11192018সোম
শুক্রবার, 15 সেপ্টেম্বর 2017 09:41

চালের মজুদ ঠেকাতে চলবে তল্লাশি-বাণিজ্যমন্ত্রী

নিউজ ফ্ল্যাশ প্রতিবেদক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, চালের বাজার অস্থির করার ইস্যুতে শক্ত পদক্ষেপ নেবে সরকার। চাল নিয়ে কেউ কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কে কোথায় চাল মজুদ করেছে, কী পরিমাণ অবৈধ চাল মজুদ আছে তা খুঁজে বের করা হবে। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে তল্লাশি চালানোর জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, বাজার অস্থিতিশীল করা নিয়ে মিল মালিকদের ডাকা হবে। মিল মালিকদের কেউ চাল মজুদ করে এই সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে চাল রফতানি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত খবর মিথ্যা ও বানোয়াট। আজ (বৃহস্পতিবার) বেনাপোল বন্দর দিয়ে চালের ট্রাক খালাস হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভারত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চাল রফতানি বন্ধ করেছে এমন তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভারত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেয়নি। ভারতের চাল বাংলাদেশে রফতানি হবে। মিথ্যা প্রচার চালিয়ে বাজার অস্থিতিশীল করতে ব্যবসায়ীরা এমন করেছেন। তারা টাকা দিয়ে এসব কাজ করিয়েছেন। ১৬ কোটি মানুষের এ দেশ নিয়ে খেলা করা ঠিক না। সংসদে মন্ত্রী বলেন, দেশে গোডাউনে চাল মজুদ রয়েছে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টন, পাইপলাইনে রয়েছে ৬ লাখ ২০ হাজার টন। ভিয়েতনাম থেকে আসছে আড়াই লাখ টন চাল। এর মধ্যে দেড় লাখ টন আসছে, আরও এক লাখ টন আসবে। কম্বোডিয়ার সঙ্গে ৩ লাখ টন আমদানির চুক্তি হয়েছে। সেই চালও চলে আসবে। আমাদের অভাব কোথায়? সংসদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানাতে চাই, কমপক্ষে এক কোটি টন চাল আমাদের ঘরে ঘরে আছে। কোনো সংকট নেই। মন্ত্রী বলেন, আমি মিল মালিক, ব্যবসায়ীসহ সকলকে আহ্বান জানাই সকলে যেন দেশপ্রেমিক হিসেবে যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন। চালের কোনো সংকট হবে না। আগামী রোববার থেকে ওএমএসের মাধ্যমে চাল বিতরণ করা হবে। আর ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ টাকার চাল বিতরণ শুরু করা হবে। আউশের উৎপাদন ২৭ লাখ টন :গতকাল সংসদে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, এবার আউশের উৎপাদন হয়েছে ২৭ লাখ টন। গত তিন বছরে সরকার আউশ উৎপাদনে প্রণোদনা দিচ্ছে। কারণ কৃষকরা বোরো ও আমন চাষ করতে চাইতেন, সে জন্য আউশের উৎপাদন প্রান্তিক পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। প্রণোদনা দেওয়ায় এবার গতবারের চেয়ে ৫ লাখ ৭৬ হাজার টন আউশ উৎপাদন বেড়েছে।
পড়া হয়েছে 199 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 15 সেপ্টেম্বর 2017 09:44