ব্যাপকভাবে শুরু করা দরকার। সাভার ট্রাজেডির পর দেশের পোশাক কারখানাগুলো মাত্র চালু হয়েছে। সামনে আসছে রমজান মাস। এছাড়াও সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার এভাবে হরতাল-অবরোধের মত নানা রাজনৈতিক কর্মসূচীও আসছে। যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির এক নেতা বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলা ও গৃহযুদ্ধের ইঙ্গিত বহন করছে। বিষয়টি দেশটির গণতন্ত্রের জন্য হুমকি এবং পরিস্থিতি দেশকে সংঘাতের অতল গহ্বরে নিয়ে যাবে। বহির্বিশ্বে এধরনের উদ্বেগ এ যাবত কম প্রকাশিত হয়নি। রাজনীতিবিদদের দেশের অর্থনীতির প্রতি অবশ্যই মনোযোগী হতে হবে। পোশাক শিল্প সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বে রাখতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ে অবিলম্বে উচ্চতর যোগ্যতা-দক্ষতার সঙ্গে দেশের ভেতরে ও বাইরে উদ্যোগ-পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 

ওয়ালমার্টের চেহারা আমাদের কাছে আরও উন্মোচিত হল সম্প্রতি প্রকাশিত একটি দৈনিকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে। মান উন্নয়ন না হওয়ায় তারা বাংলাদেশের ২৫০টি কারখানা কালো তালিকা করে বলেছে- এসব কারখানা তো নয়ই, অন্য কারখানা যদি এসব কারখানার মাধ্যমে তাদের পোশাক তৈরী করে তাহলে সে পোশাক নেবে না। তাদের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের জন্য একটি বড় আঘাত। অথচ তাদের এই তালিকাভুক্ত অনেক গার্মেন্টস কারখানা অনেক আগ থেকে ওয়ালমার্টের পোশাক তৈরি করছে না। আর বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার কাজের পরিবেশ এবং শ্রমমান উন্নয়নে ইউরোভিত্তিক বেশ কয়েকটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান চুক্তি করলেও এ খুচরা বিক্রেতা এ ধরনের কোনো চুক্তিতে সই করেনি।

একথা স্বীকার করতেই হবে বাংলাদেশে মালিকদের অতি মুনাফার লোভের কারণে তাজরীন, রানা প্লাজার মতো ঘটনা ঘটার ফলেই ওয়ালমার্টরা সুবিধা পেয়ে যায়। পোশাক শিল্পোদ্যোক্তারা সরকারের যে সুবিধা পায় অন্য শিল্পের উদ্যোক্তারা তা পায় না। অথচ সরকারকে তার রাজস্ব দেয় তুলনামূলকভাবে কম। বাংলাদেশের শ্রমিকরা বিশ্বের সবচেয়ে কম মজুরি পায়। এমনকি ভারতে যেখানে ন্যূনতম মজুরি ১০০ ডলারের বেশি, কম্পোডিয়ায় ৬২ ডলার, মালয়েশিয়ায় ২৫০ ডলার সেখানে বাংলাদেশে ৪০ ডলারের মতো। দেশে একটি শ্রমিকবান্ধব শিল্প পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। বেশিরভাগ পোশাক শিল্পের মালিকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকায় অগ্নিকাণ্ড বা দালান ধসের মতো ঘটনা ঘটার পরও তারা পার পেয়ে যায়। পোশাকশিল্পে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরদারি যদি সঠিকভাবে না করা যায় তাহলে তাজরীন আর রানা প্লাজার ঘটনা ঘটতে থাকবে, আর ওয়ালমার্টের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এভাবে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্পকে বিশ্ববাজারে হেয়প্রতিপন্ন করার সুযোগ পাবে।

সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে শুধু গার্মেন্ট শিল্প নয়, দেশের তামাম ব্যবসা-বাণিজ্য লাটে ওঠার জোগাড় হয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং ক্রেতারা অন্যত্র চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাজধানীতে কয়েকজন রাষ্ট্রদূত এবং ছয়টি বিদেশি চেম্বারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হরতালের নামে রাজনৈতিক সহিংসতা কোনোভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। হরতালের কারণে বাতিল হয়ে যাচ্ছে বিদেশি ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সফর। 

মোট কথা, আমাদের রফতানির শতকরা ৭০ ভাগ আয়কারী এই খাত এখন দেশি-বিদেশি নানা পক্ষের কিছু নেতিবাচক পদক্ষেপের কারণে চরম হুমকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় রাজনীতিবিদদের সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। শিল্প আর ব্যবসা সহায়ক রাজনেতিক পরিবেশ জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

- লেখক-প্রাবন্ধিক, অর্থনীতির বিশ্লেষক, কলামিষ্ট। E-mail : এই ইমেইল ঠিকানাটি spambots থেকে রক্ষা করা হচ্ছে। এটি দেখতে হলে আপনার জাভা স্ক্রিপ্ট সক্রিয় থাকতে হবে।

 

পড়া হয়েছে 596 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শনিবার, 21 জুন 2014 09:04