11212019বৃহঃ
শুক্রবার, 04 আগস্ট 2017 16:55

ফরেনসিক প্রতিবেদনে ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

বগুড়া সংবাদদাতা বগুড়ায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষার ফরেনসিক রিপোর্ট পুলিশের হাতে পৌঁছেছে । মেডিকেল রিপোর্টে ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের একটি মেডিকেল বোর্ড বৃহস্পতিবার রাতে এই রিপোর্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এদিকে মা-মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তুফান সরকার ও তার সহযোগী মুন্নার দ্বিতীয় দফায় দুইদিনের রিমান্ড এবং একই সঙ্গে অভিযুক্ত নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকির চারদিনের রিমান্ড শেষ হচ্ছে আজ। ফরেনসিক প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে দাবি করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, গত রবিবার (৩০ জুলাই) আদালতের নির্দেশে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. কেএম শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ড ১ আগস্ট ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা শেষ করার পর বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের হাতে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান, রিমান্ডে থাকা তুফান, মুন্না ও রুমকিকে আদালতে নেয়া হবে। এর মধ্যে তুফান ও রুমকিকে পুনরায় ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানানো হবে। এর অগে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) বিকেলে জেলার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শ্যাম সুন্দর রায় মেয়েটির ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেন। ১৭ জুলাই ভালো কলেজে ভর্তির কথা বলে সদ্য মাধ্যমিক পাস করা এক শিক্ষর্থীকে বাসায় এনে ধর্ষণ করেন বগুড়া শহর শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক (বর্তমানে বহিষ্কৃত) তুফান সরকার। এরপর শুক্রবার (২৮ জুলাই) বিকেলে তুফানের স্ত্রী আশা, তার বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি ও তার মা রুমি বেগমসহ তাদের সহযোগীরা কাউন্সিলরের চকসুত্রাপুর এলাকার বাসায় শালিসের নামে মা-মেয়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন করে।
পড়া হয়েছে 243 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 04 আগস্ট 2017 16:59