09202019শুক্র
বুধবার, 16 ডিসেম্বর 2015 07:57

নিজস্ব অর্থে পদ্মাসেতু সক্ষমতার পরিচায়ক: কৌশিক বসু

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কৌশিক বসু সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কৌশিক বসু
< > বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা সফররত বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু বলেছেন, 'পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ নিয়ে যা-ই ঘটুক না কেন, এখন সেই ইতিহাস গুরুত্বহীন। বাংলাদেশ নিজের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছে, যা তার সক্ষমতার পরিচায়ক। এটি বিরাট সুখবর। ১০ বছর আগে যা চিন্তাও করা যেত না। আর নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পদ্মাসেতু নির্মাণ করা মানে, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও পরিপক্ক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশের এই সক্ষমতা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও অংশীদারিত্বর পর্যায়ে নিয়ে যাবে।' ঢাকা সফরের শেষ পর্যায়ে মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পদ্মা সেতু ছাড়াও বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কৌশিক বসু। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্টিন লামা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল কিছু প্রশ্নের উত্তরে নিজেদের মতামত দেন। সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন বিশ্বব্যাংকের যোগাযোগ কর্মকর্তা মেহরিন এ. মাহবুব। বাংলাদেশ ব্যাংকের আমন্ত্রণে কৌশিক বসু ৫ দিনের সফরে গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় আসেন। বুধবার তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ না হওয়াকে কীভাবে দেখছেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে কৌশিক বসু বলেন, 'হয়তো এ সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না। কিন্তু ইতিহাস যা-ই হোক, এর ফলাফল অত্যন্ত ভালো হয়েছে।' তবে বিশ্বব্যাংকের তখনকার অবস্থান এবং টানাপড়েনের এক পর্যায়ে ঋণ না নিতে সরকারের সিদ্ধান্তের মধ্যে কোনটি সঠিক ছিল না-তা তিনি স্পষ্ট করেননি। কৌশিক বসু জানান, তিনি তখন বিশ্বব্যাংকে যোগ দেননি। তিনি থাকলে হয়তো পরিস্থিতিটা ভালোভাবে জানতে পারতেন। পদ্মাসেতুতে রিজার্ভ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা জোগান দেওয়ার বিষয়ে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন কি-না, জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, 'বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেশি থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে, যা এখন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে খুব দক্ষভাবে এর ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এ ছাড়া পদ্মাসেতুর টোল আদায় থেকে আয় আসবে। মানুষও বুঝবে, তারা নানাভাবে উপকৃত হচ্ছে। এই প্রকল্প ভায়াবল হবে বলে আমার বিশ্বাস।' এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, 'বাজারে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে পদ্মা তুর চাহিদা পূরণে কোনো ঘাটতি দেখা দিলে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে অর্থ দেবে।' < >
পড়া হয়েছে 649 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: বুধবার, 16 ডিসেম্বর 2015 08:05