11192018সোম
রবিবার, 01 অক্টোবার 2017 09:48

দ্বিতীয় পর্বের প্যাক্ট কর্মসূচি নিয়ে আইএফসি-বিজিএমইএ সমঝোতা

নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক ‘পার্টনারশিপ ফর ক্লিনার টেক্সটাইল (প্যাক্ট)’ শীর্ষক কর্মসূচির প্রথম পর্ব সম্পন্নের পর দ্বিতীয় পর্বের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। ৭০ লাখ ডলার অর্থসহায়তায় এ পর্বে ২৫০ কারখানার জন্য কাজ করবে আইএফসি। কারখানার টেকসই ব্র্যান্ডিং, কমপ্লায়েন্স, নীতিগত সহায়তা ও বিনিয়োগে পরামর্শকের ভূমিকাসংক্রান্ত এ কর্মসূচির জন্য গতকাল আইএফসির সঙ্গে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যমের সঙ্গে সভা করে আইএফসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালে আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজার উইন্ডি ওয়ার্নার, সংস্থাটির জ্বালানি ও পানি-সংক্রান্ত পরামর্শক সেবার ম্যানেজার অ্যালেক্সিওস প্যান্টেলিয়াস, বাংলাদেশ প্যাক্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নিশাত শহিদ এবং বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। এ সময় দ্বিতীয় পর্বের কর্মসূচি ও আইএফসির বিদ্যমান কর্মসূচি নিয়ে গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারা। বৈঠকের পর পরই বিজিএমইএ ও আইএফসি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। পোশাক খাত থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য অর্জনে আইএফসির কর্মসূচি সহায়তা করবে কিনা— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অবশ্যই এ কর্মসূচিগুলো পোশাক খাতের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে। সরকারের অবকাঠামো সহযোগিতা থাকলে ৫০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য অর্জনে সমস্যা হওয়ার কথা না। যদিও গত ১০ বছরে পোশাক খাতের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ শতাংশ, কিন্তু গত অর্থবছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল দশমিক ২ শতাংশ মাত্র। এখন দেশের বাজারে জ্বালানি ও অবকাঠামো সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সামগ্রিক ও অনলাইন চাহিদার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারলে লক্ষ্য অর্জন করতে পারা উচিত বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজার উইন্ডি ওয়ার্নার অনুষ্ঠানে বলেন, প্যাক্টের কর্মসূচি বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক শিল্পকে টেকসই করতে সহযোগিতা করবে। এর আগেও আইএফসি খাতটিকে টেকসই করতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। পোশাক খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে ৬০টি কারখানাকে ৪ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার তথ্যও উল্লেখ করেন উইন্ডি। দ্বিতীয় পর্বের প্যাক্ট কর্মসূচি সম্পর্কে প্রোগ্রাম ম্যানেজার নিশাত শহিদ বলেন, বাংলাদেশে একটি টেকসই টেক্সটাইল সেক্টর তৈরিতে প্রথম পর্বের প্যাক্ট প্রোগ্রামের সফলতার পর দ্বিতীয় পর্বের কাজ শুরুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ‘বাংলাদেশ পার্টনারশিপ ফর ক্লিনার টেক্সটাইল’ (প্যাক্ট) নামে প্রথম পর্বে শুধু ডায়িং কারখানা নিয়ে কাজ করলেও নতুন কর্মসূচির আওতায় কাজের ব্যাপ্তি আরো বাড়বে বলে জানান তিনি। এর আগে গত বুধবার আইএফসির ঢাকা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় নিশাত শহিদ বলেন, অস্ট্রেলিয়া সরকারের ৭০ লাখ ডলার অর্থসহায়তায় প্যাক্টের দ্বিতীয় পর্বে ২৫০ কারখানার জন্য কাজ করবে আইএফসি। প্রতিষ্ঠানের টেকসই ব্র্যান্ডিং, কারখানার কমপ্লায়েন্স খাতের নীতিগত সহায়তা ও বিনিয়োগে কাজ করবে আইএফসি।
পড়া হয়েছে 198 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: রবিবার, 01 অক্টোবার 2017 09:52