11212019বৃহঃ
রবিবার, 31 মে 2015 09:41

সাড়ে ৬২ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন ব্যবস্থায় কারিগরি ত্রুটি, বাজার সংশ্লিষ্টদের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আসন্ন বাজেটে বাজারবান্ধব নীতির প্রত্যাশা নিয়ে একটি সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবস বড় উত্থানের পর শেষ দুই দিনে বিক্রয়ের চাপ দেখা গেছে। তবে সূচক বাড়লেও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬১ পয়েন্ট। অর্থাত্ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। লেনদেন হওয়া ৩২৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ২০৩টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১১টির দর। অর্থাত্ সাড়ে ৬২ শতাংশ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর কমেছে। এদিকে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর কমলেও গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ বেড়েছে। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ১৭ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৮০ কোটি টাকায়। আর খাতভিত্তিক বাজার মূলধন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সপ্তাহ শেষে বস্ত্র ও চামড়া খাত ছাড়া সব খাতেরই বাজার মূলধন বেড়েছে। এ তালিকায় প্রথমে ছিল তথ্যপ্রযুক্তি খাত। এ খাতে বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের তুলনায় ৭ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। সিমেন্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর গড়ে ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। প্রকৌশল খাতের বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এদিকে সূচক বাড়লেও লেনদেনের গতি কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৭৪৭ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭৬৭ কোটি টাকা। গত সপ্তাহে বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ছিল খুলনা পাওয়ার। কোম্পানিটির ২৬৩ কোটি ৭৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৭ শতাংশেরও বেশি। আর ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ১২৬ কোটি ৫ লাখ টাকা।
পড়া হয়েছে 644 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: রবিবার, 31 মে 2015 09:56