10222019মঙ্গল
মঙ্গলবার, 09 ডিসেম্বর 2014 23:22

ছড়িয়ে পড়ছে তেল, জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

ডেস্ক

পূর্ব সুন্দরবনের শেলা নদীতে তেলবাহী কার্গো ডোবার ঘটনায় তেল নদীর পানিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছে বন বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে জয়মনির ঘোল এলাকায় শেলা নদীতে আরেকটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। জাহাজটিতে তিন লাখ ৫৭ হাজার ৬৬৪ লিটার জ্বালানি তেল ছিল বলে জানিয়েছেন মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। ঘটনার পর থেকে জাহাজের চালক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

তেল ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় কর্মকর্তা আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, পানিতে তেল ছেিয় পড়লে বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ ছয় প্রজাতির ডলফিন ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। শুধু প্রাণিকুলই নয়, জোয়ারে বনের মধ্যে এই দূষিত পানি ঢুকলে বনজ সম্পদেরও ক্ষতি হবে। আমরা কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে জাহাজ তোলার কথা বলেছি।

কার্গো জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স হারুন অ্যান্ড কম্পানির ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিনের ভাষ্য, খুলনার পদ্মা অয়েল থেকে তেলবাহী জাহাজ 'এমটি সাউদার্ন ওটি-৭' তিন লাখ ৫৭ হাজার ৬৬৪ লিটার জ্বালানি তেল নিয়ে গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দিকে যাচ্ছিল। গতকাল সোমবার বিকেলে খুলনা থেকে কার্গো জাহাজটি ছেড়ে আসে। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে জাহাজটি সুন্দরবনের শেলা নদীতে নোঙর করে রাখা হয়। আজ ভোর ৪টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা 'এমটি টোটাল' নামের আরেকটি কার্গো জাহাজ সাউদার্নটিকে ধাক্কা মারে। এতে জাহাজটি ডুবে যায়।

গিয়াস উদ্দিনের দাবি, ঘটনার পর জাহাজের চালক (মাস্টার) মোখলেসুর রহমান নিখোঁজ রয়েছেন। জাহাজের অন্য ছয় কর্মচারী সাঁতরে নদীর তীরে উঠেছেন। এ ঘটনায় কম্পানির প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উদ্ধারকাজ কখন শুরু হবে তা জানাতে পারেননি গিয়াস উদ্দিন।

মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার খান মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান জানান, জাহাজটি বন্দর চ্যানেলের বাইরে ডুবেছে। বন্দর চ্যানেল ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে।
পড়া হয়েছে 1013 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: মঙ্গলবার, 09 ডিসেম্বর 2014 23:46

ফেসবুক-এ আমরা