09302020বুধ
শনিবার, 08 আগস্ট 2020 22:03

গাজীপুর কারাগারের কয়েদি নিখোঁজ : তদন্ত কমিটির কাজ শুরু, আরো দুজন সাময়িক বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে: গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বক্কর সিদ্দিক নিখোজের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে । শনিবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পযন্ত তদন্ত কাজ করে । কারাগার ভিতরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে কমিটির সদস্যরা । পরিদর্শন শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত আইজি প্রিজন কর্ণেল আবরার হোসেন কারা ফটকের সামনে সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে তদন্তের কাজ শুরু করা হয়েছে । কাজের অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে । তবে, তদন্তের সার্থে এ সম্পর্কে এখনই কিছুই বলা যাচ্ছে না। অল্প সময়ের মধ্যে তদন্তে র ফলাফল সম্পর্কে জানানো হবে। এসময় তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি প্রিজন এটিএম তৌহিদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জের সিনিয়র জেলার বিকাশ রায়হান তার সাথে ছিলেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাশিমপুর কারাগার-২ থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বকর সিদ্দিক নিখোঁজ হয় । শুক্রবার বিকেলে ছয় জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার নতুন করে দুজন সাময়িক বরখাস্তসহ দুদিনে প্রধান কারারক্ষীসহ মোট ৮ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কারাকতৃপক্ষ । এদের মধ্যে প্রধান কারারক্ষী, সহকারী কাররক্ষী ও কারারক্ষীরা রয়েছে। এদিকে, হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আবু বক্কর সিদ্দিক এখনো উদ্ধার বা গ্রেপ্তার হয়নি। তবে নগরের কোনাবাড়ী থানায় এ বিষয়টি মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তারের তৎপরতা চলছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ আনোয়ার হোসেন। এছাড়া পালানোর ঘটনায় গতকাল শুক্রবার কেন্দ্রীয় ভাবে কারা প্রশাসন ওই কারাগারের প্রধান কারারক্ষী সহ ছয়জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে এবং দায়িত্বে থাকা ছয়জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এছাড়া তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়ে। ঘটনার পর কারাগারের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। কাশিমপুর কারাগার সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেরার আবাদ চন্ডীপুরের বাসিন্দা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বকর সিদ্দিক গত বৃহস্পতিবার উধাও হয়েছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লক আপের পর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত হয়। আবু বকর সিদ্দিক ২০১১ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এসেছিলেন ফাঁসির আসামি হিসেবে। ২০১২ সালের ২৭ জুলাই তাঁর সাজা সংশোধন করে তাঁকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়। ২০১৫ সালের ১৩ মে সন্ধ্যায় তিনি আত্মগোপন করে সেল এলাকায় সেফটি ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। অনেক খোঁজাখুজি শেষে পরদিন তাঁকে একটি ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়।
পড়া হয়েছে 32 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শনিবার, 08 আগস্ট 2020 22:10

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা